আমার দেখা ‘৭১ এর মুক্তি যুদ্ধ!(তিন)

‘৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘটনা এত ব্যাপক, এতো বিশাল যে চাক্ষুষ সাক্ষী প্রতিটি বাঙ্গালী নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখলে দশ বিশ খণ্ডের বই হয়ে যাবে। তাই ভাবছি, শুধু সেই সব ঘটনা লিখবো, যেগুলি কিশোর মনে সবচেয়ে বেশী ছাপ ফেলছিল।

কালুরঘাট শাহ সাহেবের বাড়ীতে বেশ আছি। শহরের বাইরে, এদিকের মানুষের ভাবখানা , আমরাতো জিতেই গেছি। ওদের এখন এদেশ থেকে লেজ তূলে পালাতে যতক্ষণ বাকি! কিন্তু এর মধ্যে শুরু হলো ”

বিস্তারিত»

একটি ন্যাংটা হওয়ার গল্প ও কিছু কথা … …

১.
ঘটনার শুরু আমার ছোট বোনকে দিয়ে। হঠাৎ প্রসঙ্গক্রমে একদিন ওকে জিজ্ঞাসা করলাম, বলো তো বাংলা ভাষা কবে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায়? ওর সহজ-সরল উত্তর: ১৯৫২। আমি একটু রেগে গিয়ে বললাম, এটাও ঠিকমত জানো না! এরপর ওর সাথে আরেকটু কথা বলে বুঝলাম, বিভিন্ন রচনা-বই আর Text বই পড়ে পড়ে “জাতীয় জীবনে ভাষা আন্দোলনের ভূমিকা” – এই টাইপের রচনা লেখার জন্যে ভাষা আন্দোলন নিয়ে ওর যতটুকু জানা-শোনা তা-কে ২/৩ লাইনেই সাজিয়ে ফেলা যায়।

বিস্তারিত»

পারি না ; তাও চেষ্টা নেই

আমার কিছু নতুন ছবি । ঠিক নতুন বলা ভুল হবে । ব্লগে দেয়া হয়নি । এগুলি গত ফেব্রুয়ারীর এক্সিবিশনে ছিল ।

বিস্তারিত»

আপডেটঃ মুক্তিযোদ্ধা মেজর কামরুল হাসান ভূঁইয়ার সাথে সরাসরি আড্ডা, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে

আমাদের আশা ছিলো মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করার। কিন্তু আয়োজকদের ব্যর্থতায় খুব বেশি সংখ্যক মানুষের কাছ থেকে সাড়া পাওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে ভেন্যু এবং সময় পরিবর্তনের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। অনানুষ্ঠানিক আড্ডাটি হবে মেজর কামরুল হাসানের নিজ কার্যালয়ে। সময় পরবর্তীতে ঘোষণা পোস্টে জানানো হবে।

সবাইকে ধন্যবাদ।
________________________________________
আগামী ১০ই জুন বিকাল চারটা থেকে সন্ধ্যা মুক্তিযোদ্ধা মেজর কামরুল হাসান ভূঁইয়ার সাথে একটি আড্ডার আয়োজন করা হয়েছে।

বিস্তারিত»

“খুকি, সব্যসাচী ও একজন গুরুর গল্প”

মৃত্যুশয্যায় আজম খান

আজকে টিভিতে দেখলাম লাইফ সাপোর্ট দিয়ে বাংলা ব্যান্ড সঙ্গীতের গুরু আজম খানকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে। শুধু নাকি তার মস্তিষ্ক কাজ করছে।
হয়তো সাপোর্টও খুলে নেওয়া হবে।

ধরে নেওয়াই যেতে পারে এই মহান শিল্পী আর আমাদের মাঝে থাকবেন না। কিন্তু তার সৃষ্টি থাকবে।Screen Shot 2015-10-14 at 13.36.20

আমার প্রিয় ব্যান্ড শিল্পীদের মাঝে আজম খান সর্বত অগ্রে থাকবেন।

বিস্তারিত»

দুটি বই

বই পড়ার নেশা আমাকে পেয়েছিল বেশ ছোটবেলা থেকেই, কলেজে থাকা অবস্থায় সেটা পূর্ণ মাত্রা পায়, এমনকি বিএমএতে থাকতেও সেটা বিজায় ছিল (বিশেষ করে শেষের এক বছর)। কিন্তু ‘চাকুরী’ পুরোপুরি শুরু করার পর থেকেই বই পড়া প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছে। মাঝে মাঝে সুযোগ পেয়ে কিছু পড়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ পড়া সীমাবদ্ধ ছিল ছিল শুধুমাত্র গল্পের বইয়ের মধ্যেই, নিছক বিনোদনের উদ্দেশ্যে।

মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আবেগ,

বিস্তারিত»

গেরিলা দেখতে গিয়ে

নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত ছবি ‘গেরিলা’ মুক্তি পেলো ১৪ এপ্রিল, নববর্ষের দিন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর বানানো ছবি। গল্প নেয়া হছে সৈয়দ শামসুল হকের উপন্যাস ‘নিষিদ্ধ লোবান’ থেকে। চিত্রনাট্যে উপন্যাসের পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা পরিচালকের নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকেও গল্প নেয়া হয়েছে। মুক্তি পাওয়ার পরে আমার ছবিটা দেখতে যেতে একটু দেরি হলো। প্রথম সপ্তাহে পারলাম না, দ্বিতীয় সপ্তাহের মাঝামাঝিতে একদিন স্টার সিনেপ্লেক্সে গিয়ে টিকেট কাটলাম। এক সপ্তাহ আগেই ‘আমার বন্ধু রাশেদ’

বিস্তারিত»

অনুবাদঃ পাকিস্তান কিভাবে ১৯৭১ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেঃ কয়েকটি সাক্ষ্য

[কয়েকদিন আগে ই-লাইব্রেরি থেকে এই বইটি পড়ছিলাম। পড়ার পর মনে ভীষণ চাপ পড়ছিল, সেটাই আপনাদের সাথে ভাগ করে নিলাম। বইটি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর ওয়ার্ল্ড এফেয়ার্স কর্তৃক ১৯৭২ সালে প্রকাশিত। মোট ২৬ টি সাক্ষ্য এতে আছে। আমি শুধু প্রথমটাই অনুবাদ করার চেষ্টা করলাম। অনুবাদের দূর্বলতা হয়তো পুরো অনুভূতি তুলে ধরতে পারেনি, সেটার দায় আগে থেকেই মেনে নিচ্ছি। মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের ছবিটা ওই স্ক্যান করা বই থেকে নেয়ার কারণে এত খারাপ অবস্থা।

বিস্তারিত»

জবাই

শান দেয়া ছুরিটা দুই হাতে শক্ত করে ধরতেই সুলতান মিয়ার শরীর একটু কেঁপে ওঠে। হালকা কাঁপুনি, দুই সেকেন্ডেই হারিয়ে যায়। আঙুলগুলো নাড়াচাড়া করে সুলতান আরো শক্ত করে ধরে লম্বা বাঁকানো ছুরিটার বাট। বেলা প্রায় দ্বিপ্রহর। নামাজের ওয়াক্ত চলে গেছে। আজকে সারাদিন আকাশ মেঘলা বলে সূর্যের তেজ বুঝতে পারছে না সুলতান। ঘোলা ঘোলা মেঘের সাথে আজকে বেশ বাতাস ছুটেছে। গ্রামের মাঠে বাতাসের তোড়ে লুঙ্গি সামলানো কঠিন।

বিস্তারিত»

আমরা কি ক্ষমা করেছি?

আমি বরাবর এই ধরনের আলোচনা করার জন্য বিভিন্ন জনের কাছে নানা ধরনের কটু কথা শুনে আসছি তবুও আমি এই কথা গুলো বলব কারণ কাউকে না কাউকে তো বলতেই হবে।
১৯৪৮ সালে ধর্মের ভিত্তিতে এই উপমহাদেশকে দুইটি পৃথক র্র্রাষ্টে বিভক্ত করা হয় ভারত আর পাকিস্তান।যারা আমার মত মোটামুটি ইতিহাস জানেন তারা অব্যশই স্বীকার করবেন যে পাকিস্তান দেশটি সৃষ্টির পেছনে বাঙালি মুসলমানদের একটি বড় ধরনের সর্মথন ছিল বলেই এটা সম্ভব হয়েছিল।এর পেছনে কিছু রাজনৈতিক কারণ ছিল কারণ তদকালীন বাংলাদেশে যারা মুসলীম লীগ করত তাদের ধারণা ছিল যেহেতু বাঙালিরা সংথ্যাগরিষ্ঠ ছিল পৃথক দেশ হলে তাদের হাতেই দেশের ক্ষমতা থাকার কথা ছিল।কিন্তু তা না হয়ে আমরা হয়ে উঠলাম পশ্চিম পাকিস্তানের একটি উপনিবেশ।এরপরের সংগ্রাম আর রক্তের ইতিহাস আমাদের সবার জানা।

বিস্তারিত»

মুক্তিযুদ্ধে কুড়িগ্রাম

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ক’দিন আগে একটা দায়িত্ব আমাদের কাঁধে এসেছিল, তা হল কুড়িগ্রাম এলাকায় সংঘটিত বিভিন্ন যুদ্ধের উপর একটি রিপোর্ট তৈরি করা। এটা করার জন্য কয়েকদিন আগে আমরা টীম নিয়ে গিয়েছিলাম কুড়িগ্রাম, উলিপুর এবং চিলমারী এলাকায়। আমার সৌভাগ্য যে আমি এই কাজটিতে জড়িত ছিলাম। এত অজানা তথ্য , গুরুত্বপুর্ন ঘটনাগুলো সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই কোন ধারনা নেই। অথচ স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চলের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। এই উপলক্ষ্যেই বহুদিন পর আজ লিখতে বসা,

বিস্তারিত»

আসুন নিজের সংস্কৃতিকে বলাৎকার করি … …

১.
ঢাকার ৪০০ বছরের ইতিহাসে যে অপূর্ণতা ছিল, তা পূরণ হল এইতো মাত্র কিছুদিন আগে। অবিভক্ত সাংস্কৃতিক ভারত (বাংলাদেশ এবং ভারত) – এর বাদশাহ শাহরুখ খান ঢাকায় এসে আমাদের রাজধানী ঢাকার ইতিহাসকে ধন্য করে গেলেন। শাহরুখকে একটা কারণে অবশ্যই ধন্যবাদ দেই, তিনি আমার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন যে আমরা কিভাবে প্রতিনিয়ত আমাদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতিকে ধর্ষণ করছি । শাহরুখ ঢাকায় শো করে গেছেন –

বিস্তারিত»

ছোট মুখে বড় কথা

১৫-১৬ ডিসেম্বর, ২০১০।

– “জাগো বাংলাদেশ”
– “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই”
– “আমি গর্বিত”
– “রাজাকার নিপাত যাক”
– “৩০ লাখ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে পাওয়া সূর্য …………. ”

facebook এ এরকম অনেক status দেখলাম,
CCB তেও অনেক গরম লেখা পড়লাম।

সব্বাই সেদিন বাংলাদেশ নিয়ে অনেক বড় বড় কথা বলল। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে শোরগোল করল। সরকারের কি করা উচিত,

বিস্তারিত»

আমার এই পোষ্টাতে সবাই থু দিয়ে যান।।

ঘুমাইছিলাম, স্বপ্নে দেখলাম আমি ইয়াহিয়ারে থু দিতাছি। ঘুম ভাঙ্গার পর মনে হইল সব গুলারে যদি থু দিতে পারতাম! নেট ঘাইট্যা খুজলাম সব শু***গুলারে, তারপর আমি ইচ্ছামতন মনে মনে থু দিলাম, আপনারাও দেন, জামাতে।

সবার আগে এই শু***গুলারে
তারপর এই শু***গুলারে

সবচেয়ে বেশি এইটারে
সবচেয়ে বেশি এইটারে

আর এইটারে
টিক্কা খান।

তারপর… এই মহান প্রফেসর গোলাম আজম।
খুন করতে মঞ্চায়
এইটা দেখেন
!!

এই বেজন্মাটারে…

বিস্তারিত»

একজন শেখ আহমেদ জালাল এবং মুক্তিযুদ্ধের এক তথ্য ভান্ডার

একটা দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গূরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তাদের স্বাধীনতার ইতিহাস। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এই ইতিহাস সংরক্ষণের দ্বায়িত্ব সাধারণত প্রত্যেক রাষ্ট্রেই নেয় সরকার কিন্তু আমাদের দেশ যেন এক উলটো রাজার দেশ। তাই এদেশের পাঠ্য বইয়ে স্বাধীনতার ইতিহাস পরিবর্তন হয় প্রতি পাঁচ বছর পর পর, জাতীয় পতাকা উড়ে স্বাধীনতা বিরোধীদের গাড়িতে। প্রায়া আড়াইশ বছর আগে স্বাধীন হওয়া যুক্তরাষ্ট্র যেখানে তাদের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিখতে ব্যবহৃত কলম পর্যন্ত সংরক্ষণ করে তখন চল্লিশ বছর আগে স্বাধীন হওয়া আমাদের জাতীয় আর্কাইভ থেকে অযত্নে,

বিস্তারিত»