৭১-এ না লেখা চিঠি

কইছিলা, বেলা ডুবনের সময় আমারে দেখা দিবা,

রাঙ্গা নদীর পাড়ে, কলসী নিয়া ছিলাম আমি সেদিন।

তোমার নায়ের আশায়;

তারপরের দিন, তারও পরের দিন।

তুমি আসো নাই।

বিস্তারিত»

পচিশে মার্চের টুকরো স্মৃতি

একাত্তর সালের ২৫শে মার্চ রাতে ডিনার করে অন্য আর দশটা দিনের মতোই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ কি একটা হৈ চৈ-এ জেগে উঠি। দেখলাম সাংঘাতিক কিছু একটা ঘটে যাচ্ছে। আমরা তখন আগামসিহ লেনে থাকি। আমাদের বাসার সব বাতি নিভিয়ে মাটিতে শুয়ে পড়ি। উত্তর দিক, যে দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সেদিক থেকে ঘন ঘন গোলাগুলির শব্দ আসছিল। ঐ অবস্থায় কতক্ষন ছিলাম মনে নেই। হঠাৎ শুনলাম আগুন আগুন। দক্ষিন দিক,

বিস্তারিত»

আমি ক্ষমাপ্রার্থী, আমি লজ্জিত

অভিজিত রায় কে হত্যা করা হলো।
এই বাঙলায় আঘাত হানা হয়েছে শামসুর রাহমান এর উপর, হুমায়ুন আজাদ এর উপর, সৈয়দ শামসুল হক এর উপর, হাসান ইমাম এর উপর। দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন হাউদ হায়দার, তসলিমা নাসরিন। হত্যা করা হয়েছে রাজিব হায়দার (থাবা বাবা) কে, হত্যা করা হলো অভিজিত রায়কে।

কেনো জানি না শওকত আলীর প্রদোষে প্রাকৃতজন উপন্যাস এর কথা মনে পড়ে গেলো,

বিস্তারিত»

এ টি এম শামসুজ্জামান ও কয়েকটি প্রশ্ন

এটিএম শামসুজ্জামান এর জন্ম ১০ই সেপ্টেম্বর ১৯৪০ সালে। অভিনয়জীবন ৫৩ বছর। বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা, পরিচালক, কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার, সংলাপকার ও গল্পকার হিসাবে পরিচিত আবু তোরাব মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বা এ টি এম শামসুজ্জামান বা শুধুই এ টি এম। গ্রাম্য বদ মাতব্বর বা দুষ্ট কুচুটে চরিত্র হিসাবে চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি অনেকটা মাইলফলক করে ফেলেছেন। উপরোক্ত চরিত্র মাথায় আসলেই প্রথমেই মনে আসে এ টি এমের কথা।

যদিও তিনি চলচ্চিত্রে ১ম কাজ করেন পরিচালক উদয়ন চৌধূরির বিষকন্যা চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে ১৯৬১ সালে। 

বিস্তারিত»

বীরশ্রেষ্ঠ পরিচিতি

আমাদের গর্ব, আমাদের বীরশ্রেষ্ঠ
Screen Shot 2015-01-02 at 17.50.05

বীর শ্রেষ্ঠ বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পদক। যুদ্ধক্ষেত্রে অতুলনীয় সাহস ও আত্মত্যাগের নিদর্শন স্থাপনকারী যোদ্ধার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক দেয়া হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে এই পদক দেয়া হয়েছে ।

গুরুত্বের ক্রমানুসারে বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের অন্যান্য সামরিক পদক হল – বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পরই এই পদকগুলো দেয়া হয়।

বিস্তারিত»

বিজয়ের দিনে বিজয়ীর কথাঃ বিস্মৃত এক সুপারহিরোর গল্প

………………………রাআদ রহমান এবং মাসরুফ হোসেন

শুরুর কথাঃ

“What is it that makes these boys have no fear”???

আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র- ভারতীয় একটি মুভিতে এই সংলাপটি শুনে কেন জানি বিশাল একটা ধাক্কা খেয়েছিলাম। স্বাধীনতা সংগ্রামী ভগৎ সিং এবং তাঁর সংগীসাথীরা যখন ফাঁসির মঞ্চে হেঁটে যাচ্ছেন-তাঁদের দৃপ্ত পদচারণা দেখে ব্রিটিশ জেলার মিস্টার ম্যাককিনলে বিড়বিড় করে নিজেকেই এ প্রশ্নটি করছিলেন ।

বিস্তারিত»

মুক্তিযুদ্ধে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে
বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না।
দুঃসহ এ বেদনার কণ্টক পথ বেয়ে
শোষণের নাগপাশ ছিঁড়লে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না।
যুগের নিষ্ঠুর বন্ধন হতে
মুক্তির এ বারতা আনলে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না।
কৃষাণ-কৃষাণীর গানে গানে
পদ্মা-মেঘনার কলতানে
বাউলের একতারাতে
আনন্দ ঝংকারে
তোমাদের নাম ঝংকৃত হবে।

বিস্তারিত»

বেগম মুজিব

সপরিবারে শেখ মুজিবুর রহমান।

(বা থেকে শেখ কামাল, শেখ রেহানা, শেখ রাসেলকে কোলে বঙ্গবন্ধু, বেগম মুজিব, শেখ জামাল ও শেখ হাসিনা)

শেখ মুজিব পরিবার

একটি মহীরুহকে ওরা চেয়েছিলো সমূলে উৎপাটন করতে।
চেয়েছিলো ওরা একটি চেতনাকে বিনাশ করতে।

আজ বেগম মুজিবকে নিয়ে বলি।

১৯৩০ সালের ৮ই আগষ্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে ফজিলাতুন্নেছা জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র তিন বছর বয়সে পিতা শেখ জহুরুল হক ও পাঁচ বছর বয়সে মাতা হোসনে আরা বেগমকে হারান তিনি।

বিস্তারিত»

একজন শহীদের কথা

Humayun Ahmed

হুমায়ূন আহমেদ আমার কাছে একজন মিশ্র মানুষ। তার ছোটগল্প যতটা ভালো লাগে উপন্যাস ততটা লাগে না। কিছু কবিতাও তিনি লেখার চেষ্টা করেছেন ; ভালো লাগেনি। তবে তিনি কবিতা, পূর্ণিমা, বৃষ্টি, নদী, নৌকা পছন্দ করতেন এরকম প্রমাণ তার লেখা থেকে পাওয়া যায়।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বেশ কিছু উপন্যাস হুমায়ূন আহমেদ আগেই লিখেছিলেন। অনীল বাগচীর একদিন, ১৯৭১, সূর্যের দিন, আগুনের পরশমণি,

বিস্তারিত»

ধন্যবাদ রায়হান রশীদ ভাই কে।

আমি কিছুদিন পর পর রায়হান ভাই এর নোটটিতে যাই।
নোটে উল্লেখ করা প্রতিটি লিঙ্কে ক্লিক করে দেখি কি অবস্থা।

সিসিবির পাঠকদের জন্য পুরো নোটটা তুলে দিলাম।
পাঠকরা চাইলে মূল লেখা থেকেও ঘুরে আসতে পারবেন। লেখককে তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারবেন। লিঙ্ক এ ক্লিক করুন। 

বন্ধুবীক্ষণ !!

ভালো লাগা চেপে রাখা কোনো কাজের কথা না। ভাল লাগলে বলে ফেলবেন,

বিস্তারিত»

টাকা, ও আমার টাকা

বিতর্ক টা বেশ পুরানো। নতুন করে আবার উষ্কে দিলেন প্রবাদপুরুষ তাজউদ্দিন আহমেদ এর জ্যেষ্ঠ কন্যা শারমিন আহমেদ।
কি সেই বিতর্ক?
বাঙলাদেশের কারেন্সি নোটের সবগুলোতে বঙ্গবন্ধু/ মুজিব/শেখ মুজিবুর রহমান/জাতির পিতার ছবির ব্যবহার।
শারমিন আহমেদ এর বক্তব্যর ভিডিও

১ম বার যখন শেখ মুজিবের ছবি সংক্রান্ত বিতর্ক শুনি কোন উত্তর ছিলো না। শুধু মনে হয়েছিলো এতোটা বাড়াবাড়ি। কিন্তু এতোটা মানে কতোটা????

বিস্তারিত»

১৯৭১; শহীদ ক্যাডেট ও খেতাবপ্রাপ্তদের তালিকা

ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ

মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ (সানাউল্লাহ ভাই এর লেখার লিঙ্ক)

ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের নিম্নোক্ত প্রাক্তন ক্যাডেটরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেন :

  • মেজর আবদুল খালেক, ১ম ব্যাচ
  • ক্যাপ্টেন এ. কে. এম নুরুল আবসার, ২য় ব্যাচ
  • মো. মোশাররফ হোসেন, ৩য় ব্যাচ
  • ল্যাফটেন্যান্ট মো. আনোয়ার হোসেন, বীর উত্তম,
বিস্তারিত»

মুক্তিসংগ্রামে প্রথম ‘ ক্যাডেট শহীদ ’ হিটলু ভাই

Hitlu

 

 

 

 

 

 

২৯ মার্চ ১৯৭১।পাকিস্তানী দখলদার বাহিনী বগুড়া প্রবেশের  সময় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়। বীর বিক্রমে যুদ্ধ করেন ক্যাডেট শহীদ আব্দুল মোমেন হিটলু [ ২য় ইনটেক আয়ুব ক্যাডেট কলেজ ( রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ) ক্যাডেট  নম্বর ৩৫, দ্বাদশ শ্রেণী, কাসিম হাউস ]।অন্যরা পালিয়ে গেলেও তিনি ইউনাইটেড ব্যাংক অফ পাকিস্তান (জনতা ব্যাংক ) এর ছাদে অবস্থান করে লড়ে যাচ্ছিলেন।

বিস্তারিত»

বিরিয়ানি-পানি খাইলাম

DSC_1019-1

আজ লন্ডনের দ্যা রয়াল রিজেন্সি তে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত “বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন।

DSC_1111-1

আমার সৌভাগ্য হয়েছিলো অনুষ্ঠানটি কাভার করার।

প্রধান অতিথির ভাষণে তারেক রহমান ২৬ শে মার্চ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা ও জিয়াউর রহমানই যে বাংলাদেশের ১ম রাষ্ট্রপতি সে বিষয়ে প্রমানাদি দিয়ে বক্তব্য দেন।

বিস্তারিত»

বাণিজ্য

[এই পোস্টটি অনেকক্ষণ ভেবে দিচ্ছি। একান্তই নিজস্ব ভাবনা। লিপিবদ্ধ করে রাখা দরকার মনে করি, আর অন্যদের এই বিষয়ে ভাবনা জানারও আগ্রহ হচ্ছে কিছুটা।]

প্রথমেই রায়হান আবীর মনে করিয়ে দিল স্ট্যাটাসে যে, “আমরা যা, তা-ই আমাদের সংস্কৃতি” (তথ্যসূত্র/কপিরাইটঃ সামাজিক বিজ্ঞান বই)। এই সুযোগে ওকে ধন্যবাদ দিয়ে নিতে চাই। ডামাডোলে ভুলে যাই এসব সহজ সংজ্ঞা। ছোটবেলায় কত দ্রুত এসব মুখস্ত করতাম, এখন জীবনের পথ চলতে গিয়ে পদে পদে এসব সংজ্ঞার পুনঃপাঠে উপকৃত হই।

বিস্তারিত»