ভিনদেশকে সমর্থনের নামে সার্বভৌমত্বের অপমান : প্রতিরোধ এখনই

বাংলা কমিউনিটি ব্লগ অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ

আমরা চেয়েছিলাম এই বাংলার আকাশে চাঁদতারা নয়; বরং লাল-সবুজের একটি পতাকা মাথা উঁচু করে উড়বে। এই পতাকাটির জন্য আমরা বছরের পর বছর ধরে সংগ্রাম করেছি। অবশেষে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর ৪ লাখ মা-বোনের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে লাল-সবুজের এই পতাকাটি আমাদের হয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে একটি পতাকার জন্য এমন চরম মূল্য দেয়ার নজির দ্বিতীয়টি নেই।

বিস্তারিত»

মুক্তিযুদ্ধে হত্যা

নিজের প্রতি_

আজ খুব করে ঘৃণা জন্মেছে ;

দেশের প্রতি_

জন্মেছে আবেগপূর্ণ ভালবাসা।

ঘৃণার জন্যে বদ্ধ ঘরে_

কষ্টগুলি ঘিরে আছে চারপাশ,

আর শ্রদ্ধা-ভালবাসার জন্যে

অন্তরে, সম্মান প্রদর্শনের বসবাস।

চোখের সামনে অদৃশ্য_

কিছু দুঃস্বপ্নের গাঢ়-ছায়া,

সম্মানের এক শীতল দৃষ্টিতে

ভুবনে আগত শান্তির মায়া।

স্পষ্ট হচ্ছে অবচেতনে

ভেতরের সেই রুক্ষতা ;

বিস্তারিত»

২০১৩ এর পাওয়া – ল্যাঞ্জা

পহেলা/একলা জানুয়ারি ২০১৩ থেকে ৩১ শে ডিসেম্বর ২০১৩ এর ৩৬৫ দিনে কি কি পেলাম আর কি কি  হারালাম তার দিন ভিত্তিক হিসাব দিবো না। সময় ও নেই।

জয় বাংলা শ্লোগান আজ আপামর জনতার শ্লোগান।

দুষ্ট কাদের মোল্লার ফাঁসি অনেক কিছুই অর্জিত হয়েছে এই বছরে।

মানুষ পুড়িয়ে মারার মতো নৃশংস কাজ ও শুরু হয়েছে এই বছরে। এর আগে আমরা পিটিয়ে মানুষ মারা দেখতাম।

বিস্তারিত»

জাল পরা বাসন্তী

“আফতাব ভাইও মারা গেলেন। নৃশংস খুন। ইত্তেফাকে থাকতে পুরোটা সময় সময় আমি আফতাব ভাইকে পেয়েছিলাম। এখনো কানে বাজে আফতাব ভাইয়ের ডাক-‘মাসুম, ভাইয়া’।
কিছুদিন আগেই মারা গেলেন ইত্তেফাকের শফিকুল কবির ভাই। তিনি তাঁর একটা বই শুরুই করেছিলেন আমার নাম দিয়ে। কবির ভাইয়ের শেষ জীবনটাও কষ্টে কেটেছে।
কাকতালীয় হয়তো, তাও বলি। সেই ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময় জাল পরা বাসন্তীর বিখ্যাত ও অতি আলোচিত ছবিটি তুলেছিলেন আফতাব ভাই আর সংগের রিপোর্টার ছিলেন কবির ভাই।” 

বিস্তারিত»

আমার বড়চাচার চোখে ১৯৭১

ক’দিন আগেই বিজয় দিবস চলে গেল। দেশের এই পরিস্হিতিতে ঠিকভাবে বিজয় দিবসটা পালনও করতে পারলাম না। হরতাল-অবরোধের মাঝের এই ছুটির দিনটায় প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত কাজগুলোই প্রাধান্য পেল। যাইহোক এবার মূল বিষয়ে আসি। এর আগে আমি একটা লেখা দিয়েছিলাম আমার বাবার চোখে ১৯৭১। যারা লেখাটা পড়েছেন তারা সবাই এই লেখাটা আসা করেছিলেন। কিন্তু বরাবরের মতোই মকরা খ্যাতি পাওয়া আমি সময়ের অভাবে ও পেটের তাড়নায় নিজের সুনাম রাখতে সফল হয়েছি।

বিস্তারিত»

নিয়াজীনামা

ইমরান নিয়াজী

কি আর বলবেন
ইমরান খান ?
চাচা জেনারেল নিয়াজী।

Unfair Play

Following the footsteps
Of fallen General
AAK Niazi.

মউজ ইমরান

হাতিয়ার ডাল দো – চাচার এলান
মানে না তো রাও ফরমান।
তাই বুঝি সাথে আছে তেহরিক-ই-মউজ ইমরান।

Point Blank

Brainchild of Rao Forman
Point blank gun.

বিস্তারিত»

পলাশী থেকে রেসকোর্স

ভূমিকা

পলাশী থেকে রেসকোর্স বিশাল ইতিহাস
বনসাই রুপে প্রকাশিতে
ক্ষুদ্র এ প্রয়াস।

পলাশীর যুদ্ধ

ঘরের শত্রু মীরজাফর
স্বাধীনতার কবর
পলাশীর প্রান্তর।

সিপাহী বিদ্রোহ

অ্যানফিল্ড রাইফেলের কার্তুজ
ব্যারাকপুর থেকে শুরু
রুটির খামে দ্রোহের বার্তা।

দেশ বিভাগ

হাত মে বিড়ি মুখ মে পান
ছাপার ভুলে
পাকিস্তান।

বিস্তারিত»

নৌ-অবরোধ এবং পাইপের শহর

আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতি বলিষ্ঠ সমর্থন যুগিয়েছিলো বিভিন্ন রাষ্ট্র, ব্যক্তি বা সংগঠন।কোন কোন রাষ্ট্র আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামকে সমর্থন না করলেও তাদের জনগণ আমাদের পক্ষে ছিলো।এমনই একটি দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।যুক্তরাষ্ট্র সরকার পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহ করে গণহত্যায় সহযোগিতা করেছে।আবার এই দেশেরই সাধারণ মানুষ আমাদের সাহায্য সহযোগিতা করেছে নানা ভাবে। পন্ডিত রবি শংকর এবং ‘বিটলস’ এর বিখ্যাত শিল্পী জর্জ হ্যারিসন কর্তৃক আয়োজিত ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’-এর কথা আপনারা সবাই হয়তো জেনেছেন জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির কল্যাণে।

বিস্তারিত»

১৫ ই আগষ্ট ১৯৭৫ – প্রেক্ষাপট

হাতে লিখতে সময় লাগবে তাই বইটি সরাসরি তুলে দিলাম। লেখক লে কর্নেল (অবঃ) এম এ হামিদ, পিএসসি। বই- তিনটি সেনা অভ্যুথ্বান ও কিছু না বলা কথা। বইটি শিখা প্রকাশনি থেকে প্রকাশ করা হয়েছিলো। প্রথম প্রকাশকাল ১৯৯৩।

 

a b c d e
0 1 2 3 4 5 6 7

 

বিস্তারিত»

কিছু প্রশ্ন

হুমায়ূ্নের মেজর জিয়াঃআমার ভুল সুপারহিরো লিখাটা পড়লাম। আমি লিখা নিয়ে কোন মন্তব্য করব না। তোমার মত আমারও কিছু প্রশ্ন আছে। সেগুলো অনেকটা এরকমঃ
১। আমাদের যে সেনাবাহিনীতে আজকে যে শৃঙ্খলা বিরাজমান ১৯৭৫ সালে এর কতটা ছিল?
২। যখন ভাবি সেনানিবাসের ভিতর রাজনৈতিক নেতাদের অবাধ বিচরন এবং তারা সৈনিকদের সাথে অবাধে মিলামিশা করছেন আর সেনাবাহিনীর অনেক দৈনন্দিন কার্যক্রমের ব্যাপারে তার নাক গলাচ্ছেন তখন ব্যাপারটা কেমন হয়?

বিস্তারিত»

ভি ফর ভ্যানডেট্টা,ভি ফর ভিক্টরি

(কসাই কাদেরের আপিলের রায়ের খুশীতে তাড়াহুড়ো করে ফেসবুকে এই স্ট্যাটাসটি দেই।আগের ফেসবুক প্রোফাইলটি বিকল হয়ে যাওয়ায় ফেসবুকে অনেক পুরনো বন্ধু-বান্ধব/জুনিয়র/সিনিয়রকে আর খুঁজে পাচ্ছিনা।তাই সিসিবিতে শেয়ার দিলাম)

প্রত্যেক মানুষের জীবনেই এমন কিছু দৃশ্য আছে যা অসহনীয়।যা দেখলে পায়ের রক্ত মাথায় উঠে যায়,থাবড়ায়া কান-চাপা লাল করে দিতে মন চায়,রাগে দাঁত কিড়মিড় করতে করতে গালের মাংসে কামড় লেগে যায়।

আমার জীবনের (বোধকরি বাংলাদেশের আরও অনেকের) এরকম মাথা গরম করা একটা দৃশ্য হলো কাদের মোল্লার “V”

বিস্তারিত»

“কি অয় এই সনদ দিয়া? সনদ দিয়া কি পেট ভরে??”

কুরবানির ঈদ বিধায় গরু কাটার কাজ শেষ করেই ছুটতে হয়েছে মাংস বিলির কাজে। সারা পাড়া মাংস দিয়ে আসছিলাম, তখন ট্রেতে অনেক মাংস বাকিই ছিল। অনেকেই নিজের ভাগটাও দিয়ে পাঠিয়েছেন। তো বাসায় আসার পথেই হাতের বামে মসজিদ পরে। ঐ মসজিদেই জুম্মা ও অন্যান্য নামাজ আদায় করি আমাদের পাড়ার সবাই। সেই মসজিদের সিঁড়িতে দেখি একজন বৃদ্ধ বসে আছেন ছেঁড়া একটা পাঞ্জাবি আর লুঙ্গি পড়া। পাশে একটা প্লাস্টিকের ব্যাগ।

বিস্তারিত»

ধর্ষিতা

মে মাসের বৃষ্টিভেজা কোন এক রাত ছিল। পাশের বাড়ির তুলির মায়ের কাছ থেকে দু’কোচ চাল ধার করে এনে রান্নায় চড়িয়েছিল রঞ্জনা। বৃদ্ধা মা চৌকিতে শুয়ে বাতের ব্যাথায় কাতরাচ্ছিলেন। তিন বছরের পুত্র নিলয় ক্ষুধায় কাতর হয়ে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পড়েছিল। পাঁচ বছরের অরিন্দম তখনো কাঁদছিল। এমতাবস্থায় ঘটনাটা ঘটল। রঞ্জনা স্পষ্ট শুনতে পেলেন বকরের কন্ঠ। পাশের বাড়ির তুলির ওপর ওপর নজর রাখত এই বকর। একবার পুকুরপাড়ের বাঁশবনে একা পেয়ে নষ্টামির সুযোগও নিয়েছিল,

বিস্তারিত»

একাত্তরে দুইটি “নেয়ার ডেথ” অভিজ্ঞতা ও এর সাথে সংস্লিষ্টগণ

একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলা কালে অন্তত দুইবার আমার আব্বা নিশ্চত মৃত্যুর খুব কাছ থেকে বের হয়ে এসেছিলেন।

প্রথম ঘটনাটা এইরকমঃ
সানাউল্লাহ নামে নড়াইল তুলারামপুরের বাসিন্দা এক রাজাকার কমান্ডার ছিলেন নড়াইল সদরের দায়িত্বে। তাঁর কিছু প্রতিনিধি তৎকালীন নড়াইল বাসস্ট্যান্ডে থেকে তাঁর আইজ এন্ড এয়ার হিসাবে লক্ষ রাখতেন যারা আসা যাওয়া করছেন তাঁদের মধ্যে পাকিস্তানবিরোধি বলে সন্দেহভাজন কেউ আছেন কিনা।
জুন মাসের প্রথম দিকে আমাদেরকে মায়ের মাতুলালয় লোহাগড়া থানাধীন পাচুরিয়া গ্রামে নিরাপদ আশ্রয়ে রেখে আব্বা জীবিকার সন্ধানে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন।

বিস্তারিত»

গোলাম আজমের এসি চাই।

একজন আলেম বুজুর্গ ব্যক্তিকে ৯০বছরের জেল !!! আল্লাহর লানত পরবে। গজব আসবে, গজব। অতিশয় বৃদ্ধ, অসুস্থ, মৃতপ্রায় একজন আলেম মানুষের ওপর বড় জুলুম !!! আল্লাহ আমাদের এই অন্যায় থেকে রক্ষা করুন।

মানলাম আদালতে ওনার শাস্তি হইছে ৯০ বছরের জেল। সরকারের হয়ত কিছুই করার নাই, সবই আদালতের রায়। তাই বলে উনার জন্য তো সরকার এই ৯০বছর সামান্য আরাম আয়েসের ব্যবস্থা করতে পারে। পিজি তে ওনাকে এটাচ বাথ ওয়ালা কেবিন দেয়া হয়েছে এজন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি সরকারের প্রতি।

বিস্তারিত»