ভিন্ন জানালা দিয়ে দেখা

ভূমিকা

এই লেখাটি প্রকাশের ব্যাপারে আমার মনের দ্বন্দ এখনও ঘোঁচেনি। স্বাধীনতার পর প্রায় দীর্ঘ ৪০ বছর পার হতে যাচ্ছে, কিন্তু আমাদের মনের গভীরে যে দীর্ঘ ক্ষত তা কি এখনও শুকিয়েছে ? নতুন প্রজন্ম যে আবেগ ভরা স্বাপ্নীল চোখে স্বাধীনতার সংগ্রামী সেনানীদের দেখে – তাদের মনে কি এই লেখা কোন ভুল ধারণার সৃষ্টি করবে? সেটা তো আমার কাম্য না। কিন্তু আমি নিজের চোখে যা দেখেছি,

বিস্তারিত»

ওয়ার ক্রাইম্‌স স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম (WCSF)

[এই লেখাটি মূলত WCSF এর মূল পোর্টাল অনুসরণে ইংরেজি থেকে বাংলা করা। লেখাটি প্রথমে মুক্তাঙ্গনে প্রকাশিত হয়েছে। সেখান থেকেই হুবহু কপি করে সিসিবিতে দেয়া হল, মূলত বার্তাটি সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে।]

War Crimes Strategy Forum (WCSF) স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা বিভিন্ন সংগঠন ও সংগঠনবহির্ভূত কর্মী-সংগঠকদের একটি জোট, যার মূল লক্ষ্য যুদ্ধাপরাধীদের আসন্ন বিচারপ্রক্রিয়াকে সর্বতোভাবে সহায়তা করা,

বিস্তারিত»

অস্ত্র থেকে অক্ষরঃ একজোড়া লড়াকু হাতের গল্প

ভারতীয় একটি সিনেমা দেখেছিলাম বেশ ক’দিন আগে।বাণিজ্যিক সিনেমা হলেও গল্পের ভিন্নতার কারণে মনে বেশ খানিকটা দাগ কেটেছিলো সিনেমাটি।গল্পের নায়ক ছিলেন ৭০ বছরের বৃদ্ধ এক প্রাক্তন বিপ্লবী,যিনি কিনা ভারতের স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও দেশে জেঁকে বসা অনিয়ম,অন্যায় আর দুর্নীতি রুখতে আবার হাতে অস্ত্র তুলে নেন।দেশপ্রেমের পটভূমিকায় ভিন্নস্বাদের এ সিনেমাটিতে অভিনয় করেছিলেন কমল হাসান-দ্বৈত ভূমিকায় দুটি ভিন্ন যুগের ভিন্ন দুই লড়াইকে তিনি যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন,তাকে শুধু বাণিজ্যিক বলে উড়িয়ে দিলে সম্ভবত বেশ অবিচারই করা হবে।

বিস্তারিত»

প্রশ্নবোধক এক জিয়াউর রহমান

আমাদের কাউন্সিলের নাম টাওয়ার হ্যাম্লেট। এই কাউন্সিলের আন্ডারে একটা ফ্রী লাইব্রেরী আছে যার অনেকগুলো ব্রাঞ্চ। প্রচুর বাংলা বই থাকার কারণে আমি এখানে প্রায়ই যাই। তো সেদিন রাজিব ভাই(বিসিসি-১৯৯০-১৯৯৬) একটা বই ইস্যু করলেন “হিটলার থেকে জিয়া” লেখক মিনা ফারাহ। ভাইয়ার পড়া শেষ হওয়ার পর আজকে আমি পড়ার জন্য নিলাম ভুমিকা পড়ে তো অবাক এইসব কি লিখা আগেতো কখনও শুনিনাই। তাই চিন্তা করলাম সবার সাথে বইটার ভুমিকাটা শেয়ার করি দেখি এটার সত্যতা কটটুকু।

বিস্তারিত»

স্টপ জেনোসাইডের লিংক এবং একটি অনুরোধ

১।
ওয়ার্ক গ্রুপ মিডিয়া আর্কাইভ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে রায়হান রশিদের ভাইয়ের মেইলে লিংকের জের ধরে মুক্তাঙ্গনে ইমতিয়ার শামীম ভাইয়ের পোস্টে, মুয়িন পার্ভেজ ভাইয়ের কমেন্টে স্টপ জেনোসাইডের লিংকগুলো পেলাম। লিংক গুলো মিডিয়া আর্কাইভে যোগ করতে করতে ভাবলাম, দারুন এই ডকুমেন্টারিটা হয়ত প্রিয় সিসিবির অনেকেই দেখেনি। তাই লিংক্টা তুলে দিলাম।

এটা দেখতে দেখতে সবার অনেক কথাই মনে হবে, কান্না পাবে, যেমন আমার হয়েছিল,

বিস্তারিত»

বিবিসি বাজার: মুক্তিযুদ্ধের অজানা কথন

জায়গার নাম বিবিসি বাজার। তাই বলে জায়গাটা কিন্তু লন্ডনে নয়। এমনকি সেখানে কোন বেতার কেন্দ্র কিংবা বেতার উপকেন্দ্রও নেই। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ আর সেই যুদ্ধে বৃটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (বিবিসি)-এর গৌরবময় স্মৃতি ধারণ করে ধন্য আজকের বিবিসি বাজার। ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপূর বাজারের নাম হয়েছে বিবিসি বাজার। এই বাজারের নেপথ্য নায়কের নাম আবুল কাশেম মোল্লা।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রূপপুর এলাকাটি বেশ জঙ্গলাকীর্ণ ছিল। এর সন্নিহিত হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এবং পাকশী পেপার মিল- দুটোই ছিল পাকবাহিনীর বিশাল বহরে সজ্জিত।ঘন গাছগাছালিতে আচ্ছাদিত অপেক্ষাকৃত নিরাপদ স্থান রংপুর কড়ই তলায় গ্রামের যুবক আবুল কাসেম মোল্লা এপ্রিল(১৯৭১) মাসের প্রথম দিকে একটি চায়ের দোকান দেন।

বিস্তারিত»

মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের বীর যোদ্ধারা

[লেখাটির একটি ভূমিকা প্রয়োজন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ইদানিংকালের পড়াশুনায় আমি ঢাকার ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য বদিউল আলমের চরিত্রে আকৃষ্ট হই। একাধিক বই ও সাক্ষাৎকারে তার অবদানের কথা জেনে ফকক’র প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসাবে গর্ব বোধ করি। বদি ভাইকে নিয়ে একটা লেখার তাড়নাও অনুভব করছিলাম গত এক বছর ধরে। এবার ডিসেম্বরে ফৌজদারহাটের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবে একটা “মেমোয়ার” সম্পাদনার দায়িত্ব আকষ্মিকভাবেই কাঁধে চাপে। অফিসের কাজের চাপে একটু চিন্তিতই ছিলাম এর ভবিষ্যত নিয়ে।

বিস্তারিত»

একুশের পাঠশালায় একজন বৃষ্টি … …

১.
সে অনেক কাল আগের কথা। আজ অনেক দিন পরে যৌবনের সেই টকটকে দিনগুলোর কথা মনে পড়ছে। ইস্ , কী দূর্দান্ত ছিল সেই দিনগুলো!!!বৃষ্টি আমরা ৬/৭ জন বন্ধু ছিলাম একে অন্যের জানের জান। আর আজ? কে কোথায় আছে, কে জানে! “বৃষ্টি”র জন্যে আজও খুব খারাপ লাগে; না জানি, কেমন আছে বেচারী! রাতুলকে ভালবাসতো ও, খুব ভাল ছেলে ছিল রাতুল। যেমনি চেহারা ,

বিস্তারিত»

ক্ষমা প্রার্থনা এবং একটি প্রস্তাব

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে
বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না
আমরা তোমাদের ভুলব না।

এটুকু আপাতত শুধু গানের কথাই; জীবনবৃত্তের ব্যস্ত চক্রে বছরের গুটি কয়েকদিনই গানটির জন্য বরাদ্দ। বাকি দিনগুলি যে বিস্মৃত হতেই হয়; কীই বা করার আছে বলুন। আর সবকিছু তো মনে রাখাও যায় না; তাই না। এই দেখুন না; গত সেমিস্টারে যে অর্ধপরিবাহীর সূত্রগুলো আঁওড়ে গিয়েছি;

বিস্তারিত»

একজন অখ্যাত মুক্তিযোদ্ধার গল্প

চারু মিয়া সর্দারের তিন মেয়ে, দুই ছেলে। বড় ছেলে মোঃ সুলতান মিয়া সর্দার আর ছোট ছেলে মোঃ সিদ্দিকুর রহমান। ছোট ছেলের নামের শেষে ‘সর্দার’ না রাখার কারন পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া সর্দারীটা যেন বড় ছেলে পায়। শুধু তাই নয়, বড় ছেলের জন্য সব ভাল ভাল খাবার, জামা কাপড়, আর অন্যান্য যত্নের যেন কোন ত্রুটি না হয় সে বিষয়ে স্ত্রীকে সবসময় মনে করিয়ে দেন। বড় ছেলেকে তো সর্দার বানাতে হবে।

বিস্তারিত»

মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা এবং কিছু ভাবনা

মাঝে মাঝেই ভাবি, সেইসব মানুষগুলির কথা যারা নিজের স্বার্থ উপেক্ষা করে কোন কিছু না ভেবেই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কোন কিছু চিন্তা না করেই…জীবনের নিশ্চয়তা নেই জেনেও। কত্ত সাহসী ওরা…কত্ত নিঃস্বার্থ ওরা…কত্ত নির্লোভ ওরা। ওরা তো আমাদেরকে শিখিয়ে গেছে দেশকে কিভাবে ভালোবাসতে হয়…। ঠিক যেমন আল্লাহ-তা’লা মানুষের হেদায়েতের জন্য যেভাবে নবী রাসুলদের পাঠিয়েছিলেন, ঠিক সেভাবেই যেন দেশকে কিভাবে ভালোবাসতে হয় তা শেখানোর জন্যই হয়তো আল্লাহ এই মানুষগুলোকে পাঠিয়েছিলেন আমাদের মাঝে।

বিস্তারিত»

বিজয়ের দিনে আমাদের প্রজন্মকে

আজ বাংলাদেশের ৩৯ তম বিজয় দিবস। বিজয়ের দিনে নানা মানুষের নানা রকমের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন দেখলাম, যার সর্বাগ্রে আছে যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়টি। যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়টি অনেক জটিল একটি বিষয়, যা হুট করে করা সম্ভব নয়, এর জন্যে আন্তর্জাতিক আদালতের কাছ থেকেও অনেক আইনি সাহায্য ও বিপুল তথ্যপ্রমাণের প্রয়োজন, যা সঠিকভাবে প্রয়োগ করার মতো যথেষ্ট প্রজ্ঞা বাংলাদেশের আছে। আমাদের প্রবল ইচ্ছা এবং সামর্থ্যের সহযোগে এ দেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার হবে,

বিস্তারিত»

ঘৃণাবাক্য

আমি “ঘৃণা” করি তাদের, যারা বাংলাদেশকে পাকিস্তান করেই রাখতে চেয়েছিল; আমি “ঘৃণা ঘৃণা” করি তাদের, যারা স্বাধীন বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বা ছোট্ট পাকিস্তান/ সৌদিআরব বানাতে চায়; আমি “ঘৃণা ঘৃণা ঘৃণা” করি তাদের,যারা আমজনতা ছদ্মবেশে শর্টকার্টে বেহেশত পাবার লোভে সেই সাম্প্রদায়িকতাকে চেতন কিংবা অবচেতন ভাবে সমর্থন করে।

বিস্তারিত»

চরমপত্রের একদিন

আমি স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি। তাই স্বপ্ন দেখি বিচার হচ্ছে সেইসব ঘাতকদের যারা একটা শিশু জন্মাবার আগেই তাকে চরম আঘাত করেছিল ডিসেম্বরের এই ১৪ তারিখ আটত্রিশ বছর আগে। তাই বিচারের স্বপ্নে আঙ্গুল গুনি, বছর গুনি। আটত্রিশ বছর। হয়ত ক্রমান্বয়ে এই সংখ্যাটার বেড়ে চলা মনে হতাশা বাড়ায়। কিন্তু এইসব হতাশা ঝেড়ে ফেলতে চাই। তাই খুঁজে ফিরি আটত্রিশ বছর আগে সেইসব যুদ্ধ বিজয়ী মানুষ গুলোর মনোবলের ভান্ডার। আশায় থাকি নিশ্চয় একদিন শেষ হবে আমাদের এই বছর গণনা।

বিস্তারিত»

যুদ্ধপরাধ : ১৬ ডিসেম্বরের আগেই তদন্তকারী নিয়োগ হবে

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিষয়ে আগামী ১৬ ডিসেম্বরের আগেই বাস্তব কাজের অগ্রগতি সরকার দেখাতে পারবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। তিনি স্পষ্ট করেই জানিয়েছেন, এদের বিচারের বিরুদ্ধে বাইরের কোনো শক্তির চাপ নেই। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংন্থা, মানবাধিকার সংগঠন ও দেশ, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের দিক থেকেও যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে কোনো চাপ নেই। তারা বরং আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য বিচার দেখতে চায়। এক্ষেত্রে সহায়তাও দেবে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।

বিস্তারিত»