৭
আজ শুক্রবার। ক্যালেন্ডারে মার্চের প্রথম সপ্তাহ চলছে। ঝকঝকে একটা সকাল। ছুটির দিনের আয়েশী প্রাতঃরাশ শেষে, বারান্দায় বসে আকাশ খবরের কাগজ দেখছিলো। অধিকাংশ খবরই মনটা খারাপ করে দেয়। চারিদিকে অপরাধ, নৈরাজ্য, হতাশা, নিরাশা আর অজস্র লোক দেখানো কারবার। আসলে সঠিক জায়গায় সঠিক লোক সঠিক সময়ে থাকে না বলেই আমাদের আজ এই অবস্থা। আর দিন দিন এ অবস্থা অস্বচ্ছ হয়ে উঠছে…।
সেই ফাগুনের গল্প
আর একটা ফাল্গুন চলে এলো আবার; আরেক ফাল্গুন। উহু ! লাল হয়ে যাওয়া কোনো শিমুল গাছ চোখে পড়েনি, কিংবা কালোচুড়া …
সময় কাটছে ফেসবুক- এ
সে সময়টাতে এই রাতটা ঘুমহীন কাটতো দেয়াল পত্রিকার কাজে, শেষ রাত পর্যন্ত। কাজ প্রায় শেষ…তবু শেষ হয়না যেন! সিগারেট চলছে খানিক বিরতিতে, রিজওয়ান এক মনে ছবির আউটলাইন ধরে কাচ বসাচ্ছে … হাতের লেখা ঠিক রেখে দ্রুত কলম চালাচ্ছে আন্দালিব।
বিস্তারিত»২১ ফেব্রুয়ারী- কিছু আক্ষেপ আর বৈপরীত্যের ছবি
রহমান ভাইয়ের ব্লগটা পড়লাম। ভাবতেই ভালো লাগে -এত দুর্নীতি, অবিচারের মাঝেও আমাদের এখনো গর্ব করার মতো কিছু আছে। তবে আমার কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে যা বাংলা ভাষাকে নিয়ে আমার অহমবোধের পাল্লাটাকে অনেকটাই হালকা করে দেয়। হয়তো ভালো লাগবে না তবুও কিছুটা বৈপরীত্যের ছোয়া দিতে যাচ্ছি; যদিও আয়নার এই অপর পিঠটা প্রায় সবাই কম-বেশি দেখে ফেলেছেন।
ঘটনা -১
মাত্র ২ ঘন্টা হলো টরন্টো শহরে পা রেখেছি,
গল্পের মত জীবন
{আজকে আট বছর আগের একটা গল্প বলব। আমি খেয়াল করলাম ব্লগে এখন পর্যন্ত কোন স্মৃতিমূলক পোস্ট দেই নাই। এটা সেই প্রচেষ্টার শুরু হউক।}
সময়টা ২০০১ সাল, জানুয়ারি মাসের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহ হবে। স্থানঃ বদর হাউসের ডর্ম-৫, ঝকক। আমি ডর্মলীডার। ডর্মে আমার সাথে আরো চারজন আছে ইলেভেনের। একটু আগে ফারহান আসছে, লাইটস আউট হয়ে গেছে কিন্তু আমরা এমন উত্তপ্ত ঝগড়া করতেছি যে লাইট নিভানোর কথা কারোরই মনে নাই।
বিস্তারিত»“আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” উপলক্ষ্যে কিছু কথা
আজ ২১ শে ফেব্রুয়ারী। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এবং আমাদের মহান ভাষা দিবস। এই দিবসের ইতিহাস আমরা সবাই জানি, তাই এখানে আমি ইতিহাস বর্ণনা করতে যাবনা, শুধুমাত্র এ সংক্রান্ত দু/একটি ঘটনা এবং আমার অনুভুতিটুকু শেয়ার করার চেষ্টা করব।
মূল লেখাতে প্রবেশের পূর্বেই এই দিন উপলক্ষ্যে আমি আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শ্রদ্ধা, ভালবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাই ৫২’র ভাষা আন্দোলনে শহীদ সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার… সহ সেই সব বীর ভাষা সৈনিকদের প্রতি,
বিস্তারিত»স্বপ্ন ! চতুর্থ পর্ব।
৬
ক’দিন হলো, অফিসে কাজের চাপ বেড়েছে। আকাশে’র দুইটা প্রজেক্ট ফাইনাল অ্যাপ্রুভাল পেয়ে যাওয়ায় ও এখন পুরা দৌড়ের উপর আছে। প্রজেক্ট দু’টি হচ্ছে- ধানমন্ডিতে একটা তিন তালা বাড়ী আর বনানীতে একটি কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স। ব্যস্ততার যাতাকলে – পেরিয়ে গেল গোটা এক পক্ষ। এ সময়ের মধ্যে সেই বিশেষ দিনটি মনের আয়নায় যে আচড় কেটেছিল, ঐ দিকে তাকানোর আর সু্যোগ আকাশে’র হয়ে উঠলো না ।
আমার (প্রায়)নির্বান লাভ
ডানপাশে ঊড়ুক্কু পলিথিনের ব্যাগ হাওয়ার নিঃশ্বাসে ফুলছে ফাপছে, বাতাসে কর্কশ ধূলো ,নিশ্বাসে রিসেশনের দুর্যোগকালীন দামী জ্বালানীর পোড়া সৌরভ, শাহবাগের মুড়িভর্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম বিশাল এক টসটসে টোপ হয়ে। চারপাশের নাগরিক মাকড়শার জালে আটকানো ,কুকড়ানো নষ্ট আকৃতির জীবনটা ফেরি ঝুলিয়ে ধেয়ে আসছে টোপ গেলার জন্যে। পাকস্থলীর জারক এনজাইমে সাতড়ানো অবস্থায়ই সাধারনত আমার দুঃস্বপ্ন গুলো শেষ হয়। সেদিন শেষ হল নারী দেহের বক্র অনুপ্রবেশে। হতাশ ভাবে ভাবলাম “মেয়েমানুষ!!
বিস্তারিত»ঘুম সমাচার (আবার!)
তাইফুর ভাই যখন আমারে আবিষ্কারকের খেতাবটা দিয়াই ফালাইলেন তখন আরো কিছু প্রমাণ দেইঃ
জুনায়েদ কবীর ভাইদের ব্যাচমেট জাকির ভাই আমাদের দেখা এক বিখ্যাত ‘ঘুমার’ ছিলেন, যাকে দেখা যেত যে গ্রাউন্ড-এ সবাইইইই ফল ইন-এ দাড়ায় আছে (ইনক্লুডিং এডজুট্যান্ট), উনি টাওয়েল পেচায় টুথব্রাশ নিয়া বাথ্রুমের দিকে ছুটতেসেন। এডজুট্যান্ট ইউসুফ স্যার (ex-cadet PCC; এই জাগার খবর জানেন কিনা জানিনা) হাক-ডাক দিতেনঃ “জাকির, ডাবল আপ”… কিন্তু জাকির ভাই ডাবল হইতেন না,
বিস্তারিত»আমিনের প্রশ্নের উত্তরে “জীবনের অর্থ” নিয়ে আমার ভাবনা
আমি একবার আমিন (১৯৯৬-২০০০) এর একটা মন্তব্যের বিরোধিতা করেছিলাম যে “জীবনের সবচেয়ে বড় অর্থ তার নিরর্থকতায়”। সে জানতে চাইল কেন? সেটাই বলছি এখন। –
একটু ভালো করে লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে যে, এই অনুমানটা একটা স্ববিরোধী ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে। এখানে জীবনকে যে দুটো বিশেষণে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে- অর্থ এবং নিরর্থ- এরা পরস্পরের বিপরিত। একটার অনুপস্থিতি আরেকটার উপস্থিতির পূর্বশর্ত। অর্থ না থাকলেই কেবল নিরর্থ সম্ভব,
বিস্তারিত»থার্সডে নাইট
থার্সডে নাইট… বৃহস্পতিবার রাত মানেই অন্যরকম এক উত্তেজনা। কালকে সকালে পিটি প্যারেড নেই এই খুশিতেই কেমন করে যে থার্ড প্রেপটা শেষ হয়ে যেত। তারপত ইউক্যালিপ্টাসের ছায়া মাড়িয়ে হেঁটে হেটে হাউজে আসা। একটু দূর থেকে হাউজটাকে মনে হতো বন্দরে নোঙ্গর করা এক বিশাল জাহাজ! ডেকে নাবিকদের ছোটাছুটি… হাঁকডাক।
রোববার থেকে ফোর্থ ইয়ার ফাইনাল, ব্রাউজার ট্যাবে স্পার্কনোটস লিখতে গিয়েও সিসিবিতে ঢুকে যাচ্ছি। আমার অবাধ্য আঙ্গুল গুলো মস্তিষ্কের অনুশাসন মানতে চাইছেনা।
বিস্তারিত»অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একটি বাংলা অনলাইন কমিউনিটি শুরু করেছে। ভিসিট করুন এখানে। একজন আন্তর্জাতিক সদস্য হিসেবে যোগ দিতে চাইলে যান এখানে এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত সমস্যাগুলো তুলে ধরুন।
আপনিই তো পারেন বদলে দিতে…(কপিরাইট জুনা ভাই, সরি, বেগম জুনাকেয়া আপা :-B )
অমর একুশে বইমেলার ২৯১ নম্বর স্টলেও ১৫ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারী সদস্য হওয়া যাবে। (এখানে সদস্য হলে স্বাগত পুরস্কার পাওয়া যাবে :awesome: ) (খুব জোশ স্বাগত পুরস্কার :awesome: :awesome: )
বিশেষ ধন্যবাদঃ ক্যাডেট দিলশাদ 😀
ঊনবিংশ ফেব্রুয়ারিঃ ঘূর্ণাবর্তের দিন
আজকে রোদ উঠেছে। চড়চড়ে তামাটে করে দেয়া রোদ। সরাসরি চামড়ার ভাঁজে ঢুকে যাচ্ছে। আমি বাইরে বেরিয়েছি সকালেই, এক বন্ধুর সাথে। সে বাসায় এসেছিল, ওকে নিয়ে বেরিয়েই টের পেয়েছি তুমুল উৎসবে মেতেছে সূর্য। অনেকদূর থেকে তার উত্তাপ আসছে শলাকার মতো বিঁধে ফেলছে আর আমি জড়বৎ সম্মোহিত হচ্ছি। সেই রূপালি-রেলিং পেরিয়ে নিয়মানুগ রিকশায় উঠি/ কালো চামড়ায় ফুলে ওঠা রগ দেখি/ স্বল্পচুল মাথা থেকে গড়িয়ে পড়া জ্বলন্ত ঘাম দেখি।
বিস্তারিত»দুষ্ট গান নিয়া একটা পুস্ট
লাবলু ভাই, আমার বড় ভাই। আমারে গান নিয়া পুস্ট দিতে মানা করছে। তাই শুরুতেই :frontroll: :frontroll: :frontroll:
তিনদিন ছিলাম না, আইসা দেখি সিসিবি পুরা সিরিয়াস হইয়া গেছে। আমার আবার সিরিয়াস পুস্ট লেখার ক্ষমতা নাই। তাই আবার একটা হালকা পুস্ট দিলাম। এইটা আসলে একটা দুষ্ট গানের পুষ্ট।
আমরা যখন ছোট, কেমনে কেমনে যেন হাতে একটা গানের অ্যালবাম হাতে আইসা পড়ছিলো। সম্ভবত অ্যালবামের উপরের গায়িকার ছবি দেইখ্যা অতি উৎসাহে কিনছিলাম।
বিস্তারিত»জেসাস ক্রাইস্ট কি ঐতিহাসিক চরিত্র-১
১.
দশ হাজার বছর আগেই মানুষ বুঝেছিল পার্থিব জীবনে সূর্যের ভূমিকা। সূর্য মানুষ্কে শুধুই আল দিত না, সাথে সাথে নিরাপত্তার বোধ, উষ্ণতা ইত্যাদিও দিত। সেকারনেই প্রাচীন সভ্যতাগুলতে সূর্যকে আলাদা মর্যাদায় দেখা হত। তারা বুঝে ছিল সূর্য ছাড়া শস্য ফলবে না, পার্থিব জীবন টিকে থাকতে পারবে না। এই সত্য গুলোই মানুষকে ধাবিত করেছে সূর্যকে সবচেয়ে সম্মানিত একটি নিমিত্তে পরিণত করতে।
মানুষ আকাশের নক্ষত্র সম্পর্কেও ভালোই জানত।
বিস্তারিত»সন্মন্ধ
(সাবধান বাণীঃ সিরিয়াস পোষ্টের ভীড়ে ইহা শুধুই একটি চানাচুর গল্প)
সময় , হায় সময় । দেখতে দেখতে কত দিন চলে গেল । এই মাত্র সেইদিন মনে হয় মেয়েটা জন্ম নিল আর এখন বিয়ের বয়স হয়ে গেল । কিন্তু কি আর করা যাবে আজ হোক কাল হোক মেয়ে কে তো একদিন বিয়ে দিতেই হবে । ঐদিন সরাফত বলল – চাচা আজিজ কন্ট্রাক্টর তো আপনার মেয়ের বিয়ে কথা বলতে চায় ।