সকাল যখন মুচকি হেসে..
ছড়িয়ে আলো চারদিকে..
চোখের উপর আস্তে বসে..
ডাকে আমায় তার দিকে..
তন্দ্রা তখন দৌড়ে পালায়
হুড়মুড়িয়ে তার ছোটা..
ঝকমকানো মুক্তো দেখি
আসলে পানির ফোটা!!
সকাল যখন মুচকি হেসে..
ছড়িয়ে আলো চারদিকে..
চোখের উপর আস্তে বসে..
ডাকে আমায় তার দিকে..
তন্দ্রা তখন দৌড়ে পালায়
হুড়মুড়িয়ে তার ছোটা..
ঝকমকানো মুক্তো দেখি
আসলে পানির ফোটা!!
“উদভ্রান্ত সফেদ, দুলে ওঠো নীল তেপান্তর!”
আমি তার প্রান্তরেখায় তোমার মূর্তি বানাই,
ক্রমশ এগিয়ে আসা তারাদল; সেখানে
স্মিত হাসিমুখঃ নিয়ন-সুলভ- এঁকে রাত জেগে থাকে। আর
আমি হাতুড়ি বাটাল মেপে, নিখুঁত আঘাতে
প্রান্তরেখা ঝকঝকে ধারালো করি
যারা পর্যটক ছিলেন। আমাদের দেশে, মাটি ঘেঁষা সে’সকল
জটাচুলো পথিকেরা, এসে খুব মনোযোগী, দেখে
আমার কেরদানি। মূর্তির গায়ে দিগন্তভেদী আলো জমে থাকে,
কতই বা বয়স ছিল আমাদের। ১১/১২/১৩? ঐ অতটুকু বয়সে ছাড়লাম ঘর। আর ফেরা হয়নি। মা-বাবার আদরের সান্নিধ্য ছেড়ে শতাধিক ক্রোশ দূরে এক অজানা অচেনা জায়গাকে কি সহজেই আপন করে নিলাম। আসলেই কি আপন করতে পেরেছিলাম? হোম-সিকনেস আর ‘কলেজ ফিলিংসের’ একটা দ্বৈতস্বত্বা কি বাস করেনি আমার মাঝে? কলেজে থাকতে বাড়ির টান, আর ছুটিতে থাকতে কলেজের টান – এই দুইয়ের মাঝে পার করে দিলাম শৈশব-তারুণ্যের ছয় ছয়টি বছর।
বিস্তারিত»আমার কাজলাদিদিরা -৩ (চামু)
২০০৪ সালের পহেলা এপ্রিল দেশ ছাড়লাম। কোন রকম এপ্রিলফুল ছাড়াই আমরা জাপানে চলে আসলাম। বন্ধুরা মজা করে বলছিল তোদের নিশ্চয়ই প্লেনে তুলে চিটাগং নিয়ে নামিয়ে দিবে। চিটাগং এর ভাষা না বুঝে তোরা মনে করবি আসলেই জাপানে আসছিস। এরকম আরো অনেক মজার কথা বলে অনেকেই মন ভাল করার চেষ্টা করছিল। যখন আসছিলাম তখন ভেবেছি ৪-৫ বছর মনে হয় আর দেশে আসতে পারব না বন্ধুদের সাথে দেখা হবে না,
ঘুম ভেঙ্গে চোখ মেলে চাইলাম,
নিশ্ছিদ্র অন্ধকার, ছন্দপতনহীন নীরবতা মাঝে।
যখন জেগে ছিলাম মূমুর্ষূ আমার চারপাশে ছিল কত কি!
মা, বাবা, আত্মাহীন আত্মীয়,
ফিনাইলের গন্ধ, সাদা চাদর, নিষ্প্রাণ ডাক্তার
আর ছিল শুকিয়ে যাওয়া কালো গোলাপ, সাদা রজনীগন্ধা।
গত দুইদিন ধরে লস এনজেলসে বৃষ্টি হল, সেই সাথে হাড় কাঁপিয়ে ঠান্ডা (অবশ্য এখানকার মাত্রায়)। সাত তলায় আমার ছোট্ট রুমের জানালা দিয়ে চোখে পড়ে সামান্য দূরের ‘শান্তা-মনিকা’ পাহাড়, কুমারীর সযত্ন আঁচড়ে তোলা চুলের শিঁথীর মত তার গা ঘেষে এঁকেবেকে উঠে যাওয়া পাহাড়ি রাস্তা। বৃষ্টি নামলে আবছা কুয়াশামত কিছু একটা দৃষ্টিসীমায় এসে প্রতিদিনকার চেনা দৃশ্যটাকেই খানিকটা অচেনা করে দেয়। গতকালও এমন হয়েছিল, আমার চেনা দৃশ্যটা অন্যরকম হয়ে দেখা দিয়েছিল।
বিস্তারিত»কয়েকদিন থেকে মনটা খুব খারাপ ছিল। সিসিবি থেকে নীরব নির্বাসনে চলে যাব ভেবেছিলাম। কিন্তু তা আর পারলাম কই? শওকত ভাইয়ের সেরা ১০ মুভি নিয়ে লেখায় ঠিকই কমেন্ট করে ফেললাম। ওখানে আবার সামিয়ার সাথে হালকা ভুল বোঝাবুঝি। বোনের সাথে এরকম হলে কি কারো ভাল লাগে? তাই সিসিবির আমাদের সবার পছন্দের বোনটার জন্য লিখে ফেললাম এই গল্পটা।
স্বাতী নিঃসন্দেহে ক্লাসের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে নয়,
বিস্তারিত»সন্তোষ শিভান এর মতে বাংলায় ‘তাহান’ এর অর্থ Tolerance অথবা ‘সহ্য’। (যদিও আমি জীবনেও এই বাংলা শব্দ শুনিনি) সন্তোষ শিভান যুদ্ধ বিধ্বস্ত কাশ্মীরের এক বালকের অভিজ্ঞতার একটি মানবিক গল্প বলেছেন ‘তাহান’ সিনেমাতে।
বিস্তারিত»ভ্যালেন্টাইন দিনে একটা কবিতা দিয়ে মাইনাস খাইছি। যাউজ্ঞা। এইদিনকে সামনে রেখে আমার একটা প্রস্তাবনা আছে। সিসিবি আগে কেমন ছিল আমি জানিনা কিন্তু আমি আসার পরে যা দেখছি আমি বিমুগ্ধ। মনে হয় সবাই আমরা এক পাড়া বা মহল্লার বাসিন্দা। প্রতিদিন দেখা হয় কথা হয়। কিন্তু একটা বিষয়ের কমতি আমার চোখে পড়েছে যদি সবাই একমত হয় তাইলে বিষয়টি ভাল বই খারাপ হবেনা। সবার লিখা পোষ্ট পড়তে গিয়ে,
বিস্তারিত»সিসিবি তে সিসিআর এর সেঞ্চুরি ব্লগ টা চামে চামে মাইরা দেই। মাহমুদ ভাই ৯৯ নাম্বার টাতে ট্যাগ লাগালেই আমার টা ১০০ 😛 । ইন্সট্যান্ট ব্লগ হিসেবে ফটোব্লগের তুলনা নাই। ফটো তুলতে আমার খারাপ লাগে না। খুব আগ্রহ নিয়েই তুলি। ভাল কোন স্পট পাইলে কোন ছাড়াছাড়ি নাই। ক্যামেরা সাথে থাক আর না থাক মোবাইল তো আছেই। নিচের ফটোগুলা অবশ্য ক্যামেরাতেই তোলা। লাস্ট ফরেন স্টুডেন্ট টূরে আমরা গেছিলাম তাতেইয়ামা হিলি এরিয়া তে।
বিস্তারিত»রোমান্টিক মুভি। আজকের দিনে এর চেয়ে ভাল টাইমপাস আর কি হতে পারে। (বান্ধবীদের সময় দেওয়ার পর)।
তাই এই আড্ডা রোমান্টিক মুভি নিয়ে। এর কোনো সম্পূর্ণ তালিকা করা যাবে না। আমি একটা তালিকা দিলাম। আপনারাও দেন পছন্দের রোমান্টিক মুভি নিয়ে। তারপর বেছে নেবো নামটি। এবং তারপর দেখবো যেগুলো দেখিনি।
১. রোমান হলিডে-আমার ধারণা আজি হতে শতবর্ষ পরেও এটি থাকবে সেরা রোমান্টিক ছবি। গ্রেগরি পেক ও অড্রে হেপবার্ন।
একদিন আমার এক ব্লগে কইছিলাম যে আমার সাথে পড়ে এক কঠিন সুন্দরী আরেক ডাকিনী’রে রেজিষ্ট্রিকরণপূর্বক বিয়ে’থা করে সুখে-শান্তিতে ঘর-সংসার করছে :no: =(( =((
আজ হইছে কি, ক্লাসে সে রিসার্চ প্রপোজাল প্রেজেন্ট করছিল। তো, শুরুতে ল্যাপটপ অন করার সাথে সাথে প্রজেক্টরের বিশাল স্ক্রিনে তার বিয়ের ছবিটা আরো বিশাল হয়ে ভেসে উঠল। তাই দেখে সবাই বেশ মজা পেল। কেউ কেউ মন্তব্যও করল বেশ ভাল ভাল,
বিস্তারিত»অনেক আগে শুনছিলাম এই ব্লগের কথা। কিন্তু সময় পাই নাই আসার। এইবার আসলাম। দেখি কি দুনিয়া এইটা…।
বিস্তারিত»