আজকে রোদ উঠেছে। চড়চড়ে তামাটে করে দেয়া রোদ। সরাসরি চামড়ার ভাঁজে ঢুকে যাচ্ছে। আমি বাইরে বেরিয়েছি সকালেই, এক বন্ধুর সাথে। সে বাসায় এসেছিল, ওকে নিয়ে বেরিয়েই টের পেয়েছি তুমুল উৎসবে মেতেছে সূর্য। অনেকদূর থেকে তার উত্তাপ আসছে শলাকার মতো বিঁধে ফেলছে আর আমি জড়বৎ সম্মোহিত হচ্ছি। সেই রূপালি-রেলিং পেরিয়ে নিয়মানুগ রিকশায় উঠি/ কালো চামড়ায় ফুলে ওঠা রগ দেখি/ স্বল্পচুল মাথা থেকে গড়িয়ে পড়া জ্বলন্ত ঘাম দেখি।
বিস্তারিত»দুষ্ট গান নিয়া একটা পুস্ট
লাবলু ভাই, আমার বড় ভাই। আমারে গান নিয়া পুস্ট দিতে মানা করছে। তাই শুরুতেই :frontroll: :frontroll: :frontroll:
তিনদিন ছিলাম না, আইসা দেখি সিসিবি পুরা সিরিয়াস হইয়া গেছে। আমার আবার সিরিয়াস পুস্ট লেখার ক্ষমতা নাই। তাই আবার একটা হালকা পুস্ট দিলাম। এইটা আসলে একটা দুষ্ট গানের পুষ্ট।
আমরা যখন ছোট, কেমনে কেমনে যেন হাতে একটা গানের অ্যালবাম হাতে আইসা পড়ছিলো। সম্ভবত অ্যালবামের উপরের গায়িকার ছবি দেইখ্যা অতি উৎসাহে কিনছিলাম।
বিস্তারিত»জেসাস ক্রাইস্ট কি ঐতিহাসিক চরিত্র-১
১.
দশ হাজার বছর আগেই মানুষ বুঝেছিল পার্থিব জীবনে সূর্যের ভূমিকা। সূর্য মানুষ্কে শুধুই আল দিত না, সাথে সাথে নিরাপত্তার বোধ, উষ্ণতা ইত্যাদিও দিত। সেকারনেই প্রাচীন সভ্যতাগুলতে সূর্যকে আলাদা মর্যাদায় দেখা হত। তারা বুঝে ছিল সূর্য ছাড়া শস্য ফলবে না, পার্থিব জীবন টিকে থাকতে পারবে না। এই সত্য গুলোই মানুষকে ধাবিত করেছে সূর্যকে সবচেয়ে সম্মানিত একটি নিমিত্তে পরিণত করতে।
মানুষ আকাশের নক্ষত্র সম্পর্কেও ভালোই জানত।
বিস্তারিত»সন্মন্ধ
(সাবধান বাণীঃ সিরিয়াস পোষ্টের ভীড়ে ইহা শুধুই একটি চানাচুর গল্প)
সময় , হায় সময় । দেখতে দেখতে কত দিন চলে গেল । এই মাত্র সেইদিন মনে হয় মেয়েটা জন্ম নিল আর এখন বিয়ের বয়স হয়ে গেল । কিন্তু কি আর করা যাবে আজ হোক কাল হোক মেয়ে কে তো একদিন বিয়ে দিতেই হবে । ঐদিন সরাফত বলল – চাচা আজিজ কন্ট্রাক্টর তো আপনার মেয়ের বিয়ে কথা বলতে চায় ।
ধর্মীয় অন্ধতা এবং আমাদের বানরায়ন -১
১.
চারদিকে অন্ধতার পরিমান এত বেড়েছে,কোনোওভাবেই আর সত্যের দেখা পাওয়া যায় না ।আমি কোনো অবিশ্বাসী মানুষ না,কিন্তু তাই বলে চোখ বন্ধ করে থাকতে জানি না
এইসকল অন্ধতার একটা প্রধান ধারা হচ্ছে ধর্ম ।ধর্মের অপব্যাখ্যায় চার দিক ছেয়ে গেছে ।মুক্ত মনের চর্চা হয় না কোথাও ।বিদায় নিয়েছে বিজ্ঞানমনস্কতা,এবং অন্যান্য বুদ্ধিমত্তার উপহার ।মানুষ থেকে বিবর্তনের ধারার উল্টা পথে মনে হয় যেতে আর বেশী নেই ।পচা নোংরা বানরের দলে পরিনত হচ্ছি আমরা ।
বিস্তারিত»প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা-৫
প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা-১
প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা-২
প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা-৩
প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা-৪
রেজাল্ট দেয়ার দিনটি চলেই আসল। আমি আবার ঘুমকাতুরে মানুষ। আয়েস করে সকালের ঘুমটা দিয়ে ব্রেকফাস্ট করে রেজাল্ট আনতে গিয়ে কয়েকটা ক্লাসমেটকে খুঁজে পেলাম। আবার কয়েকটাকে দেখলাম রেজাল্ট নিয়ে হাসিমুখে বের হয়ে আসছে। নিশ্চয়ই ভাল করেছে, নাইলে এই দিনে তো এত হাসি বের হওয়ার কথা না!
বিস্তারিত»অতঃপর… সেই ঘুম
ঘুমের গল্প পড়ে আমারো একটা গল্প বলতে ইচ্ছা করছে —
আমরা তখন ক্লাস সেভেন-এ। নাইট প্রেপ। প্রেপ গার্ড ২৯-এর সাব্বির ভাই। ওহ্ বলে রাখি, তখনও আমাদের নভিসেস ড্রিল এর প্রাক্টিস চলছে। যাই হোক যেটা বলছিলাম – আমাদের নাইট প্রেপ, চরম ঘুম পাচ্ছে। আমাদের ফয়সাল অসম্ভব ট্যালেন্টেড একটা পোলা, ওর ঘুমের স্টাইল এতই জোস যে ধরার কোন কায়দা নাই। চেয়ারে স্ট্রেইট হয়ে বসে ঘুমায়।
বিস্তারিত»কি বিরানি খাওয়াইলা ক্লাস ক্যাপ্টেন ভাই
আজ কোনো সিরিয়াস বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাতে ইচ্ছে করছে না। তার ওপর আমাদের সেই ক্লাস ক্যাপ্টেন আজ মেইলে যা সব ছবি পাঠাইছে! এরপর কি আর মন অন্য কাজে বসে? আমাদের ক্লাস ক্যাপ্টেনের পরিচয়টা আজকে ফাঁস করে দিই? কি বলো?
এ ব্যাপারে অবশ্য তার অনুমতি নেয়া হয় নাই। তবে এই ব্লগে ফৌজদারহাটের ২১তম ব্যাচের আমাদের বন্ধুদের নিয়ে যতো কিছু লিখেছি, কারো কাছ থেকেই কখনো অনুমতি নেয়া হয়নি।
বিস্তারিত»ফটো ব্লগঃ জাস্ট সেলোগ্রাফী- ০৯ (থাইল্যান্ড ভ্রমন)
ইদানীং এই এক সমস্যা। একদিন সিসিবি তে না আসলে এতো লেখা জমে যায় যে পড়ে কূল পাওয়া যায় না।এক সপ্তাহ দেশের বাইরে ছিলাম। এসে দেখি এতো লেখা । ২ দিন ধরে অফিসের ফাকে ফাকে পড়তেছি, তাও শেষ হয় নাই। আমার টুরের কিছু ছবি দিলাম। ছবিগুলো ব্যাংকক আর পাতায়া তে তোলা।
(অফ-টপিকঃ বীচের ছবি দিখে আবার কেঊ মিইন্ড খাইয়েন না। পাব্লিক ডিমান্ড ছিলো। )

from the plane (from 55000 ft)

পাতায়া বীচ

কোরাল আইল্যান্ড (পাতায়া)-১

কোরাল আইল্যান্ড (পাতায়া)-2

কোরাল আইল্যান্ড (পাতায়া)-3

Ripley’s believe it or not

tiger with tigress

BTS (skytrain) bangkok
আমার প্রথম ভূত দর্শন
১৯৯৩ সাল। আমার ক্লাস এইটের ঘটনা। তখন আমি ছিলাম মেঘনা হাউসের ৩৩ নম্বর রুমে, অর্থাৎ ৩ তলায় জুনিয়র ব্লকের সেকেন্ড কর্ণারমোষ্ট রুম। বাথরুমে যেতে হলে ৮/৯ টা রুমের সামনে দিয়ে করিডোর ধরে হেটে যাওয়া লাগত। এমনিতেই আমি একটু ভীতু ছিলাম, তার উপর যখন শুনলাম রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলের আমলে ঐ ব্লকের কোন এক রুমে একজন ছাত্র ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্নহত্যা করেছিল এবং মাঝে মাঝে ভুত হয়ে চলে আসে তখন ভয় আরো বেড়ে গিয়েছিল।
বিস্তারিত»হাইট অফ ট্রান্সলেশন-৩(ছবি-ব্লগ)
(রেড বুক অনুযায়ী একের পর এক ছবি-ব্লগ দেয়ার অপরাধে ব্যান খেতে পারি কিনা জানিনা। কিন্তু নিছক মজার এই ছবিগুলো শেয়ার করতে ইচ্ছা করে। কারও বিরক্তির কারণ হলে আওয়াজ দিবেন।)
বিস্তারিত»একটি উঠোন একটি বাগান আর একজন ক্ষুদ্র মানবের শৈশব
(মন অনেক খারাপ কিছুদিন যাবৎ। সামুতে প্রকাশিত এই লেখাটি আমার নিজের সবচেয়ে প্রিয় আবেগ গত কারণে। সিসিবির সবার সাথে শেয়ার করলাম। )
খুব ছোট একটা বাড়ি।শহরের সীমানা ছাড়িয়ে মফঃস্বলের সূচনা যেখানে কিংবা মফঃস্বল নয় কিছুটা শহর কিছুটা মফঃস্বল।সেখানকার ছোট্ট একটি বাড়ি।সাধারণ মানুষের কাছে সেটা বিশেষ কিছু মনে হবে না শুধু মনে হবে শুধুই আরেকটি বাড়ি।সেটার কী বিশেষত্ব তা বুঝা যাবে না কারো কাছেই।শুধু সে ব্যতীত।তার বাড়ি তার আঙিনা তার খেলাঘর।সে এক শিশু শুধুই শিশু।তার চোখে রাজ্যের বিস্ময়।সবকিছুই সে েখে সবকিছু সে শুনে আর জানতে চায় তার অদেখাকে।তার খুব প্রিয় এই উঠান এই আঙিনা।কতটুকু হবে সেটা ।খুবই ছোট।৩০ ফুট বাই ২০ ফুট-কিন্তু এই ছোট জায়গা ধরে আছে তার জগতের অনেকাংশকে।উঠানের পাশের খোলা বারান্দায় বসে থাকে।বসে থাকে সে রাজ্যের বিস্ময় চোখে নিয়ে।
খেরোখাতা – আমার সকাল (ছুটির দিন ছাড়া)
(সর্তকীকরনঃ এটা বিবাহিত এবং বাবাদের জন্য লেখা, অন্যরা পড়তে পারেন, আপত্তি নাই)
মাঝে মাঝে কিছুদিন এমন আসে সব কিছু ঠিকঠাক লেগে যায়। সকালের ঘুম ভাঙ্গে একদম ঠিক সময়ে। সকালের প্রাতঃক্রিয়া, নাস্তা। এর আগে একটু “জগিং” এর মত। খবরের কাগজ আসে একদম “খাপের খাপ” টাইমে। নাস্তা খেতে খেতে হেড-লাইনের উপর একটু নজর বুলিয়ে নেয়া। নাস্তার মেনুটা হয় ভীষন পছন্দের। কোলষ্টারেল বেড়ে যাচ্ছে বলে ডিম না দেয়ার হুমকি থাকেনা তাতে।
বিস্তারিত»প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা-৪
প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা-১
প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা-২
প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা-৩
রবিবার থার্ড পিরিয়ডের পর আমি আর স্বাতী চলে গেলাম লাইব্রেরীতে। ঐদিন আর ক্লাস ছিলনা। সাথে করে ল্যাব সংক্রান্ত কিছু নোটসও নিয়ে গেলাম যাতে বুঝতে পারে আমি কিছুটা প্রিপারেশন নিয়ে এসেছি। লাইব্রেরীতে জানালার পাশটায় যেখানে আলো বেশী ওখানে গিয়ে বসলাম, মুখোমুখি। প্রথম ল্যাব থেকে পড়াগুলো বুঝানো শুরু করল স্বাতী।
বিস্তারিত»প্রবাসে প্রলাপ ০০৬
গতকালরাতে আমার ঘুম আসছিল না। শুয়ে শুয়ে কত কথা মনে পড়ে। অনেক আগে একসময় ঘুম না আসলেই একজনকে মেসেজ পাঠাতাম। ভার্চুয়ালি সে এসে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিয়ে যেত। চোখ বন্ধ করলে ঠিক যেন অনুভব করতাম স্পর্শটা। কাল অনেক চেষ্টা করলাম, স্পর্শটা ভুলে গেছি। স্পর্শ মনে করার সেই চেষ্টা আমার ঘুমকে আরো দূরে সরিয়ে নিল। মাথায় হাত বুলানোটা আমার এত্ত পছন্দের।
বিস্তারিত»