প্রিয় হায়দার ভাইয়া এবং মাজহার ভাইয়া,
আমি আপনাদের অনেক ছোট……কলেজে কোন দিন আপনাদের পাইনি….দেখিনি…কিন্তু তার পরও…আমি গত ৩ দিন আমার বুকের ভেতর এর চাপা ব্যাথা…আটকে রাখতে পারি নি…কেদেছি….অনেক….নীরবে…..হয়ত কেউ বিশ্বাস করবে না…..কিন্তু আমি জানি….
ও ক্যাপ্টেন…..মাই ক্যাপ্টেন
২০ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে মাজহার শেষবারের মতোন ফেসবুক প্রোফাইল আপডেট করেছে এইভাবে, “Mazharul is back from tour”. ভাবীকে নিয়ে ট্যুরটা ওর জন্য কাজের ব্যস্ততার মধ্যে একটা রিলিফ হয়ে এসেছিল। ২১, ২২, ২৩ এই তিনদিন ওকে অনেকটা ইনএ্যাকটিভ দেখে ২৪ তারিখে তাসফিক জিজ্ঞেস করেছিল, “কিরে অবস্থা কি? গায়েব কেন? বৌয়ের সাথে নাকি? দ্যাট উইল এক্সপ্লেইন ইট…হাহ হা”।
এরপরই ২৫ ফেব্রুয়ারিতে ভয়ঙ্কর সব সম্ভাবনায় উদ্ধিগ্ন শুভাকাঙ্ক্ষীরা লিখেছে:
“ভাইয়া,
মেজর শাহনেওয়াজ স্মরণে……
মেজর শাহনেওয়াজ স্মরণে……
উনি রংপুর ক্যাডেট কলেজের ফার্স্ট ব্যাচের ক্যাডেট। আমার ক্যাডেট কলেজে যাওয়ার অনেক প্রেরণার মাঝে একজন। উনার ডাক নাম ছিল পিকো। ছোটবেলা থেকে সবসময় উনাকে পিকো ভাইয়া বলে ডাকতাম। অনেক বড় হওয়ার পরেও পিকো ভাইয়া বলেই নাম জানতাম, শাহনেওয়াজ নামটা মনে আসত না কখনো।
পিকো ভাইয়া আর্মির সিনিয়র মেজরদের ভেতর একজন। রিটায়ারমেন্টের খুব বেশি বাকি ছিল না, বড়জোড় ১ বা ২ বছর ছিল হয়ত।
বিস্তারিত»আমি কেন পিলখানায় থাকতে পারলাম না?
আমরা অনেকগুলো ভাইবোন, আমি সবার ছোট।
আমার বাবার খুব ইচ্ছে ছিল আমি সেনাবাহিনীতে যাই, আমার সবচেয়ে বড় ভাই যিনি, তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন তখন, আছেন এখনো। আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি বাবা কেন চাইতেন বারবার, আমাকে চাপ দিতেন সেনাবাহিনীতে যেতে। এমন না যে তার আর্থিক নিরাপত্তা ছিল অনেক, কিন্তু ছেলেকে পড়ানো মত সামর্থ্য তার ছিল, তিনি জানতেন আর্মিতে গেলে আমি সংসারে তার হাতে টাকা দিতে পারব না,
বিস্তারিত»একটি অপ্রাসঙ্গিক কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতে চাই
আমি এই ব্লগ-এ একজন নবাগত…কারণ আমি খুব বেশীদিন হলো এখানে আসিনি।
কিন্তু এর মাঝেই আমার মনে হয়েছে…এখানে কিছু SPECIFIC REGULATION FORMULATE করার প্রয়োজনীয়তা শুরু হয়ে গিয়েছে।
আমিও প্রস্তুত…
একজন অসৎ, অপদার্থ, অশিক্ষিত এবং অপ্রোয়জনীয় সেনা অফিসারের জীবনধারার কিছুটা অংশ তুলে ধরতে খুব ইচ্ছে হচ্ছে…
১। ২৪ ঘন্টা অন জব।
২। নিজস্ব সময় বলে কিছু না থাকা।
৩। নিজ এবং নিজের পরিবারের সকল সমস্যা পাশে ঠেলে রেখে দেশ এবং দেশের মানুষের দুর্দিনে নিজেকে সঁপে দেয়া।
৪। টাকার অভাবে বৃদ্ধ বাবা-মা’কে তাদের জীবনের অন্তিম লগ্নেও কোন অর্থনৈতিক নিরাপত্তা দিতে না পারা।
এলোমেলো স্মৃতিগুলো
১. দৈনন্দিন অফিসিয়াল অনেক চিঠিপত্রের ভিড়ে একটা চিঠি নজর কাড়লো। বাচ্চার অসুস্থতার জন্য মাহবুব ভাই (মেজর মাহবুব, বকক, ৪র্থ ব্যাচ) মিশনের টেনিউরের আড়াই মাস বাকি থাকতেই দেশে ফেরত চলে যাচ্ছেন। দুদিন বাদেই তার সাথে দেখা হল। মনরোভিয়ার এক সুপারস্টোরে কর্মরত জাকির ভাইয়ের একটা চিঠি তার পরিবারের কাছে পৌঁছাতে হবে বলে অনুরোধ করতেই সানন্দে রাজী হলেন। জাকির ভাই মাহবুব ভাইয়ের বাচ্চাদের জন্য প্রমাণ সাইজের কয়েক প্যাকেট চকলেটও দিয়ে দিলেন।
বিস্তারিত»when u point a gun towards my head, i can forgive, but cannot trust you anymore.
[সামু তে লেখতে ইচ্ছে করেনা , এটা কিছু স্বঘোষিত পাতি বুদ্ধিজীবির ( যারা নিজেদের মধ্যে গালাগালিতেই বেশি ব্যস্ত), একদল গরু আর ছাগলের খোয়াড়।]
বিডিআর তাদের ন্যায্য দাবী আদায়ের যে নমুনা দেখালো তাতে কিছু প্রশ্ন জাগে :
১) দেশে শীর্ষ দূর্নীতিবাজরা কি আর্মি ? নাকি বড় বড় সভা সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়া রাজনীতিবিদ, আমলা যাদেরকে ৩৭ বছর পর কারাগারে নিলেও হাসিমুখে বেরিয়া আসে ?
বিস্তারিত»ওয়েক আপ, ক্যাডেটস
জানিনা কি লিখব ? চোখ ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে বারেবারে । এতগুলো তাজা প্রাণ এভাবে ঝরে যাবে, আর তথাকথিত বুদ্ধিজীবিরা(পড়ুন দালালা) আবার এই নৃশংসতাকে হালাল করার জন্য থিওরী দিবেন ! আর কত সহ্য করি ? আমাদের নিজেদের গায়ে ফোস্কা না লাগা পর্যন্ত কি আমরা কোনদিনই দুঃখীর দুঃখ বুঝবো না ? এতগুলো মানুষকে নির্বিচারে মারা হল তার কোন বিচার নাই, উল্টা শ্রেনীসংগ্রামের কথা বলছেন ! মানবিকতা কোথায় ?
বিস্তারিত»অশ্রু
যখন আঁখিজলে চোখ ভেসে যায়
মনকে প্রবোধ দেই আমি,
কিন্তু আজ প্রবোধের কিছু নেই।
অশ্রুকে বাঁধ দেয়ার প্রয়োজন নেই,
আজ আমার কষ্টের দিন।
আরো কত দূর, বলো মা!
= বাংলাদেশের ইতিহাসে সংযোজিত হল আরো একটি বেদনাদায়ক, মর্মান্তিক ও লজ্জাস্কর অধ্যায়।
= স্নেহাস্পদ মশিউর, রহমান শফিক সহ আরো অনেক সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তাদের এই মর্মান্তিক হত্যাকান্ডে অত্যন্ত মর্মাহত।
= বিডিআর সপ্তাহ উদ্যাপনের সময় ইন্টেলিজেন্সের ব্যর্থতা আর কুচক্রীমহলের ষড়যন্ত্রে প্রাণ দিতে হল দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর তথা বাংলাদেশের সোনার সন্তানদের।
= এই অপূরণীয় ক্ষতি আমাদের দেশের জন্য বড় বেশি ভারী।
= এই মূহুর্তে বাংলাদেশের বেশিরভাগ বিডিআর সেক্টরগুলো নেতৃত্ববিহীন অবস্থায়।
“এখনই নয়। আপাততঃ প্রহর গুনছি…”
(লেখাটি শুধুমাত্র সিসিবি’র সদস্যদের জন্য। এর মাঝেও কেউ যদি আহত হোন; ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টি প্রত্যাশা করি। আমার মাথার ঠিক নাই।)
বিস্তারিত»আমার কিছু প্রশ্ন ছিলো
“সিসিবি-র সবার প্রতি…সকল এক্স ক্যাডেটদের কাছে আমার কয়েকটা প্রশ্ন আছে।
প্রশ্ন-১
সানাউল্লাহ ভাই, কিংবা অন্য যে কোন ভাইয়েরা…
আমাদের মাঝে থেকে…(আমরা যারা ডিফেন্স-এ আছি)…আমরা যদি সবাই এখন চাকুরী ছেড়ে চলে আসি…, যদি আর মাথা নীচু করে…বুকের সাহসটুকু মুছে ফেলে চাকুরী করতে রাজী না থাকি…জাতির কাছে নিজেদের সত্যিকারের অবস্থান দেখে (আমরা সব চোর…বাটপার…অশিক্ষিত/অল্পশিক্ষিত…অ-দেশপ্রেমিক…অহংকারী…অসৌজন্যমূলক আচরণকারী…সুবিধাভোগী…তালিকার বাকীসব মনে নেই) এই বা** চাকুরীকে লাত্থি মেরে চলে আসি……
আর কাদবো না।কেনো কাদবো, কার জন্য???
অনেক হইছে, আর না। অনেক কেদেছি। গত তিন দিন ধরে একটা একটা করে লেখা পড়ি, একটা লাইন পড়ি আর চোখ ভিজে আসে। আর কতো?
আমরা নাকি গনতান্ত্রিক দেশ। গনতন্ত্রে নাকি বেশির ভাগ মানুষ যা চায়, তাই করা উচিত। তাহলে তো বর্তমানে বিডিআর এর পক্ষ নেয়া উচিত। কারন দেশের সবাই ওদের দলে। তাহলে কেনো আমি আমার ভাইদের জন্য কাদবো? আর না।
কেনো তাহলে গত তিন দিন ধরে ভোর ৬/৭ টা পরযন্ত ব্লগ এ বসে থাকবো মাজহার ভাই কিংবা সামিয়া এর বাবার একটি ভালো খবর এর আশায়।
বিস্তারিত»দেশপ্রেমিকের লেখা
[এই লেখাটি কেবলমাত্র প্রচন্ড নিরাবেগ, স্থিরবুদ্ধি এবং চিন্তাশীল দেশপ্রেমীদের জন্যে…কাজেই, পিলখানায় নিহত/নিখোঁজ কতিপয় “অসাধু/দুর্নীতিবাজ” আর্মি কিংবা এই ঘটনায় বিন্দুমাত্র মন খারাপ করা পাবলিকরা এটা পড়ার প্রয়োজন নেই!!!!!!]
কেস-১
আমার মতে আমরা যাঁরা বুদ্ধিজীবি… আমরা যাঁরা রাজনীতিবিদ…আমরা যাঁরা ব্যবসায়ী…এবং অন্যরা… আমরা-ই শুধুমাত্র সত্যিকারের দেশপ্রেমী।
আর দেশপ্রেমী হলো বাংলাদেশের সীমানা পাহারা দেয়া বিডিআর জওয়ানেরা। তাঁদের লাল, নীল, বেগুনী, সবুজ, হলুদ সালাম।
আর,