২১ ফেব্রুয়ারী- কিছু আক্ষেপ আর বৈপরীত্যের ছবি

রহমান ভাইয়ের ব্লগটা পড়লাম। ভাবতেই ভালো লাগে -এত দুর্নীতি, অবিচারের মাঝেও আমাদের এখনো গর্ব করার মতো কিছু আছে। তবে আমার কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে যা বাংলা ভাষাকে নিয়ে আমার অহমবোধের পাল্লাটাকে অনেকটাই হালকা করে দেয়। হয়তো ভালো লাগবে না তবুও কিছুটা বৈপরীত্যের ছোয়া দিতে যাচ্ছি; যদিও আয়নার এই অপর পিঠটা প্রায় সবাই কম-বেশি দেখে ফেলেছেন।

ঘটনা -১
মাত্র ২ ঘন্টা হলো টরন্টো শহরে পা রেখেছি, চারপাশটা বুঝে নেয়ার সু্যোগ তখনো হয়ে উঠেনি। বাবার পরিচিত এক ভদ্রলোক আমাদের এয়ারপোর্ট থেকে নিয়ে এসেছেন, উনার বাসায় রাতে খাবো। এরপর নিজেদের জন্য আগে থেকেই ভাড়া করে রাখা কুঠুরীতে আশ্র্য নেবো। উনাদের ড্রয়িংরুমে বসে গুরুজনদের গুরুগম্ভীর কথাবার্তা এড়িয়ে যখন তাপমাত্রার হিসাব মেলাচ্ছি হঠাৎ আঙ্কেল উনার ছেলেকে ডেকে পাঠালেন আমাকে ওর রুমে নিয়ে যাবার জন্য। হাঁফ ছেড়ে বেঁচে উপরে যেতেই আবিষ্কার করলাম সে বাংলায় কথা বলতে পারে না,যদিও সব বোঝে, কিন্তু বলার বেলায় যেই ভাঙ্গাচোরা জীর্ণ-কঙ্কালসার বাংলা উপহর দেয়, তাতে বরং আমিই অস্বস্থিতে পড়ে যাচ্ছিলাম বারবার। আরো মেজাজ খারাপ হলো যখন জানলাম, ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চাটা(আসলেই ৩ নম্বর সন্তান) হিন্দী খুব ভালো বলে। পরবর্তী এক মাসে আমি ৫-৬ টি ভিন্ন বাংলাদেশী পরিবারের সংস্পর্শে এসেছি, এবং দূর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে তাদের সুপুত্র-কন্যারা বাংলা বলতে অতিশয় অনিচ্ছুক। মাঝে মাঝে মনে হয়েছে বাঙ্গালি সমবয়সীদের মুখে Hey what is up man?-এর বদলে জঘন্য কিছু বাংলা গালি শুনতে পেলেও খুব খুশি হতাম। তাতে হয়তো আমার অপমান হতো, কিন্তু তবুও আপন আপন একটা গন্ধ খুজে নিতাম।

ঘটনা -২
ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছি সবেমাত্র। দ্বিতীয় দিনে ক্যাম্পাস-গ্রুপ ডে বলে কিছু একটা হবে শুনলাম। খুব একটা মাথা ঘামাইনি। ক্লাশ শেষে সদ্য পরিচয় হওয়া কিছু ভারতীয় ছেলের সাথে লাইব্রেরীর উদ্দেশ্যে হাটছি, মেজাজ একটু খারাপ কারণ তখন পর্যন্ত কোন বাঙ্গালীর দেখা পাইনি। হঠাৎ হাবিবের ‘রাত নির্ঘুম’ গানটা কানে আসলো। খেয়াল করতেই দেখি খানিকটা সামনে একটা ছোট স্টলের মতো জায়গায় বেশ কিছু বাঙ্গালী (চেহারা দেখে বোঝা যায়) বসে আছে। ওদের পেছনেই মিনি ক্রিকেট খেলছে কয়েকজন। বাংলাদেশের পতাকাও চোখে পড়লো। আমি নাচতে নাচতে (একটুও অত্যুক্তি করছি না) ওদিকে ছুটে গেলাম। তো স্টলের ভেতরে অনেকগুলো আপু বসে আছেন। স্টলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে উনাদের একজন এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন, “Are you from Bangladesh?” উত্তরে হ্যা বলতেই উনি ইংরেজিতে জানালেন যে, উনি বাংলাদেশি স্টুডেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। তারপর উনাদের বিভিন্ন ইভেন্ট এবং কার্যাবলীর বিশদ বিবরণ তুলে ধরছিলেন। পুরোটা সময় আমি শুধু মুগ্ধ দৃষ্টিতে উনার খাঁটি উচ্চারণে ইংরেজি-ই শুনেছি। সহ—সভাপতির সাথেও পরিচিত হলাম, যথারীতি উনিও বাংলা থেকে ইংরেজি বেশি পছন্দ করেন বলে মনে হলো। বুকচেড়া দীর্ঘশ্বাস নিয়ে একটা প্রশ্ন করে বসলাম, “Are you sure that it is Bangladeshi Student Association?” হ্যা-সুচক উত্তরের জবাবে বলে উঠলাম, “তাহলে বাংলা কেন বলছেন না?” কোন উত্তর পাইনি, সম্ভবত উত্তর চাচ্ছিলামও না। কারণ জবাবটা যা পেতাম তা আমাকে খুশি করার পরিবর্তে আরো একরাশ কষ্ট দিয়ে যেত। ( আমার আক্ষেপ এখানে, যে তিনি বাঙ্গালি, বাংলাদেশি একটা ছাত্র সংগঠনের সভাপতি, তার সম্ভাষনটুকু বাংলাতেই হলে ভালো লাগতো। যদিও অন্যান্য বাঙ্গালি ছাত্রছাত্রীদের আমি পরিষ্কার বাংলায় কথা বলতে দেখেছি।)

ঘটনা-৩
২০০৬ সালের মাঝামাঝি, কোন এক ছুটিতে চারুকলায় ঘুরতে গিয়েছি বন্ধুদের সাথে। তো আসার পথে শহীদ মিনার হয়ে আসছিলাম। মিনারের চত্বরে বেশ কিছু যুবক এবং জুটি বসে আড্ডা দিচ্ছিলো। দিনটা ২১ ফেব্রুয়ারী ছিল না বলেই হয়তো জুতা জোড়া খোলার ঝামেলায় যায়নি কেউই। খারাপ লাগলেও পরক্ষণেই মন থেকে দুর্ভাবনা ঝেড়ে ফেলে বলে উঠলাম, অন্তত একদিনের জন্য হলেও নগ্ন পায়ের সম্মান তো পায় শহীদরা, এইবা কম কী সে!!!

প্রবাসি বাঙ্গালিদের ছেলে-মেয়েরা কেন বাংলা বলতে পারে না বা চায় না, তার সদুত্তোর আমার জানা নেই। হয়তো ছোট ছোট শিশুগুলো যখন স্কুলে যায়, তখন চারপাশে বিদেশি ভাষাভাষীদের আলোড়নে নিজের আধোবোল ভুলে অন্য ভাষাতেই অভ্যস্থ হয়ে পড়ে। তবে তারপরো বাবা- মা খানিকটা সচেতন থাকলে হয়তো নিদেনপক্ষে বাংলা বলতে পারতো। আমি এমন অনেক বাবা-মা দেখেছি যারা সন্তানের মুখে পরদেশি ভাষা শুনতেই ভালোবাসে !!!!

আমি নিজে বাংলা ভাষাকে কতটুকু সম্মান দেখাই তা বলতে পারবো না, কিন্তু জেনেশুনে কখনো অসম্মান করার চেষ্টা করি না। তারপরো সত্যি বলতে গেলে, ভাষা দিবস অথবা শহীদ দিবস যেটাই বলুন না কেন, এদিনটায় আজকাল শহীদ মিনারে পুষ্পার্পণ, সেমিনারে গিয়ে কিছু গৎবাঁধা কথা আর কনসার্টে গিয়ে কিছু দেশাত্ববোধক গানের মাঝেই আমি বাঁধা পড়ে গেছি। স্বীকার করি এটা আমার অপারগতা। আমি মানি আবেগ দিয়ে কিছু হয় না, কিন্তু আবেগের আহবানকে আমি অস্বীকারও করতে পারি না। আর তাই এতসব কিছুর মাঝেও আমরা আশা খুজে নিতে চেষ্টা করি। আমরা রক্ত দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছি আমাদের বর্ণমালা। জাতীয়তার বেড়াজালে আবদ্ধ না রেখে ভাষার প্রতি এই অকৃত্রিম সম্মাননা ছড়িয়ে দিয়েছি আন্তর্জাতিক কাঠামোতে। এতখানি সাফল্যকে তো খুব একটা খাটো করে দেখা যায়না। তাই আজকের দিনে আমার একটা মাত্র আহবান – অন্য ভাষাভাষীকে শেখাতে পারি বা না পারি, আমাদের নিজেদের শিকড় যেন থাকে বাংলাতেই গাঁথা।

৩,৪৬৬ বার দেখা হয়েছে

৫৫ টি মন্তব্য : “২১ ফেব্রুয়ারী- কিছু আক্ষেপ আর বৈপরীত্যের ছবি”

    • রকিব (০১-০৭)

      :shy: :shy: ধন্যবাদ ভাইয়া।

      জুনায়েদ ভাই, একটা কৌতূহল মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, আমাদের ইনটেকে মানে আপনারা বের হয়ে আসার সময় যেই ক্লাশ সেভেন নতুন এসেছিল, ঐগুলার মধ্যে আপনার লকার পার্টনার কে ছিল????? মনে থাকলে কইয়েন।


      আমি তবু বলি:
      এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

      জবাব দিন
      • জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)

        আমার যে লকার পার্টনার ছিল ও আউট হয়ে গেছিল...ফলে বংশের ধারা আর ছিল না...পরে কেম্নে কেম্নে পোলাপাইন আমার লকার পার্টনার জোর কইরা বাইর করছিল, কিন্তু আমি আর ইন্টারেস্ট পাই নাই...এই জন্য আমি ঠিক কইতে পারতেছি না... 🙁
        হঠাৎ এই খোঁজ করলি কেন?? :-B


        ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

        জবাব দিন
  1. আদনান (১৯৯৪-২০০০)

    অস্ট্রেলিয়াতেও কমবেশি একই অবস্হা । পোলাপানের দোষ না । বাবা মা যদি বাসায় ভুলশুদ্ধ ইংরেজীতে পোলাপানের সাথে কথা বলে, তাহলে তাদের বাচ্চাদের খুব একটা দোষ দিতে পারিনা । আরেকটা বেশ ভাল জিনিস বাবা মা রা শেখায় দেশ থেকে যারা অযিতে পড়তে আসে তারা সব ট্র্যাশ, এদের সাথে কথা বলা ঠিক না ইত্যাদি । একারনে আমি ফ্যামিলি বাসা এড়ায়ে চলি । সব বেশি বুঝে x-( ।

    জবাব দিন
  2. রহমান (৯২-৯৮)

    রকিব, তোমার এই লেখাটা খুব ভাল হয়েছে। আমারটার থেকে অনেক অনেক গুন ভাল হয়েছে :thumbup: :thumbup:

    ভাল এবং মন্দ নিয়েই তো আমাদের জীবন। আমি ভাল দুটি ঘটনার বর্ণনা করেছি, আর তুমি খারাপ তিনটা ঘটনার বর্ণনা করেছ। তুমি বাস্তবতার রূঢ় রূপটি তুলে এনেছ আর আমি সম্ভাবনার একটি দিক তুলে আনতে চেয়েছি। কিন্তু লক্ষ্য করে দেখ, আমাদের দুজনের লেখার আবেগ এবং মূল উদ্দেশ্য কিন্তু প্রায় কাছাকাছি।

    আমার লেখার শেষে সবার কাছে একটা প্রশ্ন রেখেছিলাম। তোমার লেখায় এসে আমি সেই প্রশ্নের উত্তর খুজে পাচ্ছি। আমার বিশ্বাস, আমাদের সবাইকে তোমার এই লেখাটি আরো গভীর ভাবে ভাবতে এবং আমাদের কি কি করনীয় তা উপলব্ধি করতে সাহায্য করবে। তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ :thumbup: :thumbup: :thumbup:

    জবাব দিন
    • রকিব (০১-০৭)

      ভাইয়া, আপনার লেখাটা ১০০% প্রেরনা হিসেবে কাজ করেছে আমার জন্য। :salute: আপনি যে স্বপ্নের কথা বলেছেন আমি নিজেও ঐ স্বপ্নের দ্রষ্টা।

      রকিব, তোমার এই লেখাটা খুব ভাল হয়েছে। আমারটার থেকে অনেক অনেক গুন ভাল হয়েছে

      এটা বলে কিন্ত আপনি আমাকে অনেক লজ্জা দিলেন, ভাইয়া কলেজে যেমন গাইডদের অনুসরণ করে বড় হয়েছি, এখানেও তেমনি আপনাদের ছায়ায় বেড়ে উঠছি। কখনই আপনাকে ছাড়িয়ে যেতে পারবো না, কিন্তু আপনার পদচ্ছবিতে পা মিলিয়ে হয়তো চলতে পারবো। সেই দোয়া করবেন :hug: :hug:


      আমি তবু বলি:
      এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

      জবাব দিন
  3. তৌফিক (৯৬-০২)

    রকিব, খুব হৃদয়ছোঁয়া কিছু কথা বললি। আমাদের দেশেই কিন্তু তুই যেসব পোলাপানের কথা বললি, তারা আছে। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলার পোলাপানদের টিউশনি করাইতাম, টাকা বেশি- এইটাই কারণ ছিল। একেবারে ঢালাওভাবে হয়তো বলা যাবে না, কিন্তু আমি যাদের পড়িয়েছি, তাদের বাংগালিদের ইতিহাস সম্পর্কেই কোন ধারণা নাই। স্বাধীনতা দিবস কোনটা আর বিজয় দিবস কোনটা বলতে পারে না। আমার এক ছাত্রকে কষে একটা চড় লাগাইছিলাম এজন্য। এর দায় স্কুলগুলোকে আর বাবামাকেই নিতে হবে।

    জবাব দিন
  4. সামিয়া (৯৯-০৫)
    অন্য ভাষাভাষীকে শেখাতে পারি বা না পারি, আমাদের নিজেদের শিকড় যেন থাকে বাংলাতেই গাঁথা।

    আমি ভয়ঙ্কর ভাবে একমত। জুনিয়র হইলেও আমার একটা স্যালুট নে :salute:

    তবে তিন নম্বর ঘটনাটা আমি এভাবেই নেই, যে, যার যার দৃষ্টিভঙ্গি। যেমন আমার কাছে জুতা খোলা কিংবা ফুল দেয়াটা খুব প্রয়োজনীয় কিছু নয়। সম্মানের স্থান আসলে একদম মনের ভেতর, বাইরের কিছু আচার আমরা পালন করি বাস্তবে রুপ দেয়ার জন্য, কিন্তু পালন না করলেই যে তার ভেতর সম্মান কিংবা আবেগটা নেই, তা কিন্তু না। যেমন ধরো জন্মদিনের ব্যপারটা, কেউ মনে রাখে, কেউ রাখে না। তোমার প্রিয় বন্ধু তোমার জন্মদিন মনে রাখেনি মানেই যে সে তোমাকে ভালবাসে না, তা কি ঠিক? তার কাছে এই ব্যপারটা ইম্পর্ট্যান্ট নয়। তার কাছে আর কোন ব্যপার ইম্পর্ট্যান্ট, সে আর কোন দিক দিয়ে ভালবাসাটা প্রকাশ করে।

    মাঝে মাঝেই যখন শহীদ মিনারে যাই, চুপচাপ বসে থাকি, মনের মাঝের ব্যটারিটা রিচার্জ করে আনি, চার্জটা দিয়ে কাজ কর্ম করি, আবার যাই, আবার কাজ করি। আর আমি মনে করি আমি আমার সম্মানটুকু এভাবেই প্রকাশ করছি, চুপচাপ, একা। সবার বহিঃপ্রকাশ যে একরকমই হতে তার তো কোন কারণ নেই।

    জবাব দিন
      • রকিব (০১-০৭)

        সামিয়াপ্পু, আপনি খুব একটা ভুল বলেননি, তবে আমার কথা হল প্রতিদিন জুতা পায়ে থাকে, আর একদিন বিনগ্ন-পা; ব্যাপারটা একটু হাস্যকর। তবে আপনার মত করে অবশ্য ভেবে দেখিনি প্রথমে।

        অফটপিকঃ স্যালুট দরকার নাই, আমার ক্যাডবেরীগুলা তো সব আপনার কাছে জমা আছে। দেশে আসলে আমি ঠিকই আমার দাবী নিয়ে হাজির হবো, তখন না দিলে কিন্তু কাইন্দা :(( :(( দিমু। আমি মাছ, মুরগী আর ডাল (ডাইল না) দিয়ে ভাত খাই। আর একদিন সুশি ট্রাই করার সাহস দেখায় ফেলছিলাম, পরের ইতিহাস আর নাই শুনলেন :bash: :bash:


        আমি তবু বলি:
        এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

        জবাব দিন
        • সাকেব (মকক) (৯৩-৯৯)
          আর একদিন সুশি ট্রাই করার সাহস দেখায় ফেলছিলাম, পরের ইতিহাস আর নাই শুনলেন

          সুশিকে নিয়ে অপমানসূচক কথা বলার আগে খুব খিয়াল কইরা 😡
          সুশি খাওয়া নিয়া আমার ছোটখাট একটা রেকর্ড আছে :shy: ...


          "আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
          আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস"

          জবাব দিন
  5. মঞ্জুর (১৯৯৯-২০০৫)

    রকিব,তোমার লেখা পড়ে খুব ভাল লাগলো।তৌফিক ভাই আরেকটা ভাল কথা বলছেন।বিদেশ তো অনেক দূর আমাদের দেশের পোলাপাইনের অবস্থা দেখলেই মন খারাপ হয়ে যায়।এখন তো আবার বাংলা কথার ফাকে দুইটা ইংরেজি লাগায় সবাই।

    জবাব দিন
  6. জিহাদ (৯৯-০৫)

    পোস্টটাতে অনেক হতাশার কথা লেখা।

    কিন্তু কেন যেন আমার মনটা ভাল হয়ে গেল!

    রকিবের মত ভাষাপ্রেমী একটা ছোট ভাই আমার আছে। এইজন্যই বোধহয়! :hatsoff:


    সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

    জবাব দিন
  7. শার্লী (১৯৯৯-২০০৫)
    পুরোটা সময় আমি শুধু মুগ্ধ দৃষ্টিতে উনার খাঁটি উচ্চারণে ইংরেজি-ই শুনেছি।

    দৃষ্টি দ্বারা ইংরেজী কিভাবে শুনতে হয় :-/ বুইঝতার্লাম্না।

    সিরিয়াস পোস্টে ফান করায় আমার ব্যাঞ্চাই :bash: :bash:

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।