প্রতিসন্ধ্যায় ফিরে
স্নানের ঘরে এসে
অবসাদে সরাও যখন
লাজলজ্জা,
ঝরিয়ে চলো রক্তমাখা সাজ
সত্যজিৎ এর “নায়ক”
সিনেমা আমার কম দেখা হয়। মাঝে মাঝে এর তার থেকে শুনে শুনে দু’য়েকটা সিনেমা দেখা হয়। এর মাঝে অবশ্য বাংলা সিনেমার পরিমাণ খুব কম, প্রায় নেই বললেই চলে। অভিজ্ঞতা যা আছে তার কিছুটা আগে দেখা শুক্রবার দুপুর তিনটা বিশের বাংলা সিনেমার সুবাদে। ব্যাপারটা নিয়ে আগে তেমন একটা গা করি নি কিন্তু কয়েক দিন বাংলা সিনেমা কে প্রটেকশন দেওয়া নিয়ে শুরু হওয়া বির্তক ব্লগের পাতা গড়িয়ে আমাদের আড্ডাতেও একদিন এসে পরল।
বিস্তারিত»শুভ জন্মদিন…
শুভ জন্মদিন “মিলেনিয়াম” ইনটেক (২০০০-২০০৬ ইনটেক)।আজকে ২০০০-২০০৬ ইনটেক এর ক্যাডেট কলেজে ১ম যাবার দিন। তার মানে আমাদের জন্মদিন।আজ থেকে ঠিক এক দশক আগে আজকের এই ২৫শে মে তে নতুন করে জন্ম হয়েছিল একদল কিশোর-কিশোরীর।হ্যা ঠিকই পড়েছেন,আমার কাছে এইদিনটি নতুন করে জন্ম নেয়ার মতই।
শুভ জন্মদিন… বন্ধুরা আমার। :party: :hug: :thumbup: 😡
আজ স্বীকার করতে লজ্জা নেই যে প্রথমদিনে দুই চোখ ভরা জল নিয়ে ভয়ে ভয়ে কলেজে গিয়েছিলাম এবং এতোগুলো অপরিচিত মুখ দেখে আবার মায়ের সাথেই ফিরে যেতে চেয়েছিলাম।
অপরিচিতা (শেষ পর্ব)
লঞ্চ থেকে নামার সময় দেখি পুনম ঘুমাচ্ছে।ডেকে তুলে দিলাম।
ট্র্যাভেল এজেন্সির মাইক্রোতে করে আমাদেরকে আবার নিয়ে যাবার কথা। তাই করল তারা।আবার কলাতলি ফিরে এলাম। বাসের টিকেট করলাম। এবার দশটা টিকেট। বাস রাত সোয়া দশটায়।
আমরা খেয়ে নিলাম বৈশাখী রেস্টুরেন্টে। লিয়া আর পুনম ওয়েটিং রুমে বসল। আমরা বাইরে ঘুরতে বের হলাম।
সাড়ে সাতটার মত বাজে। এখনো অনেক সময় বাকি আছে। সবাই ভাবছি কি করা যায়।
ভোকাবুলারিহীন দিনপঞ্জি
যেসব দিনে আমি হারানো বিজ্ঞপ্তির ভেতর থেকে খুঁজে খুঁজে দেখি কোন পুরনো বিলুপ্তিকে পাওয়া গেলো নাকি, সেসব দিনে আমার বুক ভেঙে যায়। সেরকম দিন মাদকতাময় এবং প্রান্তিক, আমি সেইসব দিনে ভারসাম্য হারাই
দেখি মহেঞ্জোদারোর মতো বিক্ষিপ্ত পোড়ামাটির হৃৎপেশী। কোন কোন দিনে ভুলে যাই যেসব ঐতিহাসিক পরাজয়, সেগুলো দিনক্লান্তির খোপে লুকানো শ্বাস। তারপরে শীতল একটা ঘরে ঢুকে পড়ি, সেখানে নির্বোধ মুখেরা আমাকে চেনে না।
বিস্তারিত»ফ্ল্যাশব্যাক ০৮
১। গত ডিসেম্বরে এফসিসি রিইউনিয়নে আমরা ব্যাচেলর পার্টি গিয়েছিলাম মাইক্রো নিয়ে।আসার সময় টাকা পয়সার হিসাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে মতবিরোধ।দুইজনই জাহির করছে সেই ভাল বুঝে হিসাব কিতাব(অবশ্য দুইটাই আর্টস পার্টি হওয়ায় আমরাও খুঁচাচ্ছি)। একজন বললো,জ়ানিস?আমি একাউন্টিং এ মেজর ছিলাম।আরেকজন কে ত তার উপরে পার্ট নিতেই হইব।সে বললো তুই যদি মেজর হস তাইলে আমি কর্ণেল।অবশ্য একাউন্টিং এ কর্ণেলই শেষপর্যন্ত জয়ী।হবেইনা বা কেন, কর্ণেল এর সাথে কি মেঈঈঈঈজাআআর পারে?
বিস্তারিত»চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনালঃ ইন্টার vs বায়ার্ন
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে সবাই মেতে আছে। তবে বিশ্বকাপ শুরু হবার আগে ইউরোপিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আজ রাতে। ইন্টার মিনাল বনাম বায়ার্ন মিউনিখ। ২০০৪ সালের পর প্রথম বারের মত কোন ইংলিশ দল না থাকা, সে সাথে বার্সিলোনা বা রিয়াল মাদ্রিদ এদের অনুপস্থিতির কারনে এবারের ফাইনাল নিয়া মিডিয়া হাইপ কিছুটা কম। তারপর ও চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনাল বলে কথা। তাই যারা টিভি সেটের সামনে বসে খেলা দেখার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ( বিশেষ করে আমার মত একা…
বিস্তারিত»নস্টালজিক
মনের ভাবটুকু ভাষাতে প্রকাশ করতে যে সব মানুষ বরাবরই দুর্বল, আমি তাদের দলে। তবুও অনেকদিন পর দুঃসাহসটুকু করে ফেললাম। সারাদিন অবিশ্রাম বর্ষন যে কাকে বলে তা কখনোই বুঝতে পারতাম না যদি না সিলেট আসা হতো। সারাক্ষন বৃষ্টির একটানা রিমঝিম ছন্দে আজ মনটা যে কোথায় হারিয়ে ফেলেছিলাম জানি না। বাইরে এখন রাতের নিঃশব্দতা, হঠাত করে নিজেকে অনেক একা মনে হচ্ছে। রোমান্টিক আমি ছিলাম না কখনই। তাই কখনই কবিতা আমাকে সেইভাবে টানে নি।
বিস্তারিত»অপরিচিতা (৪র্থ পর্ব)
খুব সকাল বেলা সবার চেঁচামেচিতে ঘুম ভেঙ্গে গেল। আমার আরো ঘুমের দরকার ছিল। পাশ ফিরে শুয়ে পড়লাম। না, ঘুম ধরে না আর। এত সোরগোলের মাঝে কি আর ঘুমানো যায় শান্তি মত!
সবার কথা হল- সূর্যডোবা দেখতে পারি নাই তো কি হয়েছে, সূর্যোদয় দেখবে। আমি বললাম যে আমি দেখব না। কিন্তু কে শোনে কার কথা। আমাকে যেতেই হবে তাদের সাথে।
“আমি যাব” বলে বালিশ মাথার উপর দিয়ে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ি।
বিস্তারিত»নতুনের আগমন
দিন আসে দিন যায়। সময়ের ঘোড়সওয়ার আমরা পুরাতন হতে হতে নতুনদের দেখি। আবার আশান্বিত হই। উদ্বেলিত হই। নিজের এক হাতের জায়গায় দশ হাতের অস্তিত্ব অনুভব করি। একতাই বল – সেই ছোটবেলায় শেখা বাণীটার মর্ম অনুধাবন করি। স্বপ্ন শাণিত করি। ভাবনায় ভেসে উঠে – হবে। যা হওয়ার কথা ছিল, হয়নি – তা হবে। যা হওয়ার কথা – তাও হবে। নতুন প্রাণ, নতুন আশা। আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখা।
বিস্তারিত»স্মৃতির বিশ্বকাপ-১
আর মাত্র ২৩ দিন। শুরু হয়ে যাচ্ছে আরেকটি বিশ্বকাপ, দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ। সবাই আবারো মেতে উঠবে ফুটবল উৎসবে। ব্যক্তিগতভাবে আমার এই বাকি দিনগুলো অনেক লম্বা মনে হচ্ছে। কবে যে ১১ তারিখ আসবে। গত কয়েকদিন বেশ ব্যস্ত ছিলাম, রাতদিন দম ফেলার সময় পাইনি। আজকে একটু ফ্রি হয়ে আগের বিশ্বকাপগুলো নিয়ে একটু গুগল করলাম। দারুন দারুন সব স্মৃতি মনে পড়ে গেল। সেগুলো সবার সাথে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না।
বিস্তারিত»শহীদলিপির ইতিহাস-২
১৯৮৩ সালের শেষের দিক তখন। জাপান থেকে দেশে ফিরে জোরে সোরে কাজে লেগে গেলাম। প্রিন্টিং প্রেস থেকে ১৬X১৬ ঘরের ব্লাঙ্ক টেমপ্লেট ছাপিয়ে নিলাম। আমার সহকর্মী গ্রাফিস আর্টিষ্ট আশরাফকে লাগিয়ে দিলাম বিভিন্ন অক্ষরের আকার অনুসারে প্রতিটি অক্ষরের জন্যে একটি করে ঘরের গ্রিড পূরণ করতে। দুই টাকা দিয়ে কেনা প্রথম শ্রেনীর পাঠ্য বিদ্যাসাগরের বর্ণমালা বই অনুসরণ করে সব স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জন বর্ণ আমরা মেট্রিক্সে লিপিবদ্ধ করতে লাগলাম।
বিস্তারিত»অপরিচিতা(৩য় পর্ব)
অনেকক্ষণ ধরে সমুদ্র স্নান করে আমরা ফিরে আসি আমাদের রুমে।গোসল সেরে রেডী হই সবাই।উদ্দেশ্য দুপুরের খাবার,তারপর যাব হিমছড়ি।
বৈশাখী রেস্তোরায় ব্যাপক একটা খাওয়া দিলাম সবাই।রুপচাদা আর ভাত।জোশ খাবার।সবাই গলা পর্যন্ত খেলাম মনে হয়।তারপর সেখানে চা খেয়ে কিছুক্ষণ বসে থাকলাম।এই সুযোগে আমি পুনমের কথা তুললাম।বললাম যে সে যা বলেছে তা সত্য।
তাতেও কোন কাজ হল না।কেউ তাকে রাখতে রাজি হল না।আমি আর কোন কথা বলতে চাইলাম না।চুপ মেরে গেলাম।
বিস্তারিত»ঊনত্রিশ-‘দ্যা টুয়েন্টি নাইন’: কার্ডের একটি খেলা!!
(ডিসক্লেইমারঃ যারা টুয়েন্টি নাইন খেলার নিয়ম জানেন না, তাদের কাছে এই পোষ্ট বিরক্তিকর লাগতে পারে। আগাম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।)
-‘ট্যাঁ ট্যাঁ ট্যাঁ…’
-‘কিরে হালা, অমন করস ক্যান?’
-‘সানাই বাজাই…খিকজ…’
-‘শিট্, তোর কাছে ম্যারেজ আছে?’
-‘আবার জিগায়…খেলা তাইলে তেইশে এ গেল গা…’
-‘কোন ব্যাপার না, এমন টেকনিক্যাল খেলা দিমু…’
-‘মামা, এই খেলা তুলতে টেকনিক্যাল না এক্কেবারে গাবতলী টাইপ খেলা দিতে হইব…মু হা হা…’
আমি শুভর দিকে বোঝার চেষ্টা করলাম ওর হাতের কি অবস্থা,
বিস্তারিত»শেখ আলীমের হাইকু ৬
জীবনের চোরা গলিতে হাইকু খুঁজি
শব্দের জুয়া সারা দিনমান ছন্দ ধরেছি বাজী
হরতনের বিবির ফাঁদে রুহিতনের গোলাম।
———————————————–
সংসার করি সন্যাসে দিন গুনি
গীতা বাইবেল ত্রিপিটক পড়ি কোরানের বাণী শুনি
আদি ও অন্ত মানুষের ইতিহাস।
———————————————–
জোছনা মাতাল শ্যাম পীরিতি রাত
বিষের বাঁশী নোঙর কাটে কূল হারালো রাই
অথই গাঙের জলে নায়ের ছলাৎ।
———————————————–