একটি বড়সড় সুসংবাদ

এতো বড় সুসংবাদটা কেউ এখনো সিসিবিতে শেয়ার করলো না দেখে কষ্ট পাইলাম।
যাক, ছেলেটাকে এত পছন্দ করি যে সবাইকে জানাতে পেরে নিজেরও অনেক গর্ব হচ্ছে।

ব্যাপার কী, বুঝতে পারছে না?

আগে আজকের প্রথম আলোর এই ফিচারটা সবাই একটু পড়ে আসুন। সেখানে এমন একটা ছবি দেখবেনঃ

শার্ট ইন করা পোলাটা আমার আদরের রায়হান আবীর।

এবার এই লাইনগুলো খুঁজে বের করুন-
ইসিজি যন্ত্র: বিভাগের এমফিল গবেষক রায়হান আবির তৈরি করেছেন ইসিজি যন্ত্র। বাজারে একটি ইসিজি যন্ত্রের দাম এক লাখ টাকা হলেও তাঁর এ যন্ত্রটি তৈরি করতে লেগেছে মাত্র ১০ হাজার টাকা। আবির প্রথম আলোকে বলেন, এ যন্ত্রটি বর্তমানে ব্যবহূত যেকোনো ইসিজি যন্ত্রের মতোই কাজ দেয়। দেশীয় উপকরণ দিয়ে তৈরি হওয়ায় এটি সস্তা বলে জানান এ নবীন গবেষক।

আর কিছু কি বলার দরকার আছে?

অভিনন্দন, রায়হান। অনেক অনেক অনেক।

৮,০৭১ বার দেখা হয়েছে

৯০ টি মন্তব্য : “একটি বড়সড় সুসংবাদ”

  1. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    এই ছুটিরদিনেও ভোর থেকে কারেন্ট না থাকায় চোখমুখ হা কইরা জাইগা থাকতে হইছে 🙁 তাতে একখান লাভ হইসে। ভোরবেলাতেই পরথমালু ঠোটস্থ করতে গিয়া জিনিসখান চোখে পরসে। সাথে সাথে হিট বিজ্ঞানীরে একখান অভিনন্দন এসেমেস দিয়া একটি [ : D ] প্রাপ্তি স্বীকার পাইলাম 😀

    সাবাশ ব্যাটা।


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
  2. রকিব (০১-০৭)

    লেজ সুদ্ধা রায়হান আবীর পিএইচডি ভাইয়ের ব্যাঞ্চাই; এত বড় খবরটা দিব্যি কেমন চেপে গেলেন উনি !!!!
    ইউ ড়ক আবীরদা।
    এখানেই থেমে গেলে চলবে না কিন্তু।


    আমি তবু বলি:
    এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

    জবাব দিন
  3. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    Paper a news ta dekhr por thekei ashe pasher lokjon ke dekhie bolchi ei polada amar porichito... Amar college er choto vai. Gorbe buk ta vore jachchilo she shomoy.
    Sabbash rayhan... Asha kori aro onek boro hobi (mobile theke, tai banglish type korte holo)


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
    • রায়হান আবীর (৯৯-০৫)

      আমি কাজ করছি সাত মাস। এবং ইসিজিটা আমার মেইন রিসার্চ না। আমার মেইন রিসার্চ FIM এর যন্ত্রপ্রস্তুত। এইটা নিয়ে লাস্ট ব্লগে একটু লিখছি।

      আর আপাতত ইলেক্ট্রনিক্সে কামলায় স্যারকে সাহায্য করি। প্রথম প্রজেক্ট ছিলো ইসিজি মেশিন বানানো।

      খরচ কমানোর জন্য আমরা ভগিজগি কিছু জিনিস বাদ দিয়েছি। আমি ডিজাইন করছি শুধু ইলেক্ট্রনিক্স পার্ট টা। অর্থাৎ হার্ট থেকে ইসিজি সিগনালটা নিয়ে ঐটাকে ঘষামাজা করা। সার্কিট ডায়াগ্রাম খুবই সহজ। তবে এতো সময় বেশি লাগার কারণ, প্রথম দিকে কিছুই পারতাম না, ধীরে ধীরে কাজ করতে করতে শিখছি। আর তত্ত্বীয়ভাবে অনেক সার্কিট কাজ করবে ধরা হলেও, শেষ মেষ ভুতুড়ে নয়েজ আসে। এই কারণে বিভিন্নভাবে কাজটা করা চেষ্টা করা হয়েছে। প্রদর্শনীতে যেইটা দেখানো হয়েছে, সেইটা রিলায়েবল। আমি ডাটা বের করছি, এইটা এখন কম্পিউটার বা আলাদা ডিসপ্লেতে নিয়ে দেখা যাবে।

      জবাব দিন
  4. মুসতাকীম (২০০২-২০০৮)

    সকালেই দেখছি 😀
    রায়হান ভাইরে :salute: :salute: :salute:


    "আমি খুব ভাল করে জানি, ব্যক্তিগত জীবনে আমার অহংকার করার মত কিছু নেই। কিন্তু আমার ভাষাটা নিয়ে তো আমি অহংকার করতেই পারি।"

    জবাব দিন
    • রায়হান আবীর (৯৯-০৫)

      উহুউউ। অভিনন্দনটা আমাকে না দিয়ে আসলে স্যারকে দেওয়া উচিত। আমি তো কাজ করি মোটে সাত মাস। স্যার বত্রিশ বছর ধরে হাজার সমস্যার মধ্যেও অসংখ্য কাজ করেছেন...

      জবাব দিন
      • মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)

        তোমার স্যার+তার কাজ সম্পর্কে অনেক কথা শুনেছি। সময় করে তাকে সিসিবি'তে পরিচয় করিয়ে দিও। (ফিজিক্সের আমিনূর রশীদ স্যার নাকি একবার ক্যাডার দিয়ে তার ল্যাব পুড়িয়ে দিয়েছিলো?!)


        There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

        জবাব দিন
        • রায়হান আবীর (৯৯-০৫)

          ফিজিক্সের কেউ তাকে সহায়তা করেন না। ঈর্শায়। আমরা সেদিন বিজ্ঞান মন্ত্রনালয়ের ফেলোশিপের জন্য আবেদন করলাম, স্যার বললাম, ফিজিক্সের কেউ যদি ঐখানে থাকে তাহলে এইটা পাবানা। ফিজিক্সের যেসব মাস্টার্সের যেসব ছাত্ররা স্যারের কাছে থিসিস করতো তাদেরকে আচ্ছামতো ফাইনালে বাঁশ প্রদান করা হতো।

          ল্যাবে আগুন লাগার কথাটা স্যার প্রায়ই বলেন। আমাদের সবসময় দরজা জানালা বন্ধ করে রাখার উপদেশ দেন। কিন্তু আগুন যে কেউ ক্যাডার দিয়ে লাগিয়েছিলো এইটা অবশ্য বলেন নাই। দেখি জিজ্ঞেস করবো।

          জবাব দিন
          • কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

            যেহেতু এখন স্যারের সাথেই কাজ করতেসিস, উনার এবং উনার কাজকর্ম, ইতিহাস এগুলো নিয়া ব্লগ লিখে ফেল, আমরা সবাই আরো ডিটেইলে জানি উনার সম্পর্কে।


            সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

            জবাব দিন
          • মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)
            কিন্তু আগুন যে কেউ ক্যাডার দিয়ে লাগিয়েছিলো এইটা অবশ্য বলেন নাই।

            হুম, স্যার বলেননা, কিন্তু ছাত্ররা সবাই জানে স্যারের বিরুদ্ধে এইসব নোংরামির কাহিনী। তারা স্যারকে বেশ কয়েকবার বহিস্কার করার চেষ্টাও করেছিল- এ' সবই ফিজিক্সের ছাত্রদের কয়েকজনের থেকে শোনা।
            - এমন বৈরী পরিস্থিতিতে কাজ করতে হলে সব কিছু জেনে নিও তারাতারি। তা না হলে অযথা যন্ত্রনাগুলোকে মোকাবিলা করা কঠিন হবে।


            There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

            জবাব দিন
            • রায়হান আবীর (৯৯-০৫)

              ফিজিক্সের অনেক নোংরামি আমি নিজেই স্যারের কাছ থেকে শুনেছি। সবাই অবশ্য না। তবে কয়েকজন তার মতো একটা দুর্দান্ত মানুষকেও কিভাবে টেনে নীচে নামিয়ে রাখতে চায় তা দেখে সত্যিই দুঃখ হয়।

              এখন তো আর তেমন কোন ঝামেলা নেই। স্যারের নিজের ডিপার্টমেন্ট। আর কয়েকদিন পর কার্জন হল ছেড়ে মোকাররম ভবনেও চলে যাবার কথা।

              জবাব দিন
  5. রাব্বী (৯২-৯৮)

    সাবাস রায়হান! অভিনন্দন দেরিতে জানালেও কি যে অসম্ভব খুশী হইছি খবরটা জেনে। কিংকং এর মুখেই প্রথম শুনছিলাম যে পেপারে দিসে যে ছবিসহ রায়হান সাহেবের খবর বের হৈসে। রায়হান সাহেব তো সেলিব্রেটি হয়ে গেলো! 🙂


    আমার বন্ধুয়া বিহনে

    জবাব দিন
  6. রুম্মান (১৯৯৩-৯৯)

    ছুডো ভাই রায়হান,
    :hatsoff: :hatsoff: :hatsoff:


    আমার কি সমস্ত কিছুই হলো ভুল
    ভুল কথা, ভুল সম্মোধন
    ভুল পথ, ভুল বাড়ি, ভুল ঘোরাফেরা
    সারাটা জীবন ভুল চিঠি লেখা হলো শুধু,
    ভুল দরজায় হলো ব্যর্থ করাঘাত
    আমার কেবল হলো সমস্ত জীবন শুধু ভুল বই পড়া ।

    জবাব দিন
  7. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)

    তোকে এমন অবস্থায় দেখতে চাই যাতে পেপারে খবর আসার পর অন্য কেউ বলে 'আমি তো কিছুই করি নাই, সব করেছেন রায়হান আবীর স্যার...' :dreamy:


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।