ফিরে আসা-৪।

যারা ধ্যৈর্য ধরে আমার ‘ফিরে আসা’র শেষ দুই খণ্ড পড়েছেন, তাদের মধ্যে যদি মনবিজ্ঞানি থাকেন, নিশ্চয়ই Illusive Mental Disorder বা Imaginative, Hallucinatory Syndrome বা  Paranoid Behavior বা ইংরেজি কোন খট্-বটে নামে আমার পূর্ববর্তি অধ্যায় দুইটির মূল্যায়ন করবেন, যার সোজা বাংলায় কোন মানসিক বিকারগ্রস্তের কাছে পিঠে কিছু হবে।আমি সেই সব জ্ঞানি গুনিদের সাথে তর্কে যাবোনা , কারন পৃথিবীর সব কিছু নিয়ে তর্ক করা সম্ভব, শুধু “মা”

বিস্তারিত»

CSE না EEE?

কিছুদিন আগে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শেষ হল। রেজাল্টও হয়ে গেল। হয়ত সামনে আরও কিছু ভর্তি পরীক্ষা আসবে। এসবের একবারে শেষে ভর্তি হওয়ার সময় যেই ব্যাপারটা সামনে আসে সেটা হল- “কোন সাবজেক্ট পড়ব?” বা একাধিক জায়গাতে সুযোগ হলে “কোথায় পড়ব?” আর যারা মোটামুটি একদম প্রথম সারির তাদের জন্য অনেক ক্ষেত্রেই প্রশ্নটা শেষ পর্যন্ত দাঁড়ায়- “CSE না EEE?” এখানে অবশ্য মেডিকেলের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা বলছি না। তাদের এসব সাবজেক্ট ঠিক করার কোন ঝামেলা নাই।

বিস্তারিত»

ফিরে আসা-৩।

নাই, কোথাও নেই। একদম ছোট বেলায়, যখন আঙ্গুল ধরে হাঁটতে শিখেছিলাম, নরম শাড়ির আঁচল, বোরখার জর্জেট কাপড় কূট কূট করে কাটতে শিখলাম, তখন থেকে আজ অব্দি সব সময়ের জন্যে সাথেই তো ছিল। সুখের সময় , দুঃখের সময় , বিপদের সময় , সাফল্যের সময় – কখন ছিলনা সাথে ? সুদূর জার্মানিতে হলুদ বাতির নিচে, যখন ভার্সিটি শেষে কাজ, কাজের শেষে একাকী ড্রাইভ করে বাড়ি ফিরতাম।তখনো আমার একমাত্র সঙ্গিনী মা।

বিস্তারিত»

চলো বৃষ্টিতে ভিজি

সন্ধ্যার পর থেকেই টিনের চালে রিমঝিম আওয়াজ তুলে আশেপাশের কোন কিছুকে বিন্দুমাত্র দাম না দিয়ে আপন চপলতা আর ছন্দ বজায় রেখে আষাঢ়ের টানা বর্ষণ চলছে। একেবারে আকাশ ভাঙা বৃষ্টি যাকে বলে। বারান্দায় বসানো হারিকেনটা বৃষ্টির ঝাঁপটা আর বাতাসের সাথে প্রাণপন যুদ্ধ করতে করতে এখনও পর্যন্ত বারান্দা সহ সামনের আরো কিছু অংশে কোমল আলো ছড়িয়ে আলোকিত করে রেখেছে। পাশে নীরা অপেক্ষমা্ন একটি দৃষ্টি নিয়ে সামনের দিকে তাকিয়ে আছে।

বিস্তারিত»

“শাহাদাত”নামা

জনাব কাজী শাহাদাত হোসেন রাজীব শ্রীচরণেষূ
হে উদার
অর্ধ যুগ আগে, বিলাতের এক গ্রীষ্মকালে তোমার বদনখানি ভাসিয়া উঠিয়াছিলো বোকাবাক্সের চৌকোণায়। তুমি নাকি বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট খেলিতে নামিতেছ। পত্র পত্রিকা মারফত জানিয়ছিলাম, বহুদিন পর নাকি এই অভাগা বঙ্গে এমন এক মানবসন্তানের আগমণ হইয়াছে, যে ফাস্ট বোলিংটা করিতে জানে। আরও জানিয়াছিলাম, তোমার আছে তালগাছের ন্যায় উচ্চতা আর ভীমের ন্যায় শক্তি। লক্ষণের শক্তিশেলের মত তুমিও নাকি চামড়ার গোলকটাকে সবেগে ছুঁড়িতে পার।

বিস্তারিত»

ফিরে আসা-২

সময়টা ছিল ২০০০ সাল। আমার জিবনের জন্যে একটি ‘Turning Point’. । জাগতিক দুনিয়াদারির স্কেলে আমি তখন প্রায় শীর্ষের কাছাকাছি অবস্তান করছি।মান সম্মান প্রতিপত্তি প্রায় সবই আমার করায়ত্তে।কি না করছি তখন,স্টক এক্সচেঞ্জ সদস্য হিসাবে ‘সাউথ এশিয়া স্টক এক্সচেঞ্জ ফেডারেশন’ (SAFE) করছি, নতুন স্টক এক্সচেঞ্জ বলে Screen Based Trading শিখার জন্যে Training এর দাওয়াত  লন্ডন, নিউ ইয়র্ক, টরন্টো স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে সাড়া পাচ্ছি।CSE Team Leader হিসাবে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

বিস্তারিত»

ধারাবাহিক উপন্যাস – ১৪, ১৫

(এই উপন্যাসটির প্রেক্ষাপট আর সময় বোঝাতে কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা এবং চরিত্র উল্লেখ করা হয়েছে। আর বাদবাকী ঘটনা আর চরিত্রগুলো কাল্পনিক, তবে অবাস্তব নয়। অনেক ঘটনাই বাস্তব আমজনতার অভিজ্ঞতা থেকে নেওয়া হয়েছে।)

এক দুই তিন চার এবং পাঁচ
ছয়
সাত
নয়-আট
দশ

বার

চৌদ্দ

নীলিমাদির কাছ থেকে দুটো গান তুলে নিতে হবে।

বিস্তারিত»

সেই হারিয়ে যাওয়া মুহূর্ত।

ফেলে আসা দিনগুলিকে ফ্রেম এ বন্দী করার প্রয়াস।। যদিও তাকে ফেলে এসেছি  খুব বেশি দিন হয় নি।

বিস্তারিত»

একজন নাসির ভাই

আবারো লিখতে বসা।গভীর বোধ আবেগ আর অনুভূতি যখন একই ধারায় এসে মিলিত হয় তখন আমার ভেতরে প্রচন্ড লেখালেখির চাপ জাগে।কোন ভাবেই নিজেকে দমিয়ে রাখতে পারিনা।ইদানিং খুব বেশি স্মৃতি কাতরতায় ভুগছি।জীবনের গভীর শূন্যতায় প্রিয় মুখখুলো যখন ঝাপসা হয়ে আসে তখন ফেরারী অশ্রুর শেষ বিন্দুটিও বেদনা জাগিয়ে যায়।

সপ্তম শ্রেনীর কোন এক দুঃসহ রাতের কথা।প্রচন্ড ক্ষিদে আর তৃষ্ণায় হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছি।একশো তিন ডিগ্রী জ্বরে বারো বছরের একটি ছেলে নাকাল হয়ে পরে আছে।নিজেকে হঠাত্‍ করে খুব অসহায় মনে হল।ছোট বেলার কথা মনে পরে গেল।জ্বর হলে মা সাড়ারাত মাথার কাছে বসে থাকতেন।ভাত খেতে পারতামনা বলে আউশ চালের ঝাউ রেঁধে দিতেন।ক্যাডেট কলেজের নিয়মতান্ত্রিক জীবনে গভীর ভাবে অনুভব করলাম মায়ের শুন্যতা।কাঁপা কাঁপা শরীর নিয়ে বিছানা থেকে উঠলাম।রাতে ডিনারের জন্য ক্যাডেট কলেজের গতানুগতিক ম্যানু।হঠাত্‍ করে অনুভব করলাম চোখের পাতা অকারনে ভিজে যাচ্ছে।খাবার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে বিছানায় শুতে যাচ্ছি এমন সময় কে যেন ডাকলো।এই ক্যাডেট খাবেননা?

বিস্তারিত»

ফিরে আসা।-১

” তৌবা ” শব্দের আভিধানিক অর্থ ‘ ফিরে আসা ‘ । যে কেউ, যে কোন অনিসলামিক কাজ থেকে অনুশুচনায় তাড়িত হয়ে ‘ দীন ‘ এর পথে ফিরে আসাই এই তৌবার মুক্ষ প্রতিপাদ্য ।এখানে একটা বিষয় পরিষ্কারঃ কৃত কর্মের জন্য আনুশুচনা বশতঃ অর্থাৎ বিবেকের দংশনে ফিরে আসতে হবে।কারো জোর বা প্রলোভনে সাময়িক ফিরে আসা নয় ! সৃষ্টিকর্তা পূর্ববর্তী সমস্ত কৃতকর্ম ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে বিচার করবেন যদি ঐ সকল অনৈতিক গর্হিত কাজ আর পরবর্তী জীবনে না করার অঙ্গীকার করা হয়।

বিস্তারিত»

হটকেক

‘ধ্যুৎ!এই প্রজেক্টটা খুবই ঝামেলার!অনেক রিসার্চ করতে হচ্ছে ।এত কাজ আর ভাল লাগেনা!’ স্যান্ডউইচে কামড় বসাতে বসাতে বলল লুবনা।

‘অত ঝামেলায় যাচ্ছেন কেন ? এখানে তো ফাঁকিজুকির অনেক স্কোপ আছে।আপনি জাস্ট…’ এতদূর বলে কথাটা আর শেষ করেনা রোহান।নোমানের উপস্থিতি টের পেয়ে চুপ মেরে যায়।ইঙ্গিতটা বুঝতে পারে লুবনা।সাথে সাথে কথা ঘোরায়।

‘হুম… রোহান ভাই।এই ক্যাফের স্যান্ডউইচটা একেবারে বাসি! এখন থেকে বাসার খাবার আনা ছাড়া গতি নেই।’

তাদের অফিস লাগোয়া এই ক্যাফেটার একটা ফাঁকা টেবিলে বসে পড়ে নোমা্ন।ইচ্ছা করেই সে  তার কলিগদের সাথে অন্য টেবিলগুলোতে বসল না।এর কারণ দু’টো।অফিসের সবার সাথে তার মৌখিক সদ্ভাব থাকলেও অন্তরঙ্গতা নেই তেমন।আর কিছুটা গোপণ কোন আলোচনা থাকলে কেউই তা নোমানের সামনে করতে চায়না।অফিসে তাকে ‘স্পাই’ নামে ডাকে অনেকে।এসব নিয়ে সবসময় অস্বস্তিতে ভোগে নোমান।পারতপক্ষে অন্যের ব্যাপারে নাক গলায় না।কেউ সাহায্য চাইতে আসলে সাধ্যমত সাহায্য করে ঠিকই,কিন্তু আগ বাড়িয়ে সাহায্য করতে যায়না।কে জানে,যদি এর মাঝেও ওরা সন্দেহের গন্ধ খোঁজে!কেউ কেউ আবার দরকারের বেলায় ওর সাহায্য নেয়,আবার আড্ডায় বসলে অন্যদের সাথে সমান তালে বদনাম করে যায়।নোমান মাঝে মাঝে অবাক হয়ে ভাবে চারপাশে এত শত্রু নিয়ে সে টিকে আছে কীভাবে !

বিস্তারিত»

৩৬ দিনের দেশ-৪

বহু ঝামেলা করে কখন যে চন্ডীগড়ে পৌঁছলাম, এতদিনে আর মনে নেই। চন্ডীগড় ভারতের দুটি রাজ্যের রাজধানী, হরিয়ানা আর পাঞ্জাব। এ শহরের মূল বৈশিষ্ট্য হল, এর পুরোটাই পরিকল্পনা করে গড়ে তোলা। স্থাপত্যের মানুষদের খুব কাছের একটি নাম হলো লি কর্ব্যুসিয়ের। শুরুটা ফরাসী, কিন্তু পরে পুরো বিশ্বের স্থাপত্যের ধারা বদলে দেয়াতে অবদান রাখায় স্থাপত্যের মানুষজন তাঁকে বিশাল গুরু মানেন। এই বিখ্যাত স্থপতির নকশায় গড়ে উঠেছে চন্ডীগড় শহর।

বিস্তারিত»

“মানিক বন্দোপাধ্যায় ও তার গল্প লেখার গল্প” -শেষ পর্ব

“মানিক বন্দোপাধ্যায় ও তার গল্প লেখার গল্প” –১ম পর্ব পড়ার জন্য ক্লিক করুন এখানে…

গল্প লেখার গল্পঃ

“একদিন কলেজের কয়েকজন বন্ধু সাহিত্য নিয়ে আলোচনা করছে। আলোচনা গড়াতে গড়াতে এসে ঠেকলো মাসিকপত্রের সম্পাদকের বুদ্ধিহীনতা, পক্ষপাতিত্ব, দলাদলি প্রবণতা ও উদাসীনতায়। বললাম, ‘কেন বাজে কথা বকছো? ভালো লেখা কি এত সস্তা যে, হাতে পেয়েও সম্পাদকেরা ফিরিয়ে দেবেন? মাসিকগুলি তো পড়ো, মাসে ক’টা ভালো গল্প বেরোয় দেখেছো?

বিস্তারিত»

ধারাবাহিক উপন্যাস – ১১,১২, ১৩

(এই উপন্যাসটির প্রেক্ষাপট আর সময় বোঝাতে কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা এবং চরিত্র উল্লেখ করা হয়েছে। আর বাদবাকী ঘটনা আর চরিত্রগুলো কাল্পনিক, তবে অবাস্তব নয়। অনেক ঘটনাই বাস্তব আমজনতার অভিজ্ঞতা থেকে নেওয়া হয়েছে।)

এক দুই তিন চার এবং পাঁচ
ছয়
সাত
নয়-আট
দশ

বার

এগার

আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে আমরা ঠাকুরপাড়ায় নিজেদের বাসায় চলে আসি।

বিস্তারিত»

সবুজ মানুষদের গপ্পো


সবুজ মানুষের ইশারা পেতেই চিহ্নিত স্থানে
মাটি খুঁড়ে উত্তোলিত হলো গুপ্তধনের সিন্দুক।
ডালা খুলতেই ফুস করে উড়াল দিল
এক ঝাঁক রঙীন প্রজাপতি !
সময়ের হাতে কিডন্যাপ হয়ে যাওয়া
কিছু সুপ্ত ভাব ও ভাবনা…

চুপিচুপি উড়ে যায় অভিসারে
চঞ্চলপ্রাণ সকল; এক ঝাপটায় উধাও
ওদের গোপন ডেরায় -সবুজের রাজত্বে।
দেবদারু গাছেরা সীমানায় সারিবেধে;
পাতার প্রাচীর বিচ্ছেদকারী সূর্যকিরন ।

বিস্তারিত»