ক্যাডেট কলেজ ব্লগের পক্ষ থেকে শহীদ আর্মি অফিসারদের স্মরণে বিডিআর গেটে প্রজ্জ্বলিত মোমবাতি কর্মসূচীর ভিডিও লিংকটি নিয়ে দেয়া হলো:
বিস্তারিত»সিসিবি থেকে নয় সিসিবিতে হারিয়ে যেতে চাই
কম্পিউটারে আমার জীবন শুরু এক্সটি মেশিন/২৮৬ বেজড মেশিন দিয়ে। সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে ওয়ার্ডস্টার, কোয়াট্রো-প্রো, হারভার্ড গ্রাফিক্স ইত্যাদি ছিল আমার কাছে সপ্তাশ্চর্যের মত। উইন্ডোজ ৩.১ দেখার পর থেকেই নিজেকে আউটডেটেড ভাবতে শুরু করেছিলাম। এরপরের উইন্ডোজ ৯৫, এম ই, ৯৮, এক্সপি ইত্যাদির সাথে কোনমতে ধুঁকে ধুঁকে জীবন পার করেছি। ভিসতায় যেতে সাহসে কুলাতে পারিনি এখনও।
ইন্টারনেটের সাথে কবে প্রথম পরিচয় হয়েছে মনে পড়ে না। হয়তো ৯২-৯৩ সালের দিকে হবে।
বিস্তারিত»বুমেরাং
শওকত (৭৯-৮৫, বরিশাল), এর দুটো লাইন তখন থেকেই তুখোড় এক বুমেরাং এর মতো বোধের বাতাস কেটে ফিরছিলো।
নীচে আরো দুটো লাইন জুড়ে (ছুড়ে) দিলে কেমন হয় —
আমি লিখলাম সম্ভাবনা
তুমি পড়লে সম্ভব না।
তুমি বললে বন্ধু
আমি শুনলাম বন্ধ।
রাহুল দ্রাবিড়ের ব্যান চাই…..আমি আমার ব্যান চাই……
১) অনেকদিন ধরেই নিজেরে ফাটাফাটি ক্রিকেটার ভাবে ইন্ডিয়ার রাহুল দ্রাবিড়। আর, ওরই বা কি দোষ…বেচারা তো আসলেই অতীব ভালো ক্রিকেট খেলে।
টেকনিকে প্রবলেম নেই…টাইমিংটাও ঠিক আছে…ভালো রানও আসতাছে ব্যাটে…সবই ঠিক!!!!!!!!!!!
তাহলে তারপরেও আমি কেন ওর ব্যান চাই?????????????????//
আমি ওর ব্যান চাই…এই কারণে…যে,
যেদিন রাহুল দ্রাবিড় ভালো খেলে…, সেদিন ওর দলের আরেকজন খুবই ভালো খেলে।
যেদিন বেচারা বেশী ভালো খেলে…, সেদিন ওর দলের আরেকজন অসাধারণ খেলে!!!
ভোরের একটু আগে

রাত শেষ হয়ে আসছে ধীরে ধীরে। আকাশের দিকে তাকালে এখনও সময়টা আন্দাজ করা যায় না। আমি উঠে পড়ি। এপাশ ওপাশ অনেকক্ষণ তো হলো! বিছানাবালিশ ধীরে ধীরে উষ্ণ মনে হচ্ছে। আর কতোক্ষণ এভাবে গড়াগড়ি করা যায়?
আমি উঠে পড়ি। জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি কিছু পরিষ্কার হয় না। তাও কী মনে করে তাকিয়েই থাকলাম। হালকা কুঁজো হয়ে বসলাম। আমি সবসময় এভাবে বসি। ছোটবেলায় নানী রেগে যেত,
শৈশব-ইন্দ্রিয়ের গান
ঘুড়ির লেজে করে উড়ে গেছে দুরন্ত আটপৌরে রোদ। শরীরে ঘুমপ্রিয় ক্লাশরুমেরা একা একা অযথাই ফাঁকা হয়ে বসে থাকে। ক্লাশের মেয়েরা বেণীর পেছনে মেঘের দরজা খুলে নেমে আসে, ওড়নাপ্রান্তে বেঁধে নিয়ে নিজ নিজ হোমওয়ার্ক। হাত বাড়িয়ে মেঘপ্রান্তের ঢেউ ছুঁয়ে দেখেছি, সেখানে শুভ্র রাতের ওপারে কুসুম কমলা ভোর আঁকা। পানিতে ঢেউ কেটে কেটে একবালিকার অবসন্ন রাত থরথরিয়ে ওঠে, দ্রুত নেমে যায় নিঠুর কাঁপন! যেমন ভেবেছি: কাটাকুটি খেলার গোপন টিফিন-আওয়ার,
বিস্তারিত»একটা পোস্ট দেই?
এখন বাজে রাইত তিনটা দশ। কালকে সকালে অফিস, তাড়াতাড়ি যাইতেই হবে। অনেকগুলো খাতা দেখতে হবে, প্রশ্ন বানাতে হবে ফাইন্যালের। এসব নিয়ে খুবই মেজাজ খিচড়ানো অস্থিরতার মধ্যে আছি। ২৫শে ফেব্রুয়ারির পর থেকে আমি ব্লগের মধ্যে দিয়ে মানুষ চিনতেছি। প্রথমে চিনলাম সামহোয়ারে। সেখানে নানারকম ছাগু-কাগু থাকে, তাই কিছুটা প্রিপেয়ার্ড ছিলাম। তবুও কিছু নিকট ব্লগারের বিচারবুদ্ধির উপরে ভরসা ছিল, সেটা চলে গেছে। সেই সপ্তাহটা আমি পুরা সিসিবিতে কাটাইছি।
বিস্তারিত»মন ভালো নেই…..
অনেকদিন ধরেই আসলে মনটা ভালো নেই।
এখনো মানসিকভাবে ঠিক আছি…এইটা বউকে বোঝানোর জন্যে সিসিবি-তে আসি……বউ-য়ের গালি শুরু-র ঠিক আগেই চলে যাই (মনে মনে হয়তো বা চলে আসার জন্যে বউয়ের গালিটা আসার অপেক্ষাতেও থাকি…)
………এভাবেই চলছিলো।
গত কয়েকদিন ধরে সিসিবি-র আবহাওয়াটা-ও খুব একটা Smooth ছিলো না বলেই মনে হয়…
কিছুই ভালো লাগছিলো না।
তবে এখন আমার ভালো লাগছে…বেশ ভাল লাগছে।
কারণঃ
১) আমার ছেলে তার জীবনের লক্ষ্য বদলেছে……তার এই প্রায় সাড়ে চার বছর জীবনে সে আজ পর্যন্ত রিক্সাওয়ালা,
পাঙ্কচোয়াল!
[বড় ভাই-রা, প্লিজ অন্যভাবে নিয়েন না… জাস্ট স্মৃতিচারণ, মনে কোন বিতৃষ্ণা নাই O:-) ]
আগে একটু হিন্টস দিয়া লইঃ
আমরা তখন নতুন নতুন ক্লাস টেনে উঠসি। আমাদের গ্রান্ডপা’দের (অল্টারনেট সিনিয়র) জেপি-শিপ দেওয়া হইসে প্রথম প্রথম। আমরা মোটামুটি হ্যাপি কারণ যিনি প্রথম জেপি হইসেন (নাম কইলাম না) তারে আমাদের খুব ভাল লাগত, বেশি ঘাটাইত না জুনিয়র নিয়া। ভাবলাম, যাক –
বিস্তারিত»আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া…
হায়দার হোসেনের এই গানটা আমাদের অব্যক্ত অনেক কথাই বলে ফেলল….আমরা কিছুই বলতে পারলাম না, শোকের ভয়াবহতা আমাদের পাথর করে ফেলেছে। নির্বাক নিস্তব্ধ হয়ে দেখে যাই ভিডিও ফুটেজ কিংবা স্বজনহারাদের স্থিরচিত্রগুলো। আমাদের বুকের লাল রক্ত শুধু বর্ণহীন অশ্রু হয়ে চোখ দিয়ে নিঃসৃত হয়ে চলে, কেউ বোঝে না এই যন্ত্রনাময় রক্তক্ষরনের রুপান্তরের নেপথ্য….
তবে আমি সারাজীবন এই যন্ত্রনা পেতে চাই। এই যন্ত্রনার রয়েছে এক অমিত শক্তি,
বিস্তারিত»স্বপ্ন, আশা – আর বিষাদময় সমাপ্তি
(এইটা আমার নিজের একটা গান; সেই জ্বী-ভাইয়া বন্ধুটির সাথে ডুয়েট করার চিন্তা করছি। এখানে দিয়ে দিলাম লিরিকটা – ভাল লাগলে বা খারাপ লাগলে ফিডব্যাক গ্রহনযোগ্য)
সন্ধ্যা তারায় হারালো মন
বিষাদ ভরা চোখে খুঁজেছি তখন
তুমি নেই পাশে বুঝেও তখন
খুঁজিনি আমি হারালে কখন
অজানা এক পথিকের ধুলো বুকে জড়াবে
তুমি জানবে কি করে সেই পথ অজানাকে
আশার বাণী শুনেছি দুজনেই একই রকম
ধুলো মাখা সে পথে দুজনেই গড়বো জীবন
হৃদয় কোণে নীরব স্মৃতির মূর্ছনাতে
ভাবনাগুলো স্পন্দিত তোমার ছায়াতে
স্বপ্ন-রঙে মন কখনো সাজবে কি আর
সময় কি আছে আর,
অপ্রাপ্তি
অতটা ভালবাস না তুমি আমাকে
যতটুকু ভালবাসলে ভুলকে ক্ষমা করা যায়,
অতটা ভালবাসা পাইনি তোমার আমি
যতটায় নিঃসঙ্কোচে কথা বলতে পারি তোমার সাথে।
দায়িত্ব থেকে আবেগ বড় – এই ভালবাসা আমি
এখনও পাইনি তোমার কাছ থেকে,
নির্বাক আমি…(ভুলব আমি কেমন করে)
ভুলব আমি কেমন করে (ইউ টিউব লিন্ক)
ভুলব আমি কেমন করে
এই বেদনার শোক
আজ কেবলি এই হৃদয়ে
দুঃখ নদীর স্রোত
ভুলব আমি কেমন করে
এই বেদনার শোক
আজ কেবলি এই হৃদয়ে
দুঃখ নদীর স্রোত
নতুন ২টি সাই-ফাই
২ টা নতুন সাই-ফাই মুভির ট্রেইলার পাইলাম। ভাবলাম এখানে দিয়ে দি।
এগুলি যথাক্রমে মে আর জুন মাসে আসবে। আমরা কবে হলে দেখতে পাব জানিনা, কিন্তু আমি বলে রাখলাম — সিনেপ্লেক্সে না দেখলে আমি দেখুমনা। হল প্রিন্টের বেল নাই। হাই ডেফিনিশন না দেইখা মজা নাই।
আমার কলেজের এক জুনিয়র আছে ও কৈত্থেইকা জানি এইসব HD জিনিসপাত্তি পায়। ট্রান্সফরমার্স-এর মেকিং নামাইসে। ভিডিওটা জিনিস একটা!
বিস্তারিত»জননিরাপত্তা
দিনকে দিন কেমন যেন
বদ্ধ হয়ে যাচ্ছে বাতাস,
চারদিকেতে শুনতে পাই
মৃত্যুশীতল হা-হুতাশ।
সকালবেলা ঘর থেকে সব
মানুষগুলো বের হয়ে যায়,