আজকে একটা দিন গেল বটে। অসম্ভব রকমের গরমের মধ্যে অফিসের কাজে জীপে (নন-এসি অবশ্যই) দু’শ কিলোমিটার পাড়ি দেয়া খুব একটা আরামের কিছু না। তবে যাত্রা শুরু করার পর নিজের অজান্তেই একা একা মিটমিট হাসতে লাগলাম। আমার যাত্রাপথে ঝিনাইদহ পড়বে। ১৫ টা মিনিট সময় কি পাওয়া যাবে না? অবশ্যই যাবে। যেই ভাবা সেই কাজ। সহযাত্রীদের বিশ্রামের সুযোগ দিয়ে প্রবেশ করলাম সেই গেট দিয়ে যেটা পার হলে আজ ২০ বছর পরেও মনে হয় এখনও ক্যাডেট আছি।
বিস্তারিত»বাবা,কতদিন…কতদিন দেখিনা তোমায়…
“বাবা কতদিন…কতদিন দেখিনা তোমায়…
কেউ বলেনা তোমার মত কোথায় খোকা ওরে বুকে আয়।
বাবা কতরাত…কতরাত দেখিনা তোমায়…
কেউ বলেনা মানিক কোথায় আমার ওরে বুকে আয়……”
আজ ২১শে জুন ,যদি ভুল না করি আজ ‘বাবা দিবস’। বিদেশ বিভূঁইয়ে বসে আজকাল দেশের সব ‘বিশেষ দিবস’ এর হিসাব অতোটা রাখা হয়ে উঠেনা। মাঝে মাঝে পত্রিকার পাতায় দৃষ্টিগোচর হলে সেটা নিয়ে কম বেশি ভাবা হয়।
বিস্তারিত»আমি গরীব, কারন আমি অ নে ক গরীব…!!!
তাইফুর ভাইএর পোষ্টে কামরুল ভাই কমেন্ট করেছেন “আপনার আর জুনার উপর মেজাজ বহুত খারাপ আছে।” ভাবটা এমন আমি যেন আমি ইচ্ছে করে এখানে অনিয়মিত হয়েছি…আমি জানি, এখন যদি আমি আমার দুঃখের কথা বলা শুরু করি তাহলে এখানকার কোমলমতি বড় ও ছোট ভাই-বোনেরা কাঁদতে কাঁদতে পা ব্যাথা করে ফেলবেন…
কত বছর পর অনলাইনে আসলাম ঠিক করে বলা মুশকিল…যতদূর মনে পড়ে, শেষবার যখন অনলাইন ছিলাম তখন বৃটিশ সরকার উপমহাদেশ থেকে যাব যাব করতেছে…ন্ না…মনে পড়ছে…তখনো ব্লগের অনেকে ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস দিত ‘ইটস কম্লিকেটেড’
বিস্তারিত»সেবা প্রকাশনী
ফয়েজ (৮৭-৯৩) খেরোখাতা – ছোট্ট বেলার নায়কেরা, চমৎকার লেখাটি পড়লাম।
শেষ লাইনটি ছিলঃ আহা সেবা প্রকাশনী, তোমার ঋণ কি কোনদিন শোধ করতে পারবো বলে মনে হয়?
পরে কমেন্টে এসেছেঃ সেবারে নিয়া আরও পোষ্ট আসা দরকার।
আমি এ ব্যাপারে একমত। নেশার মতো ছিল সেবার বইগুলো। আমাদের সময়ে, স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে, রোমাঞ্চপন্যাস তেমন ছিল না। হিরো বলতে রানার মত ছিল না কেউ। সেবা প্রকাশনীর প্রবল প্রভাবে,
বিস্তারিত»একটা গোপন কথা ছিল বলবার
মায়ের কাছে শোনা; আমার জন্ম নাকি এক ঝড়ের রাতে, কালবৈশাখী ঝড়। মুষুলধারে বৃষ্টি আর ঝড়ো হাওয়ার তান্ডব উপেক্ষা করে তুমি বাইরে বসেছিলে, নানাবাড়ির বারান্দায়, চওড়া বেঞ্চিটির উপর। ভেতর বাড়ি থেকে আমার গগনবিদারী কান্না শোনবার জন্য তোমার অধীর উৎকন্ঠা। আমি নাকি পৃথিবীর আলোয় এসে ছোট্ট চোখ দুটো পিটপিট করে কিছু খুজছিলাম, বোধহয় তোমাকেই। আমায় দুহাতে জড়িয়ে তুমি প্রাণভরে দেখছিলে, আর আমি, পরম মমতার ছোয়া পেয়ে যেন নিজের অস্তিত্বের মর্মার্থ উপলব্ধি করে নিচ্ছিলাম।
বিস্তারিত»শেখ আলীমের হাইকু – ৩
সিসিবি থিম
অল্প ক’জন ক্যাডেটের সান্নিধ্যে জন্ম নেয়া সিসিবি প্রাঙ্গন আজ অনেক বড়, অনেক বিকশিত। হয়তো বলবেন এখনো শতভাগ পূর্ণাঙ্গতা আসেনি, তবুও মেনে নিতে হবেই সিসিবি প্লাটফর্মের বর্তমান অবস্থান ঈর্ষনীয় এবং প্রশংসার দাবীদার। শুধু স্মৃতিচারণের গন্ডীতেই নিজেদের আটকে না রেখে চিরতরুণ ক্যাডেটদের (এক্স-ক্যাডেট বলবো না, কারণ অন্তরে তারা আজো সেই পুরনো ক্যাডেটই রয়ে গিয়েছেন) বিচরণ ছড়িয়েছে বহুদূর। আজ এর সদস্য প্রায় হাজারের পথে এগুচ্ছে, আর পোষ্টের সংখ্যা তো বেশ আগেই দু’হাজারের মাইলফলক ছাড়িয়ে গিয়েছে।
বিস্তারিত»কলেজ ছুটিতে মস্ত বড় সারপ্রাইজ!
কলেজ থেকে ছুটিতে আসা আমার জন্য সবসময়েই একটা দারুণ আনন্দের ব্যাপার ছিল। সত্যি কথা বলতে, ক্লাস সেভেন থেকে টুয়েলভ এর প্রতিটা মুহূর্তেই আমি থাকতাম হোমসিক। ক্যাডেট লাইফটার অন্য একটা মজা ছিল, এটা ঠিক; মজাও করেছি – কিন্তু সেটা আমার বাড়ির প্রতি দুর্বলতাটাকে কখনও ম্লান করতে পারেনি। ছুটির দিনগুলো শেষ হয়ে আসলে আমি আস্তে আস্তে মনমরা হয়ে পড়তাম। ছুটির প্রতিটা দিনই আমি উপভোগ করতাম। যদিও বেশীর ভাগ সময় কাটাতাম ক্যাডেট কলেজের ফ্রেন্ডদের সাথেই।
বিস্তারিত»সঁর্দি, কাঁশি জিঁদাবাঁদ!
সৈয়দ মুজতবা আলীকে আমার ভাল লাগে। লোকটা মহারসিক ছিলেন। এত কনফিডেন্স নিয়ে বললাম, এখন কেউ যদি চেপে ধরে, “কেমনে জানলেন, আপনি তো মুজতবা আলীকে দেখেনই নাই?” তাহলে আমিও বিগলিত হেসে বলবো, তাঁর লেখা পড়ে মনে হয় জনাব। তিনি অত্যন্ত রসিক ছিলেন। আমাদের পাঠ্যেও তাঁর লেখা ছিল কি না মনে নেই, সদ্য পাশুরে ভাইয়েরা আমাকে কনফার্ম করো। তবে আমি পাঠ্যের পাশে তার বই রেখে বেমালুম পড়তাম।
বিস্তারিত»জুনের চারঃ পিরিচের ওপর উনপঞ্চাশটি পানিবিন্দু
[গত পরশু রাতে ব্লগে লগ-ইন করলাম এই লেখাটি পোস্ট করার জন্য। তারপরেই দেখলাম তুহিনের ছুরিকাহত হওয়ার সংবাদ নিয়ে পোস্টটা। আমি দুঃখ বিপদ আপদ ঠিক সামাল দিতে পারি না। তারপর থেকে খালি বার বার পোস্টটা রিফ্রেশ দিয়েছি। একটু আগে দেখলাম ভালো সংবাদটা। এই সময়ে বারবারই মনে পড়ছিল দুইটা গেট-টুগেদারে দেখা হাসিখুশি ছেলেটার চেহারা। তাই এই লেখাটা তুহিনের জন্য, সাথে যারা গত দিনদুই ওর পাশে থেকেছে সর্বাত্মকভাবে তাদের জন্যেও!
বিস্তারিত»সি সি বি ভাবনা (…নাকি নিছক আবর্জনা)
[তুহিনের মর্মান্তিক ঘটনাটার সময় এরকম একটা পোস্ট দেয়া হয়তো ঠিক হচ্ছে না। তারপরেও এই পোস্টের কিছু অংশ হয়তো কাজে লাগবে ভবিষ্যতে (আল্লাহ না করুন) অন্য কোন ইমারজেন্সীতে]
সি সি বি যাতে সবসময় আমাদের নিয়মিত যোগাযোগের একটা প্লাটফর্ম হয়ে থাকতে পারে এ কামনা আমাদের সবসময়। সি সি বি কীভাবে আরও Functional ও interactive হতে পারে এ চিন্তাও আমাদের সবার।
ব্লগ এডু-মডুদেরকে বলছি।
বিস্তারিত»বিগত কয়েক ঘন্টার বৃক্ষনিধন কর্মসূচী এবং এতদসম্পর্কীয় ঘটনাবলী বিষয়ক বটবৃক্ষের উন্মুক্ত পত্রঃ
(দ্রষ্টব্য–ইহা নিছকই কৌতুকের নিমিত্তে লিখা,কেহ আশা করি মনে কোনরূপ আঘাত নিবেন না।কোন অংশ দৃষ্টিকটু হইলে উহা সম্পাদনা করিবার সম্পূর্ণ অধিকার শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তা মহাশয়কে দেওয়া হইল।আর কোন শব্দ অপরিচিত মনে হইলে বা অর্থ বুঝিতে না পারিলে নির্ঘন্টতে একবার চোখ বুলাইতে মর্জি হয়)
আমার প্রিয় প্রাক্তন বালক-বালিকা সেনাবৃন্দ,
শুরুতেই আমার কান্ডের গভীরতম মূলের রসালতম কক্ষের নির্যাস মিশ্রিত ভালবাসা গ্রহণ করুন 😡 😡 😡 ।যে মুহূর্তে আপনাদের কাছে আমার দুঃখানুভূতি ব্যক্ত করিতেছি ঠিক সেই মুহূর্তে আমার এক বেসামরিক বান্ধবী উত্তপ্ত পত্র সংবাদবাহকের মাধ্যমে আমাকে জিজ্ঞাসা করিল-“তোমাকে সবাই জামাতা ডাকিতেছে কেন?আর বালকসেনাব্লগে তোমাকে নিয়া এমন হঠাৎ আলোড়নের হেতু-ই বা কি?”
বিস্তারিত»জন্মদিন বিভ্রাট, ছড়াহামলা, অতঃপর একটি প্রায় হৈতে চলা সম্পর্কের(প্রায়) অপমৃত্যু
ব্লগে চা বিক্রি করি প্রায় বছরখানেক। সততা আর নিষ্টার সাথে ভেজাল মুক্ত খাঁটি গরুর দুধ (দুধ খাঁটি এইটা কই নাই) দিয়া চা বানায়া ভালোই টু-পাইস কামাচ্ছি। দোচালার টিনের বেড়া দেয়া দোকানটাও বেশ সিমেন্টের বেড়া পেয়ে গেছে। মাঝখানে আবার কামরুল ভাইয়ের অনুরোধে একখান সিনেমায় নায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হইছিলাম, বছর শেষে ঐটারে নাকি অস্কার না বহিষ্কার কি যেন একটা দিছে। যাই হোক নিজের প্রশংসা করতে চাই না।
বিস্তারিত»প্রবাসের ডায়েরি থেকে…(প্রথম খন্ড) – শেষ
প্রবাসের ডায়েরি থেকে…(প্রথম খন্ড) – ১
প্রবাসের ডায়েরি থেকে…(প্রথম খন্ড) – ২
৭। মাঝে মাঝে উদ্দ্যেশহীন ভাবে সারারাত ঘুরে বেড়াতে আমার ভালোই লাগত। এখানে দিন আর রাতের মধ্যে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। কর্মব্যস্ত দিনের কোলাহল আর চঞ্চলতার পর ক্রমেই শান্ত হতে থাকে শহরটি। শপিং মলগুলো সন্ধ্যায় বন্ধ হয়ে যায়। ধীরে ধীরে ফাঁকা হতে থাকে রাস্তাঘাট। নিরবতা নেমে আসে। নাইট বাসগুলো চলতে শুরু করে।
বিস্তারিত»খুচরো কথা- ১
১.
গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পড়ছে বাইরে। মাঝে মাঝে মুষুলধারে বৃষ্টির জন্য কান পেতে থাকি, সাড়া মেলে না। বৃষ্টি দেখাটা আমার নেশা, বেশ পুরানো অভ্যাস। সময়ের শুকনো রঙগুলো বৃষ্টির জলে ভিজিয়ে স্মৃতির ক্যানভাসে রঙ চড়াতে বেশ লাগে। আবছা হয়ে যাওয়া ছবিগুলোয় উজ্জ্বল রঙচ্ছটা জ্বলতে থাকে, ফেলে আসা সময়ের জোনাকগুলো আমার ভেজা মনে আলো ছিটিয়ে হারিয়ে যায়। আমি বসে থাকি; একা কিংবা বাস-ছাউনিতে দাঁড়ানো এক দঙ্গল মানুষের ভিড়ে।