
দুপুর নিয়ে আমার প্রবল উন্মাদনা আছে। উন্মাদনা, অর্থাৎ সাধারণ্যের সমাজ ও প্রথানিয়ন্ত্রিত আচরণের বাইরে আচরণ। আমি এমন করি, জেনেশুনেই বুক-পকেটে উন্মাদনাসমূহ লালন করি বিবিধ বিষয়ে। জাগতিক তাড়না দিয়ে যেগুলো ইস্যু আমার হিস্যা নিয়ে নেয়- অর্থ, চাকরি, খাওন-দাওন এগুলো আমাকে উন্মাদ করে না। আমি হিসেবি ও খেয়াল করে দেখি এটিএম বুথের ভেতরে ছক ছক নম্বরের জোরে আমার প্রাপ্য খটাখট আমার করতলে চলে আসে। পাতলা হয়ে থাকা ওয়ালেটের ভেতরে শৌখিন রোলার স্কেটিং করে নোটগুলো জমা পড়ে।
প্রতিদিন এই আমি…
প্রতিদিন একটু একটু করে অনেকটুকু ঘুমাই
স্বপ্ন দেখিনা…
সারাখন বসে কেবলি ভাবনা বিলাস; কাব্য করিনা
প্রতিবার ভাবি ছেড়ে দেব, বদঅভ্যাস যত্তসব
ছেড়েও ছাড়িনা
একছুটে ঘর পেরিয়ে বারান্দায়, পালাতে চাই
গ্রিলের খাচায় আটকে রই…পথ যে অজানা
প্রতিদিন একটু একটু করে মুটিয়ে যাই,
হাটতে চাইনা
বড় হতে চাই, বুড়ো হতে চাই না ।
সিগারেট ছাইদানি ছেড়ে দেব সব…তবু ধোয়া বাড়ে
মৃত্যুঝুকি কমেনা
পথ পেরিয়ে পথে যাব ভাবি,
সেলাই#৩
বিকেলের আলোমাখা টেবিলে আমরা দুজনে বসে
তোমার খয়েরি চোখের গাঢ় কাজল দেখলাম
চোখের পাঁপড়িগুলো নেই
(কেউ এসে তুলে নিয়ে গেছে)
ডান চোখের কিনার থেকে লাল ঠোঁটের প্রান্ত অবধি ছুরি দিয়ে চিরে দিয়েছে কেউ
ঠোঁট থেকে হাসির কিছু টুকরো কণা চোখের দিকে সিঁড়ি ভেঙে উঠে যাচ্ছে
তোমার কষ্ট লাগছে। তোমার ব্যথা লাগছে। তুমি হাসছো না। তুমি কাঁদছো না।
আসো আমরা এদিক-ওদিক তাকাই।
বিস্তারিত»আরেকটু রাত হোক
এখনি কি গান তুই শুনবি গোঁসাই? আরেকটু রাত হোক,
দূরের বিলের বুকে আলবোলা ভূতেরা জ্বলুক।
ছাতিমগাছের ডালে ডাহুকটা কেঁদে কেঁদে থেমে যাক।
ফ্যাঁকাশে রাতের মুখ নিকষ কাঁলচে হলে,
ব্লগানুবাদঃ দ্য সেলফিশ জীন – রিচার্ড ডকিন্স (২)
[নিজের কথাঃ প্রথমেই যাঁরা উৎসাহ দিচ্ছেন, তাদের জন্যে আমার অশেষ কৃতজ্ঞতা! ব্যস্ততার মাঝেও কাজটা নিয়ে থাকার প্রেরণা পাচ্ছি আপনাদের সকলের কারণে। এই পর্বটি একটু বড়ো, বেশ কিছু খাশটা উদাহরণ আছে, এবং শেষের অনুচ্ছেদে কাকতালীয়ভাবে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে আমার আজ রাতে হওয়া epiphany আছে। লিখতে লিখতে হুট করেই জামাত-শিবিরের চালচিত্রের একটা জেনেটিক, জেনেরিক ধারণা পেলাম। ডকিন্সকে ধন্যবাদ!]
আরো বিশদে যাওয়ার আগে আমাদের ধারণাগুলোকে সংজ্ঞায়িত করা দরকার।
বিস্তারিত»ব্লগানুবাদঃ দ্য সেলফিশ জীন – রিচার্ড ডকিন্স
[নিজের কথাঃ কথায় বলে মাথায় কিছু না থাকলে অন্যের মাথার জিনিস নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করা উত্তম। বিছানার পাশের টেবিলে পড়েছিলো বইটা। মাঝে মাঝে গুরুগম্ভীর বই ঘুমের টনিক হিসেবে ভালো। রিচার্ড ডকিন্সের প্রবল যুক্তিঘেঁষা আলোচনার পদ্ধতি আমার ভীষণ প্রিয়। বিবর্তন নিয়ে অনেক কু-ধারণা, কু-মত, আমাদের মাঝে বিরাজ করে। সেটা কি অজ্ঞতাবশত নাকি ভয়বশত তা আমি জানি না। ডকিন্স অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘Public Understanding of Science’ বিভাগের একজন প্রফেসর।
বিস্তারিত»অ-প্রাকৃতিক
[মস্তকটীকাঃ (ব্লগীয় আদলের সাথে বইয়ের ফারাক, তাই পাদটীকা উপরে উঠে আসছে ধীরে ধীরে। এজন্যে তার নাম দিলাম মস্তকটীকা।) যা ভাবি, যা দেখি, তারে নাড়াচাড়া করতে ইচ্ছা করে। এর সাথে বালক বয়সের খেলনা নিয়ে অবিমৃশ্যতার মিল আছে। খেলনা ভেঙে গেলে কান্না পেতো, কিছু করার থাকতো না। এখনও মাঝে মাঝে নাড়াচাড়ার ইচ্ছাবশে চারপাশের দৃশ্য ও ঘটনা ভেঙে যায়। দেখি কিছুই নির্মিত হয় না।
বিস্তারিত»গ্রামটিতে ‘৭১ এ কোন কুকুরই ছিল না!!
১১ মে, ১৯৭১ সাল। পাকিস্তানী সৈন্যরা আসছে জানতে পেরে অনেকেই গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেছে। যারা রয়ে গেছে, তাদের আসলে যাবার আর কোন জায়গা নেই। অবশ্য সুলায়মান, রহমত এবং মফিজ-যারা কিনা বর্তমান ‘গন্ডগোল’ এর বিরুদ্ধে, তারা উলটো অধীর আগ্রহে পাক বাহিনীর জন্য অপেক্ষা করছে।
অবশেষে দুপুরনাগাদ পাকি বাহিনী গ্রামের একেবারে উপকন্ঠে এসে পৌঁছলো। দলটা বেশি বড় নয়, কমান্ডিং অফিসার একজন মেজর। মেজর সরফরাজ গ্রামের একমাত্র পাকা স্কুল ঘরটায় একটা চেয়ার পেতে বসে তার এডভান্স টিমকে নির্দেশ দিলেন,
বিস্তারিত»বাউলা প্রেম
নাহয় বাউল, তাই বলে কি সবার মত মন,
মান-অভিমান, ভালোবাসা, প্রেমের আয়োজন
নেই এ বুকে? ঠিকানাহীন, তবুও যেন কোন সে অজানা
পথ হারানো ইচ্ছেরা চায় অটুট ঠিকানা।
শিমুল তুলোর মতোন হৃদয় হাওয়ায় ভেসে চ’লে
আটকে গেলে মাঠের বুকে তারেই আপন বলে।
এই ভিখীরির কোথায় অশন জুড়োতে তার প্রাণ?
তাই তোর তরে মোর এইটুকু রাগ, মায়ার অভিমান।
সোনার মেয়ে,
রোমিও
মিলি, আমি এখনো দাঁড়িয়ে আছি ঠাঁয়।
আমার তৃষিত চোখ তোমার ওই ক্ষুদ্র জানালায়
চেয়ে চেয়ে ক্লান্ত হয়, তবুও যায়না আশা।
মিলি, কিছুই চাইনা আর। শুধু একটু ভালোবাসা।
তোমার বাড়ির পিছে বড্ড দুর্গন্ধ আর বড় বড় ছনঘাস,
ঝাঁড় ঝাঁড় বনকচু, দেয়ালটা নোনাধরা, ঝুলে থাকে শেওলার আঁশ।
ফ্যান্টাসি লীগঃ সিসিবি ম্যানেজারদের আমলনামা – ০৭
অনেক অনেক দিন আগের কথা, আমাদের এহসান ভায়ের অনুপ্রেরনায় সিসিবির বাঘা বাঘা সব টিম ম্যানেজাররা ঝাপিয়ে পড়েছিল ফ্যান্টাসি ফুটবলের সিসিবি লীগে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানের জন্য। অনেক আয়োজন করে আমরা শুরু করেছিলাম এই লীগ। প্রথম সপ্তাহেই আমাদের নতুন জামাই রায়হান আবির শীর্ষস্থান দখল করে সবাইকে সাবধান করে দিয়ে সেই যে চলে গেল আর ফিরে এলো না। প্রথম কিছুদিন এই লীগ নিয়ে আমাদের উৎসাহেরও কমতি ছিল না,
বিস্তারিত»তুমি
অবারীত ঐ পথ বেয়ে
তুমি এসেছিলে
প্রসারিত এই মন পেয়ে
তুমি ভালবেসেছিলে
চাউনির মাঝে ছিল
আমার বিচরন
ওষ্ঠের স্পর্শে
আমার মরন।
নিরর্থকাব্য
সকালে যখন আবছা ময়লাটে নীল পর্দার পেছনে রোদের হাট বসে,
একটা তুমুল সিনেমা শুরু হয় তখন এই ঘরে
তেমন একটা আলো এসে পৌঁছায় না।
নীল নীল আবছা ঘুম জমে থাকে এখানে।
আর আমি পাশ ফিরে শুয়ে উল্টে যাই, পাল্টে যাই একটু, মাত্র এক অথবা দুই ইঞ্চি।
তারপরে জানালায় নিবিড় হয়ে মিশে থাকা
সবুজ পাতার ডাল নড়ে ওঠে, কেঁপে ওঠে এবং আমিও ঘুমের ঘোরে কেঁপে উঠি।
কল স্ক্রিনিং!!
আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকা স্বত্ত্বেও আমরা ছিলাম বন্ধুর মতন। না! বন্ধু না, তার চেয়েও বেশি। নিজেদের মাঝে সব কিছু শেয়ার করতাম। ক্লাস, পরীক্ষা, বন্ধুদের সাথে ঝগড়া বা আড্ডা, পছন্দ-অপছন্দ…সব কিছু। এমনকি, একে অন্যের বন্ধুদের নিকনেম পর্যন্ত জানতাম। আমার জন্য সবচেয়ে কষ্টকর ছিল যখন কোন মুভি দেখে তার গল্প বলত। কারন, ‘ওর’ স্বভাব ছিল এক্কেবারে খুঁটি-নাটি সব শোনানো। হয়ত অনেকেই হাসবেন, তবুও বলি- এমনকি, মুভির গানের অংশে গান গেয়েও শোনাতো!!
বিস্তারিত»নামটা খুঁজে পাচ্ছি না
আমার ঠিক জানা নাই ভালো লেখকরা কোন কিছু লিখার আগেই নামটা দিয়ে দেন কিনা।আমি শুধু এটাই জানি যে আমি দেই।কিন্তু এইটার যে কি নাম দিব খুঁজে পাচ্ছি না।
ছোটবেলায় প্রথমে হতে চেয়েছিলাম কনফেকশনারীর দোকানদার।বিনা পয়সায় পেষ্ট্রী খাওয়াটাই যখন আমার কাছে সবচাইতে আকর্ষনীয়।তারপর কখন ও ক্রিকেটার,কখন ও জার্নালিষ্ট (স্পোর্টস),কখন ও ফ্যাশন ডিজাইনার আবার কখন ও স্বপ্ন দেখেছি আমি বিরাট এক্সিবিশন করছি বেংগল গ্যালারীতে।কখনোই যেটা চাইনি সেটা হল আর্মি অফিসার হতে।শেষ পর্জ়ন্ত ওটাই হতে হল।তাই স্পোর্টস রিপোর্টার হওয়ার সুপ্ত ইচ্ছেটা এই ব্লগেই পুরন করি।
বিস্তারিত»