[ব্লগ লেখা এক মারাত্মক নেশা। ঘাড় থেকে নামিয়ে রেখেছি আশ্বাসে নিশ্চিন্ত হয়ে বসলেই টের পাই কোন ফাঁকে সে আবারও ঘাড়ে চড়ে বসেছে এবং দুই হাঁটু দিয়ে কানের ওপরে চাপ দিচ্ছে! একটা ব্লগ না লেখাতক এই অদৃশ্য ব্যথাটি সরছে না!]
Inglourious Basterds নামটার মধ্যে প্রথমেই যেটা খেয়াল করলাম সেটা হলো নামের বানান ভুল। ভাবলাম টাইপো, তারপরে ভাবলাম টারান্টিনো কি ভুল শিখেছেন নাকি (যদিও চিন্তাটা শিশুতোষ ভীষণ),
অজস্র কবিতায় কঠিন সব শব্দের খেলা
বুঝতে পারি না কিছুই – নিজেকে বড়ই ক্ষুদ্র মনে হয়।
মনে হয় আমি এখনও অনেক ছোট,
এখনও কবিতা বুঝতে গিয়ে অন্ধকারে ডুবে যাই আমি,
সহজ বাংলায় ‘ভালবাসি’ না বলে কবি কেন যে লিখে ফেলেন
দুই লাইনের শব্দজট – এখনও মাথায় আসে না আমার;
সহজ শব্দের ‘জল পড়ে, পাতা নড়ে’ আজ যেন হারিয়ে গেছে –
ধরা যাক, আমরা একটি সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্র বানাতে যাচ্ছি। ছবিটির কাহিনী অনেকটা সময় পরের পৃথিবীর পটভূমিতে। এমন একটা সময়ে যখন সূর্যের আয়ুষ্কাল শেষের পথে। তারকা হিসেবে সূর্যের দীপ্তি কমে আসছে, ধীরে ধীরে সে নিভে যাচ্ছে। সূর্য নিভে গেলে প্রাণের উদ্ভব হওয়া গ্রহটিতে সকল প্রাণ বিলুপ্ত হবে। মানুষ হিসেবে তখন সবচেয়ে জরুরি কাজই হবে সূর্যকে টিকিয়ে রাখা। মানব সভ্যতার এরকম একটা ক্রান্তি সময়ে একদল নভোচারীকে পাঠানো হলো সূর্যরক্ষা মিশনে।
‘৯৭, ‘৯৮ এর পোলাপাইন ব্লগে যেমন কম, এখানেও এসেছে কম। ‘৯৮ এর কনক, হায়দারকে দেখা গেল। ওদিকে ‘৯৭ এর এসেছে শাহেদ, সামিউর, আদনান এবং মাহবুবা। মাহবুবা আবার এক গাদা ফুল নিয়ে এসেছে, ‘কি ফুল’ জিজ্ঞাসা করতেই জানালো ‘মরুর ফুল’!!!! সামিউর এটা শুনে ফট করে বলে বসল, ‘শিউর কর্ছেন তো??? জবাবে ও আরবীতে হড়বড় করে অনেক কিছু বলল।
এক সাগর রক্তের বিনিময়ে
বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না
আমরা তোমাদের ভুলব না।
এটুকু আপাতত শুধু গানের কথাই; জীবনবৃত্তের ব্যস্ত চক্রে বছরের গুটি কয়েকদিনই গানটির জন্য বরাদ্দ। বাকি দিনগুলি যে বিস্মৃত হতেই হয়; কীই বা করার আছে বলুন। আর সবকিছু তো মনে রাখাও যায় না; তাই না। এই দেখুন না; গত সেমিস্টারে যে অর্ধপরিবাহীর সূত্রগুলো আঁওড়ে গিয়েছি;
অহনা
কেমন আছিস জানি খুব ভালো।কেন জানিস আমার কাছ থেকে যারা দূরে চলে যাই তারা ভাল থাকে।আচ্ছা আমাকে একটা কথা বলবি,আমাকে কি তুই ভয় পাস? ভাবিস আমি তোর সুখের জীবনে সঙ্কট সৃষ্টি করব।সত্যি কথা আমার সে রকম কোন ইচ্ছা নেই,আর থাকলেও তোর ক্ষতি করার সাধ্য আমার নেই।জানিস মাঝে মাঝে মনে হয় তোকে ভুলে গেছি।আবার বুঝি এটা যে কত বড় ভুল ধারণা।আসলে কি জানিস আমার হৃদয়ের সব ভালবাসা উজাড় করে আমি তোকে ভালবেসে ছিলাম।জানিস তুই যেদিন ফোন করে বললি আমাকে আর ফোন দিস না,আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।জানিস তখন আমি কি করতাম সারা দিন বললতাম “আল্লাহ আমার অহনাকে ফিরিয়ে দাও।”আব্বুতো ভাবল আমি হয়ত পাগল হয়ে গেছি।আসলেই আমি পাগল।
(ডিসক্লেইমারঃ লেখাটি অনেকটাই বন্য’র ‘সিসিবি সমাবেশ’ আদলে লেখা। তাই, ও যদি কপিরাইট নিয়ে কোন ঘাপলা করতে চায়…ওয়েল…পিটিয়ে ওর পিঠের ছাল তুলে ফেলব…
ইচ্ছে ছিল সিসিবির সবাইকে নিয়ে লিখব, কিন্তু পরে দেখলাম সেটা কোনমতেই সম্ভব না…তাই, কারো নাম বাদ পড়ে গেলে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি…মূলত সাম্প্রতিকালে সক্রিয়দের নিয়েই লেখাটি রচিত হয়েছে…বা চেষ্টা করা হয়েছে…)
(সিসিবির সবার প্রতি এই কঠিন লেখা দেবার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখলাম… এই ব্লগের সবাই একজনের জন্মদিন নিয়ে বিশেষ বাড়াবাড়ি শুরু করেছে…। ব্যাপারটা মোটেও পছন্দ হয়নি বলেই আমার এই স্পেশাল লেখা।)
বাড়াবাড়ি আমি কখনও পছন্দ করি না…। :no:
সে কারণেই আমি কাউকে বেশী ভাল বাসি নি পর্যন্ত…!! :thumbdown:
অন্যের জোরাজুরিতে এই ব্লগে এসেছিলাম…।
তারপর দেখলাম… সবাই কোন কারণ ছাড়াই একজনকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়…যার অত গুরুত্ব পাওয়ার কোন কারণই নেই…!!!!
(আমি প্রথমেই বলে নিতে চাই,যারা ভাবেন দেশটা যেমন চলছে চলুক আমি ভালো থাকলেই ভাল লেখাটা তাদের জন্য না।)
আমাদের একসময় নাম ছিল ভেতো বাঙালি।অনেক রক্ত আর অনেক প্রাণের বিনিময়ে আমরা এই কটাক্ষের উপযুক্ত জবাব আমরা দিয়েছিলাম পাকিস্তানী জেনারেলদের।তারা বুঝেছিল এই ভেতো বাঙালির তেজ।আমাদের দেশের অনেকে এই কথা শুনে বলবেন আরে ওতো তিরিশ বছর আগের কথা আল্লাহর কসম তাদের মুখে আমি স্যান্ডেলের বাড়ি মারি।আমার জন্ম ১৯৮৮,আমি যুদ্ধ দেখিনি গল্প শুনেছি।আমার বাবার কাছ থেকে।আর অনেক বই পড়ে।
আমি সকালে কি খেয়েছি আমার মনে নেই।কারন আমি জানি দুপুর এমনকি রাতেও আমার জন্য বাসায় খাবার তৈরী থাকবে।আমার নিজের এমন অনেকদিন হয়েছে বার্গার অর্ধেক খেয়ে উঠে পড়েছি।আমরা হর হামেশাই এরকম করে থাকি।আমার বন্ধু.সিনিয়র,জুনিয়র যারা আছনে,তাদের বলছি আমরা কি কখনো এমন ভয়ে থেকেছি এখন তো খেলাম আবার কখন খাবো?
অনেকের কাছে অত্যন্ত হাস্যকর প্রশ্ন।আমি বিধাতাকে সবসময় ধন্যবাদ দিই এই কারেন যে আমার ক্ষুধায় তিনি খাবার দিচ্ছেন।কিন্তু আমাদের এই চেনা পৃথিবীর বুকে অনেক মানুষ আছে যাদের অনেকেই ভুলে গেছে খাবারের স্বাদ কেমন হয়
আমরা কত ভাগ্যবান আমরা পৃথিবীর এমন একটা অংশে জন্মগ্রহণ করেছি,যারা জানিনা ক্ষুধার কষ্ট কেমন হয়।আমরা জানিনা নিজের চোখের সামনে ক্ষুধা,তৃষায় নিজের সন্তান তিলে তিলে শেষ হয়ে গেলে এক পিতার এক মায়ের বুকে কি রকম হাহাকার ওঠে।কিন্তু আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীর বুকেই অনেক মায়ের কোলে ক্ষুধায প্রাণ হারাচ্ছে তারই নাড়ী ছেড়া ধন।
খুব ভোরে প্যারিসে পৌঁছালাম। সকাল ৮ টা। ইন্টারন্যাশনাল বাস টার্মিনালের অপেক্ষাগারে ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত হয়ে বসে বসে ঠিক করে নিচ্ছি আজকের দিনের পরিকল্পনা। কোথায় আস্তানা গাড়বো সেটা নিয়ে আলোচনা চলছে আর এর মাঝেই এক আগন্তুকের আবির্ভাব। আগন্তুক আমাদেরকে তার বাসায় পেইং গেষ্ট হিসাবে থাকার প্রস্তাব করলো। প্রতিদিন ২০ ইউরো দিতে হবে বিনিময়ে থাকা এবং খাওয়া। ফ্রড হতে পারে এইকথা মাথায় থাকার পরও কেমন করে যেন আমরা রাজি হয়ে গেলাম।
মন মরে যাবার প্রক্রিয়ার সাথে আমি তেমন পরিচিত ছিলাম না।
বিজ্ঞপ্তি ও বিবৃতিতে মানুষের বিদেহী আত্মার কথা শুনেছি কেবল
জেনেছি, কেউ কেউ মরে গেলে দেহ বিয়োজন ঘটে,
আর কোনো কোনো লাশের খবর থাকে না।
ঈর্ষা করেছি যারা আত্মা হয়ে গেছেন, চল্লিশ দিন
ঘুরে বেড়িয়েছেন ভরহীন অশরীরে।
দুঃখ-শোক-সন্তাপ-বিদুরিত-প্রাণে-অপ্রাণে
আর অনেক অনেক বছর পরে, বিদেহীদের পরিচয়
আমার কাছে আটপৌরে হয়ে গেলে,
আমি মাঝে মাঝে ভাবি আমি আজকে এখন পৃথিবীতে না থাকলে কেমন হতো? একেবারে সাধারণ ভাবনায়, শুরুতেই ধরে নেয়া যায় যে এই লেখাটা লেখা হতো না। আমি জানি আমার ভেতরে যে কথাগুলো জন্ম নিচ্ছে সেগুলো আর কেউ কোনোদিন বলে গেছে; তবে আমার মতো করে বলে নি। আর আমার মতো জীবন ঠিক আমার মতো করেও কেউ কাটায় নি। আমি যাদের সাথে মিশে মিশে,