অবাক জিজ্ঞাসা…

(প্রারম্ভিকাঃ ক্যাডেট কলেজ ব্লগ এর নীরব পাঠক প্রায় এর জন্মলগ্ন থেকেই। কিন্তু কখনও মাঠে নামার সাহস অর্জন করতে পারিনি। কলেজে যাদের বাংলা লেখার প্রশংসা শুনতে শুনতে বড় হয়েছি, তাদেরকে এই ব্লগে লিখতে দেখে নিজেকে পাঠক হিসেবেই শ্রেয় ভাবতাম, কিন্তু যখন দেখলাম, দুলাভাই এর প্রশয়ে আমার নন-ক্যাডেট বোনও পুরোদস্তুর লেখক, তখন আর আত্মসংবরণ করতে পারলাম না। কলেজের শেষের দিকের লেখা কিছু বাক্যসম্ভার দিয়েই যাত্রা শুরু করলাম।

বিস্তারিত»

আমাদের অস্তিত্ব – শেষ পর্ব

আমাদের অস্তিত্ব – ১
আমাদের অস্তিত্ব – ২

প্রথম পর্বে বলেছিলাম “ব্রেইন ইন আ ভ্যাট” তত্ত্বের কথা। আর দ্বিতীয় পর্ব ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ এবং এর বিষয়ে দার্শনিকদের উঠানো “মন” সংক্রান্ত প্রশ্ন নিয়ে। এই শেষ পর্বে এসে এই দুটিকে মিলিয়ে আমাদের সামনে কি দাঁড়ায় তা দেখা যাক।

ধরা যাক, আগের পর্বের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর অনুভূতির সমন্বয়ে রোবট তৈরি করা হয়েছে।

বিস্তারিত»

এ ঋন শোধাবো কেমনে????

বেশ কিছুদিন আগে ইংলিশ ১টা মুভি দেখেছিলাম। ছবিটার পুরা ঘটনাও আমার মনে নেই কিন্তু ১টা ডায়লগ মনে পড়ে নায়ক (তার প্রিয়তমাকে উদ্দেশ্য করে বলা)- I dont wanna change even a single hair of yours. I love u I love u I love u. Would I ever gonna love u less?

ছোটোবেলা থেকে শুনেছি জন্মভূমি হলো মায়ের মতো, তাহলে আমি বলব আমার কলেজ (ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ) হলো সেই মায়ের বুক।

বিস্তারিত»

আমাদের অস্তিত্ব -২

আগের পর্ব

এর আগের পর্বে লিখেছিলাম “ব্রেইন ইন আ ভ্যাট” এর সাথে আমার পরিচয় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স পড়ার সময়। তো ঐ তত্ত্বের সাথে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সম্পর্কও জানানো প্রয়োজন। তার আগে বলে নিই, আমাদের চারপাশের টেকনোলজি কিন্তু দারুণ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় আর গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা চলছে। অন্যদিকে এগুচ্ছে মানুষের চেহারার ভাব-ভঙ্গি বা আচরণ নকল করতে পারা যন্ত্র তৈরির কাজ।

বিস্তারিত»

আমাদের অস্তিত্ব?

এখন যেটা নিয়ে লিখতে বসেছি, সেটা দর্শনের একটা তত্ত্ব। দর্শন বিষয়ে তেমন আগ্রহ না থাকলেও আমাদের পাঠ্য বইয়ের অংশ হিসেবেই এই ধারণাটির সাথে আমার পরিচয় ঘটে গতবছর, Artificial Intelligence কোর্সের সময়। এই তত্ত্ব বা থিওরির নাম ছিল- “Brain in a vat”. প্রথমে কিছুটা জটিল লাগলেও বেশ ভাল লেগেছিল পুরো ব্যাপারটা। সেজন্যই আপনাদের সাথে শেয়ার করতে বসলাম।

এই “Brain in a vat”- আঙ্গুল উঠায় একেবারে আমাদের অস্তিত্বের দিকে।

বিস্তারিত»

ধর্ম নিয়ে আমার ভাবনা – শেষ পর্ব

ধর্ম নিয়ে আমার ভাবনা ১
ধর্ম নিয়ে আমার ভাবনা ২

এই শেষ পর্বে আমি জীবনাচরণের ঐ সমস্ত দিকগুলো নিয়ে বলতে চাচ্ছি, যেগুলো সরাসরি ব্যক্তিধর্মের বিশেষ কোন উপাদানের(ধর্ম/মতাদর্শ/চেতনা) সাথে সংশ্লিষ্ট না। কিন্তু পরোক্ষভাবে উপাদানগুলোর প্রভাব এর উপরে পড়ে। বলা যায়, আগের পর্বে লেখা আচার-অনুষ্ঠান ছাড়া ব্যক্তির বাকি সমস্ত কাজই এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। এই আচরণগুলো বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত, কিছু কিছু ক্ষেত্রে সম্মিলিত।

বিস্তারিত»

ধর্ম নিয়ে আমার ভাবনা ২

ধর্ম নিয়ে আমার ভাবনা ১

এই পর্বে আমি আগের পোস্টের ধারাবাহিকতায় ‘জীবনাচরণ’ নিয়ে কিছু বলব। তবে আমার মনে হয়েছে তার আগে একটা কথা বলে নেয়া দরকার- আমার এই লেখাটার সাথে(আগের পর্ব সহ) সবাই স্বাভাবিকভাবেই বাস্তবকে মিলিয়ে উদাহরণ খোঁজার চেষ্টা করবেন। এইখানে আমার অনুরোধ- উদাহরণ অন্যের মধ্যে খোঁজার আগে, নিজের মধ্যে খোঁজাটাই মনে হয় ভাল হবে।

জীবনাচরণ এর অর্থ সোজা ভাষায় আমরা যা যা করি,

বিস্তারিত»

নিয়ানডার্থাল মানবের বিলুপ্তি ও আমাদের দায়ভার

পৃথিবীতে মানুষের আগমন নিয়ে ধর্ম গ্রন্থের বয়ান আমরা কম বেশী সবাই জানি। ঈশ্বরের কঠোর নিষেধ সত্ত্বেও শয়তানের প্ররোচনায় নিষিদ্ধ বৃক্ষের ফল খেয়ে স্বর্গ থেকে বিতাড়িত হয়ে পৃথিবীতে আসেন আদম । ঠিক কবে তিনি পৃথিবীতে এসেছিলেন তার সঠিক বর্ননা কোথাও নেই। বাইবেলে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আদম পৃথিবীতে এসেছিলেন প্রায় ছয় হাজার বছর আগে। ইহুদি ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী আদম ও ইব্রাহীম নবীর মাঝে বয়সের পার্থক্য উনিশশত আটচল্লিশ বছর।

বিস্তারিত»

ধর্ম নিয়ে আমার ভাবনা – ১

অনেকে শিরোনাম দেখে হয়ত আঁতকে উঠতে পারেন- আবার শুরু হইল! সেজন্য প্রথমেই এই পোস্টে ‘ধর্ম’ শব্দটার ‘মর্ম’ বলে নেয়া ভাল। কলেজে থাকতে মল্লিক স্যারের কাছে শোনা- ‘ধর্ম’ শব্দটি এসেছে ‘ধৃ’ থেকে। অর্থ- ধারণ করা। সুতরাং এভাবে দেখলে আমরা যা ধারণ করি(বস্তুগতভাবে বা Physically না অবশ্যই) তা-ই ধর্ম। আর সেজন্যই ইংরেজি ‘Religion’ শব্দের তুলনায় বাংলা ‘ধর্ম’-এর অর্থও অনেক ব্যাপক। যেমন আমরা মানুষ ছাড়াও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রেও ধর্ম শব্দটা ব্যবহার করি।

বিস্তারিত»

এই দিনে…মনে পড়ে

আমাদের সবার এই এক প্রবলেম। কিছুদিন গেলেই যেকোনো কিছুর উপর দাবি জন্মায়। নিজের বলে মনে করি। তাই তো কালকে রাত থেকেই সিসিবি এর জন্মদিনে নিজের জন্মদিনের মতো খুশি খুশি লাগতেছে। আর সিসিবি এর এডু/মডূ এর উপর রাগ। এই নিয়ে কোনো বিশেষ আয়োজন নাই বলে। প্রিন্সিপাল স্যার এর কাছ থেকেও তো একটা পোষ্ট আশা করতে পারি।

ইদানিং সিসিবি তে এতো নতুন আর কঠিন সব লেখক তাই নিজে লিখে,

বিস্তারিত»

ব্রেক এর পর-i (i এর মান ১, ২ , ৩… )

গত কয়েক মাস ধরে আমি মোটামুটি সব কিছু থেকেই দূরে আছি। মাঝখানে অনেক দিন চট্টগ্রাম গিয়ে ভাই এর বাসায় ছিলাম। কিছুই ভাল লাগত না। এসব কিছুই হয়েছে একজন স্বার্থপর মানুষের কারনে, যে কিনা আমাদের কথা না ভেবেই অন্য জগতে পাড়ি দিয়েছে-যেখান থেকে কখনো কেউ ফিরে আসে না…

পরিসংখ্যান বলবে আমি একজন প্রিয় মানুষ হারিয়েছি…কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে আমি হারিয়েছি একজন বোন, একজন বন্ধু, একজন শুভাকাংখী,

বিস্তারিত»

লম্ব আঁকার পদ্ধতি এবং…

লম্ব আঁকার পদ্ধতি তো সবাইই জানেন। বা অন্তত এক সময় জানতেন। অনেকটা বাধ্য হয়েই। আজকে আমার লেখা সেই লম্ব নিয়েই। ব্যাপারটা কত ঝামেলার ছিল মনে আছে? আমি এখন আবার সেই পদ্ধতি বর্ণনায় যাব না। শুধু ছবিটা দিয়ে দিচ্ছি। এতেই আশা করি মনে হয়ে যাবে-

তা আমি এত কিছু বাদ দিয়ে সিসিবিতে হঠাৎ জ্যামিতির ক্লাস নেয়া শুরু করলাম কেন? কারণ আমি লম্ব আঁকার আরও একটি পদ্ধতি সবাইকে জানাতে চাই।

বিস্তারিত»

আমি আবারও কিছু বলিতে পারিলাম না-৮

১।

ক। আমার স্ত্রী-র সাথে অকারণেই একচোট হয়ে গেল। কারণটা তেমন জটিল কিছু নয়…আমার ছেলেকে আমি লরি-র কয়েকটা ছবি মেইল করে পাঠিয়েছিলাম সেটা নিয়েই…

-তুমি কেন ওই ছবিগুলি পাঠালে?
-কেন, তাতে কি এমন সমস্যা হয়েছে?
-দিন নেই…রাত নেই…সব সময়ে সেই ছবিগুলি দেখে…আর আমাকে বলে আরও ছবি ডাউনলোড করে দিতে!
-তো তুমি আরও কয়েকটা ছবি ডাউনলোড করে দিলেই তো পারো!

বিস্তারিত»

নির্বাণ

ফুজি পাহাড়ের কাছে আশি হ্রদ, পাশে ছোট্ট পর্যটন শহর হাকোনে। ক্ষনিক অবকাশে এসেছি। সারাদিন হ্রদের পাশে, পাহাড়ের ঢালে হাঁটাহাঁটি। টোকিওর কর্মকোলাহলের বাইরে ধীর সেলুলয়েড চিত্রের মতো সময়।শান্ত হ্রদের জলে নুড়ি কুড়োচ্ছে আমার স্ত্রী নোরিকো,আমি পায়চারি করছি পাড়ে। দূরে শিনতো মন্দির তোরণের আবছা কাঠামো, পটভূমিতে পাহাড়ী অরণ্যের বিস্তার।সব চেয়ে বড় পাহাড়টি ফুজি। শরতের হালকা কুয়াশায় মোড়া পাহাড়ী অরণ্যে পাতার রঙ এখন লাল। যতদূর চোখ যায়,শুধু লাল আর লাল আর লাল।

বিস্তারিত»

সহসা উল্কাপাত

জানিনা সেদিন মুক্ত আকাশে পাখিরা গাইল কী না !
জানিনা সে’রাতে মুক্ত বাতাস পেল নাকি এ জোৎস্না !
তবু এটা জানি পৃথিবী সেদিন আনন্দে আপ্লুত-
হয়ে পড়েছিল, কারণ সেদিন হয়েছিল এটা পূত।
ধরার মাঝেতে বিচরণ করে গেছেন কত মানব।
তবু তার মাঝে অভাব দেখেছি- কয়েক মহামানব!
আজ এই দিনে পৃথিবীর ‘পরে জন্মেছিল যে জন,
দেখেছি তারেই সকলের মাঝে হয়েছেন যে সুজন।

বিস্তারিত»