সহসা উল্কাপাত

জানিনা সেদিন মুক্ত আকাশে পাখিরা গাইল কী না !
জানিনা সে’রাতে মুক্ত বাতাস পেল নাকি এ জোৎস্না !
তবু এটা জানি পৃথিবী সেদিন আনন্দে আপ্লুত-
হয়ে পড়েছিল, কারণ সেদিন হয়েছিল এটা পূত।
ধরার মাঝেতে বিচরণ করে গেছেন কত মানব।
তবু তার মাঝে অভাব দেখেছি- কয়েক মহামানব!
আজ এই দিনে পৃথিবীর ‘পরে জন্মেছিল যে জন,
দেখেছি তারেই সকলের মাঝে হয়েছেন যে সুজন।
জানি না সেদিন স্বর্গ হইতে হুর-পরিগণনসব-
বেদনাকাতর হয়ে তুলেছিল হাহাকার এক রব।
পৃথিবী যেমন চায় না কখনো তার চাঁদটা হারাতে-
আকাশ চায় না তারকা হারাতে দেখা যায় যত রাতে।
সেরকম এক উল্কাপিণ্ড খসিয়া পড়িল আজ,
তাই তো ধরাতে এত আনন্দ, চারিদিকে নব সাজ,
প্রায়শই ধরা দেয়না জন্ম মহামানবের রূপ,
কদাচিৎ তার গর্ভতে আসে মানবের অপরূপ।
জন্ম তাদের ধন্য হলো, যারা পেয়েছে যে তারে,
এমন সুযোগ আসে না’ক ভাই বহুবার, বারে বারে।
আমার জন্ম ধন্য হয়েছে পেয়েছি তাহার দেখা,
হাতে নেই তবু কপালে ছিল যে শুভ কোন এক রেখা।
সব শুকরিয়া আল্লাহর তরে যে পাঠালো মোরে পরে,
আর যে পাঠালো এমন পুরুষ আমাদেরই উপরে।

[*** রচনাকালঃ ১৫/০৩/০৯ – ৪০ ইনটেকের আজাদ ভাই ও শ্রদ্ধেয় রকিবুল হাসান স্যার-কে কবিতাটি উৎসর্গ করলাম। কবিতাটি লেখা আজাদ ভাইয়ের ২০০৯ সালের জন্মদিনের দিন রাতে। পরে আমার এই দু’জন খুব প্রিয় ব্যক্তিকে উৎসর্গ করতে ইচ্ছা হলো। তাই করলাম। ]

৭৮৮ বার দেখা হয়েছে

১০ টি মন্তব্য : “সহসা উল্কাপাত”

  1. গুলশান (১৯৯৯-২০০৫)

    ঐ মিয়া! ব্লগে দ্বিতীয় পোস্ট দিয়া ফালাইসো অথচ এখনো ফ্রন্টরোল দাও নাই। তাড়াতাড়ি শুরু কর। মাত্র ১০টা। তাড়াতাড়ি। আর লেখা ভাল হইছে। স্টাইলটা পুরনো দিনের মত। এখন আর দেখা যায় না অতটা...

    জবাব দিন
  2. ফেরদৌস জামান রিফাত (ঝকক/২০০৪-২০১০)

    লেখা বেশি ভালো হইসে। আরও দশটা দে।
    :boss: :boss: :boss:
    লেখা দিতে বলিনাই, ফণ্ডুল দে ।


    যে জীবন ফড়িঙের দোয়েলের- মানুষের সাথে তার হয় নাকো দেখা

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।