কেউ যদি প্রশ্ন করে, ফেসবুকের সবচেয়ে মজার টপিক্স বা ফিচার কোনটা? কে কী উত্তর দেবেন জানি না। আমার নিজের উত্তর হবে- একেকজনের বাহারি সব স্ট্যাটাস। কোনোটা মজার, কোনোটা দুঃখের, কোনোটা রাগ কিংবা অভিমানে ভরা, মানে ফেসবুকের অন্য আর সব ফিচারের মধ্যে এর মত বৈচিত্র্য আর কোনোটায় আছে কিনা সন্দেহ। কিছু স্ট্যাটাস তো বোঝাই যায় না সে আসলে কী বলতে চাইতেছে? আবার কোনোটা খোলাখুলি বোঝাই যায় সেই জনাব লোক দেখানো কিংবা ভাব মারার জন্য লিখেছেন ওইটা।
৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ১১তম পর্ব
আজকের বিষয়ও আগের পোষ্টের মত ভুত বা ভয় দেখানো নিয়ে। তবে এই কাহিনীটা আগেরটার মত নয়, একটু ভিন্ন। তবে জানা যাক কি সেই ভিন্ন কাহিনী।
এই কাহিনীটাও ঘটেছিল সেই ৩১১ নং রুমে। আর রুমের বাসিন্দারাও ছিলাম আমরা চারজনই(এই সিরিজের আগের পোষ্টে দেখুন, জানতে চাইলে)। তবে এবার কাকে গিনিপিগ বানানোর আয়োজন করা হয়েছিল তা এই মুহূর্তে আমার মনে পড়ছে না। তবে মাঠে আরো কিছু নতুন খেলোয়াড় আমদানি করা হয়েছিল।
বিস্তারিত»৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ১০ম পর্ব
সালাম সকল বড় ও ছোট ভাইদের। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আছি মোটামুটি(কথার কথা, আসলে জটিল)।আমাদের এই ব্লগটিতে আমি মোটেই নিয়মিত নই। তার প্রধান কারণ আমার প্রবাসে বসবাস। প্রবাসে চাইলেই যখন-তখন যা ইচ্ছা করা যায় না। যাইহোক মূলকথা হচ্ছে আমি দেশের ছেলে দেশে ফিরে এসেছি। আমার খুব ইচ্ছা এবার ব্লগটিতে নিয়মিত লেখা চালিয়ে যাওয়া। এ ব্যাপারে আপনাদের সকলের সহযোগিতা আমার একান্ত কাম্য(পুরানো কাসুন্দি)।
আমি আমার ক্যাডেট স্মৃতি ছাড়া অন্য স্মৃতি রোমান্থন করতে চাই না(আপাতত)।
বিস্তারিত»নক্ষত্র কন্যার কাছে
নক্ষত্র রাতের মতো মেয়ে
বারবার এসে ব্যাথা দিয়ে যাও আমাকে
দূরারোগ্য ব্যাধি হয়ে এসো, বাসা বাঁধো আমার রক্ত কণিকাতে
আমি মারা যেতে চাই- তোমার নির্দয় আক্রমনে
দূরে থেক না, আমার মেঘলা আকাশের রাজকন্যা
; দূর থেকে নিঃসঙ্গ বাতাস ধেয়ে আসে আমার এলোমেলো চুলে
প্রেম চাহনিতে, কোমল ত্বকে, শুষ্ক ঠোটে , উদল বুকে-
তুমি ফুল বনে বসে দোলা খাও ওই সাজানো বাগানে
ওখানে যেও না মেয়ে,
বিস্তারিত»দুটি বইমেলা ও একটি অতীত প্রেম
কালো শাড়ির অদ্ভুত কুচির ভাঁজে, উদল পেটে
একাদশীর দুষ্ট চাহনি, হাসি বাঁকা ঠোটের কোনে
দ্রুতগামী তরুণী রিক্সা ডিঙ্গিয়ে জ্যাম পার হয়ে চলে গেল
আর আমি হতভম্ব, প্রেম কণ্যার পিছে পিছে-
এগিয়ে দিতে গিয়েছি কার্জন হলের বাসে।
একটি মোবাইল কল এবং অতঃপর…
(কাহিনীটা আসলে আমার দুই জন সি সি আর ক্লাসমেট এর। কিন্তু দুইজনই ব্যস্ত থাকায় ওদের অনুমতি সাপেক্ষে আমি লিখছি।)
সেই নার্সারী থেকে শুরু করে আজ অব্দি মোস্তফার দুঃখ, সে জীবনে প্রেম তো দূরে থাক কোন মেয়ের কাছাকাছি আসার সুযোগ ও পায় নি। তাই মেয়েদের মিষ্টি কন্ঠের প্রতি তার আকর্ষণটা একটু বাড়াবাড়িই। অফিস এর চরম ব্যস্ততার মাঝেও ভর দুপুরে কোন এক নাম না জানা ভার্সিটি কন্যার অজানা নাম্বার হতে কল তাকে বিরক্ত করতে পারার কথা না।
বিস্তারিত»স্ব-রচিত প্রথম
কলেজ এর সাহিত্য সাময়িকী তে একবার টুক্লিফাইং করে এক কবিতা দিছিলাম। সেইটা ছাপা হওয়াতে খুব মজা পাইছিলাম। তবে এবার নিজেই একটা লিখছি। তবে এটা কবিতে হইছে কি না এখনও সন্দেহ আছে আমার। এই জন্য শিরোনাম এ কবিতা কথাটা উল্লখ করি নাই। যাউকগা ছাইড়া দিলাম সবার সামনে।
দ্বন্দ্ব
না,
নাটোরের বনলতা সেনের কথা বলছি না।
যার বর্ণনা দিয়ে স্মরণীয় হয়ে গেছেন কবি।
গুরুকে জুতা মেরে তারপর গরু দান
লাউফুল চৌধুরী । একে তো লাউগাছের ফুল তারসাথে আবার চৌধুরী। নামটা নিয়ে সুযোগ পেলেই রসিকতায় মেতে ওঠে ছাত্ররা। নতুনদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে বলা হয়, নামটা শুনে সুন্দরের যত সুবাস পাওয়া যায় নামটা আসলে ততই দূর্গন্ধ ছড়ায়। পোলাপান আড়ালে আবডালে কেউ ডাকে খ্যাক, কেউ ডাকে খ্যাত ।
তিনি আবার শিক্ষক মানুষ। সে সুবাদে স্যার শব্দটাও যোগ হয়েছে সাথে। ইশকুলে তার নাম হয়েছে খ্যাক সাহেব,
বিস্তারিত»নিসান-এর 1st Prof. উইথ Buul-X
[মেডিকেল কলেজের Professional Exam-এর আগের রাত্রির বিভিষীকাময় মুহূর্তগুলোর কথা মনে করলে ভয়ে আজও আত্মা শুকিয়ে যেতে চায়। অন্যান্য ফ্যাকাল্টির কথা জানি না, তবে আমার বিশ্বাস তাদেরও same অবস্থা হয়। সেই ভীতিময় রাত্রি নিয়ে সায়েন্স ফিকশন ধাঁচের Prof ফিকশন– নিসানের 1st Prof…..]

ঘুটঘুটে অন্ধকার রুমটা।
শেষের মাথার দিকে ছোট্ট একটা যন্ত্র থেকে নিয়নের মিহি আলোর একটা রেখা বের হচ্ছে।
চিত্রপট: কেঁপে ওঠা এক মাধবীলতা
তোমার ছবিই একেঁছিলাম মনের চিত্রপটে
চাইলেও মুছতে পারবে না, ছিড়তে পারবে না,
নষ্ট করতে পারবে না পুরনো ছবিটা চিরতরে ,
কিভাবে যেন বুনো ফুল হয়ে গেলে
সবাই হামাগুড়ি দেয় তোমার বিছার শব্দে
কি আটসাট হয়ে চলে আসে তোমার কাছে!
অথচ কত লক্ষীটাই না ছিলে
যদিও তুমি দেবী হতে চেয়েছিলে ,
তবে অপদেবতা তো হলে!!
বগা লেক (ফটোব্লগ)
বগা লেক
আয়তন : ১৫ একর।
সমুদ্র প্বষ্ট হতে উচ্চতা : প্রায় ২৭০০ ফুট ।
উপজেলা সদর হতে দুরত্ব : প্রায় ১৫ কিলোমিটার ।
স্বেচ্ছা মৃত্যু থেকে পালিয়ে …..
দুটো লাইন লিখব,
একটা তোমাকে নিয়ে, আর একটা-
আমাকে নিয়ে ।
তিন নম্বর লাইন টা হবে ভালোবাসা।
‘জোয়ার-ভাটা, পূর্ণিমা- অমাবশ্যা
আর কখনো মরুভূমির শঠতা !’
কুয়াশা ভেজা ঝিরঝির বাতাসে
কোমল চাঁদের আলো
আর উঠোনের পূব কোণে লেবু তলার অন্ধকারে
মিটমিট জোনাক পোঁকার মৌণ ভালোবাসা..
মাঝে মাঝে নিঃসঙ্গ বাতাসে ঝড় তুলে
দুঃস্বপ্নে আসে মৃত্যুর পরোয়ানা-
আমাকে মরতে দিও না প্রিয়তমা।
বিস্তারিত»রাতকে নিয়ে লেখা ১০০ বছর পরের কবিতা….
রাতকে নিয়ে লেখা ১০০ বছর পরের কবিতা….
“সিলভার চাঁদ , চক্রবাতাসের দোলা
মরিচবাতির সাজানো আকাশ
ডিম লাইটের মতো শান্ত আলো
-মনে হয় স্বপ্নের রাত-“…
…সূতো ছেঁড়া ঘুড়ির স্বপ্নের গল্প…
একদিন স্বপ্নেরা এসে ভীড় করেছিল আমার আঙ্গিনায়।
সেদিন আকাশে ছিল ঝলমলে রোদ
বাতাসে ফুলের গন্ধ
সাগরে টলটলে জল
চারপাশে ছিল সবুজ পাতার হাতছানি








