মুভি রিভিউঃ প্রাইড এন্ড প্রেজুডিস কাট (২০১৯)

২০শে সেপ্টেম্বর ২০২০, ভোর সোয়া ছয়টা

[ব্লগের প্রথম পাতায় বেশ কিছুদিন আমার একাধিক লেখা থাকায় এবং সেগুলোর কোন একটি পরের পাতায় না যাওয়া পর্যন্ত অন্য লেখা দিতে পারছিলাম না। খসড়টা আগেই লেখা ছিল। আজ শুধু এই প্রথম অংশটুকু সংযোজন করে লেখাটাকে পোস্ট করছি।]

… মুভি রিভিউ
… রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২০, সকাল সোয়া ছয়টা
… সকল জেন অস্টিন প্রেমীদের জন্য ভালবাসা

২০১৯ সালের মুভি প্রাইড এন্ড প্রেজুডিস কাট-কে সবার সামনে নিয়ে আসছি;

বিস্তারিত»

আমার জীবনে নারীঃ পর্ব-২

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

জীবনের চক্র বড়ই অদ্ভুত। আজ, ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০২০, আমাদের মেয়েটার জন্মদিন; আট বছর পূর্ণ করে নবম বর্ষে পা রাখলো সে। ২০১২-তে এদিনে দুপুর তিনটা-সাড়ে-তিনটার দিকে তার জন্ম। আর আজই আমাদের পুরো পরিবারের একটা জেনারেশনের সর্বশেষ ব্যাক্তিটি ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে পরলোক গমন করলেন, ভোর তিনটা-সাড়ে-তিনটার দিকে; তিনি আমার জন্মদাত্রী মায়ের জন্মদাত্রী, আমার ভালবাসার নানু। মন খারাপ লাগছে কিনা, কিংবা কষ্ট পাচ্ছি কিনা,

বিস্তারিত»

একজন মৃণাল হক ও একজন ওয়াস্ফি

২৩শে আগস্ট ২০২০, রাত ৩টা [ব্লগের প্রথম পাতায় বেশ কিছুদিন আমার একাধিক লেখা থাকায় এবং সেগুলোর কোন একটি পরের পাতায় না যাওয়া পর্যন্ত অন্য লেখা দিতে পারছিলাম না। খসড়টা আগেই লেখা ছিল। আজ শুধু এই প্রথম অংশটুকু সংযোজন করে লেখাটাকে পোস্ট করছি।]

এই পোস্টে সংযুক্ত ছবিটা ক্যাডেট কলেজ ক্লাব আয়োজিত ২০১৮ সালের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বাচ্চাদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিচারক মৃণাল হকের কাছে আমাদের কন্যা আরিশা সহ প্রতিযোগী সকল বাচ্চার ব্যাক্তিগত ভাবে উপহার গ্রহনের মুহূর্তে তোলা।

বিস্তারিত»

হাতেতে যদিও না মারিত তারে, শত যে মারিত ঠোঁটে

“হাতেতে যদিও না মারিত তারে, শত যে মারিত ঠোঁটে”
… পল্লীকবি জসীম উদ্দিনের “কবর” কবিতা থেকে নেয়া।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই ইদানিং “থাপ্পড়” মুভিটার রিভিউ লিখছেন। যে কটা পেয়েছি, সব কটাই মনোযোগ দিয়ে পড়েছি। এখন পর্যন্ত আমার পঠিত প্রতিটা রিভিউ সবাই খুবই সুন্দর লিখেছেন।

তবে দুয়েকজনের কিছু জায়গায় খানিকটা দ্বিমত পোষণ করি। “৯৫% পুরুষ এই মুভিটা দেখে হিহি করে হেসেছেন”, কোন একটা রিভিউ-এ কেবল এই লাইনটা মেনে নিতে পারিনি,

বিস্তারিত»

করোনার দিনগুলি

ডিসক্লেইমারঃ বাংলাদেশে করোনা (কোভিড-১৯) সনাক্ত হবার প্রাক্কালে ২০২০-এর ১৬ই মার্চের পরে যখন প্রথম দফায় পুরো মাস জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধের ঘোষণা এলো, ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে থেকে ডিপার্ট্মেন্টের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে আমার ছাত্রছাত্রীদের জন্য মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন নামে একটা লেখা পোস্ট করেছিলাম। পরে সেটাকে নিজের ওয়ালে মন্তব্য নিষ্প্রয়োজনঃ পর্ব-১ নামে পোস্ট করি। এর ধারাবাহিকতায় করোনার দিনগুলোতে আমার ওয়ালে কখনো বাংলায় আবার কখনো ইংরেজিতে এই লেখাটা একটার পর একটা পর্বে চলতে থাকে;

বিস্তারিত»

শিক্ষকের ডায়রিঃ পর্ব-৪

১. আমার পরিচিত কাউকে যখন দেখি সামনে অনেক মানুষকে নিয়ে কোন কিছু বোঝাচ্ছে/বোঝাচ্ছেন, আমার অনেক ভাল লাগে বিষয়টা। আমার ক্ষেত্রে এর অন্যতম একটা সম্ভবত এটাই যে, সেই মানুষটা, যিনি নিজে পেশায় শিক্ষক না হওয়া স্বত্বেও শিক্ষকতার পেশায় মনে-প্রানে নিয়োজিতদের আত্মিক প্রশান্তিটা উপলব্ধি করতে পারছেন।

২. তবে আমার কাছে মোটিভেশনাল লেকচার বিষয়টা এখনো একটা আপেক্ষিক ধাঁধা মনে হয়। কারনটা একটু খুলে বলি।

বিস্তারিত»

শিক্ষকের ডায়রিঃ পর্ব-৩

অল্প কিছুদিন হলো আমার এক পুরোনো ছাত্র শিক্ষকতা শুরু করেছে। সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নিয়ে ইদানিং লিখছে। আমার সেসব পড়তে বেশ লাগছে। তার এক লেখার মন্তব্যের ঘরে নিচের কথাগুলো একান্ত নিজস্ব কিছু অনুধাবন হিসেবে লিখেছিলামঃ

১. ক্লাসে কেউ পড়া/বিষয় না বুঝলে আমার খারাপ লাগে না। নাও বুঝতে পারে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ক্লাসে বিষয়ভিত্তিক আলোচনার সময় কেউ যখন আলোচনার বাইরে অন্য কোন কাজে ব্যাস্ত থেকে নেহায়েতই গাফিলতির কারনে পড়া বোঝে না,

বিস্তারিত»

এ ট্রিবিউট টু সুধীর কাকু

আমার বাবার কর্মজীবনের শুরু হয় বগুড়ায়, সরকারি আজিজুল হক কলেজের সমাজবিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে, ১৯৭৩ সালে। আমার জন্মও বগুড়াতেই, ১৯৭৬ সালে। খুব ছোটবেলা থেকেই বাবার বন্ধুদের এবং সমবয়সী ও সমসাময়িক কলিগদের সান্নিধ্য পাবার সুযোগ হয়েছে। সেসময়ের জেলাশহরগুলোতে কলিগদের মাঝে পারিবারিক যোগাযোগ এবং মিলননেলাগুলো ছিল সত্যিই আজকের যুগে প্রায় অকল্পনীয়।

বাবার সমবয়সী তবে অন্য ডিপার্ট্মেন্টের কলিগ ছিলেন সুধীর কাকু। কাকুর সাথে অনেক স্মৃতি আছে আমার।

বিস্তারিত»

শিক্ষকের ডায়রিঃ পর্ব-২

আমার এই লেখাটা সকল শিক্ষার্থী মায়েদের উৎসর্গ করা হলো।

প্রায় ১৭ বছরের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার জীবনে আজ আমার একটা অন্য রকমের অভিজ্ঞতা হলো। ইউনিভার্সিটির আশুলিয়া ক্যাম্পাসে আন্ডারগ্র‍্যাজুয়েটের “বিজনেস ইংলিশ” কোর্সের একটা ৩০ মিনিটের ক্লাস টেস্ট নেয়া হবে। ক্লাসে দেখি এক ছাত্রী তার ছোট্ট বাচ্চাটাকে নিয়ে এসেছে, বাচ্চাটা তার কোলে ঘুমাচ্ছে। পরীক্ষার দিনে বাচ্চাকে সাথে নিয়ে এসেছে কেন, এই প্রশ্ন করাতে মেয়েটা জানালো যে, আজ বাচ্চাটাকে কারো কাছে রেখে আসার মত তার বাসায় কেউই ছিল না।

বিস্তারিত»

নাই কাজ তো খৈ ভাজ

আমার একান্ত ব্যাক্তিগত চিরশত্রু ক্যামেরা অপারেটর-কে ভীষণভাবে মিস করছি। উনি গেছেন বাচ্চা-সমেত বাপের বাড়ি। আমার প্রিয় শিল্পী অঞ্জন দত্ত-কে নিজের মতন করে গাওয়ার চেষ্টা করলাম। গান নাহয় নাই বা পারি, কিন্তু ওই যে, “শখের তোলা আশি টাকা”। সাউন্ডের দূর্বল অবস্থার জন্য সিলিং ফ্যানটা অনেকটাই দায়ি। আর বাকি দোষ আমার ক্যামেরা অপারেটরের। সে না থাকায় কী-বোর্ডের গায়ে একটা মিনি-স্ট্যান্ড এটাচ করে মোবাইল ফোনটাকে সাপোর্ট দিয়ে রেকর্ড করতে হলো।

বিস্তারিত»

আমার জীবনে নারীঃ পর্ব-২

এটা কোন প্রকারের একাডেমিক, বা মনের দায়বদ্ধতার, বা ব্যাক্তিপর্যায়ের কাউকে ফোকাসের উদ্দেশ্যে লেখা নয়। লেখার প্রসঙ্গ ও চরিত্রগুলো আমার ব্যাক্তিজীবন, বেড়ে ওঠা, একাডেমিক ডিসিপ্লিন, প্রফেশনাল স্টাডিজ, পরিচিত মহল, এ-সবকিছুর সংমিশ্রণের প্রতিফলন হলে হতেও পারে। আপাতত শুধু এটুকু জানি, মাথায় কিছু চিন্তা কাজ করছে; কাজেই, লেখাটা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা এই মুহূর্তে বলা মুস্কিল। মনের মাঝে উঁকি দেয়া চিন্তাগুলো অনেক ক্ষেত্রেই লিখতে বসলে ডায়রির পাতার মত এদিক-ওদিক চলে যায়।

বিস্তারিত»

এক টুকরো আনন্দ

২০১৮ সালে ঘোষিত “বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৭”-প্রাপ্ত এক্স-ক্যাডেট আর্কিটেক্ট শাকুর মজিদ ভাইয়ার নাম যদি কোন এক রিসার্চ আর্টিকেলে রেফারেন্স হিসেব থাকে, এবং সেই একই আর্টিকেলে এলফাবেটিক অর্ডারে ঠিক আগে-পরের একটা রেফার্ড আর্টিকেলের লেখক হিসেবে যদি আমি নিজের নামটাকে খুঁজে পাই, তাহলে সেই মুহূর্তে এর চেয়ে বড় আনন্দ আমার মত এক ক্ষুদ্র শিক্ষক-রিসার্চারের আর কি হতে পারে? আমি নিতান্তই সামান্য এক মানুষ; আর শাকুর মজিদ ভাইয়ার মতন এত বড় একজন লেখক-নাট্যকার-ফটোগ্রাফারকে অভিনন্দন জানানোর জন্য যে মাপের প্রফেশনাল রিসার্চার বা আর্টিকেল-অথর হওয়া প্রয়োজন,

বিস্তারিত»

“লাভ কঙ্কারেথ অল”

সমসাময়িক কিছু ঘটনায় খণ্ড-খণ্ড চিন্তাপ্রসূত নিচের পয়েণ্টগুলোকে আর কম্পাইল করতে ইচ্ছে হলো না।

১. ছাত্রদের নকল ধরার চেয়ে পরীক্ষার হলে একজন শিক্ষকের উপস্থিতি এমন হওয়া উচিত যাতে করে কেউ নকল করতেই না পারে।

২. নকল বা নকলের প্রমান বা যথেষ্ট সন্দেহ জাগায় এমন মুহূর্তে এক্সপালশন ছাড়াও নানা পন্থায় শাস্তি দেয়া যেতে পারে। যেমন, একটা দীর্ঘ সময় খাতা আটকে রাখা, মূল খাতার পুরোটা কেটে দেয়া &

বিস্তারিত»

বন্ধুপর্ব-১

আচ্ছা, ভদ্রলোকের সংজ্ঞা কি? এই জাতীয় মানুষদের কি আসলে কখনো সংজ্ঞায়িত করা যায়? মনে হয়, তা কখনোই করা যায় না। তবে হ্যা, আমরা প্রায়ই বলে থাকি, সে/তিনি একজন ভদ্রলোক। মনে তো কত প্রশ্নই আসে। ভদ্রলোকেরা কি পাব্লিসিটিতে নামেন? নাকি নীরবে নিভৃতেই কাজ করে যান? আমার তো মনে হয়, সময়ই তা বলে দেয়। ডানপিটে স্বভাবের মানুষের দ্বারা যেমন প্রকাশ্য প্রতিবাদ কিংবা সরব আন্দোলনে পরিবর্তন হয়, আবার অপর পক্ষে নীরবে নিভৃতে কাজ করে যাওয়া এই মানুষদের ধৈর্য্য সহকারে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই কিন্তু আসে বাস্তব মানের পরিকল্পনা এবং তা/সেগুলো বাস্তবায়নের পথনির্দেশনা।

বিস্তারিত»

অনুকথনঃ একালের অনুধাবন

আমি “জনপ্রিয়তা” ভয় পাই। এর তীব্র প্রকাশ থাকলেও, তা আমার বিচারে নিতান্তই ক্ষণস্থায়ী। বরং মানুষের “ভালবাসা”-য় সিক্ত হওয়া অনেক স্বস্তিদায়ক। “জনপ্রিয়তা” এবং “রাগ” দুটোরই প্রকাশ যে কেবল অনেক বেশি তীব্র বা তীক্ষ্ণ, তাই শুধু নয়, এদুটোই অতি প্রকাশ্যও বটে; তবে দুটোই ক্ষণস্থায়ী। এই মুহূর্তের জনপ্রিয়তা ঠিক পরের মুহূর্তেই পতন এবং অপমানের কারন হয়ে যেতে পারে। অপরপক্ষে “ভালবাসা” এবং “ঘৃণা” দুটোই নিরব; আমার অনুধাবনে এদুটো কখনোই তেমন প্রকাশ্য নয়।

বিস্তারিত»