এক টুকরো আনন্দ

২০১৮ সালে ঘোষিত “বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৭”-প্রাপ্ত এক্স-ক্যাডেট আর্কিটেক্ট শাকুর মজিদ ভাইয়ার নাম যদি কোন এক রিসার্চ আর্টিকেলে রেফারেন্স হিসেব থাকে, এবং সেই একই আর্টিকেলে এলফাবেটিক অর্ডারে ঠিক আগে-পরের একটা রেফার্ড আর্টিকেলের লেখক হিসেবে যদি আমি নিজের নামটাকে খুঁজে পাই, তাহলে সেই মুহূর্তে এর চেয়ে বড় আনন্দ আমার মত এক ক্ষুদ্র শিক্ষক-রিসার্চারের আর কি হতে পারে? আমি নিতান্তই সামান্য এক মানুষ; আর শাকুর মজিদ ভাইয়ার মতন এত বড় একজন লেখক-নাট্যকার-ফটোগ্রাফারকে অভিনন্দন জানানোর জন্য যে মাপের প্রফেশনাল রিসার্চার বা আর্টিকেল-অথর হওয়া প্রয়োজন,

বিস্তারিত»

“লাভ কঙ্কারেথ অল”

সমসাময়িক কিছু ঘটনায় খণ্ড-খণ্ড চিন্তাপ্রসূত নিচের পয়েণ্টগুলোকে আর কম্পাইল করতে ইচ্ছে হলো না।

১. ছাত্রদের নকল ধরার চেয়ে পরীক্ষার হলে একজন শিক্ষকের উপস্থিতি এমন হওয়া উচিত যাতে করে কেউ নকল করতেই না পারে।

২. নকল বা নকলের প্রমান বা যথেষ্ট সন্দেহ জাগায় এমন মুহূর্তে এক্সপালশন ছাড়াও নানা পন্থায় শাস্তি দেয়া যেতে পারে। যেমন, একটা দীর্ঘ সময় খাতা আটকে রাখা, মূল খাতার পুরোটা কেটে দেয়া &

বিস্তারিত»

বন্ধুপর্ব-১

আচ্ছা, ভদ্রলোকের সংজ্ঞা কি? এই জাতীয় মানুষদের কি আসলে কখনো সংজ্ঞায়িত করা যায়? মনে হয়, তা কখনোই করা যায় না। তবে হ্যা, আমরা প্রায়ই বলে থাকি, সে/তিনি একজন ভদ্রলোক। মনে তো কত প্রশ্নই আসে। ভদ্রলোকেরা কি পাব্লিসিটিতে নামেন? নাকি নীরবে নিভৃতেই কাজ করে যান? আমার তো মনে হয়, সময়ই তা বলে দেয়। ডানপিটে স্বভাবের মানুষের দ্বারা যেমন প্রকাশ্য প্রতিবাদ কিংবা সরব আন্দোলনে পরিবর্তন হয়, আবার অপর পক্ষে নীরবে নিভৃতে কাজ করে যাওয়া এই মানুষদের ধৈর্য্য সহকারে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই কিন্তু আসে বাস্তব মানের পরিকল্পনা এবং তা/সেগুলো বাস্তবায়নের পথনির্দেশনা।

বিস্তারিত»

অনুকথনঃ একালের অনুধাবন

আমি “জনপ্রিয়তা” ভয় পাই। এর তীব্র প্রকাশ থাকলেও, তা আমার বিচারে নিতান্তই ক্ষণস্থায়ী। বরং মানুষের “ভালবাসা”-য় সিক্ত হওয়া অনেক স্বস্তিদায়ক। “জনপ্রিয়তা” এবং “রাগ” দুটোরই প্রকাশ যে কেবল অনেক বেশি তীব্র বা তীক্ষ্ণ, তাই শুধু নয়, এদুটোই অতি প্রকাশ্যও বটে; তবে দুটোই ক্ষণস্থায়ী। এই মুহূর্তের জনপ্রিয়তা ঠিক পরের মুহূর্তেই পতন এবং অপমানের কারন হয়ে যেতে পারে। অপরপক্ষে “ভালবাসা” এবং “ঘৃণা” দুটোই নিরব; আমার অনুধাবনে এদুটো কখনোই তেমন প্রকাশ্য নয়।

বিস্তারিত»

রোমাঞ্চের তীব্রতা

খুব সম্ভবত ঘটনাটা ১৯৯০-এর। আমরা তখন সবেমাত্র ক্লাস নাইনে উঠেছি। ক্যাডেট কলেজের জুনিয়র গ্রুপের মধ্যে সিনিয়র ক্লাস। একদিকে হালকা মাত্রার সিনিয়রিটির ভাব, অন্যদিকে আবার জুনিয়রের সামনেই মাঝে-মধ্যে প্রিফেক্ট, স্টাফ বা টিচারদের দ্বারা পানিশমেন্ট। এক আজব সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা তখন। প্রথম বয়োসন্ধির নাকের নিচে হালকা গোঁফের রেখা। এরই মধ্যে আবার দুয়েকজন এই হালকা গোঁফে লুকিয়ে রেজার চালিয়ে ফেলেছে। তাই নিয়ে আবার একেকদিন একেকজনকে নিয়ে চলে হাসাহাসি।

বিস্তারিত»

রাধার প্রাণে কত ব্যাথা

“তুমি বুঝবে তখন নারীর বেদন
রাধার প্রাণে কত ব্যথা”

ইদানিং “ফেমিনিজম এবং কম্পারেটিভ লিটারেচার” নিয়ে কিছু একাডেমিক রিসার্চের কাজ করছি। মানুষের উপরে তার একাডেমিক চর্চার বেশ প্রভাব পড়ে। রিলেটেড যে কোন জিনিসই বেশ ভাবায়। আর মাথাটাও যেমন! চিন্তাগুলো ঘুরতেই থাকে, ঘুরতেই থাকে। এই যেমন, কিছুক্ষণ আগে আমার এক পুরোনো সিনিয়র ছাত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা কবিতা শেয়ার করেছে। (আমি ইদানিং ছাত্র-ছাত্রী সকলকে নির্বিশেষে “ছাত্র” বলেই সম্বোধন করি,

বিস্তারিত»

নস্টালজিয়াঃ সময়ের পালাবদল

নস্টালজিয়াঃ সময়ের পালাবদল
আহমদ মাহবুব-উল-আলম
[আহমদ, সিসিআর, ১৯৮৮-’৯৪]

১। ক্যাডেট কলেজে ৭ম শ্রেণীতে পড়ার সময় ক্লাস টুয়েলভের বড় ভাইদের দানবাকৃতির মনে হতো। সময় গড়ালো, আমরা যখন টুয়েলভে, নতুন ইণ্টেক যখন ক্লাস সেভেনে ভীতু-ভীতু চেহারা নিয়ে ভর্তি হতো, ভাবতাম ওদের মা-বাবা-দের কোন দয়া-মায়া নেই, এইটুকুন বাচ্চাদের কেউ ক্যাডেট কলেজে পাঠায়!!

২। আমাদের সময়ের এক প্রিন্সিপাল ম্যাডাম (মিসেস প্রিন্সিপাল) একবার তাঁর বাসায় তিনশ ক্যাডেটকে একসাথে দাওয়াত করে শবে বরাতের হালুয়া রুটি খাইয়েছিলেন।

বিস্তারিত»

সোশ্যাল মিডিয়া কতখানি সোশ্যাল

“পুরানা যদিও কেচ্ছা তবু বর্বকত / সমঝাইয়া দিবে নয়া হাল হকিকত”
— সৈয়দ মুজতবা আলী, “গুরবে কুশতন শব ই আওয়াল” (মার্জার নিধন কাব্য), পঞ্চতন্ত্র

[ডিসক্লেইমারঃ এটা কোন গবেষণালব্ধ লেখা নয়; ব্যাপক পড়াশুনা করে ডেভলাপ করা কোন ড্রাফটও নয়। নিজের দেখা এবং অনুভব করা কিছু অভিজ্ঞতাকেই এখানে সাজানোর চেষ্টা করেছি মাত্র। আসলে দুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় পারিবারিকভাবে বেশ ঘনিষ্ট এবং যথেষ্ট স্নেহভাজন একজনের ক্রমাগত “মন খারাপ করা” ফেসবুক স্ট্যাটাসের কমেণ্টের ঘরে কিছু কথা লিখতে গিয়ে তার সাথে ভার্চুয়াল কমিউনিকেশনেই কিছুটা বাদানুবাদ শুরু হয়ে যায়।

বিস্তারিত»

অনুকথনঃ আরিশা-বচন

মেয়েঃ (রাত ১০টা … রিডিং রুমে বাবাকে খুঁজে না পেয়ে …) মা, পাপা কোথায়?

মাঃ বাবা নিচে গেছে।

মেয়েঃ নিচে কোথায়? দাদুর ওখানে? নাকি গ্যারেজে?

মাঃ বাবা গ্যারেজে গেছে।

মেয়েঃ আমি পাপার কাছে যাব।

মেঃ বাবা তো কাজে গেছে। তুমি যাবে কেন?

মেয়েঃ (বেশ আশ্চর্য হয়ে …) আমি আমার ভালবাসার কাছে যাব না!!

বিস্তারিত»

সারাহার ভিন্নমাত্রাঃ “আঁই অন কিত্তাম”

ফেসবুকের সারাহা নিয়ে আমার আগের ব্লগটা লেখার পরে বেশ মজার কিছু অভিজ্ঞতা হলো। সোশাল মিডিয়ায় অধিকাংশ মন্তব্য এলো পুরোনো ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে, যাদের অন্তত হারানোর কোন ভয় নেই, অর্থাৎ পেনালাইজড হবার প্যানিক নেই। একজন তো পরামর্শ দিয়েই দিল, যাতে আমিও একটা সারাহা একাউণ্ট খুলে ফেলি; এটাও গ্যারাণ্টি দিল যে আমি নাকি পাঞ্চাশোর্ধ মন্তব্য পাব, যার মধ্যে কুড়িটার মত থাকবে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জনের জমে থাকা আক্ষেপের ঢালাও বাক্যবাণ,

বিস্তারিত»

হাই সারাহা! হায় সারাহা!

আমার কোন সারাহা একাউণ্ট/প্রোফাইল নেই। আমি কারো সারাহা একাউণ্ট/প্রোফাইলে কখনো (এখন পর্যন্ত) ঢুকিনি, মন্তব্য করা বা ম্যাসেজ দেয়ার তো প্রশ্নই আসে না। পুরো বিষয়টাই আমার কাছে কেমন যেন অস্বস্তিকর মনে হচ্ছে। এটা অনেকটা নিবন্ধন বিহীন সিম কার্ড দিয়ে পরিচয় গোপন রেখে কাউকে ফোন করার মতই মনে হচ্ছে আমার কছে। কাউকে হিডেন ক্রাশের খবর জানানো, কিংবা মনের ঝাল মিটিয়ে গালি দেয়া, কিংবা এখন পর্যন্ত যেটার খবর সারাহাতে ঘটেছে বলে শুনিনি তা হলো প্রতারণার মাধ্যমে চাঁদা চাওয়া।

বিস্তারিত»

ডিভোর্স এণ্ড সোশ্যাল মিডিয়া

কিছু বিষয়ের অহেতুক সমালোচনা আমি একেবারেই মেনে নিতে পারি না। বিশাল এই সমাজের নিতান্তই একটা ক্ষুদ্র অংশ হিসেবে আমার ধারণা, কিছু-কিছু সমালোচনা, হাসি-তামাসা বা তিরস্কার, ব্যাক্তি এবং সমাজ উভয়ের দৃষ্টিতেই অগ্রহনযোগ্য। হাসি-তামাসা টাইপের সমালোচনা বা কটাক্ষ, যা ইদানিং “ট্রল” নামে ব্যপকভাবে পরিচিত, এসবের মধ্য দিয়ে আমরা কিন্তু প্রকৃতার্থে নিজের বুদ্ধিমত্তা এবং রুচিজ্ঞানকেই জনসম্মুখে নিয়ে আসি। অনেকেই হয়ত মুখে কিছু বলে আমাদের এই অসুস্থ মানসিকতা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছেন না,

বিস্তারিত»

লিরিকস এণ্ড থটস

লিরিকস এণ্ড থটস

“পিয়ার ইয়ে, জানে ক্যায়সা হ্যায় / কিয়া কাহে, ইয়ে কুছ এ্যায়সা হ্যায় / কাভি দার্দ ইয়ে দেতা হ্যায় / কাভি চ্যায়েন ইয়ে দেতা হ্যায় / কাভি গাম দেতা হ্যায় / কাভি খুশি দেতা হ্যায়।” খুব সম্ভবত হায়ার সেকেণ্ডারিতে পড়ার সময় এটা প্রথম শুনি। এমনিতেই আমি এ.আর.রেহমানের অন্ধভক্ত ছিলাম। এখনও ভাল লাগে এই সুরকারের সুর। কিন্তু টিন এইজের মতন বিশেষ কোন ব্যক্তি বা বিষয়ে সেই অন্ধ আসক্তি এখন কোনখানেই আর কাজ করে না।

বিস্তারিত»

পার্সেপশন্স টুয়ার্ডস টিচিং কমিউনিটি

পার্সেপশন্স টুয়ার্ডস টিচিং কমিউনিটি

প্রাইভেট টিউটর হিসেবে অভিজ্ঞতা নিয়ে এক্স ক্যাডেটস ফোরামের ফেসবুক পেইজে কদিন আগে অনেকেই তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছিলেন। সেখানে একটা স্ক্রীণ-স্ন্যাপশটের পোস্টে নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে দেখি বেশ লম্বা হয়ে গেল। লম্বা মন্তব্য অন্যদের বিরক্তির কারণ হতে পারে ভেবে তখন লেখাটা আলাদা করে লিখেছিলাম, যেখানে আমি আগেই পরিস্কার করে নিয়েছিলাম যে, আমার লেখাটাতে কেবলমাত্র প্রাইভেট টিউশন নয়, বরং সার্বিকভাবে টিচিং কমিউনিটির প্রতি প্রায়শই অন্যদের যে দৃষ্টিভঙ্গিটা কাজ করে,

বিস্তারিত»

আমি কি? শিক্ষক? – ২য় পর্ব

আমি কি? শিক্ষক? – ১ম পর্ব
আমি কি? শিক্ষক? – ২য় পর্ব

যারা ১ম পর্বটা মিস করেছেন, তারা এখানে ক্লিক করে পড়ে আসতে পারেন। ১ম পর্বটা না পড়ে থাকলে ২য় পর্বটা খুব বেশি সাব্জেক্টিভ মনে হতে পারে।

[শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা আমার পুরোনো একটা ব্লগে আমারই একটা প্রাসঙ্গিক মন্তব্যকে বেশ খানিকটা এডিট করে এই ব্লগটা লিখেছি।]

প্রায় ১০/১২ বছর আগের একটা অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়ে গেল।

বিস্তারিত»