১) পরদিন সকালে অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা শুরু হবে। সকালের প্যারেড শেষে কলেজের প্রত্যেকটি ক্যাডেট খুব ব্যস্ত। যারা অ্যাথলেট তারা নিজের ইভেন্ট নিয়ে ব্যস্ত। ক্লাস টুয়েলভ হাউস চ্যাম্পিয়নশিপের জটিল সমীকরণের সহজতম সমাধান ও তার বিকল্প খোঁজা নিয়ে ব্যস্ত। ইলেভেন আসন্ন জুনিয়র প্রিফেক্টশিপ আর নিজের সম্ভাবনা নিয়ে নানান বাস্তব-অবাস্তব কল্পনায় ব্যস্ত। হাউস টেন্টের আড়ালে কিংবা পোল-ভল্টের প্রকাণ্ড ফোমে শুয়ে বসে টেস্ট পেপার হাতে ‘অবজেক্টিভ সলভ’ করায় ব্যস্ত এস এস সি ক্যান্ডিডেটরা।
বিস্তারিত»বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ দিন
বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ দিন
————– ডঃ রমিত আজাদ
দিনটিকে মেঘাচ্ছন্ন বা রৌদ্রজ্জ্বল কোনটাই বলা যাবেনা,
একটু উষ্ণ অথচ মৃদু বাতাস বইছে
আর আমরা একদল তরুণ-তরুণী
অনেকটাই বিমর্ষ চোখে দাঁড়িয়ে আছি
প্রাচীন চিত্রকরদের আঁকা ছবির মত
বিশ্ববিদ্যালয়ের দালানের সামনে,
সবুজ চত্বরের অপূর্ব দৃশ্যপটে।
এই জ্ঞানের তীর্থস্থানে আমাদের সময় শেষ,
বিস্তারিত»দশ পয়সার আইসক্রীম
দশ পয়সার আইসক্রীম
————ডঃ রমিত আজাদ
(উৎসর্গঃ যার কায়া হয়েছে মৃত্তিকা ও মহাকালের অংশ, যার আত্মা ফিরে গিয়েছে তাঁর স্রষ্ঠার কাছে, সেই আমার শ্রদ্ধেয় দাদীমা-কে)
গভীর রাতের স্বপ্ন ভেঙে ডুকরে কেদে উঠি
চঞ্চলা হাওয়ার মায়াবী মেঘ স্বপ্ন হয়ে
গুন্জন তোলে এক শৈশব ফাগুনের কাব্য
স্মৃতির জলপ্রপাতের তুমুল জলরাশির ভেতর হারিয়ে যাই
ফেলে আসা জীবনের অথৈ স্রোতে
আমি তখন স্কুলে যেতে শুরু করেছি
স্কুলের গুরুত্ব বুঝিনা
শুধু বুঝি,
তোমাদের জন্য লেখা।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের অধিকাংশ বাজে দিনের সাথের আমার মন্দ ভাগ্যের চিরায়ত সম্পর্ক। পরিস্কার করে বললে, যেখানে আমি থাকি সেখানে বাংলাদেশ থাকে না, তারা নিচে চলে যায়। হাস্যকরভাবে হেরে যায়। মাঠ হয়ে যায় এক অসহায় আত্মসমর্পণ মঞ্চ। হাতের কাছে থাকা ম্যাচটা বাংলাদেশ দল ছুঁয়ে আসতে পারে না।
বৈপরীত্যের এই সম্পর্কটা কবে থেকে শুরু হয়েছে, সেটা ভাবতে গেলে ২০০৪ সালে ফিরে যেতে হয়। নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশের ওয়ান ডে সিরিজ চলছে।
বিস্তারিত»প্রবাস জীবনের ভালো লাগা টুকরো অনুভূতি কিংবা সময়ের গল্প
এক
এক এক করে দিন পার হয়। ল্যাপি ছাড়া কোন ঘড়ি না ব্যবহার না করায় ঘড়ির কাটার টিকটিক শব্দে সময়ের এগিয়ে যাওয়া টের পাই না। তবে প্রতিদিনের শুরুতে আমার ঘরের জানালা দিয়ে দেখা দূরের পাহাড়ের রঙ বদল কিংবা বরফ-রোদের পালাবদল সঙ্গোপনে জানান দিয়ে যায় সময়ের পরিক্রমাকে। এক দুই তিন করে মোটামুটি ভাবে ছাব্বিশটি মাস পার হয়ে গেছে। সময়ের ব্যাপ্তির বিশালত্ব কতটুকু তা বিষয়ভেদে ভিন্ন হতে পারে,
বিস্তারিত»লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ১১
লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ১১
রমিত আজাদ
Listening to the Wind of Change
রমনার সবুজ বুকে দাঁড়িয়ে চারদিকটাকে ছবির মত সুন্দর মনে হলো হঠাৎ। পায়ের নীচে ঘন সবুজ ঘাঁসে ছাওয়া তেপান্তর, ছোট-বড় হরেক রকমের সবুজ গাছে আচ্ছন্ন হয়ে যাওয়া চতুর্দিক, তাদের কোন কোনটাতে ভাবী সন্তানের আগমনের ইঙ্গিত, অর্থাৎ ফুটে আছে মন কাড়া সব নানা রঙের ফুলের শোভা,
বিস্তারিত»অন্যরকম ডায়েরী
কলেজে থাকতে ডায়েরী লেখার অভ্যাস অনেকেরই থাকে, আমারও ছিল। তবে কখনোই নিয়মিত হতে পারিনি। একবার-দুবার নয়, চার-চারবার ডায়েরী লেখা শুরু করি। প্রথমটা ক্লাস সেভেনে। দ্বিতীয়টা মনে নেই, তৃতীয়টা ক্লাস নাইন-এর শেষ থেকে এস.এস.সি. পর্যন্ত। শেষবার ক্লাস টুয়েলভে।
প্রথমটায় ছিল ক্লাস সেভেন-এর এক বাচ্চা ক্যাডেট-এর সুখ(!)-দুঃখের কথা। এমনকি কোন সিনিয়রের কাছে কি পানিশমেন্ট খেয়েছি, পরিমাণসহ লেখা! তৃতীয়টা কিছুটা পরিপক্ক। তবে তৃতীয়টায় আর গতানুগতিক থাকতে ভালো লাগলো না,
বিস্তারিত»টুকরো টুকরো কাব্য
//
জীবনের পথে কতকিছু ঘটে, মানুষেরা বোঝে ভুল,
ছোট ফুসকুড়ি, তবু যেন তা-ই মনে হয় নাকফুল।
বিশ্বাস ভাঙে, বিশ্বাস গড়ে, ভাঙে না যে সখ্যতা,
জীবনের পথে চলতে চলতে হতে পারে মূর্খতা।
অপরাধ করে অপরাধী যদি পোড়ে শোকানল তাপে,
ক্ষমা হয়ে যায়, যদি বা একটু বিচারক চোখ কাঁপে।
//
//
জানি একদিন যেতে হবে চলে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে,
বিস্তারিত»মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি যত টুকু জানি আপনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। তার মানে আপনি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করেন। ইসলাম ধর্মে “পরকাল” বলে একটা বিষয় আছে। যেটাতে বিশ্বাস না করলে মুসলিম হওয়া যায় না। সেখানে দুনিয়ার সকল কাজের হিসেব দিতে হয়। আমাকে যেমন হিসাব দিতে হবে যে আমার নিরাপরাধ এত গুলা ভাই-বোন মারা গেল তাদের জন্য আমি কি করলাম? আপনাকেও হিসাব দিতে হবে যে, আপনি শপথ করে এই মানুষগুলার দায়িত্ব নিয়েছিলেন,
বিস্তারিত»আপন কেমনে ভাবি?
আগুনে পোড়ে শরীরখানা, আগুনে পোড়ে হৃদয়।
আগুন ঝরে দুচোখ বেয়ে, আগুন ছড়ায় হৃদয়।
কয়লা হল মানুষগুলো, কি যে অবলীলায়!
কোথায় গেল রক্ষকেরা, হিংস্র-লোলুপ ভক্ষকেরা-
কোথায় গিয়ে মুখ লুকালো বানীপুরুষেরা?
গীর্জাভাংগা আওয়াজ ওঠেনি; ঘন্টাধ্বনিতে,
ঘুম ভাংগানো শাঁখ বাজেনি করুণ বেদনাতে,
আযান, দোয়া যায়নি শোনা কোন মসজিদেতে;
অহিংস সব ভান্তেরা তাই জপে গেছে নীরবতা!
কোথায় গেল এত শত বুদ্ধি,
লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ১০ (গ)
লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ১০ (গ)
ঃ চটপটি একটা মজার খাবার তাইনা? (বেশ মজা করে খেতে খেতে বলল মোস্তাহিদ)
ঃ মজার তো নিঃসন্দেহে। তাই তো সবাই হুমড়ি খেয়ে পরি। তোকে চটপটি নিয়ে একটা মজার ঘটনা বলি। (বললাম আমি)
ঃ বান্ধবিকে নিয়ে চটপটি খেতে এসেছিলি, তারপর কি হয়েছিল তাই বলবি তো। (হাসতে হাসতে বলল আমীন)
ঃ বান্ধবি কোথায় পাবো আবার?
ইস্তানবুলের ডায়েরি
সময়কে যদি বহমান এক নদীর সাথে তুলনা করি তাহলে জীবনের ওই দুঃখগুলোকে বলতে হবে বহমান ওই নদীতে ভেসে থাকা ছোট ছোট কচুরিপানা। প্রবাসী জীবনের কেটে যাওয়া ৪ টি বছরে পরিকল্পনার ছকে এসেছে নানা রকমের পরিবর্তন আর জীবন পেয়েছে বাস্তবতাকে মুখোমুখি করে দেখার সুযোগ। পরিচিতি লাভ করেছে সেই সব সংগ্রামী মানুষের যারা হয়তবা ছোট ছোট স্বপ্ন বুকে বেঁধে পাড়ি দিয়েছিল মাতৃভূমিকে ছেড়ে হাজার হাজার মাইলের পথ…দেখেছিল রঙিন এক স্বপ্ন আর যাদের বুকের আশায় ছিল মাতৃভূমিতে ফেলে আসা আত্মীয় স্বজন ও মা বাবা…উন্নয়নশীল দেশের কিছু খেটে খাওয়া মানুষজনের সেই স্বপ্নগুলোকে আমি হয়তবা আমার ডায়রিতে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আবদ্ধ করতে পারব না কিন্তু হয়তবা আমি পরিচয় করিয়ে দিতে পারব তাদের আশা নিয়ে বেঁচে থাকার সেই সংগ্রামকে…
বিস্তারিত»ঘটনাবলী-১
বিঃদ্রঃ নিচের প্রতিটি ঘটনার সকল চরিত্র বাস্তব এবং ঘটনা গুলো সত্য। এই ঐতিহাসিক ঘটনা গুলোর বর্ননা শুধু আমার। তাই ঘটনা গুলোর দায়িত্ব নিতে আমি অস্বীকৃতি জানাচ্ছি। শুধু বর্ননার হেরফেরের দায়িত্বটুকু আমার।
ছেলেপেলের কামকাজতো কিছু হয় না খালি অকাম কইরা বেড়ায়, কয়ডা অকামের কাহিনী কই,
১) আমার বাসায় কিছু পোলাপাইন আসছে। সবাই আমার ব্যাচের ক্যাডেট। তো আমাদের তানজিল যখন আমার বাসায় পৌছাইছে যে সময় আমার বাপ আমাদের বর্তমান কাম-কাজ ও আমাদের ভবিষ্যত নিয়ে বিশদ জ্ঞান দিচ্ছিল।
বিস্তারিত»আমার বাবা-বেলা – ৩
[নয়] কানাডার প্রবাসী জীবন অনেক টানাপোড়েন। বেশ কিছুদিন চাকরীর টাকায় দিন আনা দিন খাওয়া চললো। অবশেষে আমেরিকায় একটি চাকরী জুটলো। কানাডার বেতনের তুলনায় অনেক বেশী। গিন্নীর মনটা ভারী। কিন্তু বাচ্চাগুলো কিছু বুঝে উঠতে পারছে না কি ঘটতে চললো। যথারীতি চাকরীতে যোগদিলাম। র্যালী – নর্থ ক্যারোলিনা। টরন্টো থেকে প্রায় সাড়ে আটশো মাইল। আমাকে প্রতিটি উইকএন্ডের রাতে ওদের ফোনে গল্প বলে ঘুম পাড়াতে হতো। মানে ওরা হোম ফোনটা স্পীকার ফোনে দিতো আর আমি গল্প বলে যেতাম।
বিস্তারিত»যুদ্ধের প্রয়োজনে ধর্ম কিংবা ধর্মের প্রয়োজনে যুদ্ধ
সকালে ঘুম ভাঙল ৫ মিনিটের মধ্যে পরপর দুটো টেক্সট মেসেজ এর শব্দে।একটি মেসেজ এসেছে আরাকান(রোহিঙ্গা) মুসলমানদের সাহায্যের জন্য আরেকটি
মেসেজ এসেছে ফিলিস্তিনের মুসলমান ভাইদের সাহায্যের আবেদন নিয়ে। মেসেজগুলোতে বলা হয়েছে কত সহজে আমি মায়ানমার ও ফিলিস্তিনের মুসলমান
ভাইদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে পারি। মোবাইলের মেসেজ অপশন এ গিয়ে ARAKAN অথবা FİLİSTİN টাইপ করে নির্দিষ্ট একটা নাম্বারে পাঠালেই আমার
মোবাইল থেকে ৩ ডলারের মতো কেটে নেয়া হবে এবং তা ARAKAN অথবা FİLİSTİN এর মুসলমান ভাইদের জন্য ব্যবহার করা হবে।


