সেলুকাস এবং ……..

প্রবল করতালিতে ভেসে যাচ্ছে রংপুর ক্যাডেট কলেজের অডিটরিয়াম। সময়টা আন্ত ক্যাডেট কলেজ সাহিত্য/সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা ২০০৪ । বাংলা একক অভিনয় চলছে, মাত্র শেষ হল ঝিনাইদহ এর প্রতিযোগীর পর্ব। দর্শক সারির সবাই মুগ্ধ। এত করতালি আগের বারের ৪/৫ টাতেও পরে নি। স্বতস্ফুর্ত ভাবে তালি পরেই চলেছে। বিমোহিত হয়ে গেছে সবাই এই ক্যাডেট এর অভিনয় আর সংলাপ বলা দেখে। একে একে সবার পালাই শেষ হল। শুরু হল রেজাল্ট এর জন্য অপেক্ষা,

বিস্তারিত»

লিরিক ২.০: টেবিলের চারপাশে

টেবিলে বসে ছিলো একাকী চায়ের কাপ
পাশের পিরিচে ছাইয়ের দাগ, অথবা পিঁপড়ের লাশ
টেবিলের চারপাশে এলোমেলো চেয়ার নির্ঘুম-
যারা চলে গেছে তাদের জন্যে নীরবতা সেখানে আজ।(১)

(কোরাস)
আমাদের যেদিন গিয়েছে চলে, যাবার আগে যায়নি তো বলে
সেদিন কি একেবারে গেছে হারিয়ে, হৃদয়ের সীমানা বহুদূর ছাড়িয়ে||

আমরা জেনেছি পৃথিবীর দিনরাত মানুষের জন্য নয়
পিরিচের ঘূর্ণিতে ছিটকে যাবে জলবিন্দুর স্রোত
মিছে প্রেম,

বিস্তারিত»

আমাদের সময়ের সেইসব গান

আমরা হলাম ববিতা-শাবানা যুগের মানুষ। আমাদের সময়ে জনপ্রিয় গানগুলোর সাথে কণ্ঠ মিলাতো ববিতা না হয় শাবানা। পাশাপাশি ছিল সুচরিতা অলিভিয়া এরা। পরে আসলো রোজিনা ও অঞ্জু। গানগুলাও ছিল জোস। অশ্লিল গান ছিল না তেমন। বড় জোর শাবানা সমুদ্রের পানিতে ঝাপাঝাপি করে গাইতো ‘ও দরিয়ার পানি তোর মতলব জানি। তোর ছোঁয়ায় যৌবনে মোর লাগলো শিহরণ, লাগলোরে কাঁপন……….’। আফসুস, এই গানটা বহু খুঁজলাম, পাইলাম না। 😛
তবে খুঁজতে যেয়ে পেলাম সেই সময়ের বিখ্যাত কিছু গান।

বিস্তারিত»

আমাদের বাঁশিওয়ালা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

মানুষটাকে কাছ থেকে দেখেছিলাম দু’তিনবার। আকাশের মতো এমন বিশাল এক মানুষ। এমন সিংহহৃদয় মানুষ, আমাদের জাতির জীবনে একজনই এসেছিলেন। কিছুটা নিজের ক্যারিশমা, কিছুটা সাহস আর বাকিটা সময়- তাকে করে তুলেছিল এই জনপদের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতায়। মানুষকে ভীষণ বিশ্বাস করতেন তিনি। হয়তো রবীন্দ্রনাথের মতোই মনে করতেন, ‘মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ।’

এই বাঁশিওয়ালা আমাদের নিয়ে গিয়েছিলেন মুক্তি সংগ্রামে, বাঙালি জাতির মুক্তির যুদ্ধে।

বিস্তারিত»

গান ব্লগ: পছন্দের ১০ বাংলা ছবির গান

যতই কপাল কুচকাই, বেশ কিছু বাংলা সিনেমার গান আছে অসাধারণ। আবদুল জব্বারের ওরে নীল দরিয়া এখনো যতবার শুনি মুগ্ধ হই। আবিদা সুলতানা যখন গায় বিমূর্ত এই রাত্রি আমার-মনটাই ভরে যায়। আমজাদ হোসেনের লেখা আর সামিনা নবীর গাওয়া একবার যদি কেউ ভালবাসতো বাংলা গান জগতের সেরা একটি গান। শ্যামল মিত্রের গাওয়া চেনা চেনা লাগে তবু অচেনা গানটি কখনো কেউ কি ভুলতে পারবেন? সাবিনার একটা গান আছে অন্তর আমার করলাম নোঙ্গর-কেউ কী শুনেছেন?

বিস্তারিত»

সিসিবি : অনুরোধের আসর

আমার সর্বশেষ বন্ধু দিবসের গানের পোস্টে তিনটা গানের অনুরোধ পেয়েছিলাম। দুটো বাংলা আর একটা হিন্দি। গানগুলো খুঁজে বের করতে একটু সময় লাগলো। বিশেষ করে জাফর ইকবালের গানটা।

আদনান চেয়েছিল, জাফর ইকবালের সুখে থেকো ও আমার নন্দিনী। কামরুল চেয়েছিল, একটাই কথা আছে বাংলাতে, মুখ আর বুক বলে একসাথে, সে হলো বন্ধু, বন্ধু আমার। এটা এন্ড্রু কিশোরের গাওয়া বন্ধু আমার চলচ্চিত্রের গান। আর দিহান চেয়েছিল জনপ্রিয় হিন্দি চলচ্চিত্র শোলে‘র গান ইয়ে দোস্তি।

বিস্তারিত»

যদি বন্ধু হও, যদি বাড়াও হাত

গতকাল থেকেই গুনগুন করে গাইছিলাম শুভমিতার গানটা।

যদি বন্ধু হও
যদি বাড়াও হাত
জেনো থামবে ঝড়
মুছে যাবে এই রাত

হাসি মুখ তুলে
অভিমান ভুলে
রাঙা সূর্য বলবেই
সুপ্রভাত……….

এতোটা মন ছুয়ে যাওয়া গান। বন্ধু দিবসের পোস্টের সঙ্গে সবচেয়ে মানানসই হতো। কিন্তু হাতের কাছে ছিল না। আজ মনে হলো তোমাদের সঙ্গে এই গানটা শোনার আনন্দটা ভাগাভাগি না করলে অপরাধ হবে।

বিস্তারিত»

আমার ১৩ মাসের বন্ধুত্ব-ভালোবাসা

মাত্র ১৩ মাস বয়স আমাদের বন্ধুত্বের। বন্ধু চেনার জন্য বলা যায় যথেষ্ট সময়। সম্পর্কের শুরুতে আমার দিক থেকে কিছুটা জড়তা ছিল। অসম বয়সের বন্ধুত্ব। নতুন বন্ধুর বয়স বেশ কম। ছোট-বড়োয় সম্পর্কটা কি গড়ায়, এগোয়? এমন একটা দ্বিধা নিয়ে শুরু করেছিলাম। কিন্তু সময় যতো গড়িয়েছে ততোই আমাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ট হয়েছে। দিনে দিনে আমাদের মধ্যে পরস্পরের জন্য ভালোবাসাটা এমন পর্যায়ে গেল যে একটা দিন আমি ওকে না দেখে থাকতে পারিনা।

বিস্তারিত»

প্রিয় শিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ আর মিতালী মুখার্জী

যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়
যে ছিল হৃদয়ের আঙ্গিনায়
সে হারালো কোথায় কোন দূর অজানায়
সেই চেনামুখ কতদিন দেখিনি
তার চোখে চেয়ে স্বপ্ন আঁকিনি।।

যতটুকু ভুল হয়েছিল, তার বেশি ভুল বুঝেছিল
কি যে চায় সে বলেনি আমায়।।

যতখানি সুখ দিয়েছিল, তার বেশি ব্যাথা দিয়ে গেল
স্মৃতি তার আমাকে কাঁদায়।।

খুব সহজ-সরল ভালোবাসার কথা। কিন্তু সুরটা অসাধারণ।

বিস্তারিত»

বাংলা চলচ্চিত্রের দুটি অসাধারণ সুরেলা গান

আমার খুব পছন্দের গান এ দুটি। সত্তুরের দশকের শেষে অথবা আশির দশকের শুরুতে দুটি বাংলা চলচ্চিত্রের এ গান দুটি চরম জনপ্রিয় হয়েছিল। কামরুল আবার বাংলা চলচ্চিত্রের পুরনো গান খুব পছন্দ করে। আমারও ভীষন পছন্দ। রেডিও’তে কাজ করার কারণে আর বাংলা চলচ্চিত্রের গান নিয়ে এবিসির সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান সিনেমাতাল (অনুষ্ঠানটির নামও কামরুলের দেওয়া) থাকায় আমাদের এই বিষয়ক আর্কাইভটা ভালই আগাচ্ছে।

সম্প্রতি মধুমিতা সিনেমা হলের কর্নধার একজনের সঙ্গে কথা চলছে।

বিস্তারিত»

সিসিবির নতুন পাগল, ভাবের পাগলদের জইন্য দুইডা গান

সিসিবিতে পুরান পাগল আছে, আছে নতুন পাগল, ভাবের পাগলও আছে! পুরান হইলো আমার মতো যারা প্রেম-ট্রেম শ্যাষ কইরা অহন নব্যদের প্রেম দেখে, আর কয় কি কলিকাল আইলো? নীল খাম, টেলিফোন-মোবাইল প্রেম যুগ শ্যাষ। চলতাছে সাইবার প্রেম।

নতুন পাগল আছে মাস্ফ্যু, আবীর, আকাশ আরো জানি কেডা, কেডা!! এমুন পাগল, রীতিমতো চিক্কুর দিয়া প্রেম করতাছে। মজাই লাগে এইসব পুলাপাইনের লম্ফঝম্প দ্যাখতে। আসলে প্রেমে পড়লে সব কালে,

বিস্তারিত»

বাদলা দিনে মনে পড়ে, ছেলেবেলার গান

ঢাকার আকাশে তুমুল, বৃষ্টি। গতকালকে যে prelude শুরু হইসিলো আজকে তা পুরাই Concert এ রূপ নিছে। সারাটা দুপুর মেঘলা করার পর ধুমায়া বৃষ্টি হইতেসে। বারান্দার ফাঁক দিয়া কফির কাপ হাতে বৃষ্টি দেখি, সাথে এক মিনিট করে নিজের আয়ূ কমাই।

বৃষ্টি দেইখা একটা গানের কথা খুব মনে পড়তেসে, ভাবলাম সিসিবিতে শেয়ার করি।
১৯৯৮ সাল এ রিলিজ হওয়া খুব ভূয়া ধরণের একটা ছবি ‘দাহেক’।

বিস্তারিত»

MJ, তোমাকে ভালবেসেছি, বেসে যাব!

কোনো একটা ব্লগে লিখেছিলাম, কলেজে ৭ম শ্রেণীতে পদার্পণ করার পর ১২এর সিনিয়র ভাইরা ডেকে নিয়ে যায়, সেখানে আমাকে ড্যান্স করে মাইকেল জ্যাকসনের গান গাওয়ানো হয়। ঐটুকু পিচ্চির মাইকেল জ্যাকসনের আস্ত একটা ইংরেজী গান মুখস্ত ছিল এটা তো কম কথা নয়।

হ্যা, আমি মাইকেলের সেরকমই একজন ভক্ত ছিলাম। আমাকে এই সিরিয়াস ট্যালেন্টেড আর্টিস্ট-এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় আমার খালাত ভাই রাজীব। তখন আমরা মনে হয় ক্লাস 3/4 এ পড়ি।

বিস্তারিত»

এ শুধু গানের দিন…

অভিনেতা হিসেবে আফজাল হোসেনকে আমার কখনোই আহামরি কিছু মনে হয়নি যতটা ভার্সেটাইল মনে হতো তার সমসাময়িক হুমায়ূন ফরীদিকে। ‘হতো’ বলছি কারণ এখন হুমায়ূন ফরীদির অভিনয় দেখলে বুঝার উপায় নেই এক সময় তিনি ‘কূল নাই কিনার নাই’, ‘ভাঙ্গনের শব্দ শুনি’র মতো টিভি নাটক বা ‘দহন’র মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ববিতার সাথে ‘দহনে’ অভিনয় করে তিনি জাতীয় পুরষ্কার পেয়েছিলেন।

বিস্তারিত»

দু’টি গানের ইতিবৃত্ত

সংগীত সাধনার বিষয়, ভালবাসার বিষয়। কখনো কখনো সঙ্গীত পরিশ্রমের বিষয়ও । যার প্রমাণ আমরা পেয়েছি সিলেট ক্যাডেট কলেজের ২০০৭ এর ৫ম পুনমিলনীতে। ওল্ড ক্যাডেটস এসোসিয়েসন সিলেট (ওকাসের) নিবেদিত প্রাণ বড় ও ছোট ভাইয়েরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যখন Reunion এর প্রস্তুতি প্রায় শেষ করে এনেছে তখন রংগমঞ্চে আবিভাব ঘটে সবুর ভাইএর। আমাদের কলেজের ৫ম ব্যাচের এই ব্ড় ভাই দেশে এসেছেনই শুধু Reunion এ অংশগ্রহন করার জন্য।

বিস্তারিত»