একটি অনুবাদ

একটি অনুবাদ
সনেট ২৯: উইলিয়াম শেক্সপিয়ার

ভাগ্যের নির্মমতায় আর চারপাশের মানুষের পরিহাসে
জানটা যখন ফালা ফালা, একা কাইন্দা-কুইট্যাঁ শেষ;
কালা-খোদার কাছে চিৎকার কইরা কাইন্দাও ফায়দা নাই,
তাই ভাবতে ভাবতে নিজের ভাগ্যটারেই দেই অভিশাপ।
ক্যান যে আমার কপালটা ঐ লোকগুলার মতো হইল না:
তাদের আছে ধন-মান, চেহারা-সুরত, কিংবা বন্ধু-ভাগ্য;
বাঞ্ছা করি অমুকের মতো দক্ষতা, তমুকের মতো ক্ষমতা,

বিস্তারিত»

যুদ্ধ…!!!

বিধাতা কিংবা প্রকৃতি যাই বলি মানুষ কে বাঁচতে শেখায় যুদ্ধ করে। মাঝে মাঝে অবাক লাগে যে অসম কোন কিছুই প্রকৃতি মেনে নেয়না । নর-নারীর প্রেম প্রকৃতির বিধানের অদ্ভুত এক রহস্যময় দিক।

আবেগ খুব তাড়া করে মাঝে মাঝে। অদ্ভুত সেই অসম প্রেমের গল্প। নায়ক নায়িকা নেই,আছে শুধু পাগলামি,উষ্ণতার অনুভূতি। চোখ বন্ধ করে নেয়া চুলের মিষ্টি গন্ধ কিংবা কাছের বান্ধবীর কাছে শোনা নির্ঘুম রাতের কথা ;

বিস্তারিত»

কলেজ লাইফের ভূত-রসাত্মক কাহিনী ২

আমাদের কলেজে সিনিয়রদের মজা করার একটা কমন ট্র্যাডিশন ছিলো প্রথমে ভুত-প্রেত অশরীরী আত্মার কাহিনি পিচ্চি পোলাপানের মাথায় শক্তভাবে গেঁথে দেওয়া এবং এরপর প্রাক্টিক্যালি ভয় দেখানো। তাই আমরা প্রায়ই রাতের বেলায় সাদা কাপড় পরা অশরীরীদের ব্লকে হাঁটতে দেখতাম,আমাদের জানালায় টোকা মারতে দেখতাম এবং ছাদে প্যারেডের ধুপধাপ আওয়াজ শুনতাম।এগুলো আসলে কারা করতো তখন বুঝতে পারি নাই।
যাইহোক, এরকম ঘটনা ঘটলে কি ক্লাস সেভেনের পোলাপান রাতে ঠিকমতো ঘুমাইতে পারে?

বিস্তারিত»

একটি সেনা অভ্যুত্থান এবং জেনারেল খালেদ মোশাররফ-২

আগস্টের কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারী মেজরের দেশ ছেড়ে চলে যাবার আগে কিছু সিদ্ধান্ত নেয় বঙ্গভবণে মিটিং করে। মেজর ডালিমের ওয়েবসাইটেই সেই মিটিংএর উপর কিছু তথ্য পাওয়া যায়। সেই মিটিংএ উপস্থিত ছিলেন কর্ণেল তাহেরও। সেই মিটিংএই সিদ্ধান্ত আসে মেজরেরা বর্তমান অবস্থায় দেশ ত্যাগ করে কাছাকাছি কোন দেশে অবস্থান করবেন এবং ব্যাংকককেই বাছাই করেন তারা। এরপরেই সিদ্ধান্ত আসে তারা কিভাবে খালেদ-শাফায়েত গ্রুপকে নিষ্ক্রীয় করবেন। তখনকার বঙ্গভবণে অবস্থিত সবাই এটাকে ভারতের ষড়যন্ত্র হিসেবেই দেখছিল অথবা খালেদ-শাফায়েতকে ভারতের চর হিসেবে সবার কাছে পরিচয় করিয়ে দিতে চাইছিল ইচ্ছাকৃতভাবেই।

বিস্তারিত»

স্বজন…

স্বজন,
আমার এ চিঠি যখন পড়বে
আমি পাশে থাকবো না,
থাকবো না তোমার স্পর্শে,তোমার পরশে।
পাবে না আমায় কোনো গোধূলী বেলায়।
নিগূঢ় বেদনায় মলিন ওই মুখ,
হয়তোবা বারান্দায় একাকী দাড়িয়ে,

কাঁদছো ওই নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে।

আমি আসবোনা,
আসবোনা তোমার কান্না মুছে দিতে,
আমি আসবোনা তোমার সঙ্গী হতে।
তোমার ওই নিষ্পাপ মুখে
সারল্যের চঞ্চল হাসি ফোটাতে,

বিস্তারিত»

অভিমান

বুকের মধ্যে জমা হচ্ছে ভয়াবহ অভিমান,প্রতিনিয়ত,
অভিমান আমার অক্ষমতা গুলোর জন্য।
ইচ্ছে করে ধর্ষকের টুটি চেপে ছিড়ে ফেলি,
যৌনাঙ্গ কেটে দেই,
কিন্তু পারি না,জমা হয় অভিমান।
ইচ্ছা করে ধর্ষিতা বোনটির মাথায়
হাত বুলিয়ে দেই পরম মমতায়,
চোখের পানি মুছে দেই সযত্নে।
সেইটাও পারি না, বুকটা হাহাকারে ভরে উঠে।
ইচ্ছে করে দুনিয়াটা উলটে পালটে ফেলি,
গদি থেকে নামাই রক্তচোষা সমাজপতিদের,

বিস্তারিত»

একটি সেনা অভ্যুত্থান এবং জেনারেল খালেদ মোশাররফ-১

মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা যুদ্ধের কথা আসলে “ক্র্যাক প্লাটুন” এর কথা সেখানে আসতেই হবে।ঢাকার ভিতরে সব দুঃসাহসিক অভিযান চালায় এই ক্র্যাক প্লাটুন। যার হাত ধরে এই প্লাটুনটি গড়ে উঠে তিনি হচ্ছেন মেজর খালেদ মোশাররফ। ছিলেন K ফোর্সের প্রধান। খালেদ মোশাররফকে নিয়ে বলতে গেলে মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান থেকে শুরু করতে হয়। কিন্তু একটু বিপরীত দিক থেকে শুরু করব। পরে সময় করে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার খালেদ মোশাররফকে নিয়ে লেখার চেষ্টা করব।

বিস্তারিত»

আমরা আর হারিয়ে যেতে পারি না

“জল দেখলেই আর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারি না, আমাদের পকেটের দামী মুঠোফোন খানা যে ভিজে রদ্দি হয়ে যাবে। ইন্সট্যাগ্রামে না দেয়া পর্যন্ত অ্যাডভেঞ্চার গুলো আর সত্যি হচ্ছে না। সব কিছুই কেবল কতগুলো ঘটনা হয়ে আটকে থাকছে ফেসবুকে অথবা হ্যাশট্যাগ হয়ে টুইটারে। প্রযুক্তি আমাদের এই সব ছোটখাট রোমাঞ্চগুলোকে কেড়ে নিয়েছে আর প্রতিবার গুগল, চেক ইন দিয়ে সে ধ্বংসের পথটা আমরাই সুগম করে দিচ্ছি।”–কথাগুলো জেরেমি গ্লাস নামে এক ব্লগারের,কি সহজ অথচ নির্মম সত্যি।

বিস্তারিত»

সাভারনামা…

সাভারের ভবনধসের ঘটনা এখন পুরোনো হয়ে গেছে। আজ সেই সময় তোলা কিছু ছবি ফেবু’তে আপলোড করলাম। ছবি দেখে রাজীব ভাই/১৩তম বিসিসি; বললেন “সাভারের উদ্ধারকাজের উপরে একটা লেখা দে”! সাথে সাথে ফেবু বন্ধ করে সেই সময়কার কিছু স্মৃতি নিয়ে আজ লিখলাম। এক বসায় লিখেছি। ভুলভাল হতে পারে।

ভবন ধসে পড়ার পরপরই শাহবাগ গিয়ে রক্ত দিয়ে এসেছি। তবু কেমন যেন ছটফট করছিলাম। আরো কিছু করতে ইচ্ছা হচ্ছিলো।

বিস্তারিত»

লেঃ মাহমুদ এবং আমাদের গল্প…

আমাদের গল্পটার শুরু গ্রীষ্মের কোন এক মধ্য দুপুর থেকে। অন্য দুপুরগুলোর মত সেই দুপুরটাও অলস হতে পারত, কিন্তু সেদিন দুপুরের অলসতার সুযোগ ছিল না। কারন সেই দুপুরে দেশের বিভিন্ন জায়গার,বিভিন্ন চেহারার কিছু ছেলের ‘আমি থেকে আমরা’ হবার দিনের সূচণা হতে চলেছিল।০৭ মে,২০০২ সালের সেই রৌদ্রজ্জল দুপুরকে সাক্ষী রেখে আমরা একে একে খাকী পোশাকে নিজেকে জড়াই, আর নিজের অজান্তে ৫৪টি মন কখন যেন নিজেদের মত করেই জড়িয়ে গেছে,

বিস্তারিত»

আমঃ গ্রাম থেকে অফিসে!

আমাদের ছোট বেলায় মে জুন মাসের দিকে ১ মাসের একটা ছুটি পাওয়া যেত। সেই ছুটি আমাদের কাছে আম কাঠালের ছুটি নামে পরিচিত ছিল। নানা বাড়ী গিয়ে আম কাঠাল খাওয়া ছাড়া আরো যে কাজটি আমরা তখন করতাম সেটা হল নিজের এলাকায় গাছ গাছালির নিয়মিত খোজ খবর রাখা। কোন বাড়ীতে কয়টা আম গাছ আছে, কয়টাতে এবার আম এসেছে, কোন গাছের আম কেমন এসব বিষয়ে আমরা তখন বিশেষজ্ঞ হয়ে যেতাম।

বিস্তারিত»

একটি কোটা আর বাংলালিংক

এইতো গত বছর-

রাজশাহী ভার্সিটি বি বি এ পরীক্ষা, আই বি এর কোচিং করে স্বভাবতই ধারণা জন্মেছিল, ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু সেই ভুল পরীক্ষার হলে গিয়ে ভাঙল যখন দেখি পাশের ছেলেটি মহানন্দে দুইটি ক্যালকুলেটর একের পর এক ব্যবহার করে যাচ্ছে। ম্যাথ করতে যেয়েই যত বিপত্তি, এত বড় বড় ম্যাথ কিভাবে করবো? পাশের ছেলেটির ক্যালকুলেটর এর দিকে তাকাতেই সে বুঝতে পারল এবং মহানন্দে দুইটি ক্যালকুলেটর ই অন্যপাশে সরিয়ে রাখল।

বিস্তারিত»

বিপন্ন মানবতা এবং একটি সাহায্যের আবেদন

আরো একবার মানবিক বিপর্যয়ের সামনে এসে দাঁড়িয়েছি আমরা,আমাদের বাংলাদেশটা। যেসব সেলাই দিদিমনিরা দিনরাত কষ্ট করে আমাদের জন্য কাপড় বুনেন,যেইসব পোষাক শ্রমিকের ঘামে ভেজা নিঃশ্বাসে ভর করে দেশ অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের লাশ আজকে আরেকবার তাজরীনের গন্ডি পেড়িয়ে অধরচন্দ্র স্কুলমাঠে সারি বেঁধে শুয়ে আছে। আর ধ্বসে পড়া রানা প্লাজার ভিতরে আটকা পড়ে আছে আরো শতাধিক।

উদ্ধার কাজ চলছে এখনো। উদ্ধারকর্মীদের পাশাপাশি আছে সেচ্ছাসেবক উদ্ধারকর্মীরা।

বিস্তারিত»

জাপানী মামার সনেট

আহা কি সুন্দর দেখো, পূর্ণিমার রাতি
আকাশেতে উড়িতেছে একপাল হাতি।
শরীরেতে নেই কোনো উড়িবার পাখা
পদগুলো নীচে থেকে মেলে দেয় শাখা॥
পদের শাখার দ্বারা জুড়িয়া আঘাত্‍
হাতি গুলো উড়ে যায় মেলে দিয়ে হাত॥

গগনে দেখিয়া হাতি তেলাপোকা ভাবে,
আমি কি পারিব কভু এভাবে উড়িতে?
হাতিদের আছে মুখে শুঁড় একখানা,
দুইখানা শুঁড় মোর, সাথে আছে ডানা॥
যেই ভাবা সেই কাজ,

বিস্তারিত»

পবিত্রতা

অনিন্দ্য ইমতিয়াজঃ

দেখে কে বলবে। এখন রাত সাড়ে ১০টা বাজে? রাজপুরীর মত ঝলমলে আলোয় ভরে আছে গোটা শহর। চারিদিকে মানুষের চিৎকার, চেঁচামেচি, আনন্দোৎসব। সবার মুখেই একটা খুশি খুশি ভাব। নাহ! সবাই এই কথাটা ঠিক না। কোথাও না কোথাও অন্তত একজন তো থাকবেই যে খুশি নয়। অখুশি বলবনা, কিন্তু হয়ত সে  বিষন্ন। একা একা চারিদিকে হাটছে আর নিজের প্রতিবিম্ব খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

বিস্তারিত»