১.
তাইফুর ভাইয়ের আসার কথা ছিল বিকাল ৫টার মধ্যে। কাইয়ুম ভাই আর আমারে তুলে নিবেন পান্থপথ থেকে, সেখান থেকে যাবো মিঃ বেকারের কেক নিতে, তারপর বেঙ্গল ক্যাফেটেরিয়া।
ঘড়ির কাটা পাঁচটা পার হয়ে যাবার পর আর থাকতে না পেরে কাইয়ুম ভাইরে ফোন দিলাম,
বস, তাইফুর ভাই কই?
মৌচাক পর্যন্ত আসছিলো, এখন আবার বাসায় ফেরত যাইতেছে
ক্যান কি হইছে?
মনটা নাকি ভুলে বৌয়ের কাছে রাইখা আসছে ,
নাটাই
১।
-এই টিপু, তোর তো দেখি নতুন নাটাই। কবে কিনলিরে?
-আমার মামা এসেছিল ঐ যে বিদেশ থাকে উনি কিনে দিয়েছে।
-কত দাম রে?
-১২ টাকা, রাজার দোকানেই পাওয়া যায়।
-একটু দেখতে দিবি?
-তুই ফেলে দিবি দেখিস। তারচেয়ে বরং তুই সুতাটা ধর আমি মাঞ্জা দেই । এবার মাঞ্জায় কাচের গুড়া দিয়েছি আমার ঘুড়ি কাটা এইবার কারো সাধ্য নাই।
ফ্যান্টাসী লীগ- সিসিবি ম্যানেজারদের আমলনামা ০২
ব্যাপক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়া শেষ হইলো ফ্যান্টাসী লীগের দ্বিতীয় সপ্তাহ।
আসলে উত্থানের চেয়ে পতনই বেশি হইছে, আর তারাশঙ্কর অনেক আগেই বলেছেন ‘পতনতো চিরকাল অধঃলোকেই হয় দাদা, কে আর কবে উর্ধে পতিত হয়েছে?’। সুতরাং সিসিবি ফ্যান্টাসী লীগেও অনেকেরই আসলে অধঃপতন হইছে তা বলাই বাহুল্য।
তবে তার আগে উত্থানের কথা বলি।
গ্রামীন ফোনের রুমকির বাবা, আমার দুস্ত, তানভীর। গত সপ্তাহের তৃতীয় অবস্থান থেইকা এই সপ্তাহে এক্কেরে ১ম।
এক আড্ডা, এক গান
১.
ক্যাডেট কলেজ জীবন শেষ করে যখন ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হলাম, তখন যেন অথৈ সাগরে পড়ার মতো অবস্থা হলো। এক পাড়ায় ছিলাম বলে চিনতাম কেবল রতনকে। রতন সিলেট ক্যাডেট কলেজের, কলেজ নাম কাফি (আবদুল্লাহ আল কাফি)। রতন তখন ছাত্র ইউনিয়নের প্রথম সারির নেতা হতে যাচ্ছে, তাকে পাওয়াই যায় না। পরিচয় হলো মোমিনের সাথে। মোমিন ফৌজদারহাটের। আর ছিল তানিম (ওমর), ফৌজদারহাটের। আমরা এই চার জন ছিলাম অর্থনীতি বিভাগের ক্যাডেট।
ফ্যান্টাসী লীগ- সিসিবি ম্যানেজারদের আমলনামা ০১
কিছুক্ষন আগে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের প্রথম সপ্তাহ শেষ হইলো। সেই সঙ্গে শেষ হইলো আমাদের সিসিবি ফ্যান্টাসী লীগের প্রথম সপ্তাহের যাবতীয় হিসাব নিকাশ।
প্রথমদিন থেইকাই মেজাজ ব্যাপক খারাপ। অনেক হিসাব-নিকাশ কইরা খেলা শুরু হবার আগের দিন দ্রগবারে বাদ দিয়া এনেল্কা আর ল্যাম্পার্ড দুইটারে টিমে নিছিলাম। কিন্তু হারামি দুইটা প্রথমদিনই আমারে ডুবাইয়া দিছে, গোলের নাম গন্ধ নাই, কোনমতে ৯০মিনিট খেইলাই খালাস। ওইদিকে যারে বাদ দিছিলাম সেই দ্রগবা প্রথমদিন দুই গোল কইরা ব্যাপক পয়েন্ট দিলো লুকজনরে,
বিস্তারিত»একদিনের ম্যাচের সর্বোচ্চ পাঁচটি ব্যাক্তিগত ইনিংস
ক্রিস কভেন্ট্রি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপরাজিত ১৯৪ রান করে একদিনের ম্যাচের সর্বোচ্চ ব্যাক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডবুকে সহবস্থান করছেন পাকিস্তানের সাঈদ আনোয়ারের সাথে। কিন্তু্ তামিমের সেঞ্চুরিতে শেষ হাসি বাংলাদেশের ।দীর্ঘ এক যুগ পর আবারো আলোচনায় সাঈদ আনোয়ারের ১৯৪,সেই ধারাবাহিকতাতেই থাকছে একদিনের ম্যাচের সর্বোচ্চ পাঁচটি ব্যাক্তিগত ইনিংসের কথা।
১. চার্লস কভেন্ট্রি- ১৯৪* (১৫৬বল, ১৬x৪,৭x৬)- ২৬ বছর বয়সী চার্লস কেভিন কভেন্ট্রি’র ১৪ ম্যাচের ওডিআই ক্যারিয়ারের সেঞ্চুরি ছিলো না একটিও!
সেই রাত্রির কল্পকাহিনী
এই কবিতাটা পড়ার আগে আমি এটার আবৃত্তি শুনেছিলাম, শিমুল মুস্তাফার কন্ঠে। এখনো মনে আছে, একবার শুনেই স্তব্ধ হয়ে বসেছিলাম কিছুক্ষণ। প্রচন্ড অপরাধবোধ আর লজ্জায় আমার নিজেকে খুব ছোট মনে হচ্ছিলো। খুঁজে বের করে কবিতাটা পড়ার সাহস হচ্ছিলো না। কিন্তু তারপরও পড়েছি, নিজেকে ধিক্কার দেবার জন্যে বইটা কিনে এনে কবিতাটা খুঁজে বের করে পড়েছি। একবার, বারবার।
বিস্তারিত»ইংলিশ ফুটবল ০৯-১০
ফুটবল মৌসুম শুরু হয়ে গেছে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ শুরু হয়ে যাচ্ছে এই সপ্তাহেই। অনেক জল্পনা আর কল্পনা সমর্থকদের মনে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ছাড়া পারবে কি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবার; লিভারপুলের ২০ বছরের প্রতীক্ষা কি শেষ হবে; নাকি আগামী বছর মে মাসে নতুন এক চ্যাম্পিওনের দেখা মিলবে। ম্যানচেস্টার সিটি কি পারবে আর্সেনালকে গুঁতো দিয়ে নামিয়ে দিয়ে চ্যাম্পিওন্স লীগে খেলতে। আর কারাই বা রেলিগেটেড হবে। অবশ্য বাংলাদেশে কেউ রেলিগেশন নিয়ে চিন্তিত না!
বিস্তারিত»ঢাকার যানবাহন সমস্যার সহজ এবং সাময়িক সমাধান!
[অলস মস্তিস্ক শয়তানের কারখানা। সেই কারখানার একটা প্রডাক্ট ছাপছি। কন্সেপ্টটা সাধারণ, কিন্তু কতটুকু বাস্তব? দেখি জ্ঞ্যানী লোকেরা কি বলেন!]
সকাল বেলায় অফিসে, স্কুলে বা নিজের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে যেতে সবাইকে ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় পার করতে হয়। মোটামুটি একই, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার চেয়েও ভয়াবহ অবস্থার সম্মূখীন হতে হয় ফেরার সময়। গুলশানের অফিস পাড়া থেকে মোহাম্মদপুরের আবাসিক এলাকায় পৌঁছাতে, অফিস শেষে তিন ঘন্টা ব্যয় করার ঘটনা এখন বোধহয় অনেকেরই গায়ে সয়ে এসেছে।
বিস্তারিত»ইফতার পার্টি
বরাবর
ব্লগ প্রিন্সিপাল
ক্যাডেট কলেজ ব্লগ
বিষয়: ইফতার পার্টি আয়োজনের প্রস্তাব
মহাত্মন,
বিনীত নিবেদন এই যে এই মাসের শেষের দিকে রোজা শুরু হইতে যাইতেছে। রোজা রাখিতে যাইয়া মাসরুফ সহ সিসিবির কিছু সদস্যের ওজন :just: বিশ তিরিশ কেজি করিয়া কমিয়া যাইতে পারে।
বিস্তারিত»মাথানষ্ট
অনেক দিন ধরে ভাবছি মাঝে মাঝে লিখব। কী লিখব? কোথায় লিখব কিছু বুঝে উঠতে পারছিলাম না। কিন্তু আমার লেখার খুব শখ। শুধু শখ থাকলেই তো হবে না। কারন লেখা একটা শিল্প, যা সবাই পারেনা। আমিও পারিনা। তারপরও জোর করে কিছু লিখবো-এরকম একটা জেদ নিয়া বসলাম। জোর করে ভিতর থেকে কিছু বের করতে পারলাম না। পারার কথাও না। আমি তো আর কামরুল না যে চাইলাম আর লিখে ফেললাম।
বিস্তারিত»পারিনি বোঝাতে তাকে………
“অশ্রু দিয়ে লেখা এ গান…” গানটি আমার খুবই প্রিয়।এর পেছনে অবশ্য সাবিনা ইয়াসমিনের কোনো হাত নেই,ক্লাস ফোরে স্কুলের প্রোগ্রামে ক্লাসের একটা মেয়ে গানটি গেয়েছিলো।সেই থেকে গানটি ভুলতে পারি না,যখনই শুনি চোখের সামনে
ওই মেয়েটা ভেসে আসে।আমি কেমন আনমনা হয়ে যাই।
মেয়েটার নাম তাসনিমা।আমার ছোট বেলার নায়িকা।অকালপক্কতার সবচেয়ে সেরা উদাহরণ হয়ে সেই বয়সেই মেয়েটার প্রেমে পড়ে গেলাম।যাকে বলে একেবারে সিরিয়াস টাইপের প্রেম।নীল সাদা স্কুল ড্রেসটাতে ওকেই যেন সবচাইতে বেশি মানাতো।সবার জামার রঙ নীল,ওর টা আকাশী,সবাই হাফ শার্ট পড়তো আর ও ফুল শার্ট ফোল্ড করে আসতো,সবাই কেমন ফালতু বোতলে করে পানি আনতো আর ও আনতো চমৎকার একটা ফ্লাস্কে করে…সবকিছুতেই অন্যরকম।আমি দেখি আর মনে মনে কত কিছু ভাবি।
বিস্তারিত»সিসিবি’টা গল্প: টোকা।
(মজার জন্য লেখা। ফাজলামি করে লেখা। কেউ সিরিয়াসলি নিবেন না আশা করি।)
এক:
চিত্রনায়িকা কুয়েলিকা তার ছিপছিপে দেহে হাসির ঝলক তুলতে তুলতে বলে, “যাহ, কামরুল ভাই!”
পরিচালক কামরুল হাসান জর্দা দেয়া পান মুখে পুরে দিয়ে বিড়ি ধরান। আয়েশ করে একটা টান দিয়ে বলেন, “আরে চিন্তার কিছু নাই। ছেলে আমার ছোট ভাইয়ের মত। ভেরি গুড বয়। এইএইসসিতে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে।”
কুয়েলিকার মুখ লজ্জায় লাল হয়।
বিস্তারিত»ফ্যান্টাসী ফুটবল
আমার জন্মদিনের পোষ্ট ও এর মন্তব্যগুলো পড়ে আমি আনন্দিত ও অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। যেমন কারো কারো নাকি আমার সাথে ফুটবল খেলতে মন চায় যদিও জীবনে আমি ফুটবল তেমন খেলি নাই। আমার আগ্রহ সব খেলা নিয়েই কিন্তু ইংল্যান্ডের চারদিকের পরিবেশটাই কেমন যেনো ফুটবলময়। আমি দেশে থাকতে ইএসপিএন কিংবা স্টার এ খেলা দেখতাম কিন্তু খেলা কিংবা ধারাভাষ্য ছাড়া তেমন কিছু খেয়াল করতাম না। কিন্তু এখন সকাল বিকাল টিভিতে,
বিস্তারিত»অপ রূপ কথা
[একটা রূপকথার গল্প লিখতে চেয়েছিলাম। সেটা লেখার জন্য ভাবতে গিয়ে ভাবলাম ছোটবেলায় কার থেকে আমি রূপকথা শুনেছি। ভেবে দেখলাম আমাকে কেউ গল্প শোনায় নি ছোটবেলায়। নিজে নিজেই গল্পের বই পড়ার আগ পর্যন্ত তাই গল্প শোনা হয়নি আমার। কিন্তু রাতে কেও গল্প শোনাচ্ছে কখনো বা ভূতের কখনো বা রাজপুত্র-কন্যাদের সে ফিলিংসই আলাদা। সেরকম ফিলিংস এর জন্য একটা রূপকথা শোনার গল্প লেখতে গিয়ে দেখি একটা যা-তা লেখা হয়েছে।
বিস্তারিত»