সেই রাত্রির কল্পকাহিনী

এই কবিতাটা পড়ার আগে আমি এটার আবৃত্তি শুনেছিলাম, শিমুল মুস্তাফার কন্ঠে। এখনো মনে আছে, একবার শুনেই স্তব্ধ হয়ে বসেছিলাম কিছুক্ষণ। প্রচন্ড অপরাধবোধ আর লজ্জায় আমার নিজেকে খুব ছোট মনে হচ্ছিলো। খুঁজে বের করে কবিতাটা পড়ার সাহস হচ্ছিলো না। কিন্তু তারপরও পড়েছি, নিজেকে ধিক্কার দেবার জন্যে বইটা কিনে এনে কবিতাটা খুঁজে বের করে পড়েছি। একবার, বারবার।

প্রতিবার আমার নিজেকে বড় অসহায় মনে হয়েছে, এখন যেমন হচ্ছে।

সেই রাত্রির কল্পকাহিনী/ নির্মলেন্দু গুণ

তোমার ছেলেরা মরে গেছে প্রতিরোধের প্রথম পর্যায়ে,
তারপর গেছে তোমার পুত্রবধূদের হাতের মেহেদী রঙ,
তারপর তোমার জন্মসহোদর, ভাই শেখ নাসের,
তারপর গেছেন তোমার প্রিয়তমা বাল্যবিবাহিতা পত্নী,
আমাদের নির্যাতিতা মা।

এরই ফাঁকে একসময় ঝরে গেছে তোমার বাড়ির
সেই গরবিনী কাজের মেয়েটি, বকুল।
এরই ফাঁকে একসময় প্রতিবাদে দেয়াল থেকে
খসে পড়েছে রবীন্দ্রনাথের দরবেশ মার্কা ছবি।
এরই ফাঁকে একসময় সংবিধানের পাতা থেকে
মুছে গেছে দু’টি স্তম্ভ, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র।
এরই ফাঁকে একসময় তোমার গৃহের প্রহরীদের মধ্যে
মরেছে দু’জন প্রতিবাদী, কর্ণেল জামিল ও নাম না-জানা
এক তরুণ, যাঁর জীবনের বিনিময়ে তোমাকে বাঁচাতে চেয়েছিলো।

তুমি কামান আর মৃত্যুর গর্জনে উঠে বসেছো বিছানায়,
তোমার সেই কালো ফ্রেমের চশমা পরেছো চোখে,
লুঙ্গির উপর সাদা ফিনফিনে ৭ই মার্চের পাঞ্জাবী,
মুখে কালো পাইপ, তারপর হেঁটে গেছো বিভিন্ন কোঠায়।
সারি সারি মৃতদেহগুলি তোমার কি তখন খুব অচেনা ঠেকেছিলো?
তোমার রাসেল? তোমার প্রিয়তম পত্নীর সেই গুলিবিদ্ধ গ্রীবা?
তোমার মেহেদীমাখা পুত্রবধুদের মুজিবাশ্রিত করতল?
রবীন্দ্রনাথের ভূলুন্ঠিত ছবি?
তোমার সোনার বাংলা?

সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামবার আগে তুমি শেষবারের মতো
পাপস্পর্শহীন সংবিধানের পাতা উল্টিয়েছো,
বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে এক মুঠো মাটি তুলে নিয়ে
মেখেছো কপালে, ঐ তো তোমার কপালে আমাদের হয়ে
পৃথিবীর দেয়া মাটির ফোঁটার শেষ-তিলক, হায়!
তোমার পা একবারও টেলে উঠলো না, চোখ কাঁপলো না।
তোমার বুক প্রসারিত হলো অভ্যুত্থানের গুলির অপচয়
বন্ধ করতে, কেননা তুমি তো জানো, এক-একটি গুলির মূল্য
একজন কৃষকের এক বেলার অন্নের চেয়ে বেশি।
কেননা তুমি তো জানো, এক-একটি গুলির মূল্য একজন
শ্রমিকের এক বেলার সিনেমা দেখার আনন্দের চেয়ে বেশি।
মূল্যহীন শুধু তোমার জীবন, শুধু তোমার জীবন, পিতা।

তুমি হাত উঁচু করে দাঁড়ালে, বুক প্রসারিত করে কী আশ্চর্য
আহবান জানালে আমাদের। আর আমরা তখন?
আর আমরা তখন রুটিন মাফিক ট্রিগার টিপলাম।
তোমার বক্ষ বিদীর্ণ করে হাজার হাজার পাখির ঝাঁক
পাখা মেলে উড়ে গেলো বেহেশতের দিকে…।
… তারপর ডেডস্টপ।

তোমার নিষ্প্রাণ দেহখানি সিঁড়ি দিয়ে গড়াতে, গড়াতে, গড়াতে
আমাদের পায়ের তলায় এসে হুমড়ি খেয়ে থামলো।
— কিন্তু তোমার রক্তস্রোত থামলো না।
সিঁড়ি ডিঙিয়ে, বারান্দার মেঝে গড়িয়ে সেই রক্ত,
সেই লাল টকটকে রক্ত বাংলার দূর্বা ছোঁয়ার আগেই
আমাদের কর্ণেল সৈন্যদের ফিরে যাবার বাঁশি বাজালেন।

**********************************

শিমুল মুস্তাফার কন্ঠে আবৃত্তি ডাউনলোড লিংক

৩০ টি মন্তব্য : “সেই রাত্রির কল্পকাহিনী”

  1. রকিব (০১-০৭)

    পুরোটা শুনলাম, বুকে কাপন ধরেছে। স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, আর আমরা তার ঘৃণ্য প্রতিদান দিলাম।


    আমি তবু বলি:
    এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

    জবাব দিন
  2. মহিব (৯৯-০৫)

    'ক্রাচের কর্ণেল'এর একটা কথা মনে ধরেছিল- দেশপ্রেম শব্দটাকে টেনে যতটুকু লম্বা করা যায় বঙ্গবন্ধু এই দেশটাকে ততটুকু ভালোবাসতেন। কী করব! আমরা তাঁর মূল্য রাখতে পারি নাই।
    কবিতাটার বিষয়বস্তু ছুঁয়ে য়ায়, কিন্তু কবিতাটা তেমন একটা..... 🙁

    জবাব দিন
  3. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    কি আশ্চর্য! আজকেই আমি এই কবিতাটির কথা ভাবছিলাম,
    কোথায় পাওয়া যায় কি না।
    নির্গুণের শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলোর একটি।
    ধন্যবাদ দেবার ভাষা জানা নাই।

    জবাব দিন
  4. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    এটা কোনো কল্পকাহিনী ছিল না। কোনো কল্পকাহিনী এতোটা নৃশংস হতে পারে না। এতো মিশমিশে কালো ভোর বাঙালির জীবনে আর কখনো আসেনি। কাপুরুষ কতোগুলো জানোয়ার বিশাল হৃদয়ের মানুষটাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। পারেনি। পারবেও না। ওরা জানে না শেখ মুজিবকে হত্যা করা যায় না। শেখ মুজিব মরে না। মরেনি আলেন্দে, মরেনি নেরুদা, মরেনি ভিক্টর হারা, মরেনি লুমুম্বা। মুজিব আকাশের মতো বিশাল হয়ে বেঁচে আছে তার মানুষের মাঝে........ থাকবে।


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন
  5. হাসনাইন (৯৯-০৫)

    বাঙালীকে বেশি ভালবাসতেন, বিশ্বাস করতেন বলেই.........
    কোথায় যেন পড়েছিলাম তিনি নাকি একবার বলেছিলেন, "মানুষ স্বর্নের খনি পায় তেলের খনি পায়, আমি পাইছি চোরের খনি।"

    এই চোরের খনি বোধহ্য় কখনো ফুরোবার নয়।...। 🙁

    জবাব দিন
  6. রায়হান রশিদ (৮৬ - ৯০)

    অনেক ধন্যবাদ কামরুল।
    আরেকটা কবিতাও স্মরণ করা যেতে পারে: "আজ আমি কারো রক্ত চাইতে আসিনি।" সংস্কৃতি-কর্মী মাত্রই জানেন, পঁচাত্তর থেকে নব্বই, একটা দীর্ঘ সময় এই কবিতাগুলো কেউ মঞ্চে আবৃত্তি করতে পারতো না। প্রতিটি অনুষ্ঠানের আগে 'কর্তৃপক্ষের' নির্দেশে নিয়ম করে স্ক্রিপ্ট পরীক্ষা করা হোতো, পাছে যদি কেউ বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করে ফেলে! কিন্তু তারপরও জানি, আমার পরিচিত বহু মানুষ এ কাজ করেছে - মঞ্চে উঠে স্ক্রিপ্টের বাইরে গিয়ে এই লাইনগুলো উচ্চারণ করতো তারা। মানুষের ভালবাসাকে কি এভাবে থামানো যায়?

    জবাব দিন
    • কামরুল হাসান (৯৪-০০)

      সত্যি মানুষের ভালোবাসা দমিয়ে রাখা যায় না।

      নেতা হিসেবে তার মতো আর কেউ নেই, একথা যেমন সত্যি শাসক হিসেবে তার ভুল গুলিও সত্যি। কিন্তু সব কিছুর পরও এমন চলে যাওয়া তার প্রাপ্য ছিলো না।

      আপনার ওই কবিতাটাও দিয়ে দিলাম। আমারও পছন্দের কবিতা।

      ***************************

      আমি আজ কারো রক্ত চাইতে আসিনি
      -নির্মলেন্দু গুণ

      সমবেত সকলের মতো আমিও গোলাপ ফুল খুব ভালোবাসি,
      রেসকোর্স পার হ’য়ে যেতে সেইসব গোলাপের একটি গোলাপ
      গতকাল আমাকে বলেছে, আমি যেন কবিতায় শেখ মুজিবের কথা বলি।
      আমি তাঁর কথা বলতে এসেছি।

      শহীদ মিনার থেকে খ’সে পড়া একটি রক্তাক্ত ইট গতকাল আমাকে বলেছে
      আমি যেন কবিতায় শেখ মুজিবের কথা বলি।
      আমি তাঁর কথা বলতে এসেছি।

      সমবেত সকলের মতো আমিও পলাশ ফুল খুব ভালোবাসি, ‘সমকাল’
      পার হয়ে যেতে যেতে সদ্যফোটা একটি পলাশ গতকাল কানে কানে
      আমাকে বলেছে, আমি যেন কবিতায় শেখ মুজিবের কথা বলি।
      আমি তাঁর কথা বলতে এসেছি।

      শাহবাগ এ্যভিন্যুর ঘূর্ণায়িত জলের ঝর্ণাটি আর্তস্বরে আমাকে বলেছে
      আমি যেন কবিতায় শেখ মুজিবের কথা বলি।
      আমি তাঁর কথা বলতে এসেছি।

      সমবেত সকলের মতো আমারো স্বপ্নের প্রতি পক্ষপাত আছে,
      ভালোবাসা আছে শেষ রাতে দেখা একটি সাহসী স্বপ্ন গতকাল
      আমাকে বলেছে, আমি যেন কবিতায় শেখ মুজিবের কথা বলি।
      আমি তাঁর কথা বলতে এসেছি।

      এই বসন্তের বটমূলে সমবেত ব্যথিত মানুষগুলো সাক্ষী থাকুক,
      না-ফোটা কৃষ্ণচূড়ার শুষ্কভগ্ন অপ্রস্তুত প্রাণের ঐ গোপন মঞ্জরীগুলো
      কান পেতে শুনুক,
      আসন্ন সন্ধ্যায় এই কালো কোকিলটি জেনে যাক -
      আমার পায়ের তলার পুণ্য মাটি ছুঁয়ে
      আমি আজ সেই গোলাপের কথা রাখলাম, আজ সেই পলাশের কথা
      রাখলাম, আজ সে স্বপ্নের কথা রাখলাম।

      আমি আজ কারো রক্ত চাইতে আসিনি,
      আমি আমার ভালোবাসার কথা বলতে এসেছিলাম।


      ---------------------------------------------------------------------------
      বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
      ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

      জবাব দিন
      • রায়হান রশিদ (৮৬ - ৯০)
        নেতা হিসেবে তার মতো আর কেউ নেই, একথা যেমন সত্যি শাসক হিসেবে তার ভুল গুলিও সত্যি।

        সব কিন্তু পুরোপুরি সত্যি না, কামরুল।
        কিছু ভুল তো ছিলই, আর সে রকম ভুল একটাও করেননি এমন নেতা কিন্তু গোটা পৃথিবীতে খুঁজেও একজন পাওয়া যায় কিনা বলা কঠিন। আর আমরা জনগণ যে ভুলটা করে এসেছি সবসময় তা হল, বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা বিচারে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশটির তখনকার আর্থ সামাজিক বিশ্ব রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটগুলো ঠিকভাবে আমলে আনতে পারিনি; স্বাধীন এই রাষ্ট্রটির স্বীকৃতি পর্যন্ত যখন ঠেকিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছিল একাধিক পরাশক্তি রাষ্ট্র।

        আর কিছু ভুল তো বহুগুণে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে জনগণের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতো বার সেগুলো বাজিয়ে শোনানো হয়েছে আমাদেরকে যে আজকে আমরা বেশীর ভাগ মানুষই কিন্তু বিনা প্রশ্নে সে সব একরকম সত্য বলেই ধরে নিই। তিন দশকের রাষ্ট্রীয় প্রপাগ্যান্ডা যন্ত্রের ভূমিকাকে তাই খাটো করে দেখি কিভাবে।

        এমনই এক ধরণের অপ-প্রচারণা কিন্তু বঙ্গবন্ধুর স্টেটসম্যানশিপ নিয়েও চালু রয়েছে। সরাসরি কাজ করার সুবাদে এমন অন্তত দুটো সেক্টরের কথা জানার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। তার একটি হল জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ সেক্টর, আরেকটি হল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আইনগত-প্রতিষ্ঠানগত অবকাঠামো নির্মাণ সেক্টর। সরাসরি বঙ্গবন্ধুর তত্ত্বাবধানে এই দুটো সেক্টরে যাঁরা কাজ করেছেন ৭২ থেকে ৭৫ পর্যন্ত, তাঁদের মধ্যে ছিলেন হার্ভার্ড-কেমব্রীজ-অক্সফোর্ড-এলএসই থেকে পাশ করা সেরা বিশেষজ্ঞদের টীম। এমন বেশ কিছু ঘটনা জানি, যখন এই বিশেষজ্ঞদের টীম স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষ হয়ে দেশ বিদেশের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ধার করে অনেক গবেষণা করে কোনো একটা মহা-পরিকল্পনা দাঁড় করিয়েছেন, আর বঙ্গবন্ধু সেটা একবার শুনেই সে সবের ভেতরের মূল সমস্যাগুলো এবং বিপদগুলো ধরিয়ে দিয়েছেন তাঁদেরকে। সেই ধরিয়ে দেয়ার ফলে পরিবর্তিত যে নীতিমালা সেগুলোই কিন্তু পরবর্তীতে সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে। সেই সব বিশেষজ্ঞদের মধ্যে যাঁরা এখনো জীবিত আছেন, তাঁদের কয়েক জনের সাথে আমার কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। চোখ মুছতে মুছতে তাঁরাই আমাকে এসব তথ্য দিয়েছেন। একজনের মন্তব্য উদ্ধৃত করছি: "... দেশের ... প্রস্তাবটা পেয়ে আমাদের টীমের সবাই উত্তেজিত; কল্পনার বাইরে ভাল একটা প্রস্তাব; এক টাকাও খরচ হবে না দেশের অথচ ... পুরো কাজটা ওরা করে দেবে নিজেদের খরচে; মুজিব ভাইয়ের কাছে দুঘন্টা ধরে আমরা প্রেজেন্টেশন দিলাম; শুনে উনি একটাই প্রশ্ন করলেন, ‍‍'তোদের মধ্যে কেউ আমাকে বল, বিনা পয়সায় ওরা কেন এত বড় খরচের একটা কাজ করে দিতে চাইবে, ওরা আসলে কি চায়?' আমাদের মধ্যে কেউই মুজিব ভাইয়ের সেই প্রশ্নের এবং পরবর্তী নীতিমালা সংক্রান্ত টেকনিক্যাল প্রশ্নগুলোর সদুত্তর দিতে পারিনি। এর পর তিনি পাল্টা কিছু নীতিগত কৌশল বাতলে দেন জটিল সেই নেগোশিয়শনের জন্য, যেগুলো পরবর্তীতে সঠিক এবং ফলপ্রসু প্রমাণিত হয়েছিল।"

        এই ঘটনাটা উল্লেখ করছি এ কারণে যে, জনগণের মধ্য থেকে রাজনীতির প্রক্রিয়ায় গড়ে ওঠা নেতাদের এমন অনেক কিছু মাঠ থেকেই শেখা হয়ে যায় যা পৃথিবীর সেরা ইন্সটিটিউশনগুলোও কাউকে ধরে বেঁধে শেখাতে পারে না। আর এই প্রক্রিয়ার সেরা ফলাফল ছিলেন বঙ্গবন্ধু নিজে, সে তো আমরা সবাই মানি। তাই যদি না হোতো, তাহলে বিভিন্ন সময়ে পিএইচডি-ধারী উপদেষ্টারা শাসন করতে গিয়ে এত এত লেজে গোবরে অবস্থা তৈরী করতো না, যেটা আমরা গত দুই বছরেই বহুবার ঘটতে দেখেছি।

        জবাব দিন
  7. সায়েদ (১৯৯২-১৯৯৮)

    কলেজে থাকাকালীন সময়ে আবৃত্তি শোনার একটা ঝোঁক হয়েছিল। তখন শুনেছিলাম এই অসাধারণ কবিতাটা। ধন্যবাদ কামরুল, আবারও সুযোগ করে দেয়ার জন্য।


    Life is Mad.

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।