ডিসক্লেইমারঃ
এটা মৌলিক কোন লেখা নয়। সংকলিত, অনুবাদ। গোল ডট কম, বিগপন্ড স্পোর্ট ডট কম, ব্যাচেলর রিপোর্ট এমন বেশ কিছু ওয়েব সাইট থেকে সংকলন করা হয়েছে। ছবিগুলোও এসব ওয়েব সাইট থেকে নেয়া। ভিডিওগুলো ইউটিউবের।
———————————
সেরা দল
নিউজিল্যান্ড
এই বিশ্বকাপের একমাত্র অপরাজিত দল। স্পেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, কিন্তু সেরা হিসেবে নিউজিল্যান্ডকেই বেছে নিতে হচ্ছে।
অভিনন্দন ক্যাডেটস। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবার ক্যডেট কলেজগুলোর শিক্ষার্থীরা অসাধারণ ভালো ফল করেছে। সেরা ফলের হিসাবে প্রতিটি বোর্ডের (মাদ্রাসা আর কারিগরী শিক্ষা বোর্ড ছাড়া ;;; ) সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় ক্যাডেট কলেজগুলো প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান দখল করে নিয়েছে। এমন খুশির খবরটা সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে বেশ অনেকদিন পর আপনারা আমার এই পোস্টটির জন্ম দেখতে পেরেছেন। (আমার অফিসের সহকর্মীরা অবশ্য বেশ অনেকদিন পর আমার হাসিখুশি মুখ দেখে বিষয়টা আগেই অনুমান করেছে)।
মাঝে মাঝে বেশ শুনতে পাওয়া যায়, অমুকের সংসারে লক্ষী আর স্বরস্বতীর অপূর্ব সহাবস্থান। কিন্তু আদতে লক্ষীর সাথে স্বরস্বতীর কিন্তু বেজায় মন কষাকষি। তারা একসাথে থাকতেই চায় না। লক্ষী যেখান থাকে সেখানে স্বরস্বতী যেতেই চায় না অথবা স্বরস্বতীর যেখানে আসন সেখানে লক্ষী ছায়া মাড়ায় না। যে পূজারী দুজনেরই একসাথে আরাধনা করে দেখা যায় অবশেষে সবই হারায়। কারণ লক্ষী -স্বরস্বতী অনেক বেয়াড়া এবং নাক উঁচু। শুধুমাত্র তাকেই পূজা না করলে সে ধরা দেয় না।
ম্যান্ডেলার শেষ ম্যাজিকটা এবার দুনিয়া দেখবে।
যিনি বলছেন, তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার কাস্টমস পুলিশের চাকুরে। নিজের পুলিশ পরিচয়টা অহঙ্কারের সঙ্গে একমাত্র বাংলাদেশি পুলিশই দিয়ে থাকে বলে ধারণা ছিল। পরশু জোহানেসবার্গের ওলিভার টাম্বো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ধারণাটা বদলে বাংলাদেশি পুলিশের চেহারায় দাঁড়াল ওই তরুণ। ব্যাগপত্র সব নাকি চেক করবে। যতই বুঝিয়ে বলা হলো, ইতিমধ্যে একাধিকবার চেক করা হয়েছে এবং তাতে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি এবং যাবেও না,
শিরোটীকাঃ
মইনুল ভাইয়ের ফুটবল লিজেন্ড লেখাটা ভালো লেগেছে ভীষন। কথা ছিল অন্যরা তাদের প্রিয় ফুটবলার নিয়ে লিখে এটাকে সিরিজ হিসেবে চালু রাখবে। বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করলাম। কেউ লিখছেনা দেখে ভাবলাম আমি চেষ্টা করে দেখি।
——————————————————————————————–
———————————————————————————————
‘ছোট্ট মোটা ছেলেটাকে দেখেছ? চল, আজ আমরা ওকে খুন করে ফেলি’-খেলা শুরুর আগে হাঙ্গেরির এক ফুটবলারকে দেখিয়ে পাশে দাঁড়ানো সতীর্থকে ঠিক এ কথাটাই বলেছিলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক বিলি রাইট।
কদিন ধরেই বাঁ চোখের পাতাটা নাচছে হেকমত আলির। লক্ষণটা নাকি শুভ কিন্তু শুভ ভাবার কোন কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না এই অবসর প্রাপ্ত আমলা। সেই পাকিস্তান আমলে সরকারী চাকুরিতে ঢুকেছিলেন, বাংলাদেশ হওয়ার সময় ট্রেনিং এ ছিলেন ইংল্যান্ডে। তারপর স্বাধীন দেশের ফাঁকা পদে এসে ফেঁদে বসেছেন। একে ওকে এটা ওটা বুঝিয়ে নিজের পকেটটা ভরানোর কায়দাটা ভালোই জানতেন। হল জীবনে এই করেই তো কত বন্ধুর ঘাড় ভেঙ্গে খেয়েছেন!
আয় আরেকটি বার আয়রে সখা, প্রাণের মাঝে (০১)
১।
২০০০ সাল। আমরা ক্লাস ১১ এ পড়ি। বই খাতা কিনে নিয়ে যাইনি কলেজে তাই পড়ালেখা না করার অজুহাত আপনা থেকেই তৈরি। স্যারদের চক্ষুশূল আমরা তখন। একেতো রেজাল্ট খারাপ হয়েছে এসএসসিতে তার উওর ১১ এ উঠলে যা হয় ব্যাচের ডিসিপ্লিন ও ভাল না। তখনই একটা খুব হাইফাই খবর পেয়ে মন নেচে উঠল। এসএসসিতে স্ট্যান্ড করা সবাইকে হেডকোয়ার্টার থেকে সংবর্ধনা দিবে তাও গার্লস ক্যাডেট কলেজে,
বন্ধ হওয়ার পরও পিসি তে ফেসবুক ইউজ করা এবং ফুল ফেসবুক সাপোর্ট এর উপায় :
যা করতে হবে তা হলঃ নিচে freegate সফটওয়ার এর লিঙ্ক দিয়েছি,ওটা ডাউনলোড করে নিন।তারপর জাস্ট freegate ক্লিক করে ওপেন করুন।এরপর সরাসরি ইন্টারনেট ব্রাউজার বা গুগল ক্রোম ওপেন করে জম্পেস ভাবে ফেসবুক ইউজ করুন।কিন্তু যারা মজিলা ফায়ারফক্স ইউজ করছেন তারা অপশন এ গিয়ে ইন্টারনেট সেটিংস চেঞ্জ করুন এবং “use proxy”অপশন সিলেক্ট করে “ok”.freegate হয়তো নতুন ভার্সন আসলে তা নিজে থেকেই আপডেট হবে।
ব্রাজিলের সুপার স্টাররা গত বিশ্বকাপে ফ্লপ মারার পর দুঙ্গা ব্রাজিলের দায়িত্ব নিয়েছিলো। এরপর দুঙ্গা মনোযোগ দিয়েছিলো শুধুমাত্র ফলাফল নিয়ে। তথাকথিত শৈল্পিক খেলার ধারক বাহক স্টার খেলোয়াড়দের ফেলে যারা ফলাফল এনে দিতে পারে তাদের দিয়েই দল সাজিয়েছে। দুই জন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার নিয়ে ব্রাজিল খেলতে পারে এই ধারনা মারিও জাগালোর ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার দুংগা নিজে ম্যানেজার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। আর এজন্যই অনেক ব্রাজিল সমর্থকদেরই ব্রাজিলের খেলা রোবোটিক মনে হয়।
এই দিনে।
একদল নিরপরাধের জেলের শাস্তি হলো। তারা জানেও না কেনো। কিন্তু আদেশ যেহেতু হলো যেতে তো হবেই।
তাই তারা ভয়ে ভয়ে জেল খানায় গেলো। কিন্তু তারা জানেও না এই জেলখানার সময়টাই তাদের জীবনের সেরা সময় বলে গন্য হবে। মেয়াদ এর পর সবসময় আফসোস হবে এই সময়টার জন্য। এই কয়েদীরাই সবচেয়ে কাছের হবে তাদের জীবনে।
হ্যা,
ছোট্ট একটা মফস্বল শহর।১৯৬৫ সাল।পূর্ব পাকিস্তানের নরসিংদী এলাকার শ্রীনগর।এলাকার মাঝামাঝি স্থানে পাশাপাশি দুটি বাড়ী।তার একটা জলিল সাহেবের অন্যটা রনজিত সাহার।ধর্মে ভিন্ন হলেও তাদের অন্যান্য কিছুতে তারা ভিন্ন নয়।দুজন একই অফিসে চাকরী করেন।গত আট বছর ধরে তারা পাশাপাশি বসবাস করে আসছেন।দু’ পরিবারে বেশ ভাব।যে কোন অনুষ্ঠান কিংবা পারিবারিক কাজে সবাই যেন পরস্পরের জন্য নিবেদিত প্রান।জলিল সাহেবের পরিবারে আছে তার স্ত্রী সহ দুই ছেলে।জলিল সাহেবের দুই ছেলের মাঝে একজন আমার বড় ভাই ফারুক অন্যজন আমি।রনজিত সাহার দুই মেয়ে,জয়িতা আর সুনন্দা।জয়িতার বিয়ে হয়েছে কলকাতার এক ব্যবসায়ীর সাথে।সুনন্দা আমার সাথে কলেজে পড়ে।সুনন্দাকে আমি সুনু বলেই ডাকি।অন্যান্য মেয়েদের চাইতে সুনু একটু আলাদা।তার মাঝে একটা অন্যরকম ভাব আছে যা অন্যদের মাঝে নেই।সুনুর সবচেয়ে আকর্ষনীয় দিক হল সে হাসলে গালে টোল পড়ে।ওর মায়াভরা মুখটা আমার সবচেয়ে আপন লাগে।হাসির মধ্যে একটা শিশুসুলভ ভাব রয়েছে।যদিও ছোটবেলায় ও বেশ মোটা ছিল কিন্তু ও যেন দিনদিন আমার কাছে আলাদা রকম আকর্ষনীয় হয়ে উঠছে।জানিনা আমার আকর্ষন বোধটা অন্য মেয়েদের চেয়ে ওর প্রতি এতটা বেশী কেন।হয়তোবা ওর সেই অন্যরকম বৈশিষ্ট্যের জন্যই।আমরা আলাদা ধর্মের হলেও কখনও সুনু কিংবা আমি পরস্পরকে আলাদা ভাবিনি।মোটকথা সুনন্দাকে আমার বেশ ভাল লাগে।তবে ওকে নিয়ে আমি কখনও সেরকম ভাবনা ভাবিনা।সেরকম ভাবনা বলতে আমি ভালবাসা কিংবা প্রেম-টেম বোঝাচ্ছিনা,আমি বলতে চাইছি আকর্ষনের ব্যাপারটা।
ফুটবলটা এই বছর বেশী উপভোগ করি নাই। ইংল্যান্ড থেকে ফিরে আসার পর এখনো এই নয় মাসে থিতু হতে পারি নাই। আমার নিজের কোনো বাসা নাই এখনো, বাবার বাসায় আব্বার আম্মার রুমে আর শ্বশুরবাড়ীতে লিভিং রুমে টিভি থাকায় শুয়ে বসে আয়েশ করে খেলা দেখা যায় না। লিভারপুলের চরম বাজে মৌসুম ফুটবলের মজাটাই শেষ করে দিয়েছে। যাই হোক আর মাত্র এক মাস; এরপরই শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ। তাই আশাকরি মৌসুমের শেষটা খারাপ হবে না।
আমরা কলেজে ঢুকি ২০০২ সালে ৭ই মে। সেইদিনের সব কথা আজও মনে আছে। গাইড হিসেবে মেহেদী ভাই এর আমাকে হাউজে নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে হাউজ মাষ্টারের সাথে দেখা করা আমাকে রেখে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগে আম্মুর কান্নাকাটি আরো কত কিছু। রাতে প্রথম বারের মত কাটা চামুচ দিয়ে খাওয়া, ম্যানু টাও এখনো মনে আছে ডিম ছিল। :dreamy:।
রাতে রুমমেট মুস্তো আর রেজার শহীদ কোচিং নিয়ে গল্প।
Disclaimer: এখানে বলা সকল কথা নিতান্তই আমার ব্যাক্তিগত মতামত।কাউকে দায়ী করার জন্য বা কারো দায়িত্ববোধ নিয়ে কোনও প্রশ্ন তোলা আমার উদ্দেশ্য নয়,তাই আমি চাইনা এই কথাগুলো নিয়ে কোন বিতর্ক হোক।আমার কিছু অজানা প্রশ্নের উত্তর পাওয়াটাই আমার উদ্দেশ্য,তাই সবাই নিজ গুনে আমার অজ্ঞতা মাফ করবেন।
গত ২৮শে এপ্রিল ছিলো ক্যাডেট কলেজ ডে।২৫ তারিখে এক বড় ভাই জানালেন যে ক্যাডেট কলেজ ক্লাবে নাকি তা ৩০শে এপ্রিল উদযাপন করা হবে।তাই ক্যাডেট কলেজ ক্লাবের পক্ষ থেকে রংপুর ওল্ড ক্যাডেটস এসোসিয়েশন (ROCA) এর জন্য বরাদ্দ করা কিছু কার্ড জুনিয়র ব্যাচের ছেলেদের মাঝে ভাগ করে দেয়ার দায়িত্ব পড়ল আমার উপরে।এই দায়িত্ব পালন কালে এবং এই প্রোগ্রামে গিয়েই আমার মনে কিছু প্রশ্ন আসে ও নানাজনের কাছ থেকে কিছু প্রশ্ন পাই যে প্রশ্নগুলোর উত্তর আমার জানা তো নেইই বরং অন্য কারো কাছেই সদুত্তর পাইনি।তাই সিসিবির কাছেই আশ্রয় নেয়া এবং এই লেখার অবতারণা করা।
সর্বকালের সেরা মুষ্টিযোদ্ধার আত্মজীবনী ‘দ্য গ্রেটেস্ট – মাই ওন স্টোরি’ । মোহাম্মদ আলীর জবানীতে লিখেছেন রিচার্ড ডারহাম।
‘কালের কন্ঠ’তে ধারাবাহিক ভাবে অনুবাদ করছি আমি। ভালো হচ্ছে নাকি খারাপ, সেই প্রতিক্রিয়া জানার জন্যে সিসিবিতে দেয়ার লোভটাও সামলানো গেল না! আজ দিচ্ছি ধারাবাহিকের পরের দুই পর্ব-
৪
অনেক দিন ধরেই এর উল্টোটাই দেখিয়েছি । ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে জো ফ্রেজিয়ারের লেফট হুক যখন আমাকে মাটিতে শুইয়ে দিয়েছিল তখনো তাদের এমন বুনো আনন্দ দেখিনি।