[অলস মস্তিস্ক শয়তানের কারখানা। সেই কারখানার একটা প্রডাক্ট ছাপছি। কন্সেপ্টটা সাধারণ, কিন্তু কতটুকু বাস্তব? দেখি জ্ঞ্যানী লোকেরা কি বলেন!]
সকাল বেলায় অফিসে, স্কুলে বা নিজের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে যেতে সবাইকে ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় পার করতে হয়। মোটামুটি একই, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার চেয়েও ভয়াবহ অবস্থার সম্মূখীন হতে হয় ফেরার সময়। গুলশানের অফিস পাড়া থেকে মোহাম্মদপুরের আবাসিক এলাকায় পৌঁছাতে, অফিস শেষে তিন ঘন্টা ব্যয় করার ঘটনা এখন বোধহয় অনেকেরই গায়ে সয়ে এসেছে। মহাখালী ফ্লাই-ওভারের উপরেও অপেক্ষায় থাকা গাড়ির সারির শুরুটা কিন্তু বিজয় স্মরণীর মাথায়। ফ্লাই-ওভারটা বানিয়ে আমরা যেন সমস্যার অবস্থান সরিয়েছি মাত্র।
এই সমস্ত যান-জটে বসে থেকে অনেকেই হয়ত লক্ষ্য করেছেন রাস্তার অপর পাশের, উল্টোদিকে চলাচলের জন্যে নির্ধারিত লেনে যে পরিমান গাড়ি চলাচল করছে, তাতে সেই রাস্তা প্রায় ফাকাই ধরে নেয়া যায়। মূলতঃ আমাদের অপরিকল্পিত শহরায়নের ফসল হচ্ছে এই চিত্র। সকাল কিংবা বিকেলে আমাদের চলাচল একমুখি। যেকোন এলাকার সংযোগ সড়কের কথাই ধরা হোক না কেন, সাধারণভাবে এই ছবি ফুটে উঠবে। উত্তরা থেকে ঢাকা, যাত্রাবাড়ী থেকে ঢাকা, মিরপুর থেকে মতিঝিল ইত্যাদি… ইত্যাদি।
আমাদের মতো গরিব দেশের পক্ষে রাতা-রাতি রাস্তা বানিয়ে যানবাহন সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। অর্থ ছাড়াও এক্ষেত্রে অন্য সমস্যাও আছে। প্রায় দুই-কোটি লোকের শহরে প্রয়োজনীয় জায়গা খুঁজে বের করাও কঠিন। তাই সমস্যার সাময়িক সমাধানের একটি প্রস্তাব তুলে ধরছি, যার ইঙ্গিত আমি ইতিমধ্যে দিয়েছি। বিশেষজ্ঞরা বসে বিস্তারিত আলোচনা করে এর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে পারেন।
ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর লেনগুলোকে সময়ের উপরে ভিত্তি করে দ্বিমূখী চলাচলের জন্যে বরাদ্দ করা যেতে পারে। বিশেষ করে, যে সমস্ত রাস্তায় সময়ের প্রভাব খুব বেশি তাদের এর আওতায় আনা যেতে পারে। ভোর থেকে সকাল এগারটা পর্যন্ত একদিকের আর দুপুর দুইটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অন্যদিকের ট্রাফিকের জন্য বেশী লেন বরাদ্দ করা যেতে পারে। মধ্যবর্তী সময়ে সমান সংখ্যক লেন দিয়ে দুই দিকের গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
এই প্রযুক্তির প্রয়োগ সাময়িকভাবে অসম্ভব মনে হলেও ব্যাপারটা কিন্তু খুবই সাধারণ। পর্যাপ্ত প্রচারে জনগন এতে অভ্যস্ত করা সম্ভব আর একবার এর সুফল দেখতে পেলে, জনগন খুব স্বাভাবিকভাবে একে গ্রহন করবে। রাস্তায় চিহ্ন বা বিভাজন স্থাপন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রাথমিকভাবে, দুই দিকের রাস্তার মধ্যবর্তী সীমারেখা নির্ধারণ করতে দৃঢ় প্লাস্টিক (যা ইতিমধ্যে ব্যবহ্রত হচ্ছে) ব্যবহার করা যেতে পারে। ভবিষ্যতে সময়ের সাথে নিজে থেকেই রাস্তা থেকে উঠে আসে বা রাস্তায় মিষে যায় এমন ধাতুর পোষ্ট বসানো যেতে পারে। আজকের যুগে এই জাতীয় আয়োজন মামূলী ব্যাপার। রাস্তার উপরে (শুন্যে) ইলেক্ট্রিক্যাল সাইন বোর্ড বসিয়ে লাল ক্রশ (X) চিহ্নের মাধ্যমে নির্দিষ্ট লেন ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা জানানো যেতে পারে।
সরকার চাইলে খুব সহজেই জরিপ চালিয়ে এর যৌক্তিকতা নিরুপন করতে পারেন। কিভাবে প্রয়োগ করা হবে তা গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রক্রিয়াটি অসম্ভব নয়। যানজট কমলে, মানুষের দূর্দশা ও দুর্ভোগের লাঘব হবে। সবাই সস্তিতে ঘর থেকে বের হতে পারবে এবং ঘরে ফিরতে পারবে। আজকের দিনে এই বা কম কিসে?
কেউ আছে?? নাই
তাইলে আমি 😀
আমি তবু বলি:
এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..
ভাববার মতো একটা বিষয়।
আমি তবু বলি:
এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..
কিরে আজকে দেখি তুই ফর্মে
কি বলেন কাইয়ুম ভাই ? :grr:
পথ ভাবে 'আমি দেব', রথ ভাবে 'আমি',
মূর্তি ভাবে 'আমি দেব', হাসে অন্তর্যামী॥
কি বলেন কাইয়ুম ভাই ? :grr: :grr:
কি বলেন কাইয়ুম ভাই ? :grr:
---------------------------------------------------------------------------
বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।
কি বলেন কাইয়ুম ভাই ? :grr: :grr:
কি বলেন কাইয়ুম ভাই ? :grr:
ঐ
কি বলেন কাইয়ুম ভাই ? :grr:
কি বলেন কাইয়ুম ভাই ? :grr:
কি বলেন কাইয়ুম ভাই ? 😀
কি বলেন কাইয়ুম ভাই ? =))
সাময়িক সমাধান হিসেবে আপনার প্রস্তাবনা যৌক্তিক। আশা করি আমাদের নীতি নির্ধারকেরা এ ব্যাপারে দৃষ্টিপাত করবেন।
ভাইয়া, ঢাকার যানজট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদী কি কি পরিকল্পনা নেয়া যায় সে ব্যাপারে কি একটা পোস্ট দিবেন প্লিজ? ঢাকার জনসংখ্যার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলা গাড়ির সংখ্যা আর যানজট সমস্যার সমাধানে কি যে করা সম্ভব তা আমার মাথায় ঢুকে না! 🙁
ঐ
কি বলেন কাইয়ুম ভাই ? :grr:
পুরো প্রস্তাবটা আসলে ঠিক মতো বুঝি নাই জাহিদ ভাই।
রাস্তাগুলি সময় বেঁধে দিয়ে ওয়ান-ওয়ে করতে বলছেন?
আপনি কোন সময়ের কথা বলছেন জানিনা, এখন দিন-রাত কখনোই আমাদের চলাচল একমুখী থাকে না, তাই এরকম খুব কমই হয় যে রাস্তার একপাশে ট্রাফিক জ্যাম অন্য পাশে প্রায় ফাঁকা।
বিশেষ করে গুলশান-বনানীর দিকে অফিস পাড়া বেড়ে যাওয়ায় এখন দুই দিকেই প্রচন্ড ট্রাফিক থাকে। একদল সকাল বেলায় মতিঝিলের দিকে ছুটে অন্যদল বনানী-গুলশানের দিকে। বিকালে অফিস ছুটির সময়ও একই অবস্থা। দু'পক্ষের জন্যেই রাস্তা খোলা রাখতে হবে।
---------------------------------------------------------------------------
বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।
আমারও তাই মনে হয়...।।
একমুখী রাস্তার প্রচলনের জন্য যতটা চওড়া এবং যত লেন বিশিষ্ট রাস্তা দরকার মানিক মিয়া এভিনিউ ছাড়া ঢাকাতে এরকম রাস্তা অপ্রতুলই বলা যায়।
অফ টপিকঃ যাত্রাবাড়ী তো ঢাকার মধ্যেই। সেখান থেকে ঢাকায় কি করে যাবো। উত্তরাকে ঢাকার বাইরে সেখানে যারা থাকেন তারাই মনে করেন, কিন্তু যাত্রাবাড়ী অনেক আগে থেকেই ঢাকার অংশ।
দীর্ঘমেয়াদি কিছু করা দরকার । ঠ্যাকার কাজ তো মহাখালী ওভারব্রিজ, কাজের কাজ কিছু হয়নাই । তার চেয়ে শাহজাহানপুরেটা ইফেক্টিভ মনে হয়েছে । এখন কথা হলো আমাদের কথা গুলো কত্তাদের কানে পৌছাবে কিভাবে?
মহাখালি ফ্লাইওভার হওয়ার পর ত আরো ভজগট হইছে।আগে মহাখালি থেকে কাকলীর দিকে জ্যাম ছিল এখন বিজয় সরনীতেও গিয়ে ঠেকেছে।রাস্তার মাঝখান থেকে শুরু মাঝেই শেষ।তাই ফ্লাইওভার থেকে নামার পর কোন সংযোগ সড়ক নাই আর রেগুলার লেনে ত গাড়ী আছেই।
ওয়ান ওয়ে করার মত রাস্তা চওড়া নাই মনে হয়।কি যে হবে ~x(
ঢাকা ভার্সিটি আর ক্যান্ট,নৌ সদর, এয়ার সদর ত অনেক জায়গা দখল করে আছে।আছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া। আরও গুরুত্বপূর্ণ সব কিছুই ঢাকা কেন্দ্রিক।
ডিসেন্ট্রালাইজড না করলে কোনমতেই মনে হয় সমাধান হবেনা।
কি বলেন কাইয়ুম ভাই ? :grr: :grr: :grr:
পোস্টের কন্টেন্ট নিয়া ডিবেটটারে খামাখা নষ্ট করে দিচ্ছিস পোলাপাইন, লেখক কষ্ট না পাইলেই হয়। কাইয়ূম ভাই এটাই বলে 😕
সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!
ডিসেন্ট্রালাইজেশন ই মূল সমাধান। বাংলাদেশের আশেপাশের সব দেশই তাদের প্রশাসনিক রাজধানীকে পরিবর্তন করেছে , যেমন : শ্রীলংকা ক্যান্ডি থেকে কলোম্বোতে, পাকিস্তান ইসলামাবাদ এ, ভারত দিল্লি থেকে নয়া দিল্লীতে, মালেশিয়া কুয়ালালামপুর থেকে পুত্রজায়া তে। ঢাকা কেও তেমন ভাবে ধীরে ধীরে অন্য কোথাও সরিয়ে নিতে হবে।বিগত সরকার চট্টগ্রামকে বানিজ্যিক রাজধানী করার ঘোষনা দিলেও তার বাস্তবায়ন এখনও হয়নি।
সবাইকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে।আমি আরো কঠোর সমালোচনা আশা করেছিলাম!
কামরুল,
তুমি খালি একমুখী চিন্তা কর! (মজা করলাম)। ব্যাপারটা হচ্ছে তুমি সময় নির্ভরশীল রাস্তাগুলোতে সময় অনুযায়ী লেন বরাদ্দ করবা। ধর, সকালের দিকে অধিকাংশ লোক মিরপুর থেকে ফার্মগেট আসে। তখন ঐ বরাবর তিন লেন আর উলটা দিকে এক লেন করা। (ধরে নিচ্ছি মোট চার লেন আছে)।
যদি সময়ের সাথে ট্রাফিক পরিবর্তন না হয় তাহলেতো আর ভেজালে যাওয়া লাগছে না।
আদনান, তানভীর ও অন্যান্য,
দীর্ঘমেয়াদী কিছু করার জন্য বিকেন্দ্রীকরণ দরকার, স্বীকার করি। কিন্তু মেলা সময়ের ব্যাপার। তাই এইটা ধর, পাঁচ বছর 'ঠ্যাকা'র কাজ চালানোর ব্যবস্থা। বুয়েটের সিভিল বিভাগের বসেরা কিন্তু বলেছিলেন মহাখালী ব্রিজের আরো কয়েকটা শাখা করতে। আমাদের মহান নেতারা তাদের পকেটের 'ঠ্যাকার কাম' সারতে গিয়ে আমাদের বারোটা বাজিয়েছেন।
ট্রেন বা সাবওয়ে একটা আইডিয়া হতে পারে বিকেন্দ্রিকরণের পরে বা আগে। কিন্তু তাতে শুধু সরকারের(!) লাভ। এত লোকের এত 'পরিবহন' ব্যবসা কমে যাবে। আর বোঝোইতো, 'দশে'র লাভ দেশের লাভের থেকে বড়!
জাহিদ, তোমার প্রস্তাব খুব একটা কাজে দেবে বলে আমি আশাবাদী নই। বরং তা আরো বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে। প্রতি পদে আইন ভাঙতে আমরা রীতিমতো প্রতিযোগিতায় নেমেছি যে! রাস্তা বাড়াতে হবে, সেটা মাটির নিচে অথবা উপরে। আমাদের রাস্তা এতো কম তাই গাড়িটা সবার চোখে পড়ে। মানুষের আয় বাড়ছে, গাড়ি তো বাড়বেই। তারপরও ঢাকায় কয়টা পরিবারে গাড়ি আছে? প্রধান সড়কগুলো ছাড়া বাস চলতে পারে না। কারণ সেখানেও রাস্তা সরু। যা বাস আছে সেগুলো বরং যানজট আরো বাড়াচ্ছে। কারণ তাদের আচরণ ভীষণ বিশৃঙ্খল! এভাবে আরো কতোদিন যে চলবে? সুশৃঙ্খল গণপরিবহন সেটা পাতাল বা উড়াল রেল যাই হোক করতেই হবে।
"মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"
বাসের ড্রাইভারগুলারে ঠিকমত সাইজ করতে পারলে সময়ার অর্ধেক সমাধান হয়ে যাবে...
আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷
এক্কেরে ঠিক আহসান ভাই...আর ঢাকার ভিতরে ট্রেনের লেভেল ক্রসিংটা অবৈধ করতে পারলে আরও ভালা হইত......এক লেভেল ক্রসিংয়ের লাইগা ঢাকা শহরের জ্যাম এত্ত বেশি।ট্রেনগুলার যেই গতি!!!আসতে আসতে ১৫ বার গাড়ি নিয়ে পার হয়ে পগার পার হয়ে যাওয়া যায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সচিবালয়, ঢাকা ক্যান্টনম্যান্ট এই তিনটাকে ঢাকার বাইরে পাঠাইয়া দেন। ট্রাফিক কমে যাবে। 😛
---------------------------------------------------------------------------
বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টা নাহয় ঢাকাতেই থাকুক 🙁 , বাকিগুলো যেখানে খুশি যতে পারে 😀
ঢাকাতেই থাকুক, কিন্তু শহর থেকে সরিয়ে শহরের বাইরে নিয়ে যাওয়া যায়। 😛
---------------------------------------------------------------------------
বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।
অতি উত্তম প্রস্তাব। এই তিনটি এলাকাই একেবারে স্বয়ংসম্পূর্ণ। শহরের বাইরে নিয়ে গেলেও এক্ষেত্রে কোন সমস্যা হবে বলে মনে হয় না।
সহমত সামি ভাই 😕
হাটাচলা Health এর জন্য খুবই উপকারী... তাই রিক্সা বন্ধ করে VIP road সিস্টেম করে দিলে মনে হয় কিছুটা ভাল হবে, বিশেষ করে মিরপুরের জন্য... 😛
বাকিটা আপনারা যা বলেন ভাই... 😀
"Never think that you’re not supposed to be there. Cause you wouldn’t be there if you wasn’t supposed to be there."
- A Concerto Is a Conversation
The only time I want to leave Bangladesh for good is the time when I have to wait in traffic jam x-( x-( x-( x-( (sorry for english)
সানাউল্লাহ ভাই,
পুরো ব্যাপারটা মগজে ঝড় তোলার একটা চেষ্টা। সুতরাং, আপনার অভিমত আমি সাদরে গ্রহন করছি।
আইন ভাঙ্গাতে ব্যস্ত বলে নতুন আইন না করার বিপক্ষে আমি নই। শুধু আইনে বাঙালী মানুষ হবে না জেনে আমি রাস্তার মাঝে physical (ভালো বাংলা পাচ্ছি না) barrier (বাধা)-র কথা বলেছি। আর লেনের সংখ্যা পরিবর্তন কিন্তু নতুন কিছু না। বড় রাস্তা থেকে ছোট রাস্তায় আসলে এই ঘটনা ঘটে। রাস্তার মাঝে একটা গাড়ি নষ্ট হলেও কিন্তু ঐ লেন অকেজো হয়ে পরে। সুতরাং এই সবেই আমরা অভ্যস্ত। বাকি শুধু একটা উদ্দেশ্যে কাজটা করা।
সুতরাং, খুব কঠিন হবার কথা নয়।
কে যেন VIP রোডের কথা বললো। আগারগাও রেডিও অফিসের সামনের রাস্তাকে VIP খেতাব দেয়া হয়েছিল। ভাই, আমার হাফ বুড়ো মাকে বাসা থেকে প্রায় এক কিলো হেটে স্কুলে পড়াতে যাওয়া লাগতো! সুতরাং, সব কিছু না বুঝে VIP বানালে বিপদে পরে এলাকাবাসী।
একটা পাজেরো জীপে লোক বসে থাকে একজন, আর একজন ড্রাইভার, অন্য দিকে একটা হিউম্যান হলারে লোক থাকে ১৪ জনের মত।
আমার মতে ঠ্যাকা কাম
১। অফিস টাইম এবং স্কুলের টাইম আলাদা করে ফেলা।
২। অফিস টাইমে প্রাইভেট গাড়ি ব্যাবহার না করা। তুমি যত বড় চান্দু হও না ক্যান বাসে করে অফিসে যাবা, আর তা না হলে অফ পিক আওয়ারে অফিসে গিয়া পিক আওয়ারের জন্য ওয়েট করবা। নিদির্ষ্ট সময় পর পর বাস ছাড়বে, অনেকটা ট্রাম লাইনের মত ব্যাপার।
৩। বাসের জন্য আলাদা লেন ঠিক করে ফেলা, অফিস টাইমের জন্য বিশেষ করে।
সূদূর প্রসারী পরিকল্পনা
১। সব রাস্তা দোতলা করে ফেলা।
২। মাটির তলে ট্রেনের ব্যাবস্থা করে ফেলা।
৩। নৌ-বেল্টের ব্যাবস্থা করে ফেলা, এটাকে সস্তা এবং আরাম দায়ক করতে হবে, নাহলে পাব্লিক খাবে না।
৪। প্রসাশনিক রাজধানী গাজিপুরে নিয়ে যাওয়া।
৫। ইন্টার-ন্যাশনাল এয়ারপোর্ট সরিয়ে ফেলা।
৬। প্যারেড-গ্রাউন্ড সরিয়ে ফেলা।
৭। ক্যান্টনমেন্ট সরিয়ে ফেলা বা এর ভিতর দিয়ে অবাধ যাতায়াতের ব্যাবস্থা করা।
৮। বিডি-আর সরিয়ে ফেলা।
৯। এস্তেমা মাঠ সরিয়ে ফেলা।
আর মনে আসছে না
পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না
আরেকটা মনে আসছে, ঢাকার চারদিকে বাইপাস সড়ক, এইটা এতদিনেও করতে পারলো না :thumbdown:
পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না
আমার একটা মনে পড়লঃ বাচ্চাদের স্কুল বাসে করে স্কুলে যাওয়া বাধ্যতামূলক করা। সকালে অফিসে যাওয়ার পথে স্কলাস্টিকা স্কুলের জন্য জসীমউদ্দীনের মোড়ে অনেক্ষণ জ্যামে পড়ে থাকতে হয়। মাঝে মাঝে মনে হয় স্কুলের পোলাপাইনের চেয়ে গাড়ির সংখ্যা বেশী।
তানভীর,
শতভাগ সত্যি। আসাদগেটে ঢুকতেই তিনটার মতো স্কুল। সবাই পারলে ক্লাসের বেঞ্চ থেকে তাদের ছেলে-মেয়েকে পিক-আপ করতে চায়!
ফয়েজ ভাই,
মগজতো খালি করে ফেলেছেন আইডিয়া দিতে দিতে। প্রত্যেকটা সত্যি। আমি পাবলিক পরিবহনের কথা লিখেও কেটে দিয়েছিলাম। জ্ঞানী লোকেরা একইভাবে চিন্তা করে দেখে নতুন করে অবাক হলাম!
:grr: :grr:
আমারে বলছো তুমি?
তোমার কথার সাথে একমত :thumbup:
পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না
দিন বদলের মন্ত্রীসভায় ফয়েজ ভাইরে যোগাযোগ মন্ত্রী করার প্রস্তাব দিলাম নেত্রীর কাছে। 😉
---------------------------------------------------------------------------
বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।