ইংলিশ ফুটবল ০৯-১০

ফুটবল মৌসুম শুরু হয়ে গেছে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ শুরু হয়ে যাচ্ছে এই সপ্তাহেই। অনেক জল্পনা আর কল্পনা সমর্থকদের মনে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ছাড়া পারবে কি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবার; লিভারপুলের ২০ বছরের প্রতীক্ষা কি শেষ হবে; নাকি আগামী বছর মে মাসে নতুন এক চ্যাম্পিওনের দেখা মিলবে। ম্যানচেস্টার সিটি কি পারবে আর্সেনালকে গুঁতো দিয়ে নামিয়ে দিয়ে চ্যাম্পিওন্স লীগে খেলতে। আর কারাই বা রেলিগেটেড হবে। অবশ্য বাংলাদেশে কেউ রেলিগেশন নিয়ে চিন্তিত না! এই বছর চ্যাম্পিওনশীপ ফাইট অনেক টাইট হবে। বিগ ফোরের সাথে ৫ এবং ৬ নম্বরদের গ্যাপ কমে আসবে বলাই যায়। আমার কিছু পর্যবেক্ষন জানাই…

আর্সেনালঃ

গত চার বছরে আর্সেনাল কোনো ট্রফি জিতেনি। তাই এই বছরটাও ট্রফিবিহীন গেলে হয়তো সমর্থকরা আর বলবে না We trust in Arsen। নতুন স্টেডিয়াম এর ঋনের বোঝা টানতে গিয়ে আর্সেনাল তেমন কোনো নামী খেলোয়াড় কিনতে পারছে না। ট্রান্সফার নিয়ে এই বছরও সমর্থকরা হতাশ। আমার ধারণা আর্সেন ওয়েঙ্গার খুব ভালো ব্যবসা করেছে। আদিবায়র ২৫ মিলিয়নে চলে গেছে। আর্সেনালকে আদিবায়রকে তেমন মিস করবে না। কারণ ফন পার্সী,এডুয়ার্দো,ভেলা নিয়ে ওরা বেশ ভালো স্ট্রাইকিং এ। আর লম্বা খেলোয়াড় দিয়ে প্ল্যান বি এর জন্য বেন্ডটনারতো আছেই। কলু টুরে চলে যাওয়াটাও বিশাল কোনো ক্ষতি না। ডিফেন্সে গালাসের অভিজ্ঞতা আছে এর ডাচ লীগ থেকে আসা ভারমিঊলেনও প্রতিশ্রুতিশীল। আর্সেনালের মূল সমস্যা ভালো হোল্ডিং মিডফিল্ডার নাই। ভিয়েরা চলে যাবার পর ফ্লামিনি বেশ পরিনত হয়ে উঠার পরই চলে গেলো। ডেনিলসন এই জায়গাটাতে চরম ভূয়া। তাই ফ্যাব্রিগ্যাসকে সবসময় আক্রমনের কথা বাদ দিয়ে ডিফেন্সেও সহযোগিতা করতে হয়। আর এটাই টিমের ব্যালেন্স নষ্ট করে দিচ্ছে। আমার মতে এইখানে তাদের অভিজ্ঞতা দরকার। ভিয়েরা বুড়া হলেও তারে ফিরিয়ে আনলে খারাপ হবে না। আর্সেনালের আক্রমনভাগের সবাই ভার্সাটাইল। যেকোনো উইং কিংবা স্ট্রাইকারের পিছনে তারা সমান পারঙ্গম। কিন্তু আরশাভিন, নাসরী, রসিস্কি, এমনকি থিও ওয়ালকট সবাই নিজেদের আগের ক্লাবে স্ট্রাইকারের পিছনে খেলতো। আর এটাই তাদের ন্যাচারাল পজিশন। আউট অফ পজিশনে খেলতে গিয়ে কেউই তাদের সেরাটা খেলছে না। এর এজন্যই আমার মনে হয় আর্সেনালের আক্রমনভাগের সব খেলোয়াড় গুলো একই ধাঁচের। সবাই তো আর ওনরী না যে আগে উইঙ্গার হিসাবে ভালো খেলে তারপর স্ট্রাইকার হিসাবে ফাটাবে। তারপরও আমার মনে হয় একটা ভালো হোল্ডিং প্লেয়ার পেলে(এমনকি উইগানের ক্যাটলমোর কিংবা টটেনহ্যামের প্যালাসিওসও চলতো), টেনশন ফ্রি ফ্যাব্রিগ্যাস আর ইঞ্জুরীতে বেশী খেলোয়াড় না হারালে আর্সেনাল এখনো যথেষ্টই শক্তিশালী। বোর্দোর চমককে কিনতে চাইছে আর্সেনাল। চমক অনেকটাই বেন্ডটনারের মত খেলে। লম্বা, হেডে ভালো, ডিফেন্সে ফাঁকা জায়গা তৈরী করে মিডফিল্ডারদের জন্য। তাই চমক না আসলেই আর্সেনালের তেমন ক্ষতি নাই। কিন্তু ভিয়েরা না আসলে অনেক ক্ষতি। বূড়া হইলেও ভিয়েরা একজন নেতা। নেতার অভাব আর্সেনালে আছে। ফ্যাব্রিগ্যাস আমাদের সাকিব আল আহসানের মতই ভালো খেলোয়াড় কিন্তু এখনো নেতা হবার মত ম্যাচিউরড না।
খেয়াল রাখার মত প্লেয়ারঃ ফিট ফন পার্সী আর রসিস্কি, আরশাভিন।

চেলসিঃ

ইংলিশ ফুটবলে চেলসি এখন প্রতিষ্ঠিত শক্তি। ওরা আগের মতই শক্তিশালী এই বছর জাস্ট সবাই একবছর করে বয়স্ক হয়ে গেছে। চেলসির এই বছরের সেরা সাইনিং আনচেলোত্তি। ব্রাজিলিয়ান স্কলারী থেকে হাজারগুন ভালো ম্যানেজার। তাই শুরু থেকেই চেলসির হাল ধরে রাখবে আনচেলোত্তি যা গত বছরে ছিলো না। আনচেলোত্তি সারা জীবন বুড়া টিম নিয়ে চলেছে। কিন্তু ইংলিশ লীগ বুড়োদের নিয়ে চলে না। তাই পিরলো না আসায় আমি মনে করি তেমন কিছু হয় নাই। বালাক, ল্যাম্পার্ড এর ডেকোর মত অনেক অভিজ্ঞ বুড়া এরই মধ্যে দলে আছে। প্রি সিজন দেখে যেটা মনে হইলো চেলসি ৪-৪-২ ফর্মেশনে খেলবে। তার মানে দ্রগবা আর আনেলকা দুইজনই স্ট্রাইকার হিসাবে খেলবে। তাই চেলসির খেলা এইবার দৃষ্টিনন্দন হবে আসা করা যায়। একই সাথে এটাও সত্যি ল্যাম্পার্ড আগের মত গোল করবে না। চেলসির মূল শক্তি আমি মনে করি এখনো ডিফেন্স। চেক, টেরী, এলেক্স কিংবা কারভালহো, বসিঙ্গোয়া, এশ্লে কোল নিয়ে চেলসির ডিফেন্স লীগ সেরা। ওদের হোল্ডিং প্লেয়ার এসিয়েনও অন্যতম সেরা। এসিয়েনের ইঞ্জিন লিভারপুলের ম্যাস্কেরানো থেকেও ভালো। তাই বুড়া দল নিয়েও চেলসি চ্যাম্পিওনশীপ ফাইট দিবে কিন্তু রানার্সআপ হবে। জিরকভ ভালো খেলোয়ার কিন্তু জো কোল, মালুদা কিংবা সলোমোন কালু থেকে ভালো বলা যাবে না। আমার মনে হয় আব্রাহোমোভিচ এর কিছু হুন্ডির পয়সা সাইজ করতে রাশিয়া থেকে এতো দামে ওরে কিনে আনা হয়েছে। চেলসি এইবার ট্রান্সফার মার্কেটে ফ্লপ মারসে। যারেই কিনতে চায়, কাউরে পায় না। গ্লেন জনসন, ডেভিড ভিয়া, পাতো, রিবেরী, ডে’রসি সবখানেই না। আব্রাহমভিচ নাকি জার্মানী গিয়েছে। দেখা যাক রিবেরী আসে কি না, রিবেরী আসলে কিন্তু আসলেই চেলসির শক্তি ২০ শতাংশ বেড়ে যাবে।
খেয়াল রাখার মত প্লেয়ারঃ কেউ না। হয়তো দ্রগবা আনেলকা জুটিই হতে পারে তাদের মূল শক্তি।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডঃ

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো চলে যাওয়াতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অনেক দুর্বল হয়ে গেছে। ভ্যালেন্সিয়া, নানি কিংবা নাম না শুনা ওবার্টেন কেউ রোনালদোর জায়গা নিতে পারবে এই মৌসুমে। আগামী বছর হয়তো কিছু করতে পারে। কিন্তু ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এর রিজার্ভ বেশ ভালো। মাচেদা, ওয়েলব্যাক, ইভান্স, রাফায়েল, ফাবিয়ানো সবাই দারুণ। এছাড়া পার্ক, ও শিয়া, ব্রাঊন কিংবা ফ্লেচার অভিজ্ঞতা আর কোয়ালীটির দারুণ সমন্বয় ঘটিয়েছে। তাই এখনো তারা বেশ শক্তিশালী। গিগস আর স্কলস ভালো বেশি বুড়া হয়ে গেছে। তাই এই বছর বিগ ম্যাচ জেতার খেলোয়াড় কমে যাবে। গত বছর গিগস কিংবা স্কলস ফ্লপ মারার পর তেভেজ নামতো এইবার তা নাই। তাই আমি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডরে মোটামুটি বাদের খাতায় ফেলে দিতে চাই। (৩য় হবে)। প্রি সিজনে ওরা বেশ ফর্মে আছে। মাইকেল ওয়েনের এখনো ফুটবলকে অনেক দেয়ার বাকী আছে। আক্রমনের নেতৃত্বে মাঠের মাঝখানে (গত বছর উইঙ্গে ছিলো)ফ্রি ফ্লোয়িং রুনী আমার মতে এইবার লীগ সেরা খেলোয়াড় হয়ে যেতে পারে। আর তা ঘটলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড চ্যাম্পিওন হবে। আমার কেনো যেনো মনে হচ্ছে অগাস্ট মাস শেষ হবার আগেই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড একটা বিগ সাইনিং করবে। রিবেরী, ডেভিড ভিয়া কিংবা ডেভিড সিল্ভা (Most likely) এদের যে কেউ ম্যাচ উইনার এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এর ব্যালেন্স অনেক গুন বাড়িয়ে দিবে।
খেয়াল রাখার মত প্লেয়ারঃ ওয়েইন রুনী আর মাইকেল ওয়েন

লিভারপুলঃ

জাভি আলোন্সো চলে যাওয়াতে লিভারপুলের ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে গেছে। আলোন্সো ওর পজিশনে বিশ্বসেরা। তাই আলোন্সোরে রিপ্লেস করা যাবে না। লিভারপুলের ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে আলোন্সো খুব জরুরী। তাই লিভারপুল এই বছর চ্যাম্পিওন হবার সুযোগটা কতটা কাজে লাগাতে পারবে তা নিয়ে একটু সন্দিহান। লিভারপুলের সাফল্য নির্ভর করছে সেই জেরার্ড আর টরেসের উপর। এই দুইজন ইঞ্জুরীমুক্ত থাকলে লিভারপুলের শক্তি ২৫ শতাংশ বেড়ে যায়। লিভারপুলের তাই এই দুইজনের রিপ্লেসমেন্ট হিসাবে একজন ম্যাচ উইনার দরকার। কিন্তু বিশ্বকাপের আগের মৌসুমে কোনো সুপার স্টার বেঞ্চে বসে থাকার জন্য লিভারপুলে আসবে না। জেরার্ড নিচে নেমে আসলে ডেভিড ভিয়া কিংবা বিশ্বমানের কনো স্ট্রাইকার টরেসে সাথে জুটি বাঁধতে পারতো। কিন্তু বেনিটেজ খুব ডিফেন্স মাইন্ডেড ম্যানেজার। ৫ মিডফিল্ডার ছাড়া সে খেলাবে না। তাই স্ট্রাইকার না কিনে বেনিটেজ হোল্ডিং প্লেয়ার একুইলানীরে কিনলো। একুইলানী গত বছর বেশী খেলে নাই। মে মাসে অপারেশন করাইসে। আরো ৮ সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকবে। লিভারপুলের শক্তি আসলে ডিরিক কুট, বেনায়ুন, মাশকেরানো অনেক বেশী টিম প্লেয়ার। সবসময় ১২০ ভাগ দিয়ে খেলে। স্করটেল, এগ্যার আহত। তাই ক্যারাঘার এর সাথে কে খেলবে তা নিয়ে বেনিটেজ চিন্তিত। হ্যাঙ্গাল্যান্ড, টার্নার, শোক্রস, ডিসটিন কিংবা মিডলসবোরোর হুইটার কে লিভারপুল কিনবে হয়তো। লুকাস লেইভা, বাবেল কিংবা রিয়েরাকে ওদের খেলার অনেক উন্নতি ঘটাতে হবে। আমার মনে হয় স্পিয়ারিং আর ইনসুয়া এইবার দারুণ করবে যদি বেনিটেজ ঠিক মতো ওদের খেলার সুযোগ দেয়।
খেয়াল রাখার মত প্লেয়ারঃ টরেস আর জেরার্ড বাদে আর কাউকে তো দেখছি না।

ম্যানচেস্টার সিটিঃ

অনেকের কাছে সারপ্রাইজ প্যাকেজ হলো ম্যানচেস্টার সিটি। আমার ধারণা অনেকেই মার্ক হিউজকে আন্ডার এস্টিমেট করছে। এরিকসন থেকে অনেক ভালো ম্যানেজার মার্ক হিউজ। এইবার ওদের শপিং বেশ ভালো হয়েছে। টাকা থাকলেই অনেক সময় প্লেয়ার কিনা যায় না। বিশ্বকাপের আগের মৌসুম, তাই সবাই চ্যাম্পিওন্সলীগে ভালো করে জাতীয় দলে খেলতে চায়। তাই হিউজকে অনেক সাবধানে পা ফেলতে হইসে। প্রি সিজনে দেখলাম ওদের ডিফেন্স বেশ খারাপ। কলু টুরে ইতোমধ্যে আহত। রিচার্ড ডান এর সাথে ডিস্টিন,নাকি আপ্সন নাকি লেস্কট খেলবে বুঝা যাচ্ছে না। এইবারের শপিং এর সব খেলোয়াড়ই ইংলিশ লিগের পরিক্ষীত। আর এখানেই এরিকসন থেকে হিউজ এগিয়ে। ইলানোর মত অলস প্লেয়ারকে বাদ দিয়ে গারেথ ব্যারী কে কিনেছে। এছাড়া কলু টুরে, তেভেজ, সান্তাক্রুজ, বেলামী, ওয়েইন ব্রিজ সবাই বেশ ভালো রিক্রুট। কিন্তু আক্রমন ভাগের ফরমেশন নিয়ে তাদের সমস্যা। আর এই ফরমেশন ঠিক করতেই তাদের ৮/১০ সপ্তাহ লেগে যেতে পারে। তাই আমার মনে হয় এর মধ্যেই তারা পিছিয়ে যাবে এবং টপ ফোরে আর ঢুঁকতে পারবে না। কিন্তু ওরা ক্রিস্মাস পরবর্তী সময়ে খুব ভালো খেলবে। বড় দলগুলো যখন চ্যাম্পিওন্সলীগ কিংবা ইউরোপা লীগ নিয়ে ব্যস্ত তখন ম্যানচেস্টার সিটি উসেইন বোল্টের গতিতে আগাবে। আমার মতে ম্যানচেস্টার সিটির সেরা ফরমেশন হতে পারে লিভারপুলের মত ৪-২-৩-১। ডিফেন্সে গিভেন, ব্রিজ, লেস্কট, কলু টুরে, মাইকা রিচার্ড। হোল্ডিং প্লেয়ার হিসাবে ব্যারী এর ডি জং/কোম্পানী। এটাকিং মিড হলো আয়ারল্যান্ড কিংবা তেভেজ; রবিনহো, বেলামী, রাইট ফিলিপ্স আর পেট্রভ উইঙ্গে; টার্গেট স্ট্রাইকার হলো আদিবায়র কিংবা সান্তাক্রুজ।
খেয়াল রাখার মত প্লেয়ারঃ তেভেজ আর গ্যারেথ ব্যারী।

সুপার লস অফ দ্যা সিজনঃ আলোন্সো আর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

সুপার সাইনিং অফ দ্যা সিজনঃ মাইকেল ওয়েন, গ্যারেথ ব্যারী আর তেভেজ। এরা তিনজনই Good Value for money

ডিসগাস্টিং সাইনিং অফ দ্যা সিজনঃ গ্লেন জনসন। ১৮ মিলিয়ন দিয়ে একটা ডিফেন্ডার কিনার মানে বুঝলাম না। আরবেলোয়া থেকে হয়তো ৫ শতাংশ ভালো। একজন রাইট ব্যাক এর জন্য নিশ্চয়ই গত বছর লিভারপুলের চ্যাম্পিওনশীপ আটকে ছিলো না! দলে ইংলিশ কোটা বাড়ানোর জন্য এত টাকা ফালানো অযৌক্তিক মনে হয়েছে।

গোল্ডেন বুটঃ টরেস, রুনী আর দ্রগবা। এই তিনজনের যেই গোল্ডেন বুট জিতবে সেই দলই চ্যাম্পিওন হবে বলা যায়।

২,৯৬৪ বার দেখা হয়েছে

৩৩ টি মন্তব্য : “ইংলিশ ফুটবল ০৯-১০”

  1. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    ধন্যবাদ এহসান ভাই পোস্টের জন্য... আমি খুব করে চাচ্ছি ভিয়েরা যেন আবার আর্সেনালে ব্যাক করে... তাহলে একটা সম্ভাবনা আছে...


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  2. তানভীর (৯৪-০০)

    এহসান ভাই, চমৎকার একটা পোস্ট...... :thumbup:

    অনেক বিশ্লেষন...ঠিক যেমনটা চাইছিলাম।

    এস্টন ভিলার কথা তো বললেনই না...যদিও ব্যারীকে হারিয়ে ওরা এবার একটু দুর্বল হয়ে পড়েছে।

    জবাব দিন
  3. ভাল লিখছেন এহসান ভাই,ফুটবলের উপর ব্লগ পেয়েই মনটা শোকে ভরে উঠল।আজ আমাদের ভার্সিটিতে আইন বিভাগের সাথে আমাদের বিভাগ ফলিত পরিসংখ্যানের সেমিফাইনাল খেলা ছিল।ভয়াবহ খেলা হয়েছে,গোলশূণ্য ড্রয়ের মাধ্যমে খেলা শেষ হয়েছিল।ট্রাইব্রেকারে খেলার ভাগ্য নির্ধারিত হউয়ায় ৩-২ তে হেরে গেলাম।গতবার ও এই আইন বিভাগের কাছেই কোয়ার্টার ফাইনালে আমরা সাডেন ডেথে হেরেছিলাম।সবাই খেলার শেষে কান্নাকাটি করেছি কারন এবারের দলটা নিয়ে আমরা ফাইনালে যাব আশা করেছিলাম।আমাদের টিম কোচ ইশরাত রায়হান রানা (সিলেট ক্যাডেট ১৯৮৯-৯৫) স্যার আমাদের টিমের ব্যাপারে খুবই আশাবাদি ছিলেন এবং টিমের ব্যাপারে এবার নিরলস প্রচেষ্টা করেছেন।স্যারের মুখটা এবার খুশি করতে পারলাম না। 🙁 🙁

    জবাব দিন
    • বুঝায়া দিচ্ছি......আমার আব্বা চাকরি করে আইন বিভাগে,আর আমি পড়ছি এপ্লাইড ষ্ট্যাটিস্টিকসে।খেলা গতকাল এই দুই টিমের মাঝে ছিল।আব্বা আগেই আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন,আমরা হারব।এ নিয়ে আব্বার সাথে বাজি রেখেছিলাম।আব্বা খুবই নিশ্চিত ছিলেন তাঁদের দল জিতবে।এবং তাই হল,হারার মাধ্যমে বাজিতেও হারলাম। :((

      জবাব দিন
  4. ফয়েজ (৮৭-৯৩)

    তুমি যতই চিল্লাও আর গবেষনা কর লিভারপুল কোন ট্রফি পাইবো না, এইটা হইলো ফাইনাল কথা

    ২০ আর ২১ খুব কাছাকাছি সংখ্যা, কি বল :grr:


    পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

    জবাব দিন
  5. কামরুল হাসান (৯৪-০০)

    দেখি, নিজের টিমটাতে একবার চোখ বুলাইয়া আসি।
    দ্রগবারে কিনতে পারি কিনা দেখি। 😀


    ---------------------------------------------------------------------------
    বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
    ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

    জবাব দিন
  6. তাই বুড়া দল নিয়েও চেলসি চ্যাম্পিওনশীপ ফাইট দিবে কিন্তু রানার্সআপ হবে।

    তাই আমি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডরে মোটামুটি বাদের খাতায় ফেলে দিতে চাই। (৩য় হবে)।

    তাই লিভারপুল এই বছর চ্যাম্পিওন হবার সুযোগটা কতটা কাজে লাগাতে পারবে তা নিয়ে একটু সন্দিহান।

    তার মানে দাড়াচ্ছে আর্সেনাল চ্যাম্পিয়ন। আপনার এই হাইপোথিসিস পড়ে না হেসে পারলাম না ভাই। কি? আর্সেনালের ফ্যান, না?

    আমার হাইপোথইসিস হল আর্সেনাল এবার টপ ফোরে থাকতে পারবে না । ম্যানসিটি বা ভিলা ৪ হবে.........

    মিডফিল্ডে ফেব্রেগাস না খেললে মিডফিল্ড যেমন ভোঁতা তেমনি আক্রমনে পার্সি ছাড়া গোল করার কেউ নাই(বেন্ডনার শুধু শেষ ১০মিনিটের হেডের প্লেয়ার)...।

    জবাব দিন
    • এহসান (৮৯-৯৫)
      টরেস, রুনী আর দ্রগবা। এই তিনজনের যেই গোল্ডেন বুট জিতবে সেই দলই চ্যাম্পিওন হবে বলা যায়।

      এইখানে তো বেন্ডটনারের কথা বলি নাই; তাহলে মনে হয় আর্সেনাল চ্যাম্প একথাও বলি নাই। এর আর্সেনাল যে চ্যাম্প হবে না কিংবা এইবার ম্যান সিটির সাথে ৪র্থ স্থান নিয়ে ফাইট দিবে ঐটা বলার জন্য খুব একটা হাইপোথিসিস করা লাগে না। 🙂

      জবাব দিন
  7. আশহাব (২০০২-০৮)

    এহসান ভাই পুরাটাই পড়লাম...আর দারুন মজা পাইলাম 😀
    আপনার সাথে আমার এত মিল দেইখা নিজেরে বস্‌ বস্‌ লাগতাসে 😀 B-)
    বস আপনাকে :boss: :boss: :boss:
    আর্সেনাল,চেলসি,ম্যানইউ,মানসিটি,টটেনহাম সবাইকে... :thumbup: :thumbup: :thumbup:
    :gulli2: লিভারপুলকে 😡

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।