কোঁকড়ানো পাঞ্জাবী আর রংচটা জিন্স দিয়ে চুয়ে চুয়ে পড়ে আমার ভালবাসা
মাঝ রাতে শেষ সিগারেটের ধোঁয়ায় দড়ি পাকানো আমার ভালবাসা
আমার ভালবাসা চিৎকার করতে জানে
আমার ভালবাসা উচ্চস্বরে হাসতে জানে
ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে জানে
আমার ভালবাসা কথা বলতে জানে
পাবলিক ফোরাম কিংবা জমজমাট আড্ডায় সে নির্বাক থাকতে জানে
আমার ভালবাসা সময়কে পেছনে ফেলে বহু বছর ধরে
একটি জানালা দিয়ে একটি আকাশকে দেখতে জানে
আমার ভালবাসা গীটার বাজাতে জানে
আমার ভালবাসা আমার সাথে লুকোচুরি খেলতে জানে
গোধূলির সময় পাহাড়ের ওপাড়ে হারিয়ে যাওয়া সূর্য দেব এর মত হারিয়ে যেতে জানে
আমার ভালবাসা অপেক্ষা করতে জানে
আমার ভালবাসা ফুলের ঘ্রাণ শুকতে জানে
আমার ভালবাসা কষ্ট দিতে জানে
………………………………………
আমার ভালবাসা ভালবাসতে জানে…
………………..ভালবাসাতে জানে……।।
বৈপরীত্য
অস্পষ্টতাই আমার ভাষা
অলসতাই আমার কর্ম
ঘৃণাই আমার ভালবাসা
অধর্মই আমার ধর্ম।
দুর্বোধ্যতাই আমার সরলতা
মৃত্যুই আমার মুক্তি
অসম্ভব আমার লক্ষ্য তাই
ঠাট্টাই আমার যুক্তি।
শ্রদ্ধা আমার মানহানিকর
অবজ্ঞা আমার কাম্য
হিংসা আমার শখ আর
বঞ্চনা আমার সাম্য।
ব্যথাই আমার বিনোদন
আনন্দ আমার কষ্ট
সবকিছুই উল্টো আমার
কারণ আমি যে নষ্ট।
যতবার তোমাকে – ভালবাসার কবিতা
ভালবাসা দিবস উপলক্ষ্যে কিছু না লিখলেই নয়, তাই এই কবিতার আশ্রয় নেওয়া। সবাইকে অনিঃশেষ শুভেচ্ছা।
|| যতবার তোমাকে ||
যতবার তোমাকে দেখি ততবার ভরে উঠে
ঐশ্বরিক জ্যোতিতে আমার দু’ নয়ন।
যতবার তোমার হাতখানি ধরি,
ততবার একটি সত্য প্রতিজ্ঞা করি পূরণ।
যতবার তোমাকে আগলে ধরি আমার শীর্ণ বুকে,
ততবার আলিঙ্গন করি নতুন এক জীবন।
যতবার তোমার ওষ্ঠে একে দিই প্রগাঢ় চুম্বন,
বিস্তারিত»নোটিশ
প্রিয় এলাকাবাসী,
আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে,আমার আরও কিছু ( ৭ খানা ) পেইন্টিং একটি গ্রুপ এক্সিবিশনে যাইতেছে । আরও আনন্দের বিষয় হইলো ঐ একই এক্সিবিশনে আরও ৩ পিস এক্স ক্যাডেটের ছবি যাইতেছে । এখন আপনারাই বলেন , আমার গত এক্সিবিশনে যারা যামু যামু কইরাও যান নাই , আমার জন্য না গেলেও ৪ জন এক্স ক্যাডেটের এক্সিবিশন হিসেবে ঐখানে ১বার ঢুঁ মারাটা আপনার কর্তব্য হইয়া যায় কীনা?
যৌবন বৃষ্টি চাই
|| যৌবন বৃষ্টি চাই ||
বাঁশি আর বাজবে না কোন গভীর নিশুতি রাতে,
বাতাসের ছম ছম নিশ্চুপ প্রবাহ আর জলের ক্ষয়ে যাওয়া ছাড়া অন্য কোন সুর অবশিষ্ট রইবে না আর।
ভালোলাগার যৌবন ফিরবে নাকো কোন রোদ্দুর মাখা ভোরে।
সব সুর, উচ্ছ্বাস রক্তে যৌবনের উন্মাদনা নিয়ে তোলপাড় করবে না কভু।
সম্পদের টিলা, শুভ্র বিছানা নির্জন অন্ধকারে পরিহাস করে যাবে মামদো ভূতের ন্যায়,
বিস্তারিত»আরো একখানা ছবিব্লগ
আগের পোস্ট এখনো মডারেশন কিউতে আছে, বেকার না বসে আরেকখানা দিয়ে দেই। ছবিব্লগ দিয়ে যে আরাম (ছবি আপলোড করা থাকলে), বলে বুঝানো যাবে না।






আলো আলো আরও আলো – ফটুকবলগ
কিছু পড়তেও ইচ্ছা করতেসে না, কিছু লিখতেও ইচ্ছা করতেসে না।
ছবি মারি, টাইম পাস। নিচের ছবি গুলা পিসিসি ১৭ ব্যাচের সুমনের বাসার এক ইন্টেরিওর, ভাবী নিজের হাতে ডিমের ঝুড়ি আর কাগজ দিয়ে বানাইসে এই ডিজাইন।






অশনি সংকেত
আমি একদিন উপলব্ধি করলাম, আমি এমন একটি দেশের নাগরিক যে দেশে প্রতিনিয়ত কোন না কোন সংকট লেগেই থাকে। সেটি হোক প্রাকৃতিক বা নাগরিক সৃষ্ট, প্রতিবেশী সৃষ্ট কিংবা বিশ্বের দণ্ডমুণ্ডের কর্তাদের বানানো – ঘটনা যাই হোক না কেন, আমরা বার বার সংকটে ঘুরপাক খাই। একেবারে ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’ বলা যায়। হয়তো সব দেশই সংকটে ঘুরপাক খায়। অনেক দেশ আছে আমাদের চেয়ে আরো অনেক বেশি সংকটময়। কিন্তু বাংলাদেশটা যে আমার দেশ তাই আমার গায়ে লাগে খুব।
বিস্তারিত»২০১১ এর এইম – কনসার্ট ফটোগ্রাফীতে স্পেশালিস্ট হতে হবে
১২টার পর ফেসবুকে স্ট্যাটাস লিখলাম এটা, কতদুর কি করতে পারব জানি না। এমনিতে সবাই নতুন বছর আসলে নতুন নতুন টার্গেট নেয়, আমাদের ব্যাচের অনেকেই এই চান্সে বিয়েও করে ফেলবে মনেহয় (একজন তো সত্যি সত্যি আমেরিকান পিএইচডি সেমিস্টার ব্রেক পেয়ে কেল্লা ফতে করতেছে), আর আমার মত অভাগার মনে অন্য ভাল কিছু টার্গেট পেলাম না।
বছরের শেষে তোলা মাকসুদের কনসার্টে তোলা কিছু ছবি তাই এখানে শেয়ার করলাম,
বিস্তারিত»ব্লগরোল ০৩
১।
সিসিবির জন্মদিন গেল, কিছুই লিখি নাই। একটা কমেন্ট পর্যন্ত না। শান্তাপা গ্রেড দিলেন, আমি সেইখানে ঢুকতে পারলাম না। সামিয়া “অতিপ্রিয় তৌফিক কই গেলেন” বলে চিল্লায়ে ব্লগ মাথায় তুলে ফেলল (ঠিক আছে, মানছি, অতটা করে নাই হয়তো, কিছুটা তো করছে B-) ), আমার কিবোর্ড তবু চালু হইল না। আমার দেশী মানুষ শীর্ষেন্দুর সাক্ষাৎকার একটা পড়েছিলাম অনেক আগে। প্রশ্নকর্তা জিজ্ঞাসা করেছিলেন, বাংলা সাহিত্যে নতুন লেখক আসছে না কেন।
বিস্তারিত»নিঃস্বার্থ ভালবাসা
১.
গ্রামের মেঠো পথ। খালের উপর বাঁশের সাকো। আলো আর কৌশিক হাত ধরে পার হল। পার হয়ে খালের পাড়ে সবুজ ঘসের উপর বসলো তারা। যেন কত দিনের চেনা! আসলে বাস্তবটা সেরকম না।
পরিচয় মাত্র ১৩/১৪ দিনের হবে হয়ত। আলো এই এলাকার মেয়ে নয়। বেরাতে এসেছে তার খালার বাসায়। আর কৌশিক আলোর ছোট খালাত বোনের টিউটর। পড়াতে গিয়েই পরিচয়। সেদিন পড়াচ্ছিল কৌশিক।
বিস্তারিত»হাসি
ধ্রুব তারাটা হাসছে
মিটিমিটি হাসছে তারাগুলো
চাঁদের অধরে হাসির আভা
সুতাবুড়িটাও হাসছে মুচকি
জ্যোৎস্না লুটে পড়ছে অট্টহাসিতে
আঁধার হেসে উঠছে অপার আলোয়
জোনাকিরা হাসছে দেখ চেয়ে
হাসছে সকল ঝি ঝি পোকা
রাতজাগা নিশাচরের কণ্ঠে হাসি
সূক্ষ্ম হাসি প্রকৃতির নিঝুমতায়
মেতেছে প্রকৃতি আজ হাসির খেলায়
তবুও সকল হাসি ম্লান হয়ে যায়।
যখন,
চোখ মেলে দেখি
কান পেতে শুনি
হৃদয়ে উপলব্ধি করি
কল্পনা করি তোমার হাসি।
এই দিনে…মনে পড়ে
আমাদের সবার এই এক প্রবলেম। কিছুদিন গেলেই যেকোনো কিছুর উপর দাবি জন্মায়। নিজের বলে মনে করি। তাই তো কালকে রাত থেকেই সিসিবি এর জন্মদিনে নিজের জন্মদিনের মতো খুশি খুশি লাগতেছে। আর সিসিবি এর এডু/মডূ এর উপর রাগ। এই নিয়ে কোনো বিশেষ আয়োজন নাই বলে। প্রিন্সিপাল স্যার এর কাছ থেকেও তো একটা পোষ্ট আশা করতে পারি।
ইদানিং সিসিবি তে এতো নতুন আর কঠিন সব লেখক তাই নিজে লিখে,
বিস্তারিত»সীমানা পেরোতে চাই, জীবনের গান গাই (এক্স-ক্যাডেট সাকিবকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন)
“তোরা ছেড়ে দিস না প্লিজ, আমাকে অনেকটা পথ লড়তে হবে এবং অনেক দূর পর্যন্ত। তাই তোদের সাহায্যের হাতগুলো একসাথে থাকা আমার খুব প্রয়োজন” – সাকিব
আমাদের বন্ধুত্ব আঠারো বছর পেরিয়ে গিয়েছে। আজ থেকে আঠারো বছর আগে একুশে মে তারিখে আমাদের অভিভাবকদের চোখ ভরা স্বপ্ন ‘সুশিক্ষা’ অর্জনের জন্য আমাদেরকে রেখে আসা হয়েছিল পাবনা ক্যাডেট কলেজে। সুশিক্ষা হয়েছে কিনা জানিনা।
বিস্তারিত»সন্ধ্যা
ফিরছে পাখিরা তাদের আপন নীড়ে
সন্ধ্যা আসছে নেমে নদীর তীরে।
ক্লান্তিতে নুয়েছে সব গাছের পাতা
রঙ্গিন বসুধা মেলেছে গোধুলির খাতা।
আধো আলো আধো কালো আর আধো ছায়া
নদীর স্রোতে জেগেছে এক অপরূপ মায়া।
নীলাকাশ ছেয়ে গেছে আগুনের লালে
সেউতি জ্বলছে যেন ঢেউয়ের জলে।
নিশাচরেরা উঠছে জেগে পাতার ফাঁকে
পালের নৌকা ভিড়ছে তটিনীর বাঁকে।
সন্ধ্যাটা যেন এক স্বপ্নীল আভাস
তীরেতে বইছে হিমেল ফাগুনের বাতাস।

