কিছুক্ষন আগে একটা মেইল পাইলাম একজনের কাছ থেকে…
তাই দেরি না করে এখানে দিয়ে দিলাম… 😀
যদিও আমি নিজে না যাইতে পারা অভাগাদের দলের একজন :((
যারা পারবেন তারা তাড়াতাড়ি করেন …আর পারলে পরে এইখানে আপডেট দিয়েন
আমি কখনোই কিছু বলিতে পারি না -১
কেসঃ ১
পাশের বাড়ীর লুনা (অবশ্যই কাল্পনিক নাম!!) আন্টি আমাকে খুবই পছন্দ করতেন, প্রায়ই চকলেট খেতে দিতেন…
ক্লাস থ্রিতে পড়ার সময়ে একদিন বিকেলে হঠাৎ আমি তার রুমে হাজির হয়েছি। অন্য দিন অনেক কথা বললেও ওই সময়ে তিনি কেন জানিনা আমাকে তাড়াতাড়ি তাঁর রুম থেকে বের হওয়ার জন্য তাগিদ দিচ্ছিলেন। রুম থেকে বের হওয়ার ফাঁকে খাটের উপরে একটা ছোট খাপওয়ালা মিনিশ্যাম্পুর মতন জিনিস দেখতে পেলাম।
কই যে যাই
হুমমম, আমার পুর্ববর্তী স্পীকার মশাই দেশকে একটা বিরাট লজ্জার মধ্যে ফেলে গিয়েছিলেন। যা জাতির জন্য তো বটেই, পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও গ্লানিকর ছিল। বিদেশে দেশের ভাবমুর্তি বিরাটভাবে ক্ষুন হয়েছে। তাই দেশ এবং জাতি জন্য আমাকে এই কষ্টটুকু করতে হয়েছে। এতে বিদেশে দেশের ভামমুর্তি পুনরুদ্ধার করা ছাড়াও দেশ এক ভয়ানক লজ্জার হাত থেকে বেচে গেছে।——– প্রধান স্পীকার।
দেশের সামনে এখন অনেক চ্যালেঞ্জ। মুল্যস্ফীতি ছাড়াও সারা বিশ্বে মন্দা আমাদের রেমিট্যান্সে বিরাট প্রভাব ফেলতে পারে।
বিস্তারিত»পোড়া কপাল আমার!!!
আমেরিকায় আসা অবদি আশেপাশে সুন্দরীদের ভীড় দেখে আমি তো পুরা টাশকি! এত সুন্দর মাইয়া আসে কোত্থেকে?- মনে মনে বেশ খুশি হয়ে ভাবি “এইবার মনে হয় শিকে ছিড়বেই” 😡 :shy:
কিন্তু একে একে পাঁচ মাস কেটে গেল, যেই লাও, সেই কদু =(( আমার কপালে আর :just: ফ্রেন্ড জোটে না। জাতি যদি মনে করে থাকে যে আমি ভীতু পোলা বইলা অগো কাছে ভিড়তে পারতাছি না,
বিস্তারিত»এডিসন ভাইয়ের মেসেজ আর ছন্নছাড়া-র ব্লগ লেখার হাতেখড়ি
সিসিবিতে ঘুরাঘুরি শুরু হইছিল আমার অনেক আগেই। যখন শুধু কয়েকটা চেনা মুখই লিখে যাইতো দিনের পর দিন। লেখার হাত নেই বলে আলসেমি করে গেস্ট হিসেবেই চালাইছিলাম অনেকদিন। গেস্ট হিসেবেই কমেন্টাইতাম মনের সুখে।
কার বইয়ে যেন পরছিলাম, গেস্ট আর মাছ নাকি দুইদিন থাকলেই গন্ধ বের হয়। এখন অবশ্য ফ্রিজের যুগ, অনেক দিন থাকলেও সুগন্ধিই থাকে। আমিও ছিলাম ভালোই। কিন্তু ফয়েজ ভাই আমারে একদিন ধরে ফেললেন।
বিস্তারিত»হাতে খড়ি
জনগন, আজ আমার আশা পূরনের দিন।
আমি জীবনের পয়লা ব্লগে লিখলাম।
নতুন নতুন ভাষা শিখার অনুভূতি পেলাম। কবে কথা বলা শিখেছিলাম মনে নেই। কিন্তু এখন ফিল করছি প্রথম কথা বলতে পারার আনন্দ!
বিস্তারিত»চ্যাম্পিয়ান কিন্তু মোহামেডান
একজন বৃহন্নলার আত্মকথন
(সামুতে প্রকাশিত এই লেখাটি ট্যাগ করতে পারলাম না। অবহেলিত একটি সম্প্রদায়ের জন্য অর্থহীন দীর্ঘশ্বাস বলা যেতে পারে একে।)
বিষন্ন নিস্তরঙ্গ জীবন বয়ে চলে নর্দমার জলের মত,
যে জীবনের আগমন এই নিষ্পাপ জীবনের বড় পাপ।
যে জীবনের স্বপ্ন নিঙড়ে গেছে অনেককাল আগে,
আমার জীবন আমাদের জীবনের মত বিবর্ণ ধুসর-
যে জীবন আমার বহুতল বাড়ির ক্ষুদ্র ঘরে বদ্ধ,
যে জীবন আমাকে দেখতে দেয় না কিছুই নিষ্টুর হয়ে বড়
অথবা আমাকে দেখতে চায় না কেউ কিংবা দেখতে চায়-
দেখতে চায় যারা চায় না পৃথিবীকে দেখাতে জীবনের অপমান।
ডাক্তারী পড়া হইলো না আর
(BCS-কর্তৃক ছ্যাঁকা খাইয়াও ব্যাকা না হওয়ায় জুনায়েদ কবীর ভাইকে উৎসর্গ করে এই লেখাটি। সমস্ত লেখা জুড়ে আপনাদের চোখে পড়বে আমার অতিরিক্ত বায়োলজি-প্রিয়তার নিদর্শন।)
ভার্সিটি লাইফের শেষ পরীক্ষা শেষ করিলাম। এখন আমি একজন প্রকৌশলী। ;)) জীবনের এই টার্নিং পয়েন্টে আসিয়া একখানা আফসোসের বিস্ফোরনঃ ডাক্তারী পড়া হইলো না আর। ;;)
মনে পড়ে, যেইদিন ১ম শ্রেনীতে ভর্তি হইতে যাইব। স্কুলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হইবো, বাবাও রেডি,
বিস্তারিত»স্বপ্নাহতের কথন
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে (আই ইউ টি) অনেক পাকিস্তানী ছাত্র আছে। আমি প্রায়ই হতবাক হয়ে যাই যখন দেখি আমারই পরিচিত কিছু মুখ যখন বিনা সংকোচে তাদের সাথে উর্দুতে কথা বলে। আমার তখন কিছুই বলতে ইচ্ছা করে না। মেরুদণ্ডহীন এক বাঙালিতে রূপান্তরিত হয়ে যাই আমি।
আমি বুদ্ধিজীবী নই; নই কোন ক্ষুরধার কলাম লেখক। কোন বিষয় নিয়ে যখনই কিছু বলতে যাই কিছুক্ষণ পরই আমার জ্ঞানের জাহাজ যে শূন্য সেটা প্রকাশ হয়ে পড়ে।
বিস্তারিত»কলেজ জীবনের Ctrl+Z আর Ctrl+Y গুলো…
প্রথম পোস্টে জীবনে রিউইণ্ড-পজ-প্লে আর undo সম্পর্কে লিখেছিলাম। ভাবনা যখন লিখা হয়ে ভূমিষ্ঠ হয় তখন মনে হয় এর ডালপালা গজাতে থাকে। আমার বেলা হলও তাই। Undo কথাটা লিখার পরেই মনে হল আচ্ছা সুযোগ পেলে আর কি কি undo করতাম আমি। কল্পনাই যখন করছি, তখন redo নিয়ে চিন্তা করতে তো বাধা নেই। (লেখাটা আমাদের ব্লগের সাইন্স ফিকশন গুরুদের ‘যোগাযোগ মডিউলে’ একটা চিন্তার খোরাক দিতে পারে)।
সত্যিই যদি জীবনের কিবোর্ডে Ctrl+Z প্রেস করা যেত তাহলে এই সমস্ত ইভেণ্টগুলোকে undo করতামঃ (সংগত কারণে সারা জীবনের ইপ্সিত undo গুলো ক্লাসিফায়েড,
বিস্তারিত»ব্লগর ব্লগর
এই কাহিনীর কোনো চরিত্রের সঙ্গে কেউ কোনো মিল খুঁজে পেলে দায়-দায়িত্ব তার। আমি কিছু জানি না। 😐
ক্লাশে নতুন শিক্ষক এসেছেন। প্রথম ক্লাশ। এসে ভাবলেন প্রথম দিন পড়ালেখা না করে একটু গল্পসল্প করাই ভাল। তাছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের জানা, পরিচিত হওয়া এটাও জরুরী।
তাই শিক্ষক এসেই সবাইকে সে কথা জানিয়েও দিলেন।
-আজ আমরা পড়াশোনা করবো না। আজ শুধু গল্প। প্রত্যেকে দাঁড়িয়ে নিজের নাম বলবে আর বলবে প্রিয় সখের কথা।
অ্যাবসার্ডিটি
“প্রস্তাব ছিল, আমরা যখন যূথবদ্ধ শিকারী তখন আমাদের কেশরের ফুলে ওঠায় শিউরে উঠবে বাগানের সকল বিড়াল”- এই শালা চুপ কর! কথায় কথায় অশ্লীলতা টানিস কেন?
আমার দিকে খুব খেউড়ে ওঠা দৃষ্টি ছুড়ে দেয় মাইদুল। কাজী মাইদুল হক। আমাদের গুরু। আর আমরা তার চ্যালা। চ্যালা হতে পেরে আমরা খুব খুশি। মাইদুল হকের মত মানুষ আমাদেরকে তার পদতলে রাখছেন, মাঝে মাঝে লাথি-ঝাঁটা মারছেন, খ্যা খ্যা করে হেসে উঠছেন অবান্তর।
বিস্তারিত»উদ্ভট ফ্যান্টাসী – ০৪
উদ্ভট ফ্যান্টাসী – ০১ । ০২ । ০৩
৯।
রিকান কে বললাম “মূল কম্পিউটারে খোজ নাও এই মহাকাশযান সম্পর্কে।”
বলে নিজে বসলাম সংঘর্ষ হলে বা আক্রমন হলে কিভাবে তার মোকাবেলা করা যায়।
কিরিক্রি দেখো তো আর কি কি তথ্য পাওয়া যায় এই মহাকাশ যান এর ব্যাপারে।
কিরিক্রি এর উত্তর “গত শতাব্দীতে এই যানটি যাত্রা শুরু করে।
বিস্তারিত»আজাদ-এর প্রথম সাইকেল চালানোর অভিজ্ঞতা
আমাদের SSC exam এর registration করানোর জন্য একবার কলেজ এ যাওয়া লাগলো। আমাদের intake এর সবাই… তো, আমাদের হাফিজ থাকতো ঝিনাইদহ-তেই। সে কলেজ-এ সাইকেল চালিয়েই চলে আসলো।
আজাদ তখন সাইকেল চালাতে পারতো না। ও বায়না ধরলো যে তাকে সাইকেল চালানো তখন-ই শিখাতে হবে। ভাল, আমি শিখানো শুরু করলাম। বললাম, প্যাডেল মার, দুরে তাকা, ভয় পাইসনা আমি আছি পেছনে তরে ধইরা রাখমু problem নাই তুই just সোজা তাকা আর প্যাডেল মারতে থাক।
বিস্তারিত»