(এই লেখাটা পড়তে হইলে অ্যান্টেনা ইত্যাদি টেস্টিং করা যাইবো না। স্যরি জিহাদ, তুহিন এবং আরো যারা পোস্ট দেইখাই অ্যান্টেনা শানাইতে শানাইতে আসবা! এইটা পুরা স্পন্টেনিয়্যাস লেখা। আমার হাজারো পাগলামি চেষ্টার একটা। মাঝে মাঝে হাতের দশ আঙুল মটকে কী-বোর্ডটা টেনে নিয়ে খটাখট লিখতে শুরু করি। নিতান্তই প্রকৃতি বা মাতা ডাক না দিলে লেখা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘাড় তুলি না। শেষমেশ যা দাঁড়ায়, সেটাকে হালকা ঘষা/ এবং চলটা উঠে গেলে কিঞ্চিৎ মাজা দেই।
বিস্তারিত»আপনারে আমি খুঁজিয়া বেড়াই- ৩
১।
ঠিক ঘড়ি ধরে এক ঘন্টা পর পর বিদ্যুৎ চলে যায়। দু’দিন আগে খবরের কাগজে দেখলাম ঢাকায় নাকি ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে, কিন্তু কোন ঊনিশ-বিশ টের পাচ্ছি না। যাহা লাউ তাহাই কদু।
সকাল সাড়ে দশটায় শুরু হয়, তারপর সারাদিন। মাঝে মাঝে রাত ৩টা /৪টার সময়ও হুট করে বলা কওয়া ছাড়া ফ্যানটা বন্ধ হয়ে যায়। প্রচন্ড গরমে উঠে বারান্দায় গিয়ে বসে থাকি,
পূর্ব হতে পশ্চিম এবং তারপর……………???
এ্যাডওয়ার্ড সাইদ এর orientalism গ্রন্থের উপজীব্য বিষয় হলো প্রাচ্য সম্পর্কে পশ্চিমাদের যে ধারণা তা সত্য কে নয় বরং পশ্চিমা কল্পনাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। পশ্চিমাদের ধারণা প্রাচ্যের সকল নৃ-তাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠী মৌলিকভাবে একইধরনের। কিন্তু ইহা পশ্চিমাদের একটি ভ্রান্ত ধারণা। প্রাচ্য সম্পর্কে পশ্চিমাদের এই ধারণা মূলতঃ গড়ে উঠেছে Limited literary text and historical records এর উপর ভিত্তি করে। আর তাদের এই জ্ঞান মধ্যপ্রাচ্য সম্পর্কে ভুল তথ্য প্রদান করছে।
বিস্তারিত»খোরোখাতা – এলেবেলে বা শুধুই ফুলের কথা
আজ কিছু একটা লিখতে মন চাচ্ছে।
ঈদানীং কোন কিছুতেই আগের মত অনুভূতি কাজ করেনা। কেমন ঘাসের মত চলছে জীবনটা। ফ্যাকাশে, স্বাদহীন, ম্যাড়ম্যাড়ে। হয়ত সব পেয়ে যাবার জন্যই এমন হচ্ছে, হয়তবা সব পেয়েছি, বা আমার চাওয়াটাই অনেক অনেক কম। ইচ্ছে করলেই আরও একটু উপরে বাধা যায় স্বপ্নটা। কিন্তু কি হবে? একজন মানুষের ভালভাবে বেঁচে থাকার জন্য খুব বেশি কিছু কি আসলেই লাগে। তবুও মানুষ ছুটে চলে,
বিস্তারিত»গোধূলি কথন- ২
১২/৩/২০০৪,
বিকেলবেলাটা আমার সবসময়ই প্রিয়। জানালার ফাঁক দিয়ে যখন সূর্যের শেষ সম্ভাষণটুকু আমার হাতের উপর এসে পড়ে, খুব ভালো লাগা একটা অনুভূতি হয়। একটা অজানা মিষ্টি আবেশে ছেয়ে যায় চারপাশে। অবশ্য আজকাল জানালার পাশে বসা হয়ে উঠেনা। ব্যস্ততা নয়, কায়িক অবসাদ আজকাল সে সুযোগ দেয় না। বিছানা থেকে একা একা বেশ কষ্ট হয়। তাই বিকেলটা এখন বালিশে মাথা ঠেকিয়েই কাটে।
বিস্তারিত»এই আমরা ১৫…….সব কিছুর উর্দ্ধে আমরা এক ও অবিচ্ছিন্ন… রেড ওয়ারিয়র্স……।।
“সেই সাত জন নেই আজ
টেবিলটা তবুও আছে
সাতটা পেয়ালা আজো খালি নেই…………
একই সে বাগানে আজ
ফুটেছে নতুন কলি
শুধু সেই সে দিনের মালি নেই………।।”
মান্না দে’র সেই কালজয়ী গানটা যখনই মনে আসে তখন আমার মনে পড়ে যাই সেই দিনের কথা। ক্যাডেট কলেজের শেষের দিকে একটা ছুটির দিনে হুনাইন হাউসের সামনে কৃষ্ণচূড়ার ছায়ায় বেঞ্চের উপর বসে আমরা ক্যাডেট কলেজের ফেলে আসা দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করছিলাম।
বিস্তারিত»অন্বেষণঃএকটি সামুদ্রিক কবিতা
কতদিন ধরে কাঠের জাহাজে ভেসে ভেসে
চলেছি লোনা সাগরের অফুরান নীল জল ঘেঁষে
দু’পাশে দু’হাত ছড়িয়ে,হাওয়ায় রেখে বুক-
পেয়েছি অবিরল সুখ,
চারিদিকে তরলের ভীড়ে শাদা ফেনার মতন,
উচ্ছ্বাসে উথলে উঠেছে মন!
যতটুকু বুঝতে পারি………………………
একটা প্রশ্ন করলেন ম্যাডাম বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের ভিত্তি কি? আমরা সবাই অবাক্ হয়ে তাকিয়ে রইলাম। প্রথম প্রথম প্রশ্নটি বুঝলাম না। ম্যাডাম এবার পরিষ্কার করে দিলেন। বলো এমন কি আছে যা আমাদের অন্য জাতি হতে পৃথক্ করে দিয়েছে? আমরা একে একে বলতে লাগলাম বাঙ্গালী সাহসী, অথিতিপরায়ন, বিদ্রোহী, আরো অনেক কিছু। কিন্তু তিনি একে একে দেখিয়ে দিলেন আমরা যা বলেছি তা আমাদের থেকে অন্য অনেক জাতিসমুহের মাঝে আরো বেশি পরিমাণে বিদ্যমান।
বিস্তারিত»লিমোসিনের পালকি
ঘোমটা মাথায় গয়না গলায়
বধূ সাজে বসে
ফেলে আসা বছর কুড়ি
সুদূর দেশের বাসা বাড়ি
গোপাল ভাড়ের গল্প ঝুড়ি
মনে তাহার আসে।
প্রথম দিন
ক্যাডেট কলেজের প্রথম দিনটির কথা আজো ভীষন মনে পরে । দিনটি ছিল ১২ই মে । গেট খোলার কথা ২ টায় । আমি, বড় আপু এবং রশিদ স্যার ১২ টার সময় পৌছেছিলাম গেট এ। আমার বাড়ি কলেজ থেকে ৮০ কিমি দূরে হবে । লক্কর মারকা বাস এ ২ ঘন্টার মত লাগল। আমার যে খুব মন খারাপ হচ্ছিল বাড়ির জন্য এমন নয় । তবু আজগুবি একটা অনুভুতি হচ্ছিল,
বিস্তারিত»হৃদয়ের ডাক
ভালোবাসাপ্লুত সুরেলা আহবানে ডাকবো একদিন
ছুটে এসো তৃষ্ণাকাতর মোর আলিঙ্গনে
ছিড়ে সমস্ত কাঁটাতারের বেড়া
বাজায়ো হৃদয়ে বীণ
ছায়াঘন কুঞ্জবনে
দিও ঠোঁটজোড়া।
কিছু কিছু পিছুটান গুন টানে উজানে উজানে …………
[অনেকদিন পর কিছু লেখার সাহস করলাম। সাহস করলাম বলাটাই বেশি যুক্তিসংগত কেননা একরকম জোর করেই সিসিবিতে নিজের উপস্থিতি জানান দেয়ার জন্য এই লেখার অবতারণা। যাদের অযথা বগর বগর এ ধৈর্যচ্যুতির সম্ভাবনা আছে তাদের কাছে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিয়ে লেখাটা শুরু করছি।]
ইদানিং আমার জীবনটাকে আমি নিয়ন্ত্রণ করি না। আমার গতিবিধিগুলো খুব বেশিরকম গণ্ডিবদ্ধ হয়ে পড়ছে।অনেক আগের একটি লেখায় বৃহন্নলাদের জীবন নিয়ে লিখতে গিয়ে একটি লাইন লিখেছিলাম- ”
বিস্তারিত»সুহাসিনী মেয়ে
প্রথম যেদিন তোমার সাথে
হলো আমার দেখা
মনে মনে ডেকেছি তোমায়
ভেবে আমার সখা।
কম্পিউটারের চিঠির মাঝে
করলাম যোগাযোগ
পেলাম নাকো তোমার সাড়া
তোমার মনোযোগ।
ভালোবাসার বন্ধুত্ব- ১১
পাঁচ কেন আমার প্রিয় সংখ্যা হবে না…
পাঁচ আমার সবচাইতে প্রিয় সংখ্যা,আমার অনেক কিছুর সাথেই পাঁচের একটা রিলেশন আছে।তার কিছু নমুনা দেই…
*আমার জন্ম ১৯৮৫ সালের ২৫ মার্চ……২টাই ৫ দ্বারা বিভাজ্যা
*জন্মের সময় আমার ফ্যামিলি মেম্বার ছিলো ৫জন 😀 আমরা ৩ ভাই ,আব্বু আম্মু।
*ক্লাস থ্রীতে নতুন স্কুলে ভর্তি হলে আমার রোল নম্বর ছিলো ২৫…পরের বছর সেইটা হয় ৫
*ক্লাস সিক্সে আবার নতুন স্কুলে ভর্তি হলে আমার রোল নম্বর ছিলো ৫০।।পরের বছর সেইটা হয় ৫
*ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় আমার রোল নম্বর ছিলো ১০৩৩৮..যার ডিজিটগুলো যোগ করলে হয় ১+০+৩+৩+৮=১৫…যা ৫ দ্বারা বিভাজ্যা :awesome: :awesome:
*কলেজে আমার সাথে আরো ৫০ জন বন্ধু জয়েন করে।(আমরা মোট ৫১ জন ,আমি ছাড়া ৫০)
*আমার ক্যাডেট নাম্বার ১১৫০
*ক্লাস সেভেন এ আমার রুম নম্বর ছিলো ১০৫
*ক্লাস এইটে আমার রুম নম্বর ছিলো ১০৬ যেখানে ৬-০-১=৫ :awesome: :awesome:
*ক্লাস টেন এ ছিলাম ১২৭ নম্বর রুমে..১+২+৭=১০,যাহা ৫ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য =)) =))
*১২ এ ছিলাম ১১৫ নম্বর রুমে
*এস.এস.সি পরীক্ষায় আমার রো নম্বর ছিলো ১০০০১৫
*আমার এস.এস.সি’র রেজাল্ট জিপিএ ৫ 😀 😀
*ক্লাস ইলিভেন এ আমার এপুলেটে ছিলো ৫ দাগ :awesome: :awesome:
*আমার এইচ.এস.সির রোল নম্বর ১০২৩০৯ যেখানে ১+০+২+৩+০+৯=১৫
*আমার এইচ.এস.সি’র রেজাল্ট জিপিএ ৫ 😀 😀
*বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় আমার রোল নম্বর ছিলো ৩২৫
*আমি বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় ৯৪ হইছিলাম …৯-৪=৫ :tuski: :tuski:
*বুয়েটে আমার রোল নম্বর হলো ৮৭ যেখানে ৮+৭=১৫
*সর্বশেষ আমি একটা নতুন মোবাইল সিম নিয়েছি যেটা হলো ০১৬৭৩১৮০৮৩৮ যেখানে ০+১+৬+৭+৩+১+৮+০+৮+৩+৮=৪৫,যাহা ৫ দ্বারা বিভাজ্য
*আমার ব্যাচ হলো ২৩,২+৩=৫ এইটা বের করে দেওয়ার জন্যে রবিন ভাইয়াকে থাঙ্কস 🙂
তাহলে পাঁচ কেন আমার প্রিয় সংখ্যা হবে না বলুন তো???