ক্লাস নাইন(১ম পর্ব)
তো মুস্তাকীম এবং হিশাম একটু দেরিতে ডিনার এ গেলো. সেদিন আবার ইংলিশ ডিনার ছিল 😛 বেচারাদের ভাগ্যে আর ভালোভাবে খাওয়া হলোনা। তবে বিল্লাহ স্যার মুস্তাকীম কে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে ও ইচ্ছা করলে ঘ্নটার পর ও খেতে পারবে। তো সেদিন আমরা পুরো ক্লাস একটু টেনশনে ছিলাম। 😕 যে ওদের কী হয় সে জন্যে। পরের দিন আরেক অপরাধী কে খোজার কমিটি গঠন করা হলো।
বৈশাখ এলো (একটা বৈশাখী কবিতা)
চৈত্রের তপ্ত রোদের পর-
বৈশাখ এলো প্রকৃতির ফুলেল উৎসব ভেঙ্গে,
বহু প্রতীক্ষিত কয়েক ফোঁটা জলের আস্বাদ নিয়ে,
একখন্ড বৈশাখ এলো ঝড়ো হাওয়ার মতো অকস্মাৎ
কালবোশেখীর প্রমত্ত ঝড়ের ঝাপটা দিয়ে
বৈশাখ এলো নগরে-তৃষ্ণিত নাগরিক হৃদয়ে!
সহস্র লোকের জন্য নবদিনের শুভাশীষ নিয়ে
উৎসবের মতো বৈশাখ এল!
ঈশ্বর যেখানে অবশ্যই উপস্থিত-
অল্প কয়বছর হলো আমি খানিকটা সুস্থির হয়েছি, তার আগে, যখন ছোট ছিলাম, অথবা এমনকি কলেজে থাকাকালীনও, যাবতীয় রোগ বা অসুখের আমি খুব প্রিয় ছিলাম। যখন যে রোগের চল দেখা যেত, আমি বীরত্বের সাথে সেই রোগ বাঁধিয়ে বসতাম।
ক্লাস সেভেনের থার্ড টার্মে, আমাদের কলেজে একধারসে অনেকের চিকেন পক্স হয়ে গেলো। ক্লাসের বন্ধুরা একেকদিন ক্লাসে আসে, লানচের পরে গেমসে যাবার সময় দেখি হাসপাতালের বারান্দা থেকে তাদের বিগলিত হাসি।
জীবন
১.
জীবন মানে কষ্ট
রাত পোহালেই পেটের জ্বালায়
মাথার ঘাম পায়ে ঝরায়
অখন্ডনীয় অদৃষ্ট।
২.
জীবন মানে সুখ
অট্টালিকার চার দেয়ালে
রঙ বেরঙের পুষ্প গলে
নেইকো কোনো দুখ।
সিগারেট, ব্যর্থ প্রেমিক
ভেবে দেখ সিগারেট, তুমি আজ ব্যর্থ প্রেমিক;
ফর্সা কাগজে মোড়া তামারং তোমার হৃদয়,
ছিল তামাক সুবাসে ভরা। সুদৃশ্য প্যাকেটে বসে,
জানতেনা জগতের ভালোবাসা-প্রেম-পরিণয়।
আচম্কা এল এক রূপবতী লাইটার নারী,
বাহারী রঙের দেহে তার রূপ বাসনা জাগায়।
তার উদরে গ্যাসের বিষ, চক্মকি পাথরের দাঁত,
ঠোঁটে তার প্রেমের আগুন; সেই প্রেম হৃদয় পোঁড়ায়।
বাবা কতদিন দেখি না তোমায়…
১
অনেক বছর হল, আর ২ মাস পার হলে ১২ বছর হবে। আব্বুকে নিয়ে কখনো কোথাও কিছু লেখা হয়নি। শেষ যখন আব্বুকে দেখেছি সেই দৃশ্য এখনো চোখে ভাসে। অল্প একটু চেষ্টা করলেই দেখতে পাই ক্যাডেট ড্রেস পড়ে আমার ঘর থেকে মামার সাথে বের হয়ে যাওয়া দৃশ্য। আমার আব্বু বসে আছে বারান্দায়। আমি অনেকদুর এগিয়ে গিয়ে একবার দাঁড়িয়ে ছিলাম এরপর পিছনে তাকিয়েছিলাম।
দুর্নীতি দমন কমিশনের দুঃসাহস দেখতে চাই
আমাদের জাতীয় সংসদের নতুন সদস্যরা ইতোমধ্যে উপজেলা পরিষদকে করায়ত্ত করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি সব মহল থেকেই করা হচ্ছিল। এই দেশটির জন্মের পরপর সংবিধানের প্রণেতারাও এর গুরুত্ব ভালোভাবেই বুঝেছিলেন। এইরকম একটা প্রেক্ষাপটে ড. ফখরুদ্দিন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার উপজেলা পরিষদ আইন করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করে রেখে গিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। স্থানীয় সরকারের এই সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠানটিকে নিজেদের অধীন করে আমাদের আইন প্রণেতারা প্রমাণ করেছেন তারা যথেষ্ট ক্ষমতাবান!
বিস্তারিত»বলতে চাই … তোমাকেই চাই
সংবিধিবদ্ধ সতর্কিকরন – পুরোপুরি কল্পনা থেকে লেখা। বাস্তব কোনো চরিত্র বা ঘটনার সাথে মিল পেলে … কিছুই করার নেই।
——————————————-
আগের গল্প ——-
একজন অসুস্থ মানুষ
ও, আমি এবং আমরা ……
যেদিন আমার মৃত্যু হলো ……………
মাঝরাতে কারেন্ট চলে গেলে ভ্যাপ্সা গরমে ঘুম ভেঙ্গে যায়। হঠাৎ অন্ধকারে জেগে উঠে মাথায় চিন্তা জাগে,
বিস্তারিত»ফেসবুকে পানিশম্যান্ট
ক্যাডেট কলেজ উইথ বাংলালিঙ্ক(ভিডিও) নামে সিসিবিতে recent একটা পোস্ট এসেছে। ভিডিওটা দেখে Combination টা ভালই লেগেছিল। তবে গতকাল হঠাৎ Facebookএ ঐ ভিডিওটার একটা লিংক দেখতে পাই একজন non-cadetএর wallএ। কিন্তু এ ভিডিওটা নিয়ে বেশ কিছু Comment এসেছে।সেটা সবার সাথে share করার প্রয়োজন বোধ করছি। কারন ভিডিওটা cadet college-এর image নষ্ঠ করছে।
বিস্তারিত»গোধূলি কথন -১
ভার্সিটি থেকে ফিরছি, বেশ ফুরফুরে মেজাজে। যাক আজকের পরীক্ষাটাও ভালো ভাবেই শেষ হয়েছে, এবার কয়েকদিনের জন্য ঘুম আর বাউন্ডুলেপনা। তওসিফ বলছিল জাফলং যাবার কথা, মন্দ হয় না। তিথিটা গেলে বোধহয় খুব জমতো, তবে মনে হয় না বাসা থেকে পারমিশন পাবে। এসব অগোছালো কথাবার্তা ভাবতে ভাবতেই বাসার গেটের সামনে কেবলি পৌঁছেছি, আরেব্বাপ এই ভেজাল আবার শুরু করলো কে !!! ছোট ভাইটা খুশি মনে পুরনো কাগজ, সংবাদপত্র,
বিস্তারিত»খসড়াঃ নতুন এক্স-ক্যাডেটদের উদ্দেশ্যে উপদেশ পোস্ট (২য় কিস্তি)
কিছুদিন আগে রায়হান একটা পোষ্ট দিয়েছে এই ব্যাপারে। প্রথমে ভেবেছিলাম আমার মতামত ওর পোষ্টে মন্তব্য আকারে দেই। পরে ভাবলাম, নতুন পোষ্ট দেই, আবার সবার নজরে আসুক ব্যাপারটা।
সমস্যা
১।
আমি ব্যক্তিগত ভাবে দেখেছি, ইন্টার এর পরে ক্যাডেটরা যখন কলেজের বাহিরে আসে তখন তাদের মাঝে এক ধরনের জড়তা কাজ করে। ক্যাডেট কলেজের ভিতরে প্রাতিষ্টানিক ভাবে সামরিক বাহিনী ছাড়া “প্রফেশন” হিসাবে অন্য কোন কিছুর আলোচনা হয় না।
পান্থশালার সেই মেয়েটি (একটি ট্র্যাজেডি কবিতা)
রাতটা ছিলো ভীষণ রকম শীতের
পান্থশালায় কেউ ছিলো না আর
টিমটিমে এক বাল্ব ছিলো ওই কোণে
সে আলোতেও বাড়ছে অন্ধকার!
হাতে আমার একটা মদের গ্লাস
চারটে বোতল-সবগুলোই খালি
শেষ ফোঁটাটাও চেটেপুটে খেয়ে
আমি তখন বেহুশ হয়ে ঘুমে!
ঠিক তখনই সে মেয়েটি এলো
বাইরে তখন কুঁয়াশায় ভেজা চাঁদ,
আমায় ডেকে তুললো সে ঘুম থেকে
মাতাল আমিও অবাক তাকে দেখে!
আক্ষেপ
বোবার অসহায় গোঙানী শোনা যাচ্ছে,
কি যেন বলার তীব্র প্রচেষ্টা।
মাঝে মাঝে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে
এদিক থেকে ওদিক।
সবাই বলে পাগল,
ওকে ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে না।
মাঝে মাঝে ধাক্কা দিচ্ছে
দরজায়, দেওয়ালে, গ্রীলে, মাটিতে।
ভালোবাসার বন্ধুত্ব- ০৯
ভালোবাসার বন্ধুত্ব- [১] [২] [৩] [৪] [৫] [৬] [৭] [৮]
৩৮।
সেখানে ওরা কিছুখন ছিলো। তারপর বিদায় নিয়ে চলে এলো।
আসার পথে নীল, সোহেল, অয়ন কেউই কোনো কথা বললো। অদ্ভুত এক নীরবতা ছিলো পুরোটা পথ জুড়ে ছিলো। অয়ন যদিও এতোদিন ফান করেই বলছিলো কিন্তু যখন বাস্তবতা এই ভাবে সামনে এসে দাড়ালো সেও কিছু বলার মতো খুজে পাচ্ছিলো না।
সিসিবি ‘ছবি সঙ্কলন’
আপডেট:
খুব বেশি ছবি আমাদের হাতে আসেনি, তাই ছবি পাঠানোর সময় বাড়ানো হলো। আশা করি সবাই অংশগ্রহন করবেন।
ছবি আর লেখা পাঠানোর শেষ তারিখ –১৫ মে, ২০০৯।