বিশ্বকাপের কথা

অনেকগুলো খেলা হয়ে গেছে, আর হয়তো অল্প কিছু ম্যাচ বাকি আছে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের।

এখন পর্যন্ত যারা বিশ্বকাপের টিকিট পেয়েছে, সবাইকে অনেক অনেক কনগ্রাচুলেশনস। ডেনমার্ক, জার্মানি, স্পেন, ইংল্যান্ড, সার্বিয়া, ইতালী, হল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, সাউথ কোরিয়া, নর্থ কোরিয়া, ঘানা, আইভরি কোস্ট, ইউএসএ, মেক্সিকো, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, চিলি – এরা সবাই ফুটবলের চেনা মুখ।

নর্থ কোরিয়া একটা বড় সারপ্রাইজ সবার জন্য, এদের কে আমরা কিছুই চিনি না,

বিস্তারিত»

সহনশীলতা আর সবাইকে ধারণ করেই সিসিবি বড় হবে

রেডিও’তে প্রায়ই ক্ষুদেবার্তা আসে, “আমার মন খারাপ, আমার জন্য একটা গান বাজাও না, প্লিইইইজ…….”। এতোদিন এরকম ক্ষুদেবার্তা নিয়ে আমি হাসতাম। আমাদের কথাবন্ধুদের বলতাম, এইসব মন খারাপ বিলাসিতা মার্কা বার্তা পড়া বন্ধ করো। কিন্তু কি আশ্চর্য সেই আমিই কিনা গত দু’সপ্তাহ ধরে এইরকম “মন খারাপ” বা “অবসাদ” বা “ক্লান্তি বিলাসে”র মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে। এই সময়কালে সিসিবির খুব কম পোস্টই পড়েছি। আরো কম মন্তব্য করেছি।

বিস্তারিত»

দৃশ্যকর্মী

১,
বড়ো বেখাপ্‌ ঝুলে আছো ছয়তলার ওপরে বিমর্ষ
তবু হাসিমুখ, দেখি তোমার। ঝুলে থাকা থোকা থোকা
হাসিমুখ। রোদে ঝলসে গেছে সেইচোখমুখ, হাসি।
উল্টোবাদুড় ঝোলা হয়ে দুলছো সরল দোলক।
দেখতে লাগছে বেশ, হাসিটি উল্টে গিয়ে বিষণ্ণতা ঝুলছে

বিষাদের ধর্ম নয় তেমন স্থির, সুতরাং ঝুলে ঝুলে নেমে
আসছে রোদার্ত-ক্ষোভ আর ভয়াটে মোমজ জল,
অশ্রুজল। অভিকর্ষ বড়ো প্রয়োজন, প্রিয়তম আকর্ষণটি
উলম্ব।

বিস্তারিত»

নোবেল পুরস্কার ২০০৯

পরীক্ষা চলছে। বিএসসি জীবনের শেষ পরীক্ষা। কিন্তু পড়তে একদমই ইচ্ছা করছে না। দুইটা পরীক্ষা ইতিমধ্যে হয়ে গেছে। শুধু আগের দিন কোনভাবে পড়াশোনা শেষ করে পরীক্ষা দিয়ে আসার সিস্টেমটা তো আগে থেকেই আয়ত্তে ছিল। এই দুই পরীক্ষায় সেটা দুইবার ঝালিয়েও নিয়েছি। তাই চিন্তা নাই, ভাবলাম এই সুযোগে একটা ব্লগ নামিয়ে ফেলি। আদতে পরীক্ষার মত ফ্যাসিস্ট একটা জিনিসের চেয়ে ব্লগিং তো অনেক অনেক উত্তম।

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে ব্রেকিং নিউজ এবং হট টপিক হচ্ছে বারাক ওবামা-র শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া।

বিস্তারিত»

খুশকি – ৪

খুশকি -১
খুশকি -২
খুশকি -৩

১। বড় কমোড কেনার শানে নুযুল

আমার বাবা ১৯৯৩ সালে বাড়ি তৈরীর কাজে হাত দেন। ১৯৯৫ তে আমরা সেই বাড়িতে উঠলাম। দোতলায় দুই ইউনিট এর দুটি বাসা বানানো হলো। তারই একটিতে আমরা উঠলাম। আমি তখন ক্লাস টেনে পড়ি। ছুটিতে বাসায় গেলাম। ঐ বাসাটিতে রুমের সংখ্যা কম হওয়ায় এবং বাথরুমের সাইজ ছোট হওয়াতে সব মিলিয়ে কারোরই বাসাটা মনমতো হচ্ছিলনা।

বিস্তারিত»

রহস্যময় পৃথিবী ১:হারানো আটলান্টিস

আটলান্টিসের গল্প শুরু হয় প্লেটোর একটি লেখায়।এই লেখায় প্রথম উঠে আসে আটলান্টিসের হারিয়ে যাওয়া জনপদের কথা।অনেকেই ভাবে আটলান্টিস আর কিছুই ছিলনা প্লেটোর কল্পনা মাত্র।আবার অনেকেই খুজে যাচ্ছেন আটলান্টিসের জনপদকে।আজ পর্যন্ত অনেক প্রত্নতাত্বিক নির্দশন আবিষ্কার হয়েছে তবে এগুলো যে হারানো আটলান্টিস তার কোন জোরালো প্রমাণ নাই।
প্রায় এগারো হাজার বছর আগে আটলান্টিক মহাসাগরের কোন এক দ্বীপ নগরী ছিল আটলান্টিস।আটলান্টিসের কথা প্রথম জানা যায় প্লেটোর ডায়লগ Timaeus and Critias এ।এখানে তিনি বলেন আটআন্টিস প্রায় নয় হাজার বছর পূর্বে কোন ভূমিক্প বা সুনামিতে ধ্বংস হয়ে যায়।তিনি বলেন আটলান্টিসের আবস্থান ছিল পিলার অব হারকিউলিসের আশে-পাশে।আর প্লেটো এই কাহিনী শোনেন মিশরীয় পুরোহিতদের কাছ থেকে।

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ আমি আছি

প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে আমার প্রথম কাজ হলো মোবাইল টা হাতে নিয়ে সিসিবি তে একটা ঢূ মারা আর নিজেকে আপডেট করা। আজকেও তাই করতে গিয়ে দেখলাম আন্দা আর তপুর লেখা। তাই সিসিবির সমসাময়িক ধারা বজায় রেখে বিছানা থেকে নামার আগেই ল্যাপটপ নিয়ে বসে গেলাম কামব্যাক লিখা লিখতে।
যদিও আন্দার মতো আমাকে কেউ ফেসবুক বা ম্যাসেঞ্জারে বলে না লিখেন না কেন (ভালো লেখক না হবার সুফল) বা কামরুলতপুর মতো কেউ হারায়ে খুজে না (যেহেতু হারাই নাই,

বিস্তারিত»

রাতে একদিন

মধ্যরাতে পর্দাটানা জানালায়
জ্বলছে মায়াবী নীল আলো।
তবুও সাড়ে সাত মিলিয়ন মানুষের শহরে হায়
জানালা নয়কো এই একটাই;
আরো আছে অজস্র নিযুত,
পড়ন্ত বিকেলের অবারিত মাঠে
সহসা দুর্যোগময় পতঙ্গপালের মতো।
রুপালী কুহেলিকায় আমাদের কংক্রিটের খোপর!

বিস্তারিত»

হারায়ে খুঁজি

আমার আশেপাশের মানুষের মাঝে আমার একটা বদনাম আছে। আমি নাকি পুরান দিনের কথা বেশি ভাবি। কথাটা মিথ্যা না বরং শতভাগ সত্য। অতীত আমার প্রতিদিনের একটা বিশাল অংশ জুড়ে থাকে। গত বছর ঠিক এইদিনে কি করেছিলাম কেমন কাটিয়েছিলাম সেটা ভাবা আমার অন্যতম প্রধান একটা কাজ। সেটা বের করার জন্য আমার নিজস্ব টেকনিক আছে সেটা আজ থাক। অতীত রোমন্থন এর একটা কষ্ট আছে। সারাক্ষণ একটা ভাবনা মাথায় থাকে “আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম”।

বিস্তারিত»

আমি ফিরিলাম!

ক্লাশ নাইনে যখন উঠলাম, সেবছর পুরো জানুয়ারি মাস ছুটি ছিলো। রোজার ছুটি। ছুটির পরে কলেজ খুললো ফেব্রুয়ারির পাঁচ তারিখে। এটা স্পষ্ট মনে আছে কারণ আমি সেবারে একদিন পরে কলেজে এসেছিলাম। আমার বাবা সেইসময়ে ট্রেনিঙয়ে ছিলেন দেশের বাইরে। সেখানে আমরাও বেড়াতে গিয়েছিলাম। আমি, মা আর বোন। আমার কলেজ খুলে যাবে বলে একা একাই ফিরে এসেছিলাম। প্লেনে করে ঢাকায় নেমে মামার বাসায়, সেখান থেকে পরের দিন বাসে করে ঝিনাইদহ।

বিস্তারিত»

যাহা পাই, তাহা চাই না-

কবি বলেছেন, জীবনে চলার পথে কোন একটা উদ্দেশ্য নিয়ে পথ চলতে হবে। ( কোন কবি বলেছেন মনে নাই, তবে এত সুন্দর একটা কথা, কোন না কোন কবি নিশ্চয়ই বলেছেন। আর কেউ যদি বলে না-ই থাকে, তাহলে ধরা যাক, আমিই বলেছি। 🙂 )
তো, এইবার রমজান শুরুর আগে ভাবছিলাম, এই রোজায় আমার উদ্দেশ্য কী?
পাপ-তাপ কমানোর খুব একটা সুযোগ নাই। একেবারে কাফের-নাছারাদের দেশে থাকি,

বিস্তারিত»

কালো ঘোড়ার আরোহী!!! পর্ব এক

[ প্রখ্যাত মনীষী আলফ্রেড মুইকিহনু বলেছেন, ‘কিছু কিছু সাহিত্যকর্ম আছে রচনা করা খুবই সহজ- যেমন রসময় গল্প(!), ওয়েস্টার্ন গল্প ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এর কোনটাকেই মৌলিক দাবী করা শুধু কঠিনই নয়, বোকামীও। স্থান, কাল, পাত্র আলাদা হলেও কাহিনী সাধারণত ঘুরে ফিরে একই হয়…’
যেহেতু আমি খুব চালাক, তাই এই গল্পটিকে এক্কেবারে মৌলিক দাবী করছি না…কেউ যদি তার জীবনে পঠিত, শুনিত বা দেখিত কোন কাহিনীর সাথে এর কোন অংশের মিল পান,

বিস্তারিত»

বাবারে, তোকে আজ খুব মনে পড়ছে রে বাবা !

সিসিবি তে প্রায়এক বছর পর যোগদান করেছি। অনেক দিন ধরে লেখার ইচ্ছা হচ্ছিল। আজ শুরু করে দিলাম। যদিও সিসিবির সব লেখা পড়ে শেষ করতে পারিনি। তবে এখন পর্যন্ত ‘বাবা’কে নিয়ে কোন লেখা চোখে পরেনি। তাই ‘বাবা’কে নিয়ে লিখতে বসে গেলাম। আগে কেউ লিখে থাকলে একটু জানাবেন।

এই ‘বাবা’ কোন বাবা তা মনে হয় ঝিনাইদহ আর রংপুরের ক্যাডেটদেরকে বলতে হবে না। যিনি আমাদের কলেজে আমাকে মোটামুটি খুব স্নেহ করতেন…।

বিস্তারিত»

চে’

আজ চে’ গুয়েভারার ৪২তম মৃত্যুদিবস। চে’ ছিলেন মনে প্রানে বিপ্লবী। তিনি শুধু কিউবা বা আর্জেন্টিনার না,আসলে সারা বিশ্বের মেহনতি মুক্তিকামী মানুষের অধিকার আদায়ের রোল মডেল। চে’ জন্মেছেন আর্জেন্টিনায়,বিপ্লব করেছেন কিউবায় এবং আরেকটি বিপ্লব করার জন্য সহযোদ্ধা ফিদেল কাস্ত্রোকে সঙ্গে নিয়ে ছুটে গিয়েছেন লাতিন আমেরিকার দেশ বলিভিয়ায়। তাঁকে যদি দেশ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হত তিনি বলতেন আমি আর্হেন্তিনার(আর্জেন্টিনা),আমি বলিভিয়ার,আমি সান্তাক্লারার,আমি কিউবার,আমি ম্যক্সিকোর।আসলে চে’কে কোন দেশের গন্ডি দিয়ে ডিফাইন করা যাবেনা।চে’ মেহনতি বিপ্লবী মানুষের,চে সারা বিশ্বের।

বিস্তারিত»

প্রতীক্ষিত প্রাপ্তি

অপেক্ষার প্রহরগুলো অনেক সুন্দর, আবার তাও যদি হয় সুন্দর কোন মানুষের জন্য। কিন্তু সেই সুন্দর মানুষটি যদি আসার আগেই হারিয়ে যায়! যদি প্রকৃতির দুর্লঙ্ঘ্য নিয়মের বেড়াজালে সাত পাকে বাঁধা পড়ে যায়!
………………………………………………………….

বৃষ্টি আসবে
বহু প্রতীক্ষিত বৃষ্টি
উদ্দাম বাতসের তান্ডব চলবে-
আমার পৃথিবীতে।
শুধুই অন্ধকার, নিষ্প্রদীপতা।
আমি নগ্ন হয়ে ভিজব।
বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা
ছুঁয়ে যাবে আমার ওষ্ঠ,

বিস্তারিত»