জিমেইলে গত কিছুদিন ধরেই মেইল পাচ্ছিলাম ক্যাডেটকলেজ ব্লগ থেকে। আমার না কী এখানে কোন এক ব্যক্তিগত মেসেজ আছে সেজন্যে। যাই হোক, অবশেষে আসা হল এখানে আজ। আমার লেখালেখি পরীক্ষার খাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল কিছুদিন আগ পর্যন্তও। পিএইচডি করতে এখানে (নেদারল্যান্ড) আসার পর থেকেই একাকীত্বের কাছে আত্মসমর্পণ করেই মনে হয় কী-বোর্ড আর মনিটরকে আপন করে নিয়েছিলাম এখানে কিছু হাবিজাবি লেখে। তবে এটাই বা বাদ যাবে কেন?
বিস্তারিত»আমাদেউস (১৯৮৪)
যেভাবে একটি অপেরা শুরু হয়। পর্দা উঠুক আর না উঠুক, শুরু হয় ওভার্চার। মিলশ ফরমান এর “আমাদেউস” (১৯৮৪) এর শুরুটা ঠিক তেমনই। পর্দা ওঠার আগেই শুরু হয় ওভার্চার ধর্মী গাঢ় সুর। সুরের তালেই পর্দা ওঠে, আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে উনবিংশ শতকের ভিয়েনা-র একটি শীতল রাত, যেমন রাতে ঘোড়ারা নিঃশ্বাস ফেললে ধোঁয়াশার খেলা শুরু হয়। এই শীর্ণ রাতের নীরবতা ভেঙে কোত্থেকে চিৎকার ছুটে আসে-
মোৎজার্ট…
পেশকি-৪ (মোল্লা স্যার স্পেশাল)
খেলাধুলায় ভাল মইনুলকে মোল্লা স্যার খুব পছন্দ করতেন। মোল্লা স্যারের পছন্দের মাত্রা আরো বেড়ে গেলো যখন মইনুল লাথি দিয়ে দুই দুইটা ফুটবল ফাটিয়ে ফেললো।
*****************************
মইনুলের বিধ্বংসী গুনের কারনে আমরা তাকে গন্ডার, বুলেট ইত্যাদি নামে আদর করে ডাকতে থাকলাম। একদিন প্রেপে ওকে একটু বেশী গন্ডার বলা হয়ে গিয়েছিলো, ওই দিন প্রেপ গার্ড ছিলেন মোল্লা স্যার, মইনুল রেগে মোল্লা স্যারের কাছে নালিশ দিতে যাচ্ছিলো।
৩৬ দিনের দেশ
সাত দিনের এক্সকারশনের নতুন রূপ পেলাম ভার্সিটিতে উঠে। ঢুকেই শুনলাম এখানে নাকি ইন্ডিয়া ট্যুর হয়। মন বলল, ভালই তো।
ট্যুরের টাকা জমাচ্ছিলাম বহু আগে থেকেই, তীরে এসে হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিতে হলো, যাবো না। তরী ডুবার ঠিক আগ মোমেন্টে আবার সিদ্ধান্তের পরিবর্তন।
তাই একসময় বোচকা বুচকি নিয়ে রওনাও হয়ে গেলাম।
৩৬ দিনের চিরুনী অভিযানের প্রতিটা দিনে আমি নিজের দেশকে আবিষ্কার করেছি নিত্য নতুন ভাবে,
বিস্তারিত»টাইমপাস নাম্বার – টু
আমার দেখা আমেরিকা (প্রথম পর্ব)
ভুমিকা পর্ব
সরকারী কাজে প্রায় ৭ মাস সময়ের জন্য আমাকে আমেরিকা থাকতে হয়েছিল। দেশ ছাড়ার সময়টা ছিলাম খুব দোটানার মধ্যে। এক দিকে স্ত্রীর গর্ভে ৮ মাসের সন্তান, তাও আবার আমার প্রথম সন্তান। একবার ঠিক করে ফেললাম যাবনা, চুলায় যাক এই চাকরী। এবার বউ বেকে বসলো, সে বলল তাকেও নিতে হবে আমার সাথে। আত্মীয়রা সবাই আমাদের বিপক্ষে, প্রথম বাচ্চা ঝুকি নেয়া ঠিক হবেনা। অবশেষে সিদ্ধান্ত আমি যাব বেবীটা ২/৩ মাস হলে আমার বউ তাকে নিয়ে পরে আসবে।
বিস্তারিত»সাপ্তাহিক ১৪
অপয়া ১৩ তে এসে সাপ্তাহিক বেশ কিছুদিন আটকে গিয়েছিল। গুনে বললে তিন সপ্তাহ। ঈদের ছুটি থেকে ফিরে ভয়াবহ রকমের ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে এ তিন সপ্তাহ গিয়েছে। মাঝে মাঝে ঢু মেরে দু’একটা মন্তব্য করার বাইরে সিসিবিতেও তেমন একটা আসতে পারিনি। আজ অনেকদিন পরে একটু অবসর পেলাম। সেই সুযোগে সমকালীন সিসিবিও ধারা বজায় রেখে আমিও আমার সাপ্তাহিক ছোট খাট একটা প্রত্যাবর্তন করে ফেললাম।
প্রচন্ড ব্যস্ততার কারনে বিগত দিনগুলো কেটেছে খুবই বৈচিত্রহীন ভাবে।
বিস্তারিত»ফিরে দেখা (পর্ব-৬)
(২৩)
প্যারেন্টস ডের ৫ দিন আগে ক্লাশে হৈ চৈ করে ধরা পড়লাম আমি এবং তানভীর । এজন্য ভিপি স্যার স্টেটমেন্ট নিলেন এবং বললেন প্যারেন্টস ডেতে প্যারেন্টস সহ দেখা করতে । প্যারেন্টস ডের আগের দিন আবার স্যারের কাছে গেলাম ক্ষমা পাবার জন্য । স্যার কিছুতেই ক্ষমা করতে রাজী হলেন না । ক্ষমা পাবার শেষ অস্ত্র হিসেবে তানভীর বলল “স্যার আপনিই তো বলেছেন , স্যারেরা ক্ষমার বস্তা নিয়ে ঘোরে ।
অযি প্যাচাল…
জীবনে দেশ ছেড়ে এতদূরে থাকবো কখনো ভাবিনি । ইংলিশ মুভি দেখতে দেখতে মাঝে মাঝে আমেরিকায় যেতে ইচ্ছা করত কিন্তু তাই বলে অস্ট্রেলিয়া ! তবে ঘটনাচক্রে ২০০৩ থেকে অস্ট্রেলিয়াতে আছি আরো নির্দিষ্ট করে বললে সিডনীতে আছি । অনেকদিন কিছু লেখা হয়না এমনকি ব্লগেও আসা হয়না । এমনি একটা ডুব মেরে আছি । তাই এটাকে ঠিক কামব্যাক পোস্ট ও বলা যাচ্ছেনা কারণ আমার ডুব মারার সম্ভাবনা অনেক বেশি ।
বিস্তারিত»‘যুদ্ধাপরাধ’ ইস্যুতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সামিল হতে চাইলে
ইতোমধ্যেই সিসিবি-র কয়েকজন সদস্য যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন। সিসিবি-র সদস্যদের যতটুকু চিনি, সত্যি বলতে কি, তাতে একটুও অবাক হইনি। আর সবার মতো আমি নিজেও একজন স্বেচ্ছাসেবক। আরও অনেকেই আছেন, যাঁরা তাঁদের সাধ্য এবং সময় মত নিজ নিজ অবস্থান থেকে যথাসম্ভব সাহায্য করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন বর্তমানে। কিন্তু স্বীকার করতেই হবে, আমাদের আরও অনেক বেশী জনবল দরকার, এই সুনির্দিষ্ট ইস্যুটির ধরণ এবং ব্যাপ্তির কারণেই।
বিস্তারিত»সিসিবি ভাবনা
সিসিবি কি মূলধারার ব্লগ? মূলধারা বলতে বুঝি যেখানে সকল শ্রেনীর পাঠক ও লেখকের আনাগোনা হয়। কিন্তু সিসিবিতে আমরা ক্যাডেটরা ও আমাদের সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু মানুষরাই মূলত লেখক ও পাঠক। আমরা নিজেরাই আমাদের লেখার পাঠক ও সমালোচক। এখন প্রশ্ন হল আমরা কি চাই সিসিবিকে মূলধারার ব্লগ হিসেবে দেখতে? যদি না চাই, তবে লেখা এখানেই পড়া বন্ধ করে দিতে পারি।
আর যদি তা চাই, তবে আমাদের করণীয় কি হতে পারে?
বিস্তারিত»এলোমেলো বসে থাকা
এলোমেলো বসে থাকা– এরকম একটা উপমা শুনেছিলাম, বা পড়েছিলাম কোন এক গল্পে বা কবিতায় বা উপন্যাসে। অথবা আমাকে কেউ শুনিয়েছিলো শব্দ তিনটা কয়েক বছর নাকি কয়েক মাস আগে। শব্দ তিনটা অনেক সময় বলে সবাই, কিন্তু এভাবে একসাথে বলে না। এলোমেলো হয়ে যায় সবাই, এলোমেলো জীবন কাটায় অনেকেই, এলোমেলো দিনরাত পাড়ি দেয় কেউ কেউ। আবার চুপচাপ বসে থাকে,
বিস্তারিত»এই আমিও ফিরিয়া আসিলাম (আজাইর্যা পোষ্ট)
বিগত কয়েকমাস জুড়ে এলএ’তে নানা ক্যাচালের মধ্যে পড়ে সিসিবি’তে আসাটাই অনিয়মিত হয়ে এসেছিল 🙁 । মনে আশা ছিল দেশে আসার পর আবার যখন-তখন আসা যাবে। কিন্তু এইখানেও ভেজালের মধ্যে এসে পড়লাম। জিপি’র মোবাইল ইন্টারনেট এতো ধীরগতির যে, ধৈর্যের কঠিন পরীক্ষা বারবার এসে পড়ে যা’ আমার পক্ষে পাশ করার আশা নেই একেবারেই :(( । ইউনিভার্সিটিতে এসে যে নেট ব্যবহার করবো, সেই আশাও ক্ষীন হয়ে আসছিল ক্রমাগত যখন শুনলাম যে সফটওয়্যার দিয়ে ওদের নেটওয়ার্কে ঢুকবো সেটা আমার ল্যাপটপের অপারেটিং সিস্টেম সাপোর্ট করে না।
বিস্তারিত»নাটিকা : চোথাকন্যা
চরিত্র:
———
বড়া ল্যাগার — নায়ক
ছোট ল্যাগার — বড়া ল্যাগারের চ্যালা
মিলি — নায়িকা
এবং মিলির প্রেমিক ।
কালো ঘোড়ার আরোহী!!! পর্ব দুই
৩।
পরের দিন।
টানা ঘুম দেবার পর সকাল বেলা জম্পেশ নাস্তা করে বেশ ঝরঝরে লাগছে মাইকের। হ্যাটটা মাথায় দিয়ে সেলুন থেকে বের হয়ে রাস্তায় নামল। ঝলমলে একটি রৌদেজ্জ্বল দিন। রোদ পিঠের উপর পড়তেই বেশ আরাম লাগল। হাঁটতে হাঁটতে ডাক্তারের চেম্বারের সামনে চলে এল। ‘যাই ডাক্তারের সাথে পরিচিত হয়ে আসি’ ভেবে চেম্বারের ভিতরে প্রবেশ করল।
-গুড মর্নিং ডক…!