১। ক্লাস এইটের ঘটনা। আমাদের এক বিখ্যাত ষ্টাফ ছিল নাম- আইয়ুব ষ্টাফ। সাইজে খাটো এবং গাট্টাগোট্টা হবার কারনে আমরা তাকে ‘আইয়ুব গিট্টু’ বলে ডাকতাম। আইয়ুব ষ্টাফ সবসময় পিটি এবং গেমসে ছোট সাইজের হাফপ্যান্ট পরত। একবার কুরবানী ঈদের পর প্রথম গেমসের ফলিনে গিয়ে দেখি ষ্টাফ আরো মোটা হয়েছে এবং তাতে হাফপ্যান্ট ছিড়ে যাবার উপক্রম।
যাই হোক, ষ্টাফ আমাদেরকে সাবধান করে উলটা ঘুরে এ্যাডজুটেন্টকে রিপোর্ট দেয়ার সময় উনার পা বেশি তুলে চেক মারতে গিয়ে হাফপ্যান্টের সেলাই পিছন থেকে মাঝ বরাবর অনেকখানি ছুটে গেল।
বিহঙ্গ বিলাস
মেঘে মেঘে তো অনেক বেলাই হলো,
এবার গুছিয়ে নেওয়ার পালা, একমুখী পথ…
গন্তব্যে নিরন্তর ছুটে চলা।
ছুটে চলাই নিজের লক্ষ্য,
তবে কেন মায়ার শৃংখলে নিজেকে বাঁধা?
একটু একটু করে নয়, একেবারে ছিন্ন করব সব বন্ধন,
আকাশের নীল রঙে নিজেকে রাঙাব বলে
হুইস্পারিং
আমি ফার্মগেট ওভারব্রিজের উপরে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকি, প্রখর রোদে। নাগরিক ব্যস্ততা দেখবো বলে, সারিবদ্ধ গাড়ির ধেয়ে চলা দেখবো বলে, ফুটপাতের হকারের সংগে ক্রেতার দরদাম শুনবো বলে।
আমি জিরো পয়েন্টের চক্করে চিত হয়ে শুয়ে থাকি, চোখ বন্ধ করে। আশেপাশে অজস্র গুঞ্জন গুলো ফেনা পাকিয়ে আমাকে অষ্টপৃষ্টে বেধে ফেলে। আমি ব্যস্ততাকে অনুভূব করি।
আমি কর্ণফূলীর মোহনায় বসে থাকি, নদীর আর সমুদ্রের সঙ্গম দেখি,
বিস্তারিত»দিনকাল -১ : মাথাও আছে, ব্যাথাও আছে কিন্তু মহাবিশ্বে নেই একটা কুড়াল
বিভিন্ন সময় আমি আক্রান্ত হই তীব্র মাথাব্যাথার। ব্যাথাটা বিস্ফোরণের মত মাথার কোন এক নৈর্বত্তিক অংশে শুরু হয়ে তীব্রতা কমে বিস্তার বাড়ে, উভয়েই এক্সপোনেনশিয়ালী। মাথা ব্যাথার ফিজিক্যাল কারন ঘাটাঘাটি না করাটাই ভালো কারন, জান্তব বা দৈবচয়নে অনেক কারনই উঠে আসতে পারে। আমি অবশ্য মাথা ব্যাথার কারন কে বিশেষ গুরুত্ব দেই না। ব্যাথার প্রকোপে যখন সিগারেটের ধোয়া কাগজের মত বিস্বাদ লাগে তখন মাঝে মাঝেই দিশেহারা লাগে। জ্বলন্ত সিগারেট টা ফেলে দেই।
বিস্তারিত»সূর্যপুত্র (পর্ব ছয়)
সূর্যপুত্র (ভূমিকাসহ পর্ব এক) (পর্ব দুই) (পর্ব তিন) (পর্ব চার) (পর্ব পাঁচ)
****আমি স্পষ্ট করেই বলতে চাই…আমার এই লেখাটি সম্পূর্ণই বানানো। জীবিত…মৃত…কাল্পনিক কারও সাথে আমার এই লেখা মিলে গেলে সেটার দায়ভার আমার একেবারেই নেই…আছে সিসিবির প্রিন্সিপ্যাল ভাইস্যার… ভাইস প্রিন্সিপ্যাল ভাপু… অ্যাডজুট্যান্ট ভাইস্যার…ইত্যাদিসহ আমার সকল সিনিয়র/জুনিয়র ভাই/বোনদের…কারণ, বৃক্ষের আবার দায়ভার কিসের???????!!!!!
০২ মে,
বিস্তারিত»ফেডারেশন কাপের শিরোপা ঘরে তুলল মোহামেডান
টাইব্রেকারে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীকে ৪-১ গোলে হারিয়ে ২০তম সিটিসেল ফেডারেশন কাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। :awesome: :awesome: :awesome:
মোহামেডানকে অভিনন্দন। :guitar: :guitar: :guitar:
অভিনন্দন আবাহনীকেও।
বিস্তারিত»আবেগের কিছুক্ষণ … একটি কবিতা
অলির কথা শুনেছ তুমি?
রয়ে গেছে যা মোর হৃদয় মাঝে, বলা হয়নি তোমায়।
নোঙর করতে দেখেছ কোন জাহাজকে কখনও?
অধীর আমি, তোমার পরাণ মাঝে নোঙর ফেলবো বলে।
রংধনু দেখেছ আকাশপটে?
নোলকের ছটায় তুমি আরো বর্ণিল, ঐ সপ্তধনুর চেয়েও।
অন্ধকার দেখেছ তুমি?
রয়ে যায় তা হৃদয় গহীনে আর,
নোনা জলে মিশে যায় আমার অশ্রুজল।।
স্পর্শহীন অনুভব
একেকটি রাত কাটে নিদ্রাহীনতায়
সঙ্গোপনে ফেলি চোখের জল
আমার হৃদয়ের জ্বলন্ত আগুনটা
আমি নিভিয়ে ফেলতে চাই
দু’চোখের সমস্ত অশ্রু দিয়ে।
কিন্তু আমার অশ্রুগুলো বড় নিষ্ঠুর
আগুন না নিভিয়ে আরও বাড়িয়ে দেয়।
বড়লোকদের ব্যাপারস্যাপার
ব্লগে লেখা আর পত্রিকায় লেখার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। ভাষাগত পার্থক্য তো আছেই, বিষয়বস্তু নিয়ে অনেক সাবধান থাকতে হয়। কোন লেখায় কে আবার আহত হয় বোঝা মুশকিল, হোক না রম্য। তাই লিখতে হলো একটা শালীন রম্য। আজ ছাপা হয়েছে রসালোতে।
আবারও সেরা ধনী হয়েছেন বিল গেটস। তিনি নাকি সেকেন্ড আয় করেন ৩ হাজার ডলার। মানিব্যাগ থেকে ১ হাজার ডলারের নোট পড়ে গেলে তা আবার পকেটস্থ করেন না।
বিস্তারিত»লিরিক ২.০: টেবিলের চারপাশে
টেবিলে বসে ছিলো একাকী চায়ের কাপ
পাশের পিরিচে ছাইয়ের দাগ, অথবা পিঁপড়ের লাশ
টেবিলের চারপাশে এলোমেলো চেয়ার নির্ঘুম-
যারা চলে গেছে তাদের জন্যে নীরবতা সেখানে আজ।(১)
(কোরাস)
আমাদের যেদিন গিয়েছে চলে, যাবার আগে যায়নি তো বলে
সেদিন কি একেবারে গেছে হারিয়ে, হৃদয়ের সীমানা বহুদূর ছাড়িয়ে||
আমরা জেনেছি পৃথিবীর দিনরাত মানুষের জন্য নয়
পিরিচের ঘূর্ণিতে ছিটকে যাবে জলবিন্দুর স্রোত
মিছে প্রেম,
বাসর
(সিসিবির বিবাহযোগ্য বড় ভাইদের উৎসর্গ করে ব্লগে আমার প্রথম কবিতা)
হালছাড়া জীবনের ইতি টেনে আজ
হঠাৎ গিয়েছি থেমে ভেংগে ফেলে লাজ ,
বসে আছি আজ তাই কারো মুখোমুখি
দেড় হাত ঘোমটার ফাকে দিয়ে উকি
অবাক বিষ্ময়ে
চেয়ে আছি যুগ যুগ চোখ ক্ষয়ে ক্ষয়ে ।
কালো ঘোড়ার আরোহী!!! পর্ব তিন
৫।
কেটদের বাড়ি যাবার ট্রেইলটা কিছুটা রুক্ষ হলেও দুই পাড়ের অপরুপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মাইককে মুগ্ধ করল। অনেক দূরের পর্বত শ্রেনী তার বিশালতার মধ্য দিয়ে এই সৌন্দর্যকে শতগুণে বর্ধিত করেছে। ট্রেইলের এক পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে সরু জলধারা। পথ থেকে বেশ খানিকটা নিচে। সম্ভবত এটা ফ্লাশ ষ্ট্রিম, বর্ষাকালে বা পাহারী ঢল নামলে মনে হয় পানি অনেক বেড়ে যায়।
বিস্তারিত»বন্ধুরা …
জিমেইলে গত কিছুদিন ধরেই মেইল পাচ্ছিলাম ক্যাডেটকলেজ ব্লগ থেকে। আমার না কী এখানে কোন এক ব্যক্তিগত মেসেজ আছে সেজন্যে। যাই হোক, অবশেষে আসা হল এখানে আজ। আমার লেখালেখি পরীক্ষার খাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল কিছুদিন আগ পর্যন্তও। পিএইচডি করতে এখানে (নেদারল্যান্ড) আসার পর থেকেই একাকীত্বের কাছে আত্মসমর্পণ করেই মনে হয় কী-বোর্ড আর মনিটরকে আপন করে নিয়েছিলাম এখানে কিছু হাবিজাবি লেখে। তবে এটাই বা বাদ যাবে কেন?
বিস্তারিত»আমাদেউস (১৯৮৪)
যেভাবে একটি অপেরা শুরু হয়। পর্দা উঠুক আর না উঠুক, শুরু হয় ওভার্চার। মিলশ ফরমান এর “আমাদেউস” (১৯৮৪) এর শুরুটা ঠিক তেমনই। পর্দা ওঠার আগেই শুরু হয় ওভার্চার ধর্মী গাঢ় সুর। সুরের তালেই পর্দা ওঠে, আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে উনবিংশ শতকের ভিয়েনা-র একটি শীতল রাত, যেমন রাতে ঘোড়ারা নিঃশ্বাস ফেললে ধোঁয়াশার খেলা শুরু হয়। এই শীর্ণ রাতের নীরবতা ভেঙে কোত্থেকে চিৎকার ছুটে আসে-
মোৎজার্ট…
পেশকি-৪ (মোল্লা স্যার স্পেশাল)
খেলাধুলায় ভাল মইনুলকে মোল্লা স্যার খুব পছন্দ করতেন। মোল্লা স্যারের পছন্দের মাত্রা আরো বেড়ে গেলো যখন মইনুল লাথি দিয়ে দুই দুইটা ফুটবল ফাটিয়ে ফেললো।
*****************************
মইনুলের বিধ্বংসী গুনের কারনে আমরা তাকে গন্ডার, বুলেট ইত্যাদি নামে আদর করে ডাকতে থাকলাম। একদিন প্রেপে ওকে একটু বেশী গন্ডার বলা হয়ে গিয়েছিলো, ওই দিন প্রেপ গার্ড ছিলেন মোল্লা স্যার, মইনুল রেগে মোল্লা স্যারের কাছে নালিশ দিতে যাচ্ছিলো।