(১)
কলেজ থেকে বের হবার পর কোচিং করার জন্য ঢাকায় এলাম । একটা ফ্লাট ভাড়া করে আটজন থাকি । সবাই ক্যাডেট । ক্যাডেটরা একসাথে থাকলে যা হয় । রাতভরা আড্ডা , তাস পেটানো , সারা সকাল ঘুম । পড়াশোনা লাটে উঠল । সপ্তাহে তিনদিন লোকাল বাসে ঝুলে ঝুলে কোচিং এ যাই । এই যাওয়া আসাতেই শেষ । বই আর খুলে দেখা হয় না ।
দাদু ভাইয়ের গপ্পো
দাদু ভাই… দাদু ভাই সুর তুলে ছুটে আসে
সাত বছর বয়েসী দাদু ভাইয়ের চোখের মনি।
আহলাদী কন্ঠে সবুজ শুধায় –
আজ কোন গল্প বলবে দাদু ভাই?
ডায়েরী লেখা থামিয়ে চোখ তুলে তাকান বৃদ্ধ।
একটু মুচকি হেসে উত্তর দেন-
কেন দাদা ভাই; ঐ যে সেবার যুদ্ধে গেলাম…সেই টা বলি?
এদিক-ওদিক মাথা নাড়ে সবুজ।
সেতো বলেছো দাদু ভাই।
সূর্যপুত্র (পর্ব আট)
সূর্যপুত্র
(ভূমিকাসহ পর্ব এক)
(পর্ব দুই)
(পর্ব তিন)
(পর্ব চার)
(পর্ব পাঁচ)
(পর্ব ছয়)
(পর্ব সাত)
[তথাকথিত কোর্সের মাঝে চ্যাপ্টা হয়ে আছি…কোনদিকে খোঁজ নেবার ইচ্ছে-ই জাগে না!! এরই ফাঁকে আমার রুমে আবির্ভূত মিশন-ফেরত অতীব সিনিয়র স্যারের ইন্টারনেট দখলের কারণে…সিসিবি হতেও দূরে রয়েছি…। তবুও…দেশ ও জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে…
সাপ্তাহিক ১৬
( পোস্ট খরার সুযোগে অসময়ে আমার সাপ্তাহিক নিয়ে চলে এলাম। যদিও এটা একটা ফাঁকিবাজি পোস্টে পরিনত হবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। আশা করি পাঠকগন নিজ গুনে ক্ষমা করে দেবেন আর এটাকে প্রথম পাতা থেকে বিতাড়িত করতে সিসিবিতে পোস্টের বন্যা বইয়ে দেবেন।)
আজকে প্রায় সাড়ে তিন মাস পর ফুটবল খেললাম। আহ… কি আনন্দ। যদিও এতোদিন পরে মাঠে নামার কারনে শুরুতে কোন তালগোল পাচ্ছিলাম না,
বিস্তারিত»কোলাজ
পাতার কান্না শুনি ঝিকমিকে আঁধার নির্জন
সবুজ প্রহার…
এ সবই শীতল দৃশ্যে লেপটে থাকে
ঘুঙুরের শব্দের রঙ দেখে আমি যেভাবে বিস্ময়ে ভাসি
সেভাবে অনেক বছর পরে তোমরা সেই দৃশ্যটি দেখে
নিশ্চয়ই কাঁদবে
মুভি ব্লগ: হিচকক, অন্তহীন, কখনো আসেনি আর……
নানা ধরণের ছবি দেখা হয়। কিছু ছবি ভাল জেনে দেখি, কিছু এমনিতেই দেখা হয়। অসংখ্য ছবি জমা হয়ে আছে, সময়ের অভাবে দেখা হচ্ছে না। অসংখ্য ছবি এখনো কেনার আছে, কেনা হয় না। আজকাল হলিউডের বাইরের ছবির দিকে ঝোঁক বাড়ছে। সব সময় পাওয়া যায় না, কোনটা ভাল তাও সব সময় জানা থাকে না। জানতে পারলে ভাল হতো। সেদিক থেকে ব্লগ একটা ভাল মাধ্যম।
সময় হাতে থাকে কম,
একজন স্যালি ক্লার্ক
একজন ছাত্রকে ব্যারিস্টার হওয়ার জন্য কোর্সে পাস করার পাশাপাশি ১২টা কোয়ালিফাইং সেশন করতে হয়। লাঞ্চ এবং ডিনার গুলো একেকটা কোয়ালিফাইং সেশন হিসেবে ধরা হয়। প্রতিটা কোয়ালিফাইং সেশনে একজন রথী-মহারথী বক্তৃতা দেন। গতকাল রাতে লিঙ্কন্স ইন(Lincoln’s Inn)এ ডিনার করতে গিয়েছিলাম। সেখানে যিনি বক্তৃতা দিয়েছেন, তিনি একটা ঘটনা বললেন। সেই ঘটনা সবার সাথে শেয়ার করার জন্যই আজ অনেকদিন পর লিখতে বসলাম।
১৯৯০ এর দশকে ইংল্যান্ডের কোর্টগুলাতে পরিসাংখ্যনিক উপাত্তের(statistical data-র অর্থ তো মনে হয় এটাই,
বিস্তারিত»আবাহনী এবং মোহামেডান ঘরোয়া খেলা।
খেলা নিয়ে এটা আমার প্রথম পোস্ট। অতি সম্প্রতি আবাহনী ও মোহামেডানের দল গঠন ও খেলা নিয়ে সমর্থকদের উত্তেজনা ৯০ দশকের উত্তেজনাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। এটা সত্যি যে এবার ফুটবল ও ক্রিকেট উভয় জায়গায় আবাহনী হতে মোহামেডানের দল গঠণে অনেক বেশি চমক দেখিয়েছে।
তবে ক্রিকেটে আবাহনী হতে অধিক টাকা খরচ করেও বালান্সড দল গড়তে পারেনি মোহামেডান। তাদের বোলিংআক্রমনে দুর্বলতা আছে। এছাড়াও কোটার বাইরের খেলোয়ারগুলো আবাহনীর খেলোয়ারদের মত দক্ষ ও প্রতিভাবান নয়।
বিস্তারিত»পূর্নিমার রাতে
কাল রাতে ঘুম এল না
জানালার পর্দা ভেজিয়ে দিয়েও
তোমায় আড়াল করা গেল না ।
পশ্চিম আকাশের রাঙ্গা মেঘ
নিঙড়ে এসে আমার ঘরের ছাদে
দখল নিল ।
তোমার সোনায় ঝলসানো বাহূর
রশ্মি আমার মেঘের ঢাল ছিন্ন করে
আমায় জাপটে নিলো ।
সমুদ্রসীমা, পররাষ্ট্র কৌশল এবং মায়ানমার
অনেকদিন পর আবার লিখতে বসলাম। ভয় আছে বানান ভুল করি কিনা। অনেক কিছু ঘটেছে, তবে লেখার মত কিছু ছিল না। সম্প্রতি সমুদ্রে জলসীমা নির্ণয়ে জটিলতা আমাদের পররাষ্ট্র কৌশল নির্নয়ে সমস্যা সৃষ্টি করছে। আরেকটি নতুন চ্যালেঞ্জ হল মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন মোড়।
(১)
২৮ বছর হয়েছে আমরা সমুদ্রসীমা নির্ধারনে অবহেলা করেছি। একদিন যে সমস্যাটি ক্ষুদ্র প্রয়াসে সমাধান করা যেত তা আজ মহীরুহ হয়ে দাড়িয়েছে।
ভালো আছি, ভালো থেকো
আমার রুম থেকে বেরিয়ে করিডোরে দাঁড়িয়ে চোখ দুটো সোজা করে তাকালে সারি বাঁধা ইউক্যালিপ্টাসগুলো চোখে পড়ে সবার আগে। ওরা এমনিতে খুব চুপচাপ। শুধু হঠাৎ হঠাৎ যখন বাতাস এসে চুরি করে গায়ে এসে আছড়ে পড়ে তখন আনন্দে ওরা মাথা নাড়ে ঝিরঝিরে পাতাগুলো নাড়িয়ে । আমার এমনিতেই সচরাচর কোন কাজ কাম থাকেনা। যখন কিছুই করার থাকেনা তখন চুপচাপ করিডোরে ইউক্যালিপটাসগুলোকে সামনে রেখে দাঁড়িয়ে থাকতাম। থাকতাম বলাই ভালো।
বিস্তারিত»ফিকশন না, ফ্যাক্ট !
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘৃণাস্তম্ভ বলে একটা স্তম্ভ আছে। ৭১ এর রাজাকারদের বিরুদ্ধে ধিক্কার জানানোর উদ্দেশ্যে এখানকার শিক্ষার্থীরা এই স্তম্ভ নির্মাণ করেছে। ডাকসু ক্যাফেটেরিয়ার সামনে অবস্থিত এই স্তম্ভের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আপনাকে শুধু একটু কষ্ট করে এই স্তম্ভটির কাছে গিয়ে থুথু নিক্ষেপ করতে হবে। ব্যস হয়ে গেল; যুদ্ধাপরাধীদের আপনি জানিয়ে দিলেন আপনার মনের অনুভূতিটি। যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে রাজপথে নামতে পারেন না কিংবা কোন ফোরামে প্রকাশ করতে পারেন না নিজের মতামত তাদের জন্য এটি একটি এই অনন্য সুযোগ ।
বিস্তারিত»বিচ্ছিন্ন আবেশ
অনুভূতিহীনতা অথবা তীব্র অনুভূতিপ্রবণতা কিংবা বিচ্ছিন্ন অনুভূতির অসংলগ্ন জালে আটকে গেছি আমি। সাধারণ ভাবনা চিন্তার উর্ধ্বে মনে হচ্ছে নিজেকে। আমার কাছে সময়ের হিসাব নেই ভেবে আমি আৎকে উঠি। আমি কোথায় ছিলাম কেমন করে এখানে আসলাম সে হিসাব গুলো থাকছে না। সেটার দরকার আছে কি এখন- পরিষ্কার হয়না। আমার কানের কাছে ক্রমাগত বোঁ বোঁ শব্দ বেজে যাচ্ছে। চোখ দিয়ে তাকিয়ে চারপাশ দেখার চেষ্টা করছি। একটা বদ্ধ রুমের মাঝে আছি আমি।
বিস্তারিত»শ্রদ্ধাঞ্জলিঃ ডেভিড শেফার্ডকে উপলক্ষ্য করে স্মৃতিচারণ…….
অভাবনীয় খারাপ সময় যাচ্ছিল ২০০০সালে ভর্তি পরীক্ষাগুলো শুরু হওয়ার পরে…….বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় প্রচন্ড বৃষ্টির চোটে এমনিতেই অবস্থা খারাপ……তার উপর পাশে সিট পরা ছেলের যণ্ত্রণায় একসময় দুজনেরই খাতা নিয়ে টান দিলেন কর্তব্যরত শিক্ষক…….
বাসায় কিছুই জানালাম না…….নিশ্চিত বুয়েটে হচ্ছেনা…….ঢা.বি ‘ক’-ইউনিট পরীক্ষার আগের দিন বুয়েটের ফল দিল, যথারীতি আমি নেই……তাও বাসায় চেপে গেলাম…….
পরদিন নভেম্বর ১০, ২০০০…….ঢা.বি.-র পরীক্ষা হলো খারাপ……দাগাবো কি, হতাশায় নুইয়ে গিয়েছিলাম একেবারে…….সময় শেষ হলে সানাউল্লাহকে নিয়ে সোজা স্টেডিয়াম,
বিস্তারিত»আজহার উদ্দিনের মিষ্টি খাওয়া
রাতের চাদরে ঢাকা ঘুপচি গলির ভেতর একটা নিয়ন লাইট মৃত্যু যন্ত্রনায় কাপছে। ঘোলাটে আলো একবার জ্বলে উঠেই আবার নিভে যায় আর কিছুক্ষণের জন্যে আশে পাশের সরু রাস্তা, প্লাস্টারবিহীন নগ্ন ইটের খোপের মত টিনশেড, আর থকথকে নর্দমা নির্লজ্জের মত এই সামান্য আলোটুকু চুষে চুষে খেতে থাকে। দরিদ্র এলাকার ইট পাথরও হয়ত নিজ নিজ সমাজে শ্রেনী বৈষম্যের শিকার হয়ে ছোটজাত হয়ে যায়।
আজহার উদ্দিন আস্তে আস্তে প্যাডেল মারতে মারতে গলির প্রবেশ মুখের কাছে চলে এল।
বিস্তারিত»