ভিন্নচোখে ভিন্নতার মাত্রাজ্ঞান

লেখাটা ১৩ জুলাই ২০২১ তারিখে লিখেছিলাম, কিন্তু টেকনিক্যাল সমস্যার কারনে ব্লগে পোস্ট হচ্ছিল না।

হালের আলোচিত মাস্টারশেফ অনুষ্ঠান ও তাতে বাংলার ঐতিহ্যকে তুলে ধরা কিশওয়ার সম্পর্কে শুধু ফেসবুকেই পড়ে গেলাম। এত আলোচনা হচ্ছে একবার অন্ততঃ সময় বের করে দেখা উচিত বলেই মনে হলো। কারন এখানে আমাদের ঐতিহ্যের রিপ্রেজেন্টেশন নিয়ে কথা হচ্ছে। এবং আজই প্রথম তার ছোট্ট একটা ভিডিও ক্লিপ দেখলাম, সম্ভবত ফাইনাল ডিশের।

বিস্তারিত»

আমার কলেজের শিক্ষকেরা (অধ্যক্ষ)

আমার শিক্ষক ভাগ্য ছোটবেলা থেকেই ভালো। বরাবরই আমি গুরুজন শিক্ষকদের কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখেছি। এ অধ্যায়ে আমি আমার কলেজে পাওয়া শিক্ষকদের স্মৃতিচারণ/স্মরণ করবো। আমি আমার শিক্ষকদের কাছে কৃতজ্ঞ। শুধুমাত্র পেশাগত শিক্ষক নয়, অন্য যারা আমাকে কাজের মাধ্যমে, কথার মাধ্যমে, আচরণের মাধ্যমে আমার স্মৃতির মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই এ লেখা লিখছি। কারণ উনাদের ঋণ আমি শোধ করতে পারবো না।

বিস্তারিত»

কয়েকটি কবিতা


ক্রমশ কেমন একা হয়ে যায় জীবন। মনে হয়, কোথাও যেন নিস্তার নেই আর। একাকীত্ব জোনাকির মতো জ্বলে, নেভে, বুকের ভেতর কামড়ে ধরে। মুখের ওপর মুখোশ চাপিয়ে অনুভূতিহীন এক অবয়ব নিয়ে হাঁটি শহরের রাস্তায়। চারদিকে টের পাই এক ভীত সন্তস্ত্র জনপদ। কেউ কারো নয়। আম খেতে ইচ্ছে হয়। কিনি, কাটি, খাই, দাড়িতে মাখাই। ট্যাপ ছাড়ি, হাত ধুই৷ এ ঘর থেকে ও ঘরে যাই। জিমেইল খুলি,

বিস্তারিত»

স্বাভাবিক সৌজন্যের বৈপরীত্য

অনুকূল ভাবনাঃ

আমাদের জীবনের কিছু অদৃশ্য ছাতার কথা ভেবে গত ০৯ মার্চ ২০১৯ তারিখে একটা কবিতা লিখেছিলাম। সেটা একটি ইংরেজী কবিতার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছিল। গতকাল একজন আমেরিকান গল্পলেখক আমাকে জানালেন যে তিনি একটি গল্প লিখছেন, সে গল্পের জন্য তিনি একটি ‘ছাতা’ বিষয়ক কবিতা খুঁজছিলেন। সার্চে তিনি আমার ‘An Invisible Umbrella’ শীর্ষক কবিতাটির সন্ধান পেয়েছেন, যেটা তার গল্পের সাথে সম্পূর্ণ সাযুজ্যপূর্ণ (তার ভাষায়, ‘it fits perfectly into my story’)।

বিস্তারিত»

সমব্যথী

যারা কারো কথা ভেবে নীরবে এখানে ওখানে
দু’এক ফোঁটা অশ্রু ফেলে গোপনে গোপনে,
আবার চকিতে চোখ মুছে মুখে ম্লান হাসি হাসে,
আমি তাদের ব্যথার ভাষাটা বুঝি।

যে নারী রসুইঘরে পঞ্চব্যঞ্জন রাঁধতে রাঁধতে
প্রবাসী সন্তান কিংবা অন্য কারো কথা ভেবে,
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে আবার রান্নায় মনোযোগী হন,
আমি তার দীর্ঘশ্বাসের কারণটার কথা জানি।

যে কিশোরী রাফ খাতায় অঙ্ক কষতে কষতে
হঠাৎ একটি মুখ এঁকে ফেলে,

বিস্তারিত»

তখন এই ভালো….

তুমি একটা কিছু বললেই,
আমি চুম্বকের মত আকর্ষিত হই,
অভিভূত হই, আলোড়িত হই।
তোমার অদেখা মুখটা খুঁজতে থাকি,
চোখ দুটো খুঁজি, চোখের তারা খুঁজি।
আমার কান দুটো অতন্দ্র প্রহরীর মত
জেগে থাকে, বৃষ্টির শব্দ শোনার মত
তোমার সুরেলা কন্ঠ শোনার জন্য।

কিন্তু এসব কোন কিছুই যখন হবার নয়,
এ দু’চোখ তোমাকে
খুঁজে পাবে না,

বিস্তারিত»

কয়েকটি সাম্প্রতিক কবিতা

কেন ভালোবাসি,কেন নিভে যাই,
কেন ফিরে আসি,শুধু ক্ষতি বাড়াই।

তুমি তো জানো, কেন এ ক্রন্দন,
তুমি তো জানো প্রেম কেন হয়ে যায় ক্লিশে।
আমাদের অনুযোগ
প্রাত্যহিক মিলনে যায় মিশে।

আর যা মেশে না, আর যা অমিল হয়ে রয়,
কিছু তা তোমার মতো,
সত্য কিন্তু অবধারিত নয়।


আত্মবিনাশের পথ পেলে অবশেষে,
ক্ষতি নেই,

বিস্তারিত»

সিসিবি’র এই ঋণ কোনদিন শোধ হবে না…

ব্লগিং তো দূরের কথা, সিসিবিতে যোগ দেয়ার আগে আমি বাংলা টাইপই করতে পারতাম না। সেই আমি আজ বই প্রকাশ করার সাহস দেখাতে পারছি! ভাবা যায়! এর কৃতিত্ব পুরোটাই সিসিবি এবং সিসিবির সকল সদস্যের। আপনাদের অনুপ্রেরণা, প্রশ্রয় এবং ভালবাসা ছাড়া এটি কখনোই সম্ভব হত না। সিসিবি’র এই ঋণ কোনদিন শোধ হবার নয়।

—-

হে সিসিবিবাসী,

আমার উপন্যাস- ‘বলের বদলে গ্রেনেড’

বিস্তারিত»

মস্করা (মশক রা)

চারপাখা নিয়ে মোরা তিনজোড়া ঠ্যাং
মানুষের কানে কানে করি প্যান প্যান।
রক্ত তোমার খাসা, খেতে ভারি মিষ্টি
অযথাই হুড়ো দিয়ে ক্যান করো অনাসৃষ্টি।

খাবো আমি অল্প, দেহে যতটুকু সয়
তোমাদের মত নাকো করে অপচয়।
পেটে খেলে পিঠে সয় এইখানি মন্ত্রে,
দীক্ষিত মোরা বসি মানবযন্ত্রে।

তোমাদের ঢাকাতে আমাদের থাকাতে
দেখো কত হুল্লোড়, কত সাজ-রব,
কামানের আঘাতে আমাদের মারতে
দ্যাখ আজ কত লোক!

বিস্তারিত»

ধোঁয়ার পলিটিক্সকে

সিগারেট পুরুষালী, তুই কে হে অসভ্য মেয়ে
নিকোটিন কেন? র‍্যাটম খা, সিরিঞ্জে বিষ নে,
তোর স্বাধীনতা দেখে নষ্ট হয় পাড়ার মেয়েরা
তোর ধূমপানে জল আসে পুরুষের শিশ্নে!

অবশ্য বিড়ি কৃষকের, নিচু শ্রেণী, তামাকেও চলে-
গ্রাম্য মেয়ে হতি, কালো দাঁত পুঁড়ে যাওয়া জর্দাতে
তাতেও আপত্তি নেই, তবু সিগারেট কেন? তাও রাস্তায়?
সমাজ নষ্ট হয়,

বিস্তারিত»

হ্রস্ব জীবন, দীর্ঘ প্রতিবিম্ব

ঝুলে থাকে সে ঝুলে থাকা একটি পাতায়,
কিংবা কখনো নিশ্চুপ বসে থাকে
কোন সবুজ ঘাসের উঁচু করে থাকা মাথায়।
কখনো শিশির বিন্দু হয়ে, ধানের শীষে…
নয়তো জলে ভাসমান কোন পদ্মপাতায়,
কিংবা হিল্লোলিত কোন পুষ্পকোরকে।

যেখানেই সে থাক, যেভাবেই থাক,
তার স্মৃতি রয়ে যায় এক মুগ্ধ কবির নয়নে।
মৃদুমন্দ বাতাসে আন্দোলিত হতে হতে,
একটা সময় সে টুপ করে ঝরে পড়ে,

বিস্তারিত»

হাউজ মস্ক

ক্যাডেট কলেজ ব্লগে আমরা সাধারণত আমাদের সুখের স্মৃতি নিয়ে লিখে থাকি। সব সময় যে ঠিক একই রকম লেখা আসে তাওনা, আমাদের কিছু দুঃখের কাহিনীও ক্যাডেট কলেজ ব্লগে লিখা আছে।
আজকে অন্যরকম ব্যাপারে আলোচনা করতে চাই যা আজকে একটা ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ পড়তে গিয়ে চোখে পরে।

ব্লগটি লেখা হয়েছে হাউজমস্ক নামের একটা ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে। আমি নিজেও কলেজে হাউজ মস্কে মোটামুটি একটিভ থাকার কারণে আগ্রহ নিয়েই ব্লগটা পড়লাম।

বিস্তারিত»

অকবিদের কবিতা

অকবিদের কবিতা-
হয়তো সবই যাচ্ছে তা,
উর্বর বাংলার জনসংখ্যার মত
অগণিত…
অসহায়…
জন্মায় আগাছার মত।

তবুও আশায় থাকি-
একদিন আগাছার মধ্য থেকেই
সবার অলক্ষ্যেই-
কেউ কেউ উচ্চশির হবে,
মহীরুহ হয়ে দাঁড়িয়ে রবে,
গাছ আগাছার মাঝে, সগৌরবে!!!

অকবি’র কথাঃ একথা অনস্বীকার্য, সিসিবি’তে যারা কবিতা লিখেছেন এবং এখনও লিখছেন, তাদের সবার কবিতার মান (আমার নিজেরগুলো মতই) উচ্চ নয়।

বিস্তারিত»

করোনা পরবর্তী শিক্ষাদান: যেসব উদ্যোগ ও কৌশল জরুরি

কভিড-১৯ মহামারীর প্রকোপ ঠেকাতে এ বছরের ১৭ মার্চ সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দেয় সরকার। এর ফলে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন ও শিক্ষণ প্রক্রিয়া দারুণভাবে ব্যাহত হয়। পুরো পৃথিবী এখনও করোনামুক্ত নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসন্ন শীতে বাংলাদেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ধেয়ে আসছে। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কবে খুলবে তা কেউ বলতে পারছে না। অন্যদিকে, দেখতে দেখতে প্রায় আট মাস হয়ে গেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে আছে।

বিস্তারিত»

মেলবোর্নের দিনলিপি – ৬ঃ মাউন্ট ড্যান্ডিনং রেঞ্জে এক পড়ন্ত বিকেলে

এর আগের পর্বটি দেখতে পাবেন এখানেঃ মেলবোর্নের দিনলিপি – ৫ঃ নতুন বছরের (২০২০) প্রথম কয়েকটা দিন

প্রতি বছরের জানুয়ারী, ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসের প্রথম শুক্রবারে ব্রাইটন বীচের বেলাভূমি সংলগ্ন ভূমিতে খোলা আকাশের নীচে “Soul Night Market” এর আয়োজন করা হয়। Night Market বা “নৈশ বাজার” কেবল নামেই, আসলে এটা শুরু হয় মধ্যাহ্নের পর পরই, শেষ হয় সূর্যাস্তের ঘন্টাখানেকের মধ্যেই।

বিস্তারিত»