তখনও জানতে বাকি

তখনও জানতে বাকি

কথাঃ বাপ্পী খান

সুর-সংগীতঃ আইয়ুব বাচ্চু

শিল্পীঃ আইয়ুব বাচ্চু

এবি কিচেন স্টুডিও ভার্শন

 

তখনও জানতে বাকি, তুমি আর আমি,

কার চেয়ে কে বেশী, কাকে ভালবাসি?

এখন আর তখনের জীবনসীমায়,

তোমার ছলনাগুলো এখনো কাঁদায়।।

তখনও জানতে বাকি, তুমি আর আমি,

কার চেয়ে কে বেশী,

বিস্তারিত»

ক্ষণিকের দেখা, এ মায়াময় ভুবনে – ৫

আগের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ https://cadetcollegeblog.com/khairulahsan/63352

অভূতপূর্ব উদারতাঃ

মাস দুয়েক আগে আমি আর আমার স্ত্রী হাসপাতালে গিয়েছিলাম, এক্সরে করানোর জন্য। আমি এক্সরে বিভাগে প্রবেশ করে রিসেপশনে যখন জিজ্ঞেস করছিলাম কোথায় যেতে হবে, তখন লক্ষ্য করলাম আমাদের ঠিক পিছে পিছে আসা একজন প্রৌঢ় ভদ্রলোক সিঁড়ি দিয়ে উঠেই হাতের বাম দিকে চলে গেলেন। রিসেপশন থেকেও আমাদেরকে ঠিক সেই দিকেই যেতে বলা হলো।

বিস্তারিত»

স্মৃতিকথা- কাজলা দিদি

ঘূর্ণিঝড় ‘সি-ত্রাং’ এর প্রভাবে আজ সারাদিন ধরে ঝিরঝিরে ঝরা বৃষ্টির প্রকোপটা বিকেল থেকে যেন বেড়ে গেল। থেকে থেকে দমকা হাওয়াও বইতে শুরু করলো। বিকেল পাঁচটার দিকে ব্যালকনিতে গিয়ে দাঁড়ালাম। বাসার কিছুটা সামনে কয়েকটা বড় বৃক্ষ রয়েছে। সেগুলোর দিকে আমি প্রায়ই তাকিয়ে থেকে পাখিদের আনাগোনা দেখি। ঐসব গাছে প্রচুর টিয়া পাখি বসে। ঘন সবুজ পাতার সাথে মিশে যাওয়া টিয়া পাখিদেরকে শনাক্ত করার চেষ্টা করে চোখের পাওয়ার পরীক্ষা করি।

বিস্তারিত»

বালিশিরা রিসোর্টঃ শ্রীমঙ্গল এর ভ্রমণ কাহিনী

বেশ কিছুদিন যাবত ইচ্ছা হচ্ছিল সিলেট ঘুরতে যাওয়ার । কিন্তু দুঃখের ব্যপার হল, যখন আমি ছুটি পেলাম তখন শুরু হলো মহা বন্যা।বন্যার্ত সিলেট এরকম সময়  আমার পর্যটক হিসেবে যাওয়াটা মোটেও শোভনীয় দেখাবে না। তারপর বন্যা শেষ হবার পর শুরু হল আমার জ্বর। ট্রেনের টিকেট কাটা ছিল। কিন্তু যেতে পারি নাই।

অবশেষে পরের সপ্তাহে ট্রেনের টিকেট কাটলাম তবে সিলেট না, শ্রীমঙ্গল ঘুরার জন্য। কারণ ইতিমধ্যে আমার ছুটি প্রায় শেষের পথে।

বিস্তারিত»

মিনতি

মা’বুদ,
তুমি জানো, আমি আজীবন
আমার এ কল্যাণময় জীবনের জন্য
তোমার প্রতি কৃতজ্ঞ থেকেছি মনের মর্মমূলে।
এ জীবন ভেসে যেতে পারতো খড়কুটোর ন্যায়,
হারিয়ে যেতে পারতো দিগদিগন্তে অনায়াসে,
তোমার করুণায় প্রচণ্ড ঘূর্ণনের মাঝেও আমি
স্থৈত্য পেয়েছি, স্বস্তি ও শান্তি পেয়েছি,
ক্লান্তিতে ও শ্রান্তিতে বিশ্রাম ও ভরসা পেয়েছি,
অপ্রত্যাশিত সাফল্যে উজ্জ্বল ও বিহ্বল হয়েছি,
ক্ষণিকের তরে একটি ঠাঁই-ঠিকানাও পেয়েছি।

বিস্তারিত»

প্যারেন্টিং নিয়ে আমার ভাবনাঃ অতীত ও বর্তমান

১।

প্যারেন্টিং অত্যন্ত কঠিন। সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিনতম কাজের একটি। একেবারে শূন্য থেকে শুরু করে একটি বাচ্চাকে একটু একটু করে লালন-পালন করার মাধ্যমে কঠিন ও বিপদসংকুল পৃথিবীর জন্য প্রস্তুত করা মোটেই চাট্টিখানি কথা নয়। ছোট বেলায় কথায় কথায় বড়রা বলত- ‘যেদিন বাবা-চাচা-মামা হবি, সেদিন ঠিকই বুঝবি!’ বাবা না হলেও বহুদিন হলো চাচা হয়েছি। সমবয়সীরা (অনেকে একাধিক বাচ্চার) বাবা-মা হয়ে গেছে। কিন্তু, আমি তো বুঝিই না,

বিস্তারিত»

সারায়েভো সাফারি (Sarajevo Safari)!

”মানুষের মত এত অমানুষ জানোয়ার এই পৃথিবীতে নেই!”
সতর্কীকরণঃ নিচের লেখাটি নিজ দায়িত্বে পড়বেন। দুর্বল মনের অধিকারী হলে না পড়াই ভালো।

—————————

আজ একটি ডকুমেন্টারির ব্যাপারে জানতে পারলাম। নাম ‘সারায়েভো সাফারি’ (Sarajevo Safari)। এ বছরের আল-জাজিরা বলকান ডকুমেন্টারি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মুক্তি পাবে। ডকুটির টেকনিক্যাল তথ্যঃ

Genre: feature documentary film
Duration: 75 min
Year: 2022
Screenplay: Miran Zupanič
Director: Miran Zupanič
Featuring: Stana Ćišić,

বিস্তারিত»

নির্বাক হৃদয়ে, বিহ্বল চোখে শুভ্র সফেদ মেঘপুঞ্জের সখ্যে অতিবাহিত মনোমুগ্ধকর কিছু মুহূর্ত (ছবিব্লগ)

প্রায় চার মাসের মত সময় ধরে আমাদের প্রবাসী মেজো ছেলের বাসায় একটি চমৎকার অবকাশ কাটিয়ে আমরা সেদিন দেশে ফিরে আসলাম। কোথাও যাবার সময় যেমন মনে একটা আনন্দ থাকে, তার বিপরীতে ফিরে আসার সময় মনে অনুভূত হতে থাকে সাময়িক বিদায়ের একটা সূক্ষ্ম বেদনাবোধ। বিশেষ করে একেবারে শেষের সময়গুলোর স্মৃতি মনে ভাসতে থাকে। এবারে নবজাতক শিশুর কারণে বৌমা বিমানবন্দর পর্যন্ত আসতে পারেনি।

বিস্তারিত»

আমার প্রেমের এক জোনাকি…

আমার প্রেমের এক জোনাকি…

তুমি এলে অবেলাতেও
জোনাক্ জ্বলে মাঝ দুপুরে,
অমানিষা আইলা রাতেও
চাঁদ দেখা যায় পূণির্মাতে।
তোমার সাথে থাকলে আমি
পরিপূর্ণ বেঁচে থাকি,
মিথ্যা নামের ভণ্ডামীতে
যোজন যোজন দূরে থাকি।।
আমার প্রেমের এক জোনাকি…

আমি আছি ভিন্ন গ্রহে
তবু তোমার আপত্তি নেই,
শুধু তোমার একটাই চাওয়া
আবার যেন পালিয়ে না যাই।

বিস্তারিত»

ও যে কেড়ে আমায় নিয়ে যায় রে ….

তখন ১৯৯৪ সাল। দাপ্তরিক কাজে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলায় জেলায় যেতে হয়েছিল। পাবনায় যখন গেলাম, তখন করণীয় কাজটুকু সেরে ফেলার পর হাতে কিছুটা সময় রয়ে গেল। পাবনার ডাঃ ইসহাক একজন স্বনামধন্য চিকিৎসক ছিলেন, তার নামে একটি সড়কেরও নামকরণ করা হয়েছে। তার ছেলের সাথে আমার বন্ধুত্ব হয়েছিল, তিনিও এলাকায় বেশ প্রভাবশালী ছিলেন। তাকে বললাম, পাবনা মানসিক হাসপাতালটি একবার দেখে যেতে চাই। মানসিক রোগীদের ব্যাপারে আমি আজীবন কৌতুহলী।

বিস্তারিত»

মেলবোর্নের দিনলিপিঃ সৌজন্য, সহযোগিতা, সুআচরণ এবং সম্মান

উপরে যে কয়েকটি গুণাবলীর কথা উল্লেখ করলাম, তার মধ্যে প্রথম তিনটি যাদের মধ্যে আছে, শেষেরটিও তাদের মধ্যে অবশ্যই পাওয়া যাবে। অর্থাৎ যিনি অপরের প্রতি সৌজন্য, সহযোগিতা এবং সুআচরণ প্রদর্শন করে থাকেন, তিনি অপরকে অবশ্যই সম্মানও করে থাকেন, এবং এ কারণে নিজেকেও অপরের নিকট সম্মানীয় করে তোলেন। অস্ট্রেলিয়ায় এটা আমার তৃতীয় সফর। প্রতিবারে আমি এখানকার পথে ঘাটে, ট্রামে বাসে ট্রেনে, শপিং মলে, রেস্তোরাঁয় এখানকার মানুষের মাঝে এই গুণগুলোর পরিচয় পেয়েছি।

বিস্তারিত»

ভারী জীবনের ভারবাহী কিছু মানুষের কথা…..

দিনটি ছিল শনিবার, ১১ জুন ২০২২। ড্যান্ডিনং স্টেশনে নেমে আমরা অন্য লাইনের একটি ট্রেন ধরার জন্য প্ল্যাটফর্ম বদল করতে যাচ্ছিলাম। স্টেশনটি সে সময়ে মোটামুটি জনশূন্য ছিল বলা যায়। কিছুদূর এগোতেই দেখি, প্ল্যাটফর্মের মেঝেতে কে যেন শুয়ে আছে। তার পাশে একজন হাটু গেঁড়ে বসে তার মাথায়, গালে পরম মমতায় হাত বুলাচ্ছে। দু’জন ইউনিফর্মধারী স্টেশন সিকিউরিটি স্টাফ উদ্বিগ্ন চেহারায় শায়িত ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে আছে এবং মৃদু পায়চারি করছে।

বিস্তারিত»

ইচ্ছে নামের দৈত্যটাকে

ইচ্ছা নামের দৈত্যটাকে ……!!!!!!!!

ইচ্ছে হলেই পেতে হবে এই কথাটা কে বলেছে?
শ্রাবন মাসেই বৃষ্টি হবে এটাই বলো কে মেনেছে?
হৃদয় যদি পাখী হতো আমি তবে হতাম-টা কি?
মগজ যদি এতই ব্যস্ত কিসের এত জানাজানি?
তাই ইচ্ছা নামের দৈত্যটাকে সামলে রেখে চলো,
নতুবা কিন্তু সাজানো বাগান হতে পারে এলোমেলো।।

ইচ্ছে হলেই করতে হবে এমন কাজ কয়টা আছে?

বিস্তারিত»

গ্রহান্তরী ভালবাসা

গ্রহান্তরী ভালবাসা
—————
শিল্পী: রেশাদ
কথাঃ বাপ্পী খান
সুর-সংগীতঃ মাহফুজ আনাম জেমস
অ্যালবামঃ গ্রহান্তরী ভালবাসা (১৯৯১-৯২)
লেভেল: সারগাম
————————————
কোন এক রাতে
আমার স্বপ্নের উঠোনে
হঠাৎ আগমনে এক নভোচারীনি,
গ্রহান্তরী ভালবাসা।
অহঃরহঃ মেলামেশা
বৃষ্টির মত মাঝেমাঝে
জীবনের কাছে কিছু পাওয়া।
গ্রহান্তরী ভালবাসা।

কোমল আলিংগনে জড়িয়ে আমাকে
উড়িয়ে নিয়ে গেল এক স্বপ্নের দেশে।।

বিস্তারিত»

শিক্ষকের ডায়রিঃ পর্ব-৭

আমি সচরাচর আমার এক্সিস্টিং কোন ছাত্র/ছাত্রীর কাছ থেকে কোন প্রকারের গিফট/টোকেন রিসিভ করি না। তবে কালেক্টিভলি ছাত্র/ছাত্রীরা যদি ডিপার্টমেন্টের সব শিক্ষকের জন্য (বিশেষ করে তাদের বিদায় অনুষ্ঠানে) স্মৃতিস্মারক হিসেবে কোন কিছু দেয়, তখন তো সেটা নিতেই হয়। অবশ্য এর বাইরেও কখনো কখনো নিতে হয়েছে; যেমন, কেউ হয়তো বিদেশ সফর থেকে ফিরেছে, এবং ডিপার্টমেন্টের সকল শিক্ষকের জন্য কিছু টোকেন নিয়ে এসেছে; আমার কাছে তখন মনে হয়েছে সেটা ফিরিয়ে দেয়া অসামাজিক এবং অসম্মানজনক।

বিস্তারিত»