রোহিঙ্গা ইস্যুঃ সংকট নাকি সম্ভাবনা?!

কক্সবাজারের ‘দর্শনীয়’ জিনিসের তালিকায় নতুন সংযোজন রোহিঙ্গা এবং রোহিঙ্গা পল্লী। বিশেষ করে উখিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত এই ‘জিনিস’ প্রচুর পরিমাণে মিলবে। স্যুভনির পণ্য তালিকাতেও বেশি কিছু নতুন আইটেম যোগ হয়েছে। যেমন- জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (UNHCR) ছাপ মারা কম্বল, তাঁবু, ডাল, কৌটা বা টিনজাত খাবার, এমনকি ত্রাণের তরল দুধও! শোনা গেছে রোহিঙ্গাদের অনেকেই দুধ পানে অভ্যস্ত নয়। প্রাপ্ত দুধ দিয়ে অনেককে হাত-মুখ ধোয়া থেকে শুরু করে কাপড় ধুতেও (জ্বি,

বিস্তারিত»

টেলিভিশনে বিষয়বস্তুর খোঁজে

দু’হাজার দুই কী তিন সালের কথা। গিয়েছি এক বিদেশি রেডিওতে চাকরির ইন্টারভিউ দিতে। রেডিওটি খবর-নির্ভর এবং সঠিক খবর দেয় বলে খ্যাতি আছে। ইন্টারভিউ বোর্ডে ছিলেন দু’জন – একজন বাঙালি এবং একজন পাকিস্তানি। বাঙালি আমার কাছে জানতে চাইলেন আমাকে যদি সেখানে চাকরি দেওয়া হয়, আমি নতুন কী করতে পারবো। আমি উত্তর দিয়েছিলাম, ‘জনমুখী কিছু অনুষ্ঠান চালু করতে হবে এবং সঙ্গীতের একটি প্রোগ্রাম প্রয়োজন।’ তিনি আমার দিকে চেয়ে তাচ্ছিল্যের হাসি হাসলেন।

বিস্তারিত»

নিজের জন্যে শ্রদ্ধার্ঘ

কি? কি বললেন? নিজের জন্য শ্রদ্ধার্ঘ লিখবেন। মানে আপনি আপনার জীবন-গাঁথা লিখে রেখে যাবেন আপনার মৃত্যুর পর পত্রিকায় ছাপার জন্য? কি বলছেন এসব? যা-তা, একেবারে! আপনার মাথাটা পুরোটাই গিয়েছে! মরনের ইচ্ছে হয়েছে নাকি আপনার?
ঠিক এমনই প্রতিক্রিয়া দেখাবেন সবাই আমি যদি বলি আমার মৃত্যু-পরবর্তী শ্রদ্ধার্ঘ আমি নিজেই লিখে রেখে যাব।
চিন্তাটি মাথায় এলো কয়েকদিন আগে যখন আমি আমার মায়ের জন্য একটি শ্রদ্ধার্ঘ লিখতে চাইছিলাম।

বিস্তারিত»

মতিউর রহমান স্যার

আজকে কেন জানি হঠাৎ অংকের মতিউর রহমান স্যারকে বারবার মনে পড়ছে। একেবারেই কাদামাটির অন্তর, প্রাতঃস্মরণীয় মানুষ, পরম শ্রদ্ধেয় একজন মানুষ। আমাদেরকে তিনি নিজের সন্তানদের মতই দেখতেন।

স্যারের একটা অদ্ভুত অভ্যাস ছিল। কোন একজনকে ধমক দিতে হলে তিনি বলতেন, “ইডিয়েটস!”, আর একাধিক জন হলে বলতেন “ইউ ইডিয়েট!” গনিতের লোক বলেই বোধহয় গ্রামারের নাম্বারকে খুব একটা তোয়াক্কা করতেন না। তাঁর একটি কথা আমার মাথায় আজও ঘোরে (এবং আমি সবসময় অনুসরণ করার চেষ্টা করি) সেটা হল,

বিস্তারিত»

গৃহকর্মী কি বিদেশে পাঠাতেই হবে?

খবরে দেখলাম, আমিরা বিন আয়দান বিন নায়েফ নামে সৌদি এক প্রিন্সেস ফরাসি কাগজ ‘লো মন্দ’-এর কাছে রাজপরিবারের বেশকিছু গোমর ফাঁস করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন ক্রীতদাস প্রথা এখনও সেখানে বহাল আছে। রাজপরিবারের কাছের লোকজন ক্রীতদাস প্রতিপালন করতে পারেন। তারা মেয়েশিশুদের কিনে নিয়ে অন্যের কাছে ‘ভাড়া’ দেন। শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া এবং বাংলাদেশের মেয়েদের কথা তিনি উল্লেখ করেছেন।
বাংলাদেশের কথা তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন।

বিস্তারিত»

অস্ট্রেলিয়ায় অ্যাশেজঃ ইংলিশ খেলোয়াড়দের অগ্নি পরীক্ষা!

ঐতিহাসিকভাবেই ইংলিশ খেলোয়াড়দের জন্য প্রতিটি অস্ট্রেলিয়া ট্যুর অত্যন্ত কঠিন। প্রতিপক্ষ হিসেবে শুধু অসি ক্রিকেট দলই নয়, অস্ট্রেলিয়ার সবকিছু এবং সবাইকে মোকাবেলা করতে হয়। এই লড়াই শুরু হয় দেশটিতে পা রাখার আগে থেকে, আক্ষরিক অর্থেই! কেননা, এমনও হয়েছে প্লেনের পাইলট নিজেই ইংলিশ খেলোয়াড়দের স্লেজিং করছেন!!

অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ইংল্যান্ড যে সিরিজ জেতে নি, তা নয়। কিন্তু সংখ্যায় সেটা খুব কম। ১৯৫৪-৫৫ মৌসুমের পর মাত্র চারবার জিতেছে।

বিস্তারিত»

সাতাশ বছর পরে – পাঁচ

তোমার জন্য আবারো কবিতা পড়তে বসেছি
জীবনানন্দের কবিতা
“সুরন্জনা, ঐখানে যেও নাকো তুমি
বলোনাকো কথা ঐ যুবকের সাথে”।

যতোবার পড়ি, ততোবার একই কথা মনে হয়
এটা কি আমার জন্যই লিখেছিলেন
জীবনানন্দ?
নাকি নীলা, এই সুরন্জনাই তোমায় ভাবিত করেছে
ঐ যুবকের কাছে যেতে?

যতদূর পারি, চেস্টা করে গেছি,
হাঁটু গেড়ে ভুল স্বীকার করেছি,
যদিও তেমন কোন ভুল করিনি,

বিস্তারিত»

বাবা-মা চিরদিনই বাবা-মা

আমার বাবা ঝিনাইদাহ ক্যাডেট কলেজের পদার্থবিদ্যার শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষক হিসেবে তাঁর অবদান আমার জীবনে অনেক। তবে তাঁকে আজ শিক্ষক-রূপে চেনাতে চাইছি না। বাবা-রূপে চাইছি।
আমরা যখন খেলতাম তিনিও প্রায়ই আমাদের মাঝে থাকতেন, খেলতেন। বেশ কয়েকটি খেলায় তিনিও খুব ভাল ছিলেন। ডিউটি মাস্টারদের ক্যাডেটদের মাঝে থাকতেই হত। শুধু সে কারণেই তিনি আমার আশে-পাশে ঘোরাঘুরি করতেন তা নয়। তিনি কাছে থাকতেন তাঁর ছেলে খেলছে বলেও। ব্যপারটি আমি প্রথম টের পাই দশম শ্রেনীতে পড়ার সময়।

বিস্তারিত»

দেশের ভাবমূর্তিঃ অধিনায়ক নয়, বিসিবি প্রধানেরই দায় বেশি!

”অস্ট্রেলিয়ায় তখন চলছে ২০১৫ বিশ্বকাপ। ব্রিসবেনে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দলকে সংবর্ধনা দিচ্ছিল স্থানীয় বাঙালিরা। নিজের বক্তৃতায় দল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক পর্যায়ে বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান রসভরা কণ্ঠে বললেন, “আমাদের ‘বুম বুম তামিম’ তো এখন ‘ঘুম ঘুম তামিম’ হয়ে গেছে!’’
পুরো হলরুমে হাসির হুল্লোড় উঠল। ক্রিকেটাররা সবাই স্তব্ধ। তামিম ইকবাল চেষ্টা করেছেন স্বাভাবিক থাকতে। কিন্তু ভেতরে ভেতরে যেন মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। সেদিন রাতে হোটেলে ফিরে হাউমাউ করে কেঁদেছেন তামিম।

বিস্তারিত»

কাগজের চিঠি

আমাদের যখন ১২ বছর বয়স, বাবা-মাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলাম অনেক দূর। ক্যাডেট কলেজে পড়তে গিয়েছিলাম। আমাদের সেই অভিভাবকহীন দিনগুলোতে কলেজের শিক্ষকরাই ছিলেন বাবা-মা। তাঁরা আমাদের যতই ভালোবাসুন না কেন, বাবার-মায়ের অভাব পূরণ করতে কখনোই পারতেন না। ক্যাডেট কলেজের কঠোর জীবনের মাঝে, প্রায় সব ক্যাডেটই তাদের পিতা-মাতাকে চিঠি লিখতো, সারা সপ্তাহ সবাই অপেক্ষা করতো বাবা কিংবা মায়ের কাছ থেকে চিঠি পাবে বলে।
আমার জন্য অবশ্য ব্যাপারটি অন্যরকম ছিল।

বিস্তারিত»

পয়েন্ট

এই নিয়েছে ঐ নিল যাহ্‌ ! পয়েন্ট নিয়েছে কেড়ে,
লাগলে ধরব জীবন বাজি, পয়েন্ট দেব না ছেড়ে।
কাজের পিছে ছুটি আমি, ভেঙে পায়ের জয়েন্ট,
লাফিয়ে পড়ে ধরতে হবে মাটিতে পড়া পয়েন্ট।
কাজের মাঝে কাজের চেয়ে হিসেব করি যত,
বছর শেষে কার ঝুলিতে জমল পয়েন্ট কত।
না বাড়লে নিজের পয়েন্ট, মারি জোরে ল্যাং
নিচে থেকে জাপ্টে ধরি ঊর্ধগামীর ঠ্যাং।

বিস্তারিত»

The Land of the Thunder dragon…Travel to a sacred country

ভ্রমন সময়কাল অক্টোবর ২০১৬

পরিচিত কয়েকজনের ভূটান ভ্রমনের ছবি দেখে আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছিলাম যে এবার ছেলেমেয়েদের স্কুলের পূজার ছুটির সময় ভূটানে যাবো। সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নেয়া শুরু করলাম। গতবছর এক আত্মীয় ভূটান যেতে চাইলো কিন্তু বিমানের টিকেট না পাবার কারনে তারা শেষ পর্যন্ত যেতে পারে নি। এজেন্টের বক্তব্য – আগামী একমাস পর্যন্ত সব টিকেট বিক্রি হয়ে গেছে।

বিস্তারিত»

কেউ কেউ রয়ে যায়

রেলগাড়ির ভেতরে বসে সাঁই-সাঁই করে পার হয়ে যাওয়া স্টেশনগুলোর নামফলক পড়া আমার একটি নেশার মতো। সব পড়া যায় না, অনেকটি যায়। কিছু ফলক এতই পুরনো যে, পড়তে কষ্ট হয়। দিনের বেলা খুব একটা আনন্দদায়ক না হলেও, রাতের ট্রেনে যাওয়ার সময় ফলক চেনার পাশাপাশি স্টেশনের প্ল্যাটফর্মগুলোও দেখতে ভীষণ ইচ্ছে করে। অপেক্ষাকৃত নিশ্চুপ শহরের স্টেশন আমায় আরও বেশি টানে। স্বল্প-রাতে নিবুনিবু হলদে আলোয় দোকানিরা তাদের শেষ ক্রেতার কাছে সদাই বিক্রি করছে।

বিস্তারিত»

সৈয়দ হককে মনে পড়ে

খবরটি শুনেই মনে হয়েছিল একসাথে হাজার তারার আগুন বুকের ভেতর ছুরি হয়ে বিঁধেছে। নিজেকে আকাশের মতো একা মনে হলো, মানুষ জন্মের আগে পৃথিবী যেমন একা ছিল, তেমনই একা মনে হয়েছিল। তিনি চলে গেছেন এ বাস্তবতাটি মেনে নেয়া আমার জন্য কঠিন ছিল। জানি না কেন। আমরা সবাই জানতাম তিনি চলে যাচ্ছেন; ডাক্তাররা তাই-ই বলেছিলেন। বললেই বা কী! ওনাকে কীভাবে যেতে দেই? এমন মানুষকে যেতে দেয়া যায় না।

বিস্তারিত»

লিয়েরি কনস্ট্যানটাইনঃ দাসের নাতি থেকে ব্যারন হয়েছিলেন যিনি!

[ব্যারন লিয়েরি নিকোলাস কনস্ট্যানটাইন ছিলেন বিধ্বংসী বোলার, বিদ্যুৎগতি সম্পন্ন ফিল্ডার এবং মারকুটে ও নির্দয় ব্যাটসম্যান! তাঁর টেস্ট পরিসংখ্যান তেমন সমৃদ্ধ নয় (১৯ গড়ে ৬৩৫ রান এবং ৩০ গড়ে ৫৮ উইকেট) যতখানি তাঁর প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ার (২৪ গড়ে ৪৪৭৫ রান এবং ২০ গড়ে ৪৩৯ উইকেট)। কিন্তু তাঁর অর্জন এবং অবদান শুধুমাত্র সবুজ মাঠের ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তার চেয়ে অনেক অনেক বেশি ছিল!

বিস্তারিত»