মুক্তচিন্তা, চিন্তার মুক্তি নাকি মুক্তমন?

আমার বন্ধুদের ভাইবারে একটি গ্রুপ আছে। চব্বিশ ঘণ্টা আড্ডা চলে সেখানে। রাতে ঘুমানোর সময় নোটিফিকেশন বন্ধ করে করে রাখতে হয়। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বন্ধুরা। দেশে আমরা যখন ঘুমাচ্ছি, আমেরিকা-কানাডার বন্ধুরা তখন অফিসে যাচ্ছে; অথবা কেবল ঘুম থেকে উঠেছে। বেশিরভাগই ঠাট্টা-মশকরা ও কৌতুক লিখে পাঠায় সবাই। অনেক গুরুগম্ভীর জ্ঞানের আলোচনাও চলে হরদম। অনেকে আবার সে নিজে কত জানে তাও জাহির করতে চায়।
মাঝে-মাঝেই কেউ-কেউ ধর্ম নিয়ে কথা বলে বসে।

বিস্তারিত»

স্ট্রেস, ক্রিকেট, সাকিব ও দু’টি কথা…

বছর খানেক আগে সদা হাস্যজ্বল সারা টেইলর ক্রিকেট বিশ্বকে হতবাক করে জানিয়েছিলেন যে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছেন! ইংল্যান্ড নারী দলের এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান নাকি মাঝে মাঝেই তীব্র প্যানিক এটাকের শিকার হতেন! সাধারণত ব্যাটিং এ নামার আগে ড্রেসিং রুমে অপেক্ষার সময়ে এটাক বেশি হত, তবে মাঝে মাঝে ফিল্ডিং করার সময়ও তিনি এই সমস্যায় ভুগেছেন! মানসিক এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার আশায় কিছুদিন তিনি ক্রিকেট থেকে দূরেও ছিলেন…

বিস্তারিত»

পঞ্চাশ বছর পর…

অনলাইনে বিবিসি ম্যাগাজিনের একটি প্রবন্ধ পড়ছিলাম। শিরোনাম ছিল ‘১০০ বছর পরের কুড়িটি ভবিষ্যদ্বাণী’। শিরোনাম দেখে মনে হলো এমন প্রবন্ধ অনেকেই লিখতে পারে। তবে একনিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম। চমৎকার লাগলো। তারপর গুগলের কাছে গিয়ে জানতে চাইলাম বিশ্বের কোথাও কেউ ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা করছে কিনা। দেখলাম, সেখানে চার কোটিরও বেশি বিভিন্ন রকমের লেখা আছে। তাহলে অন্যান্য দেশে প্রায় সবাই এ নিয়ে ভাবছেন। মনে হলো দেখি বাংলাদেশে কে ভাবছেন।

বিস্তারিত»

সাতাশ বছর পরে – চার

এইভাবে না বলে একা একা চলে যাওয়া
একদমই ভালো ছিলোনা, নীলা।
যেতেই যদি হয় একবার বিদায় নিয়ে যেতে
বলে যেতে কোথায় যাচ্ছো,
হয়তোবা পথের সাথী হতাম, হয়তো আমরা আর ফিরতাম না।
এখন তুমি যেমন গেছো, নীলা।
হারাতেই যদি হয়, একসাথে হারাতাম
এক পথে, শেষ না হবার মতো এক রাস্তায়।

একা একা অপেক্ষা করতে ভালো লাগে না।

বিস্তারিত»

ঈমান আলীর হজযাত্রা

ঈমান আলী যেদিন তার স্ত্রী রাহেলার সাথে বসে হজ করার জন্য মক্কা-মদিনায় যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা সবাইকে জানাল, সেদিন থেকে তার চারপাশের মানুষগুলো দিন-থেকে-রাত হওয়ার মতো বদলে গেল। তার বন্ধু-স্বজন—সবার ব্যবহারে অজ্ঞাত এক পরিবর্তন লক্ষ করল সে। তার প্রতি সবার আচার-আচরণ বদলে গেল। এ সিদ্ধান্তে তার স্ত্রী নিজেও কিছুটা অবাক হলেও, নিজেকে গুছিয়ে নিয়ে স্বামী যেন তার ইচ্ছে পূরণ করতে পারে সে ব্যপারে মনোযোগী হলো। স্বামীকে দীক্ষা দেয়ার সাহস নেই—তবে তার মনের গতি-প্রকৃতি বুঝে,

বিস্তারিত»

মুমিনুল হক- আরেকটি আক্ষেপের নাম??

বাংলাদেশ হারুক…
মিডল অর্ডার কলাপ্স করবে…
গো হারা হারার পর কোচ-সিলেক্টর শিক্ষা পাবে…

উপরের কথাগুলো অনলাইন বা অফলাইনে অনেকেই বলছেন। কেউ কি খেয়াল করেছেন কথাগুলোর মধ্যে কত বিশাল একটি শুভংকরের ফাঁকি রয়ে যাচ্ছে?

কী হবে যদি বাংলাদেশ জিতে যায়?
কী হবে যদি মিডল অর্ডার কলাপ্স না করে?
কী হবে যদি আমরা গো হারা না হারি?

তখন কি এটাই প্রমাণিত হবে না (আপনাদের যুক্তি অনুযায়ী) যে মুমিনুলের বাদ পড়াটা যৌক্তিক ছিল?

বিস্তারিত»

না ভারত; না পাকিস্তান

আমরা বাঙালিরা ক্রিকেটের জন্য পাগল। আর আমাদের সেই পাগলামির মাত্রা আরও বেড়ে যায় যখন আমাদের ছেলেরা অন্য কোন দেশের বিরুদ্ধে খেলতে নামে। আমাদের আবেগ তখন সব ধরনের যৌক্তিকতার সীমানা পেরিয়ে যায়। আমরা চাই প্রতিটি খেলাতেই যেন আমাদের ছেলে-মেয়েরা জিতে যায়। মাঝে-মাঝে মনে হয়, বোধহয় খেলা নয়, আমরা আমাদের দেশ বাংলাদেশের জন্য আবেগ প্রকাশ করি; খেলার সঙ্গে দেশাত্মবোধকে এক করে দিই। আমার দেশ জিতবেই; বাঙালি সবসময়ই জিতবে।

বিস্তারিত»

সাতাশ বছর পরে- তিন

মাঝরাতে একা হাটতে গিয়ে পুরনো পথে দেখা হলো।
“নীলা তুমি এখানে কেনো, এখন কেনো, একা কেনো?
সারাদিন তোমায় খুঁজি, কোথায় হারিয়ে গেছো?
একা সময় কাটে না, বসেই আছি কখন তোমায় দেখবো।”

নীলার সেই তীক্ষ্ণ চাহনী, যা বুকে তীরের মতো লাগে
হেসে ফেললো, “আমি কি আর সবার মাঝে আছি?
তুমি খোঁজ, একা খোঁজ, তোমার কাছে ধরা দেবার জন্য
এই পথে,

বিস্তারিত»

সাতাশ বছর পরে – দুই

সারারাত ঘুম হয়নি নীলা। জেগেই আছি।

ক্লান্ত শরীর, যতবার বিছানায় গা এলিয়ে দেই
চোখ দুটো বারবার খুলে এক ঝটকায় খুলে যায়;
মনে হয় তুমি মাথার পাশে হবসে আছে
নরম হাত বুলাচ্ছো যেন দুদন্ড শান্তিতে ঘুমাতে পারি।

তোমায় পাশে সজাগ বসিয়ে কিভাবে ঘুম আসে?

এমন বিভ্রান্তের মত চোখ বুজে আসা ঘুম ভেঙে চলে,
নীলা তুমি পাশে নেই,

বিস্তারিত»

আমিও কি একজন ধর্ষক?

ধর্ষণ চলছেই। বিকৃত যৌনতা নিয়ে এ দেশের মেয়েদের অত্যাচার করেই চলেছে ছেলেরা। অনেকে আবার মানসিক বিকলাঙ্গতার প্রমাণ রেখে যাচ্ছে। এই বিকলাঙ্গতা পুরুষ হিসেবে মনের ভেতর প্রদাহের জন্ম দেয়, আক্রোশের জন্ম দেয়।
পত্রিকায় বেরিয়েছে যে একজন রাজনৈতিক কর্মী একজন ছাত্রীকে বাড়ি থেকে ক্যাডার দিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছেন। শুধু ধর্ষণই করেননি, ব্যাপারটি ধামাচাপা দিতে মেয়েটিকে ও তার মাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে দু’জনেরই মাথা ন্যাড়া করে দেন।

বিস্তারিত»

আহ ক্রিকেট! আহ রোমান্টিকতা!!

(চৌ জাফরউল্লাহ শরাফত টোনে পড়তে হবে O:) )

-সুপ্রিয় দর্শকমণ্ডলী, জেমস এন্ডারসন প্রান্ত থেকে বল করতে আসছেন ইংল্যান্ডের নয়নমণি, ল্যাঙ্কাশায়ারের সোনার ছেলে, সুইং এর রাজা, সিম এর নবাব জেমস মাইকেল ‘জিমি’ এন্ডারসন!!
এ কী তেলেসমাতি! এ কী অভাবনীয় ব্যাপার! এ কী কাকতলীয় ব্যাপার!
বোলার এবং বোলিং প্রান্তের একই নাম!!

(পাশ থেকে, ফিসফিস করে)
-ভাই, তেলেসমাতি’র কিছু নেই। গত সপ্তাহে ল্যাঙ্কাশায়ার কর্তৃপক্ষ ওর নামেই এই নামকরণ করেছে।

বিস্তারিত»

বাস্তবমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা : কিছু ভাবনা

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে খুব সাধারণ একটা অভিযোগ হল, এখানে যা শেখান হয়, বাস্তব জীবনে তা কাজে লাগে খুবি কম। আর বাস্তব জীবনে যা কাজে লাগে, সেগুলো সবাই শেখে ঠেলায় পড়ে। কথারটার মধ্যে সত্যতা আছে বলেই মনে করি। আমার মতে এই ব্যাপারগুলো আমাদের স্কুল সিলেবাসে থাকা উচিত যেগুলো বাস্তব জীবনে কাজে লাগবে-

রান্না ও পুষ্টি: সাধারণ রান্নার নিয়ম-কানুন জানা ও অভিজ্ঞতা থাকা সবারই দরকার।

বিস্তারিত»

বলের বদলে গ্রেনেড! (শেষ পর্ব)

আগের পর্বগুলোঃ ১০

২১।

নভেম্বর, ১৯৭১।

গত দুই দিন ধরে অনিক এবং ওদের দলের সবারই মন খুব প্রফুল্ল। এই মুহূর্তে ওরা গাংনির একটি স্কুল ঘরে অবস্থান নিয়েছে। ঘরটির অর্ধেকের বেশি গোলার আঘাতে বিধ্বস্ত হলেও ভেতরে কয়েকটি রুম অক্ষত আছে।

বিস্তারিত»

জীবনের জন্য ইন্টারনেট

বিশ্বব্যাংক গত বছর তাদের একটি গবেষণায় বলেছিল, বাংলাদেশে ৯০ ভাগ মানুষ এখনো ইন্টারনেট ব্যবহার করে না। নব্বই ভাগ অর্থ প্রায় ১৫ কোটির কাছাকাছি। ওদিকে বাংলাদেশ সরকারের হিসাবে ছয় কোটিরও বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। এই দুই পরিসংখ্যান মিলছে না। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের গণনার পদ্ধতি ভিন্ন, মতামত ভিন্ন। এই ভিন্নতা কেন হচ্ছে তা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। তবে এটুকু আশা করা যায় যে এই দুই পক্ষ একসঙ্গে কাজ করলে একটি চিত্র পাওয়া যেতে পারে।

বিস্তারিত»

‘নতুন কাপড়’ আন্দোলন শুরু হোক

অনেক দিন আগের কথা। ১৯৭৭ সাল। আমি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি। আমার পর আরও এক ভাই ও দু’বোন। আমরা সবাই ছোট্ট শিশু তখন। ঈদ এলে আনন্দই ছিল অন্যরকম। বিশেষ করে ঈদের কাপড়। নতুন কাপড় পরার আশা আমাদের সবাইকে আচ্ছন্ন করে রাখতো। পাড়ার সব ছোট ছেলে-মেয়ের জন্য তাদের বাবা-মা রোজার সময়ই নতুন কাপড় কিনে আনতেন। বড়রা আমাদের জন্য কাপড় কিনছেন বা দর্জির কাছে তৈরি করাতে দিচ্ছেন, আর আমাদের মধ্যে আনন্দের নদী বয়ে যাচ্ছে।

বিস্তারিত»