ভোজ বিহার-কুমিল্লা

ময়নামতি সেনানিবাসের দক্ষিণ প্রান্তে কোটবাড়ি মিলিটারী পুলিশ চেক পোস্টের উত্তর দিকে ভোজ বিহার অবস্থিত। কোটবাড়ি মিলিটারী পুলিশ চেক পোস্ট দিয়ে সেনানিবাসে প্রবেশ করে আনুমানিক আধা কিলোমিটার পথ অতিক্রম করলে হাতের বাম পাশে বাংলার প্রাচীন এই বৌদ্ধ বিহারের দেখা মিলবে। খননের ফলে এখানে ব্রোঞ্জনির্মিত একটি বজ্রসত্ত্ব মূর্তি পাওয়া গেছে। সাধারনতঃ বজ্রসত্ত্ব মূর্তি মহাযান মার্গের অনুসারীদের উপাস্য এবং তা বাঙলায় ১০ম শতাব্দীর আগে প্রচলিত ছিল না। কিন্তু মূর্তি বিশ্লেষনের পর অনেক বিশেষজ্ঞই ধারনা করেন যে,

বিস্তারিত»

আনন্দ বিহার

লালমাই-ময়নামতি পাহাড় শ্রেণির উত্তাংশের পূর্ব ভাগে অপেক্ষাকৃত নীচু ও সমতল ভূমিতে ময়নামতি সেনানিবাসের অভ্যন্তরে আনন্দ বিহার অবস্থিত। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ও কুমিল্লা অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত বিহারসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বড় এই বিহার ‘আনন্দ রাজার বাড়ি’ নামেও পরিচিত। ৮ম শতকে দেব বংশের সবচেয়ে যোগ্য ও প্রভাবশালী নৃপতি আনন্দ দেব এই বিহার প্রতিষ্ঠা করেন অথবা তার নামে তার যোগ্য পুত্র মহারাজা ভবদেব এটি নির্মাণ করেন বলে প্রচলিত ধারনা রয়েছে।

বিস্তারিত»

লতিকোট মুড়া – কুমিল্লা

কুমিল্লা-কোটবাড়ি-কালির বাজার রাস্তা ধরে কালির বাজারের দিকে যেতে থাকলে বাংলাদেশ একাডেমী ফর রুরাল ডেভলপমেন্ট (BARD)’র প্রধান গেট অতিক্রম করে হাতের ডানে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের পূর্ব/ডান দিকের প্রাচীর সংলগ্ন স্থানে লোতিকোট মুড়ার অবস্থান। এটি মাঝারি আকারের একটি বৌদ্ধ বিহার। বিহারের পাশ্ববর্তী স্থানে বেশ কয়েকটি প্রাচীন স্থাপনা রয়েছে। এই সবের মধ্যে ভোজ বিহার, রূপবান মুড়া ও ইটাখোলা মুড়া অন্যতম। প্রত্নতত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক ২০০৩ খ্রীঃ বিহারটির খনন কাজ করা হয়।

বিস্তারিত»

ইটাখোলা মুড়া – কুমিল্লা

কুমিল্লা-কোটবাড়ি-কালির বাজার রাস্তা ধরে কালির বাজারের দিকে যেতে থাকলে বাংলাদেশ একাডেমী ফর রুরাল ডেভলপমেন্ট (BARD)’র প্রধান গেট অতিক্রম করে হাতের ডানে ক্যান্টনমেন্ট কলেজ দেখলেই থামুন। কলেজের পশ্চিম পাশ ঘেঁষে একটি সরু রাস্তা উত্তরে এমনভাবে চলে গেছে যেন পাহাড়ে গিয়ে তা পথ হারিয়ে ফেলেছে। আপনি ঐ পথই ধরবেন, কিন্তু তার আগে উত্তরে আপনার দৃষ্টি প্রসারিত করুন। হ্যাঁ ইটের ভাটার মতো একটি স্থাপত্য দেখা যাচ্ছে নাহ!! সামনে ৫০ মিটার খানিক এগিয়ে চলুন,

বিস্তারিত»

রূপবান মুড়া – কুমিল্লা

সে অনেক অনেক অনেক কাল আাগের কথা, বাপ-দাদাদের জম্মেরও মেলা আগে নিরাশপুর নামে যে এক দেশ ছিল, ঐ যে! যে দেশের রাজার নাম একাব্বর বাদশা। সে ছিল আটকুঁড়ে। আটকুঁড়ে বাদশার মুখ দেখলে রাজ্যের অমঙ্গল হয় তাই বাদশা স্বেচ্ছায় বনবাসে চলে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রজা সকলের মঙ্গল কামনা করে যথা সময়ে বাদশা বনে নির্বাসিত হয়। একদিন গভীর বনের মধ্যে নিজের অজান্তেই, অনিচ্ছাকৃতভাবে বাদশা ধ্যানরত এক সাধুর ধ্যানভঙ্গ করেন।

বিস্তারিত»

আজকে বিকাল

আজকে বিকাল
———————-

আজকে বিকাল কেমন জেনো

বিষন্নতায় ভরা,
মেঘলা আমার হিয়ার দেশে
বিষাদের বরষা।।

চিন্তামনির চিন্তা জুড়ে
কুহক কাকাতুয়া,
মোর-ভাবনার আনাচে-কানাচে
বেজায় যন্ত্রণা।।

ছোট খাটো স্মৃতি গুলো
ফুলে ফেঁপে হয় বিশাল,
ভাললাগায় প্রশ্নবোধক
ময়লা রং-এর বিকাল

বাপ্পী খান
২৫/০৮/২০১৭
মগবাজার
(Mustafiz/sb330/7th bcc)

বিস্তারিত»

কুটিলা মুড়া – কুমিল্লা

আমরা আমাদের আদিমতম সমাজবদ্ধ জীবনে শুদ্ধ প্রকৃতির কোলঘেঁষে কি অকৃত্রিমই না ছিলাম। অরণ্য ছিল আমাদের বিচরনভূমি, গুহা কিংবা গাছের কোটর ছিল আশ্রয়স্থল। আমাদের সংস্কৃতি ছিল খাদ্য সংগ্রহ করা – গাছের ফল আর পশু শিকারই ছিল খাদ্যের উৎস। তখনও আমরা খাদ্য উৎপাদনকারী নই। গাছ থেকে ফলমূল আর পশু থেকে মাংস আহরনের মধ্য দিয়ে আমরা উপলব্ধি করলাম যে আমরাও ঐসব গাছপালা আর জীবজন্তু থেকেই উৎপন্ন, ওসব আমাদের সাথে একাত্মা।

বিস্তারিত»

প্রেমের সংজ্ঞা

প্রেমের সংজ্ঞা।

এটাতো একলা একটা হৃদয়; কোন মহাকাশ নয়,
ছোট ছোট অভিমান; সুখ জাগানীয়া নয়।
তারপরেও সুযোগ আসে; হিয়ার চতুরতায়,
সত্যি প্রেমের প্রলাপ শোনে; মনের বর্বরতায়।
প্রেমের সংজ্ঞা কে দিতে পার
আমিতো পারিনা মোটে,
তুমি যদি পারো বলনা আমায়
কপালেতে যদি জোটে।।

যতদিন যায় ততবেশী দেখি; নতুনের রং পেলব,
মানেনা কিছুই ঘর সংসার;

বিস্তারিত»

চারপত্র মুড়া – কুমিল্লা

ছোট একটি ইমারত, অন্য সব স্থাপনার তুলনায় চোখে পড়ার মতো নয় – অথচ এর মাঝেই লুকিয়ে ছিল অমূল্য সব তথ্য, ধূলো-মাটির পাজরে আকড়ে থাকা বাংলার এক অজানা ইতিহাস। স্থাপনাটি একটি মন্দির কিন্তু এর গঠন, স্থাপত্যশৈলী, ভূমি পরিকল্পনা ও আকার-আকৃতি বাঙলার সর্বজনীন মন্দির-স্থাপনার তুলনায় ভিন্নধর্মী। তাই বাংলাদেশের প্রত্ন-ইতিহাসের বিস্ময় জাগানিয়া এই মন্দির বেশ কয়েকটি কারণে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ময়নামতি সেনানিবাসের ভিতরে ও ময়নামতি-লালমাই পাহাড় শ্রেণির উত্তরাংশে ১০.৬ মিটার উঁচু এক পাহাড়ের উপরে প্রাচীন বাঙলার এই মন্দিরটি অবস্থিত।

বিস্তারিত»

সাগরদিঘী – টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপেজলার লোহানী গ্রামে সাগরদিঘী নামে ঐতিহাসিক এক দিঘী রয়েছে। এলাকাটি বাংলাদেশের অন্যান্য অংশের ন্যায় সমতল নয় বরং এর সাধারন ভূমি উচু, টিলার মতো বা পাহাড়ী। বাংলাদেশের প্রাচীনতম ভূমি গঠনের আদি নিদর্শন মধুপুর-ভাওয়াল গড়ের এক অংশ এটি। ধারনা করি এখানকার সভ্যতার ইতিহাসও তাই বেশ প্রাচীন। গ্রামের পূর্ব দিকে রয়েছে সনাতনী ধর্মের রাধা-কৃষ্ণের তমালতলা, গুপ্ত-বৃন্দাবন আর পশ্চিম পাশে রয়েছে বেহুলা-লক্ষীন্দরের পদ্মদিঘী, লক্ষীন্দরের বাবা চাঁদ সওদাগরের বাড়ী ইত্যাদি।

বিস্তারিত»

অব্যক্ত ভালোবাসা

প্রিয়ার অভিশাপ নিয়ে পুড়ে যাওয়া
ভালোবাসার লতা-গুল্মগুলোর উপহাস,
বারান্দায় টবে ঝুলানো মানিপ্ল্যান্ট গাছটির
অহংকার মেশানো দোল খাওয়া,
কোন কিছুই আমায় আজ
স্পর্শ করেনা প্রিয়তমা।
না দেয়া মিথ্যে আশ্বাস
সত্যভাষণের নীল কষাঘাত,
ছিন্ন ভিন্ন করে দেয় হৃতপিন্ড…।
রক্তক্ষরণ…?
সেতো বুকের মধ্যে চলছে…
চলুক…
না হয় কেউ না-ই বা দেখলো …
না-ই বা জানলো…

বিস্তারিত»

শালবন বিহার – কুমিল্লা

বাংলাদেশ তথা কুমিল্লা জেলার ‘আইকনিক ল্যান্ডমার্ক’ শালবন বিহার ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীনতম বিহারসমূহের মধ্যে অন্যতম। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শ্রমন, ভিক্ষু, আচার্য্য, সিদ্ধি-পুরুষদের মূলতঃ ধর্ম-চর্চ্চা কিন্তু পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়াদি সম্পর্কেও পড়াশুনার জন্য আবাসিক শিক্ষালয় হল বিহার। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন স্থানে বাংলার বিহার স্থাপত্যের অনুকরণে রচিত বৌদ্ধবিহারের অস্তিত্ব নজরে পড়ে। সব বিহারগুলো একদিনে তৈরী হয়নি বটে তবে বুদ্ধদেবের জীবদ্দশাতেই বিহারের প্রচলন শুরু হয়। সাধারনতঃ বর্ষাকালে পর্যটনে বিড়ম্বনা,

বিস্তারিত»

একদিনের ডে ট্যুরের অভিজ্ঞতা : বারো বাজার, ঝিনাইদহ ভ্রমন

এই ব্লগটি তাদের জন্য এড়ানো সম্ভব হবে না,যারা শুধু ভ্রমন পিপাসুই নয়, পুরাকীর্তি এর প্রতি আগ্রহী।

গত শনিবার আমি গিয়েছিলাম যশোর থেকে ২০ কিমি উত্তরে বারবাজারের মাজার আর প্রাচীন মসজিদ দেখতে। ঢাকা থেকে কেউ আসতে চাইলে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ এর পরেই এর অবস্থান। এখানে আরো আছে প্রাচীনতম বটগাছ আর নানা লোককাহিনী। স্বল্প এই ডে ট্যুর আপনি অবশ্যই উপভোগ করবেন।

shortly describe করছি আমার অভিজ্ঞতা…

বিস্তারিত»

কুমিল্লা

প্রাচীন বাঙলা রাষ্ট্রের অখন্ড সীমানা নির্ণয় করা দুস্কর – এ যেমন সত্য, তেমনি প্রাচীন বাঙলা যে ১৬ টি জনপদ নিয়ে গঠিত হয়েছিল আর সমতট যে এর মধ্যে অন্যতম এও সত্য। পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাঙলায় ব্রহ্মপুত্র নদের মোহনা ও বাঙলার মধ্যাঞ্চল বিশেষ করে মেঘনা নদীর পূর্বাঞ্চলের সমতল নিম্নভূমি যা বঙ্গ ও সমতট নামে পরিচিত ছিল তা ফরিদপুর, মুন্সিগঞ্জ, খুলনা, যেশোহর, বরিশাল, নোয়াখালী, ফেনী ও সমগ্র কুমিল্লা এবং ভারতের ২৪ পরগনা ও ত্রিপুরা রাজ্যের বৃহৎ অঞ্চল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।

বিস্তারিত»

নান্দাইল দিঘী – জয়পুরহাট

সারা বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে জুড়ে অসংখ্য নাম জানা-না জানা পুকুর-দিঘী ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। সব দিঘীই আবার সকলের কাছে সমানভাবে পরিচিত বা জনপ্রিয় নয়। সাধারনতঃ বিনোদন, বনভোজন আর বৈকালিক ভ্রমণের সুবিধা-সম্বলিত অল্প কিছু দিঘীই এই তালিকায় স্থান করে নিতে পেরেছে। পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় জয়পুরহাট জেলার কালাই উপজেলার পুনট ইউনিয়নের নান্দাইল গ্রামের ‘নান্দাইল দিঘী’র যেমন রয়েছে ঐতিহ্যময় ইতিহাস তেমনি রয়েছে এর অপরিসীম প্রত্ন-মূল্য। নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার আলতা দিঘী কিংবা দিনাজপুরের রামসাগর আজ যেমন সকলের কাছে সুপরিচিত তেমনি ‘নান্দাইল দিঘী’ সকলের মনে এখনো তেমনভাবে স্থান করে নিতে পারেনি।

বিস্তারিত»