সেই দেশ আর এই দেশ!

অনেক পুরানো দিনের একটা ফাইল খুজে পেয়ে নিজে নিজে বহু ক্ষন হাসলাম। পিয়নটা এর মাঝে দুইবার উকি দিয়ে দেখে গেছে। নিশ্চয়ই ভাবছে,স্যার কি পাগল হয়ে গেল?

আমাদের সাইকোলজি হেড অব দা ডিপার্টমেন্ট এমন একা একা রুমে ছাদের দিকে মুখ করে হাসতেন। একদিন ওর এসিসট্যান্ট কে কথাটা বলেই ফেলি সাহস করে, সে হেঁসে আমাকে আরো মজার উত্তর দেন। তাকে নাকি আত্মভোলা এই মানুষটি প্রায়ই প্রশ্ন করেনঃ আচ্ছা তুমি কি জান,

বিস্তারিত»

জন্ম পদ্যের গদ্যরূপ

এই রকম একটা লেখা লেখার কোন ইচ্ছাই ছিল না,তবুও লিখছি। স্মৃতিচারণে পুরনো লেখা পড়তে জুড়ি নেই।
আজ ২৫শে মে। আমার জন্মদিন। সেই সাথে সাথে নজরুল জয়ন্তী। তবে আজ কবি নজরুলের ঢোল না পিটিয়ে নিজের ঢোল পিটানোর জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।

তুষখালি ও আমি

আমার জন্ম এইসব কংক্রিট পাথর ইটের শহরগুলো থেকে অনেক দূরে। বর্তমান পিরোজপুর জেলার,মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালি নামক ইউনিয়নে।

বিস্তারিত»

স্যারদের আদর-ভালবাসা-১

কলেজে কাটানো দিনগুলিতে অনেক স্যারদের আদর-ভালবাসা বুঝতে পারিনি, যেটা বুঝতে পেরেছি কলেজ থেকে বের হবার দিন বা এরও অনেক পরে। সেইসব কিছু সৃতি তুলে ধরার চেষ্টা।

আমাদের ব্যাচের বি সেকশনের ফর্ম মাষ্টার ছিলেন আমাদের অনেক শ্রদ্ধেয় ও বন্ধু-সুলভ মিজান স্যার। বন্ধু-সুলভ কেন? কারণ আমাদের অনেকের গার্ল ফ্রেন্ড এর কাছে লিখা প্রেমপত্র ও বিভিন্ন অকেশান এর সময় কার্ডও আমরা স্যারকে দিয়ে কিনিয়ে পোস্ট করিয়েছি।

বিস্তারিত»

আমার নতুন পরিচয়ঃ আমি ক্যাডেট

অনেক দিন ধরে ভাবছি কিছু  একটা লিখব…… কিন্তু অনেক দেরি হয়ে গেল…। শেষ কবে বসেসিলাম লিখার জন্য মনে করতে পারছি না । কিছু একটা লিখার চেষ্টা করছি ভুল ত্রুটি হলে নবীন  হিসেবে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশাকরি ।

অনেক ইনটেকের বর্ষপূর্তি দেখে কলেজ এর প্রথম দিন গুলোর কথা মনে পড়ছে। এবং আরও বেশি মনে পড়ছে ভর্তির ইতিহাসের কথা।

কলেজ এর প্রথম কথা মনে  হলেই মনে পরে যায় আইয়ুব বাচ্চুর সেই গান “হাসতে দেখ গাইতে দেখ,

বিস্তারিত»

যখন আমি ক্যাডেট ছিলাম (পর্ব ৪)

নতুন জীবন ও একজন জুনায়েদ স্যারঃ

নেমপ্লেটটার দিকে তাকিয়ে ফোঁস করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলি। পাশের বেডে বসা তারান্নুম (সেই রোগা টিংটিঙে মেয়েটা) পা দোলাতে দোলাতে জিজ্ঞাসা করলো,” এমন বড় বড় দীর্ঘশ্বাস ফেলছিস কেন?” আমি আরেকটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলি,”আমার নেমপ্লেট দেখে! এটা কোন নাম হলো বল তো? রাহাত আরা! খেয়া নামটা কতো সুন্দর না?” তারান্নুম হি হি করে হাসে,” সত্যিই তো! রাহাত আরা,কি আজব নাম!

বিস্তারিত»

যখন আমি ক্যাডেট ছিলাম (পর্ব ৩)

প্রথম দিন,অমলিনঃ

“দেখি ভাই, আমাকে একটু দেখতে দেন………“- বলতে বলতে ভীড় ঠেলে নিজের জন্য একটু জায়গা করে নেওয়ার চেষ্টা চালায় পাপা। “আয়েশা হাউস।“- বিড়বিড় করে নামটা বারকয়েক আউড়ে নিলাম আপনমনে। ইতোমধ্যে জানা হয়ে গেছে আমার, ক্যাডেট কলেজে ‘হল’ বলা হয় না, বলতে হয় হাউস; রুম না বলে বলা হয় ডরমেটরি। পাপা অভিভাবকদের লিস্টে স্বাক্ষর করে বিজয়ীর ভঙ্গিতে ফিরে আসে। “বেটি, তোমার ডর্ম নাম্বার ২০৭,

বিস্তারিত»

“মা”

দিনটা ছিল শুক্রবার ।

সারা দিন টানা ক্লাশ ছিল। দুপুরে খাবার ও সময় মিলেনি। পেটে ইঁদুরের দৌড়োনি।হোস্টেলে এসে ভাত রেধে খাবো ভেবেই ভাল লাগছে।পিটার হিলি ওয়েগ-১৩, স্টুডেন্টস হোস্টেল, ১০০৮ নম্বর রুম। ‘এক’ নিচের তলা নির্দেশক।ইন্টারনেশনাল উইং। পার্টিকোতে থরে থরে সাজানো লেটার বক্স থেকে নিজের টাতে হাত দিয়ে একটা কার্ড পেলাম। একটা ‘প্যেকেট’ ডেলিভারি নোটিস।বাংলাদেশ থেকে এসছে। বিকাল পাঁচটার মধ্যে ‘ হোপ্ট পোস্ট আম্ট ‘

বিস্তারিত»

আমি যখন ক্যাডেট ছিলাম

 

লক্ষ্য যখন ক্যাডেট হওয়া :

রাগে গজগজ করতে করতে মোড়টা পেরোলাম ।-“এতো সকালে মানুষ ওঠে ঘুম থেকে ? ওঠে কাক । আমি কি কাক ? কেন কোচিংটা এই কাকডাকা ভোরেই হতে হবে ?” প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠতে ভীষণ কষ্ট হয় আমার । কোনমতে নামায পড়ে পোশাকটা বদলে আসতে গিয়ে অবধারিতভাবে দেরী হয় প্রতিদিন । তাই প্রথম ক্লাসে দাঁড়িয়ে থাকাটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে ।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট লাইফ ও একটি মায়ের চিঠি

আম্মুর সাথে যোগাযোগের মাধ্যম ছিল চিঠি। দুই টাকার হলুদ একটি খাম ভেতরে দুই জনমের আবেগ। আম্মুর লেখা প্রতিটি চিঠি অসংখ্য বার পড়তাম।
মাঝেমাঝে চোখ ঝাপসা হয়ে এলে কোন মতে বালিশে চাপা দিতাম অবাধ্য অশ্রুরাশিকে। প্রতি সপ্তাহে একটি চিঠি আসতো। মায়ের কাগজ বন্দী আবেগ আর উপদেশ গুলো ক্যাডেট কলেজের সেই প্রতিকুল পরিবেশে টিকে থাকার প্রেরনা যুগিয়েছে। আধুনিক সভ্যতার মুঠোফোনের বেতার তরঙ্গ তখনো ক্যাডেট কলেজে জায়গা করে নিতে পারেনি আর্মি হেড কোয়াটারের স্বেচ্ছাচারিতায়।

বিস্তারিত»

জন্মদিনের তোড়া তোড়া ফুল

গলির সামনের চায়ের দোকানে আড্ডা দিতে দিতে সিরাজ হঠাৎ চিন্তিত মুখে বললো, আচ্ছা আমরা কি বেহেশতে যামু , না দোযখে ?
মনে হয় দোযখে। বেহেশতে যাওয়ার মত কিছু তো এ জীবনে আমরা কেউ করি নাই, তাই না? -বললাম আমি।
এবার সিরাজের চোখ-মুখ খুব সিরিয়াস হয়ে গেল। জিজ্ঞেস করে, আচ্ছা দোযখে কি চিরকাল আজাবের মধ্যে থাকতে হবে আমাদের সবাইকে? মাঝে মাঝে যদি একটু রেস্ট চাই,

বিস্তারিত»

“সত্য” সমগ্র

আজকাল ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রসারের ফলে কলেজের স্মৃতিচারন করা সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে। কোন কাহিনী লিখতে গেলে তা স্যার অথবা এডজুট্যান্টের চোখে পরার সমূহ সম্ভাবনা। 😕 কিছুদিন পূর্বে বন্ধু দিবসের এই পোস্টের ম্যাডাম তার পোস্ট খানা পড়ে বড়ই লজ্জ্বাগ্রস্থ হয়ে পরেছে বলে খবরে প্রকাশ। :grr: তাই “নাম বলব না” খালি অর্থনীতির এক শিক্ষকের কাহিনী বলে ক্ষান্ত দিব।

ক্লাশ নাইনে থাকতে স্যারের এফসিসি থেকে বিসিসিতে আগমন।

বিস্তারিত»

আসুন শিখি: ব্যবহৃত মোজা দ্বারা বল তৈরির পদ্ধতি (নব্য ও ভবিষ্যৎ ক্যাডেটদের অবশ্যপাঠ্য ব্লগ)

সেই ইন দি ইয়ার অফ নাইন্টিন সিক্সটিনাইন মানে ২০০২ সালের ৭ মে বরিশাল ক্যাডেট কলেজের প্রাঙ্গণে যোগদান করিয়াছিল এক নাদান আলাভোলা বাচ্চা। কলেজে ছয় বছর অবস্থানকালে সে শিখিয়াছে অনেক। তবে ৬ বৎসর কলেজে অবস্থানকালে উক্ত বালক দুর্গন্ধময় ব্যবহৃত মোজার সদ্ব্যবহার সম্পর্কিত যে বিশেষ বিদ্যা অর্জন করিয়াছে তাহার কোন তুলনা নাই। :grr:

কলেজে প্রথম ৭ দিন অবস্থানকালে একদা বালক ডাস্টবিনের আড়ালে এক আজিব কাপড়ের তৈরি গোলাকার বস্তু আবিষ্কার হেতু বড়ই চিন্তাগ্রস্ত হইয়া পরিল।

বিস্তারিত»

মাত্রতো একটা যুগের একটু বেশী….

বন্ধূ চয়নকে ফোন দিয়েছিলাম বহুদিন পর- চিনতেই পারেনি।
নাম বললাম- ভালো নামটা, যে নামে স্কুলে প্রতিদিন উপস্থিতি ডাকত রেবেকা আপা
সেই নামটাই বললাম, ডাক নাম অবশ্য ইচ্ছে করেই বলিনি
নাহ! বন্ধু আমাকে চিনতেই পারেনি।
সময়ও অবশ্য কম গড়ায়নি, এক যুগেরও একটু বেশী।
আমার আবেগ এখনো কাঁচা কিন্তু বন্ধুরা কেউ মনে রাখেনি।

যাই হোক, চয়নের কথা বলছিলাম।
ফাল্গুনের নতুন বাতাসে আজিজের দুই তলায় দাড়িয়ে দাড়িয়ে চয়নকে একবার ফোন দিলাম-
স্নাতক শেষ,

বিস্তারিত»

ধন্যবাদ ফেসবুক! ধন্যবাদ “চিনির পাহাড়” সাহেবের সামাজিক আন্তর্জাল !!

…… ‘পদ্মার ইলিশ কলিং মধুমতীর পাঙ্গাশ ওভার’ !….. ‘পদ্মার ইলিশ কলিং মধুমতীর পাঙ্গাশ ওভার’ !….. ঠা ঠা ঠা…..ডিশু ডিশু…. ঘোরতর যুদ্ধ চারিদিকে !! হালায় সব হালাক হইয়া গেল নাকি? মইরা সাফ?? দিস ইজ কর্নেল আবিদ।নিড আর্জেন্ট ফায়ার কভার, পজিশন…. প্লিজ রিসিভ। ওভার।

শালা আবিদ থামলি? প্রেপ চলছে, ডিউটি মাস্টার আসলে এক্সট্রা ড্রিল লাগবে। বন্ধ কর তোর এই যুদ্ধ যুদ্ধ কমেন্ট্রী খেলা !

আরে বেটা ডিউটি মাস্টার কে ভয় পাস?

বিস্তারিত»

নস্টালজিয়া পার্ট ২

আজকে আবার লিখা শুরু করলাম ।অনেকেই বলল যে আগের লিখায় নাকি ফিনিশিং ভালো হয় নাই । চেষ্টা করবো এই  লিখায় জিনিসটা ঠিক করতে ।

যাই হোক আজকে আলোচনা করবো ক্যাডেট কলেজে ব্যাবহৃত কিছু শব্দ নিয়া ।  প্রথম শব্দটা হইলো বাক্স । স্বাভাবিক মানুষ বাক্স বলতে যা বুঝে তাহা  হলো চতু্রভুজ আকৃতির একটা জিনিস জার মধ্যে জিনিস পত্র রাখা হয় । অথবা কলম পেন্সিল রাখার জিনিস ।

বিস্তারিত»