আশরাফকে খুব মনে পড়ছে

আশরাফকে খুব মনে পড়ছে আজ। কেন জানি না।

সবকিছু তো স্বাভাবিক আছে। হাঁটছি, খাচ্ছি, ঘুরছি। মাঝখানে শুধু ও নেই।আশরাফ কে ছাড়া ওর মা, বাবা, প্রিয়তমা স্ত্রী কেমন আছে কে জানে। আমাদের পাবনা ক্যাডেট কলেজের ১৬তম ব্যাচের বোধকরি সবচেয়ে চৌকস ছেলেটি, বিমান চালাতো। আমরা অনেকে যেখানে সাইকেলই চালাতে পারিনা, সেখানে ও বিমান নিয়ে দিব্বি ঘুরে বেড়াত। মিগ-২৯ চালানোর প্রশিক্ষন পাওয়া অল্প কয়জন অফিসারদের মধ্যে একজন ছিল।

বিস্তারিত»

নস্টালজিয়া

আমি আশিক ,পোলাডা অতো  ভালা না , তয় খুব খারাপ ও আবার না । যাই হোক ,ক্যাডেট কলেজে যখন ফার্স্ট ঢুকলাম , মোটামুটি ভালো একটা পোলা আছিলাম ,প্রথম যেদিন কলেজে ঢুকলাম  এক ভাইয়া জোকস কইরা কয় আচ্ছা মনে করো আমার নাম দুলা তুমি আমারে কি ডাকবা মনে মনে কইলাম হালা, তোমার বইনরে আমি বিয়া করলে আমারে তুমি যা ডাকবা তাই ডাকুম । সামনা সামনি তো আর তাই কয়া যায় না তাই মুখে একটা ভদ্রতার হাসি আইনা কইলাম “ভাইয়া দুলা”

বিস্তারিত»

একটি অপ্রকাশিত স্মৃতিচারণ

৭ মে, ২০০২. আমার এই ক্ষুদ্র জীবনের সবচেয়ে স্মরনীয় দিন। এদিন আমরা ২৫তম ব্যাচের পঞ্চাশজন কিশোর মনের মধ্যে ভয়, উৎকন্ঠা, কৌতুহল আর গর্ব মিশ্রিত আশ্চর্য এক অনুভূতি নিয়ে প্রবেশ করেছিলাম পাবনা ক্যাডেট কলেজ অঙ্গনে। ঠিক সেদিন থেকেই শুরু হয়েছিল আমার ক্লাশ সেভেনের দুঃসহ দিনগুলো। ক্যাডেট কলেজে ক্লাস সেভেনের সময়টা যে কত কষ্টের সেটি আমি সেদিন থেকেই খুব ভালভাবে বুঝেছিলাম। ক্যাডেট কলেজ সম্পর্কে নূন্যতম ধারণা পাওয়ার আগেই আমার cadet life- এর দ্বিতীয় দিনেই আমার গাইড আজহার ভাইয়া আমাকে পাঙ্গাইছিল।

বিস্তারিত»

ফাকিবাজী ব্লগর ব্লগর + পাত্রি চাই

১। সাইটের পরিসংখ্যান অনেক দিন পর দেখে ভাল লাগছে। ম্যালা ভিজিটর আর পুরান সদস্যদের আনাগোনা। তবে সবচাইতে অবাক হইছি কাম্রুলরে দেইখা। আমি তো ভাবছিলাম তুমি আন্দামানে পাচার হয়া গেছ। বিয়া টিয়া করছ নাকি?

২। রকিব পোলাডা মনে হয় সবাইরে খোচাইতাছে লেখা দেওনের লাইগা। নইলে আমারে ফেসবুকে তো কেউ কোনদিন মেসেজ দেয় না।

৩। আব্বা আম্মা এসেছিলেন গত বছরের শেষে। এসেই আম্মার মর মর অবস্থা।

বিস্তারিত»

আবদারের ফলে…

নাহ, এই আজকাল কোথাও শান্তি নাই। অশান্তি আর অশান্তি। সব কিছু দিন দিন অসহ্য হয়ে যিইতাছে। অফিস, জ্যাম ছাড়া মিনে হয় জীবনে আর কিছু নাই।

কেমন লাগে যখন অফিস থেকে ৩ ঘন্টা জ্যাম পার হয়ে বাসায় এসে ফেসবুকে চা ওয়ালার আবদার দেখলে? পুরাই মামার বাড়ি টাইপের। “একটা ফয়েজীয় টাইপের হইলেও লেখা দেন”।

কেমন বিয়াদপ, ফয়েজ ভাইয়ের বাসায় নাহয় গ্যাস নাই, তাই বলে এইভাবে বলতে হবে?

বিস্তারিত»

চাকর…

রকিব্বা চা ওলা আমারে কয়, ভাইয়া আপনে আজকে কিছু একটা লিখেন।
আমি কইলাম, আমি তো তো লেখা ভুইলা গেছি। কীবোর্ড দিয়া আজকাল যা প্রসব করি সেইটা দেইখা নিজেরই হলুদ রঙয়ের আবর্জনা ছাড়া কিছু মনে হয় না।
হারামি তবু বলে, নাহ ভাইয়া আজকে কিছু লিখতে হবেই।

আমি বসে বসে ভাবি। আগে আমি মনের আনন্দে লিখতাম। এখন লিখি পয়সার জন্য। মনের আনন্দে যতদিন লিখছি ততদিন টাকা ছিল না,

বিস্তারিত»

আমার ছোট বেলা

ছোট বেলার কথা মনে হলেই যে ঘটনা গুলি মনে সব চেয়ে বেশি নাড়া দেয়, এবং পরবর্তী জীবনে যার প্রভাব সব চেয়ে বেশি, সেটাই আজ লিখবো ।

বাবা ছিলেন প্রচণ্ড রাশ ভারী মানুষ । আনন্দ-উচ্ছ্বাস , হাসি-কান্না কোন কিছুর বাহুল্যই তাঁর অপছন্দ ছিল। পাঁচ বোন এর একটি মাত্র ভাই হিসাবে কখনো কোন বিশেষ ছাড় পেতাম না বাবার কাছে।

খুব যে বেশি মারতেন ,

বিস্তারিত»

শিক্ষকতা এবং মোটিভেশনঃ কিছু ব্যক্তিকথন ও একান্ত চয়ন

শিক্ষকতা এবং মোটিভেশনঃ কিছু ব্যক্তিকথন ও একান্ত চয়ন

[এই লেখাটা আমার সকল শিক্ষক এবং ছাত্রকে উৎসর্গ করা হল।]

আমার ক্যাডেট কলেজের এক বন্ধুর দু’টি কথা আমি সবসময় মনে রাখার, পালন করার এবং অনুভব করার চেষ্টা করি। সে একদিন আমাকে বলেছিল নেশা এবং পেশা এক হওয়াটা নাকি একটা বিরাট মানসিক প্রশান্তির ব্যাপার। আবার কোন এক সময় তার মুখেই শুনেছিলাম, সেইই প্রকৃত সুখী,

বিস্তারিত»