পুরোনো কিন্তু সোনালি স্মৃতি

আগের কথাঃ লেখাটা ছিলো এই ব্লগে আমার প্রথম লেখা। তখন বাংলা টাইপ প্রায় পারতাম না। তাই লেখাটা বাংলিশ এ দিয়েছিলাম। সম্ভবত জিহাদ কষ্ট করে বাংলায় টাইপ করে দিয়েছিলো। আর যেহেতু লেখালেখি থেকে অনেকদিন দূরে ছিলাম তাই বেশি লিখতে পারি নাই। হঠাত লেখাটা চোখে পড়লো। মনে হলো অনেক কিছু লেখার ছিলো আরো। তাই কিছু অংশ সংযোজন করে আবার দিলাম।যারা পড়েন নাই, তাদের জন্য বিশেষ করে।
লেখার প্রেক্ষাপটঃ হঠাৎ খুঁজে পেলাম আমার পুরোনো একটা লেখা।এটা লিখেছিলাম কলেজ থেকে বের হবার দুই দিন আগের রাতের বেলা।হঠাত বের হবার আগে ভাব চলে আসছিলো।

বিস্তারিত»

আমি কি মিস করি?

আমি আসলে লেখক না, তাই মনের ভাব ঠিকমত প্রকাশও করতে পারিনা, লেখকরা বলে কিছু লিখতে গেলে, আগে নিজের ভেতরে একটা ভাব আসা দরকার, তারপর লেখাটা বেরিয়ে আসে….আমি যখন সি.সি.বিতে ঘোরাঘুরি করি, একা একা থাকি তখন খুব ভাব আসে…আর তখননি একটা Text Document নিয়ে বসে পড়ি, লিখার চেষ্টা করি..কিন্তু কিছুক্ষণ পর দেখি ” রাশেদ ভাইয়ের গানের মত ” আমি পারিনা, পারিনা, কিছুই পারিনা…” আর মনে মনে নিজেকে গালি দেই ”

বিস্তারিত»

বিবাহনামা

[ বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ এই পোষ্ট কেবলমাত্র বিবাহিতদের জন্যে। যুবক ও অবিবাহিত ভাইয়েরা শত হস্ত দূরে থাকুন। তবে… কথা আছে, পুরাতন প্রেমিকেরা এই লেখা পড়িতে পারেন। আপনাদের জন্যে জরুরী অবস্থা আপাতত শিথিল:-) ]

২০০৭ এর জানুয়ারির কোন এক রাত। সদ্য দেশ থেকে ফিরেছি, বিবাহ করে মোটামুটি যুদ্ধ জয়ী সেনাপতির মতন নূরানী হাসি সারাক্ষণ আমার চোখে মুখে। কারো সাথে দেখা হলেই খানিক কথাবার্তার পর পেটের মধ্যে ভুটভাট শুরু হয়ে যায়,

বিস্তারিত»

ক্রমশ নির্মীয়মান দৃশ্য কিংবা চরিত্রের গল্প

আচ্ছা, আচ্ছা।

আসো এইবার একটা গলপো বানাই আর পড়ি, পড়ি আর বানাই। আমি কদ্দুর ধরে রাখতে পারবো তার থেকেও বড়ো দায় তুমি, তোমরা কদ্দুর টেনে যেতে পারবা, বা কদ্দুর এক জায়গায় আটকে দাঁড়িয়ে পেনিট্রেইট করতে পারবা। তার মানে আমি এখানে চতুর শকুনির মতো প্যাসিভ-অ্যাগ্রেসিভ ভেক নিলাম। শুরু থেকেই সব খেলা তোমার। র‌্যাকেট-ব্যাট, জুতো-মোজা পরিয়ে তোমাকে নামিয়ে দিলাম। আমি খালি মাঠের কিউরেটর।

লোকে বলে গলপের শুরুতে খুব আকর্ষণীয় করতে হয়।

বিস্তারিত»

প্রাপ্তবয়ষ্ক – ৪

১। এইচ এস সি পরীক্ষার আগে অথবা পরীক্ষার সময়। ক্লাস গেমস সব এক্সকিউজড। সকাল বেলা বাকি সব পোলাপাইন ব্রেকফাস্টের পরে ক্লাসে যায় আর আমরা হাউজে চলে আসি। মিল্ক ব্রেকের আগ পর্যন্ত পড়া ভালই হয়, কিন্তু তারপর মনে একটা ভাব চলে আসে যেন ম্যালা পড়ে ফেলেছি। কতিপয় অতি আঁতেল পোলাপাইন পারলে টয়লেটে বসেও পড়ে (আমি না কিন্তু), কিন্তু বাকি গুলা সুরু করে বদামি নয়ত রুমে রুমে ক্রিকেট খেলা।

বিস্তারিত»

ডিম ভাইস তে আছে

মাঝে মাঝে লেখার ইচ্ছা জাগে কিন্ত কি লিখব তা ভেবে পাই না। তাছাড়া ব্লগে এ লেখার মত নিজেকে এত বড় লেখক ও মনে হয় না । কলেজে পড়ার সময় মাঝে মাঝে মনে হত দেখি লিখতে পারি কিনা কিন্ত পরে লেখা আর হত না, একটা ভয় কাজ করত ,মনে হত আমার লেখা পড়ে আবার না সবার মাঝে হাসাহাসির রোল পড়ে যায় । তবে এখন নিজেকে অনেক ফ্রি মনে হয় আর তাছাড়া লেখার কাজ়ে কলমের ব্যবহার না থাকায় মনে হয় কলম টা ধরে আসছে না ।

বিস্তারিত»

ইচ্ছেমত উড়াব আমার ইচ্ছেঘুড়ি…!!!

(তাইফুর ভাই যথার্থই বলেছেন, “এই ব্লগের একটা লেখা নতুন আরো কয়েকটা লেখার উপজীব্য বলেই বোধহয় ব্লগটি মন্ত্রমূগ্ধতায় পুর্ণ।” ফয়েজ ভাইএর ‘ঘাই’ গল্পটা পড়ার পর এই পোস্টটা লিখতে গিয়ে বারবার আমারও তাই মনে হচ্ছিল…ফয়েজ ভাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ!)

এক।

পুরনো বইয়ের দোকানে ঢুঁ মারা আমার বহুদিনের অভ্যাস। এটা অনেকটা গুপ্তধন খোঁজার নেশার মতন…হাবিজাবি নানান বই ঘাটাঘাটি করে মাঝে মাঝে দেশি বা বিদেশী দুর্লভ বই পেলে যে আনন্দ হয় তার সাথে বুঝি একমাত্র গুপ্তধন পাবার আনন্দের তুলনাই চলে…তাছাড়া পুরনো বইয়ের একটা অন্যরকম গন্ধ আছে…পাতা উল্টাবার সময় গন্ধটা যখন নাকে বাড়ি দেয়…কেমন জানি একটা অনুভুতি হয়…!!!

বিস্তারিত»

সিয়াটলের শীত – ৩

গত সপ্তাহে সিসিবিতে ঢোকার সুযোগ হয়েছে খুব কমই। নানা ব্যাস্ততার মাঝেও চোখ বোলানোর চেষ্টা করেছি কি কি হচ্ছে সিসিবিতে। একটা জিনিস মানতেই হবে, সিসিবিতে প্রানচাঞ্চল্য আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। বেড়েছে নতুন সদস্যের সংখা (সংখ্যা বানানটা ভুলে গেছি। কোনটা ঠিক বুঝতে পারছি না। মাফ চাই, বাংলা চর্চার অভাবের ফল। একই সাথে ধন্যবাদ সিসিবিকে, চর্চার সুযোগটা করে দেবার জন্য)। আমি যখন সদস্য হই তখন খুব সম্ভবত আড়াইশর মত সদস্য ছিল,

বিস্তারিত»

এই শহরে আমার পথে মগ্ন হয়ে যায় বাসের শিস

এই যে ঢাকা শহরে হেঁটে চলে বেড়াই, দিন যায়, মাস যায়, গরমের দিনগুলো পেরিয়ে শীতের বাতাস আসে। তারও আগে বৃষ্টি ঝুম করে দারুন ভিজিয়ে যায়। সিক্ত নগরীও একসময় শুকিয়ে ওঠে। তারপরে আবার কুয়াশা কেটে চরাচরে উৎসব জমে ওঠে। এরকম দিনাতিপাতে খেয়াল থাকে না কখন বেড়ে উঠছি। বয়েসের কোঠা একটা একটা ধাপ পেরুচ্ছে। সেখানে ধাপে ধাপে কতমুখঃ চেনা-অচেনা-সাদা-তামাটে-কালো-কালিমাখা। এইসব মুখের ভীড়েও কাউকে চিনে ফেলি স্বজন মনে করে।

বিস্তারিত»

মাসল টি ব্রেক

স্কুল কলেজে টিফিন টাইম বলে দশটা থেকে এগারোটার দিকে যেই সময়টা পাওয়া যায় ক্যাডেট কলেজে তার নাম “মিল্ক ব্রেক”। এসময় দুধসহ সামান্য নাস্তা পরিবেশন করা হয়। আর বিকেলের নাস্তা পানীয়ের নাম “টি ব্রেক”। নামেই এর পরিচয় – বিকেলে দুধের পরিবর্তে চা পরিবেশিত হয়।

সন্ধ্যার আগে টি ব্রেকের এই সময়টা খুব সংকীর্ণ। গেমস, গেমসের পর দ্রুত গোসল এবং মাগরীবের নামাজে হাজিরা দেবার ফাঁকে সময়টা যেন হুশ করে উড়ে যায়।

বিস্তারিত»

ঘাই

শেখেরটেক হাট থেকে আকাবাকা হয়ে পুব দিকে যে রাস্তাটা চলে গ্যাছে, পদ্দাপদ্দি নদীর ধার ঘেষে, ওটা ধরে মাইল চারেক সামনে গেলে যে গ্রামটা চোখে পড়ে তার নাম তালুকদার বাড়ি। গ্রামটা চিনা খুব সহজ, কারন ইংরেজ আমলে শাহ তালুকদার জমিদার ছিলেন, সেই আমলের বিরাট আলিশান প্রাসাদের মত বাড়ি অত্র এলাকা তো বটেই, জেলাতে আছে কিনা এই নিয়ে দারুন সন্দিহান এলাকার মানুষ। আর একটা সহজ চিনার উপায় আছে তালুকদার বাড়ি।

বিস্তারিত»

একটা ইমেইল আর কিছু আবেগ …

আজকে ফেসবুক এ আমাদের আদনান (৮৯৯-বকক-৯৫-২০০১) আমাদের সবাই কে একটা মেইল করেছে
… সেই মেইল টা বাংলায় অনুবাদ করে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম ……………

… এখন নভেম্বর মাস চলছে, শীতকাল শুরু হচ্ছে …, কুয়াশা পরতে আরম্ভ হয়েছে বরিশাল ক্যাডেট কলেজে ……
আমাদের সবার ফাইনাল পরীক্ষা শেষ, ইন্টার হাউস এথলেটিক্স এর প্রাকটিস চলছে, মাঠের ঘাস কাটা প্রায় শেষ।
সকাল বেলা আমরা নতুন বানানো ট্রাকে দৌড়াই,

বিস্তারিত»

খেরোখাতা-ব্যক্তিগত জিরো আওয়ার

(ভাই এইগুলা ধুন ফুন লেখা, যিনি পড়ার নিজ গরজে পড়বেন, লেখা পড়ে মেজাজ খারাপ হলে লেখক দায়ী থাকবে না।)

ঈদানিং আমার কিছু একটা সমস্যা হচ্ছে। কোন কিছুরই সুরটা ঠিক মত লাগছে না।
একটা গল্পের প্লট ঘাই মারছে মনের ভিতর, একটু পর পর, কিন্তু ধরা পরছে না। ব্যাটা ফাজিল কোথাকার।

মন ভালো না থাকলে যা হয়, সব কিছু তিতা তিতা লাগে।

বিস্তারিত»

আমার বন্ধু ভাগ্য

এই ব্লগের একটা লেখা নতুন আরো কয়েকটা লেখার উপজীব্য বলেই বোধহয় ব্লগটি মন্ত্রমূগ্ধতায় পুর্ণ। একেকটা লেখা পড়ি আর নিজের অজস্র স্মৃতির মধ্যে ডুবে যাই। অমোঘ এক চক্রে ঘুরপাক খাই, লেখা পড়লেই লিখতে ইচ্ছে হয়। রেডবুকের ‘কোয়ান্টিটি নয়, কোয়ালিটি’ নীতি আর মাথায়ই থাকে না।

যারা অসাধারণ বন্ধু ভাগ্য নিয়ে পৃথিবীতে আসে, তারাই ক্যাডেট কলেজে উত্তীর্ণ হয় বলে আমার ধারণা। নইলে কি আর সিনিয়র, জুনিয়র,

বিস্তারিত»

এখনো কিসু শিখতার্লাম না :(

দেখিতে দেখিতে একুশটা বসন্ত কোন দিক দিয়া আসিয়া কোন দিক দিয়া যেন চলিয়া গেল। মাগার কোন ললনা ছলনা করিয়াও বলিয়া গেলনা আমার জীবনের বাকি বসন্তগুলো আমি তোমার হাত ধরিয়াই পার করিতে চাই। হাহ! বদলে নামে বৃষ্টি। একা একা ভিজি আর আংগুর বাগানের চারপাশে ঘোরাঘুরি করি। এই জীবনে আমারে দিয়া কিসু হৈলোনা। দু:খ ভুলিতে মুখ বইয়ের অন্দরে প্রবেশ করি। যাদের দিয়া হয় এবং হৈতেসে তাদেরকে দেখিয়া যদি তাও কিছু শিখিতে পারি।

বিস্তারিত»