চা’ওয়ালার হিসেবখাতা

১.
কোন কিছুতে মন বসছে না। অনেক কাজ জমে আছে, কিন্তু করার কোন তাগিদ পাচ্ছি না। কেমন যেন স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে আছে মনের আঙ্গিনা। যেন আজব একটা ঘোরের মধ্যে আছি। আজকাল নতুন করে একটা বাজে নেশা জন্মেছে। রাত বাড়লে ব্যাল্কনিতে চেয়ার পেতে বসে থাকি, মেঘের আড়াঁলে লুকিয়ে পড়া চাঁদটাকে আঁতিপাতি করে খুঁজি। আমার মনের কোণেও বোধহয় মেঘ জমেছে।

২.
আমার ব্যাল্কনি থেকে বাইরের চারপাশটা অদ্ভূত সুন্দর মনে হয়।

বিস্তারিত»

এলোমেলো-১: আমার জানালা

আমার জানালাটা খুলে দিলেই আকাশটাকে স্পষ্ট দেখা যায়। সেই জানালাতে রাতের তারাগুলো উজ্জ্বল হয়ে জ্বলতে থাকে খুব কাছে। M কিংবা W আকৃতির ক্যাসিওপিয়াটাকে দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে যাই। তার একদম মাঝের তারা বরাবর তাকিয়ে আমি খুঁজতে থাকি ধ্রুবতারাটাকে। প্রশ্নবোধক চিহ্নের মত সাতটি তারার সপ্তর্ষিমন্ডলটাকেও চিনে ফেলি অনায়াসে। কিংবা মাঝে তিনটা উজ্জ্বল তারার বেল্ট পরা শিকারী কালপুরুষকে আমি লক্ষ্য করতে থাকি একদৃষ্টিতে। কালপুরুষের ছুড়ে দেয়া তীরটা ছুটে যেতে থাকে অনন্তের দিকে।

বিস্তারিত»

সিডরে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ(প্রথম পর্ব)

ক্লাস ১২ এর এক্সকারশানটা হয়েছিল মঙ্গলবার এ কিন্তু কোন দিন সেটা মনে নেই। আমি সব কিছু ডাইরী তে লিখতাম কিন্তু কলেজ থেকে বের হয়ে এসে সব গুলো ডাইরী ফেলে দেই। বিসিসির ইতিহাসে বোধহয় ওই প্রথম আমরা কুয়াকাটা যাই। গিয়ে সওজ এর রেষ্ট হাউজে উঠি। তো আসল কথায় আসি এক্সকারশান এর কথা পরে বলবো অন্য পোষ্টে। তো সেবার এক্সকারশান এ আমরা অনেক মজা করসি. চীকেন গ্রীল খাইসি বাট এটা সত্য ভাই এতো মজার চীকেন গ্রীল আই আর কোথাও খাইনাই।

বিস্তারিত»

কমনরুমের শিক্ষামূলক চলচ্চিত্র !

সেদিন অফিসে জুলহাস ভাই এর সামনে পড়েই একটা দাবড়ি খাইলাম, “তরে সিসিবি তে দেখি না কেন?” আমি কইলাম যে “ছার, (অফিসে আবার কিসের ভাই?), কলেজে ভাল কাম খুব একটা করি নাই, দুঃখের স্মৃতিও নাই। কি লিখবো?” ………… আবার ঝাড়ি। কলেজে দুই আঙ্গুল দিয়া চড়াইত, আর এখন খালি ঝাড়ি দেয়। 😡

আমিও ভাবলাম, আর কতদিন প্যাসিভ মুড এ থাকব? কিছু একটা লিখি। নাহয় এট্টু টিজ খাব।

বিস্তারিত»

এই গরমে বৃষ্টির গান

গরমে ঘেমে গেছে গায়ের জামা,
বাড়ন্ত সূর্যের তেজীভাব,
পিচগলা রাস্তায় আগুনের হল্কা,
খরখর চোখে ঠাণ্ডা পানির ছাট,
দিনশেষে লোডশেডিং এ অন্ধকার রাত,
নিঃশ্বাসে ঘামের গন্ধ
আর মশার কামড়ে অস্বস্তিকর ঘুম –
বৃষ্টিকে এত মিস করিনা আর কখনো।

বিস্তারিত»

আমার দুর্ভাগ্যের টার্ম

২০০৯ সালের প্রথমটা আমার ভালই চলছিল। প্রথমে ভিপি স্যার ভ্যাকেশনে ফোন করলেন যে ৯ তারিখ প্রথম আলোর ম্যাথ অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে। স্যার কই থাকব???উনি বললেন কেনো নিজ ব্যবস্থায়। তখন আমি বললাম স্যার তাহলে যাবো না। তারপর তিনি আব্বুকে ফোন করলেন। আব্বু বলল ঠিক আছে আমি নিয়ে যাবো। কিন্ত তারপর আমার বন্ধু নাদিম ফোন করল যে ও আমার রেজিস্ট্রেশন করাইসে আর আমি যাতে ওর বাসায় থাকি।

বিস্তারিত»

বন্ধু কী খবর বল!

তানভীরটা কেমন যেন অনিয়মিত হয়ে যাচ্ছে। আগে সারাদিন সিসিবিতে বসে বসে ‘দিনের সর্বোচ্চ মন্তব্যকারী’ হবার জন্যে কম্পিটিশন করতো আমার আর টিটো’র সাথে। এখন কালে ভদ্রে দেখা যায়। মাউস টিপে ইমো দিয়ে চলে যায়। ফোনে জিজ্ঞেস করলে বলে, ‘অফিসে এতো কাজের চাপ রে দোস্ত …… সময় পাই না।’ আমি সারাদিন অন প্যারেডে বসে বসে ভাবি তানভীর কবে আবার অফিসের কাজের চাপ থেকে ফ্রি হবে ! কবে আমরা আবার পোস্ট ভর্তি কমেন্ট করবো !!

বিস্তারিত»

ভ্যাকেশনঃছুটি গল্পের ক্যাডেট কলেজ ভার্সন-২

ভ্যাকেশনঃছুটি গল্পের ক্যাডেট কলেজ ভার্সন-১

এইভাবে একদিন কাটিয়া গেল!ফটিক সারাবেলা মন মরা হইয়া ছিল!খুবই চুপচাপ যাহা তাহার চরিত্রের পুরোপুরি ব্যতিক্রম!ক্লাসমেটরা সকলেই কাহিনী জানিত তাই কেহ তাহাকে ঘাটাইতে গেল না।পরের রাত্রিতে প্রেপ হইতে আসিবার পথে ফটিককে হাউজ বেয়ারা খবর দিল,আপনাকে স্যার ডাকছেন!ফটিক রুমে আসিয়া টাই খুলিয়া বিষণ্ণ মনে হাউজ অফিস পানে চলিল!হাউজ অফিসে তখন অন্য সব হাউজ টিউটররা উপস্থিত!সকলেই কৌতুহলী চোখে ফটিকের দিকে চাহিয়া আছে!ফটিক গিয়া হাউজ মাস্টার স্যারের সামনে দাড়াইল!হাউজ অফিসে তখন পিনপতন নীরবতা!শেষ পর্যন্ত হাউজ মাস্টার স্যারই মুখ খুলিলেন,বলিলেন,আমরা তোমার সব কাজ পর্যবেক্ষন করে দেখলাম,তুমি রুম লিডার হওয়ার অযোগ্য!ছোটদের সাথে থাকার যোগ্য তুমি নও!তাদের তোমার কাছ থেকে শিখার কিছুই নেই!তাই তোমাকে সিনিয়রদের রুমে পাঠানো হচ্ছে!সেখানে থেকে তুমি সিনিয়রদের থেকে কিছু শিখতে পারো কিনা দেখো!

বিস্তারিত»

যতো খুশি ততো আইসক্রিম

১৪ থেকে ১৭ মে শেরাটন হোটেলে ইগলু আইসক্রিম ফেস্টিবল। এবিসি রেডিও দিচ্ছে প্রতিদিন ১০টি করে ফ্রি টিকেট। একজন সঙ্গীসহ সকাল ১০/১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত যতো খুশি ততো খাওয়ার সুযোগ। কে কে নিতে চাও? আমি জানি কারো কারো আইসক্রিমে আসক্তি আছে!! 😀 এখনই লাফিয়ে উঠেছে কেউ কেউ!

কিচ্ছু না, যে কোনো মোবাইল থেকে IGLOO FEST লিখে ৮৯২০ তে পাঠিয়ে দাও, আর সিটিসেল গ্রাহকরা পাঠাবে ৬১৬১ নম্বরে।

বিস্তারিত»

এই বাতিঘর, এই খেলা-প্রেম

==================
এই বাতিঘর এই খেলা-প্রেম।
প্রস্তাবনা ছিল আমরা কখনও ভালোবাসবো না, কোন প্রেম ঘুমাবে না আমাদের মাঝে,
এবং অবশ্যই,
কতিপয় নিয়ম। প্রথা। চালচলন। বিধীত আইনপাঠ।

সমুদ্রেই বসত করে বাতিঘরের আলো, এই বিশ্বাসে,
ঘর বাঁধা বালুর গভীরে
মিথ্যে কথাটি আমাদের অজানাও ছিল না।

বিস্তারিত»

ভাল থেকো জুনায়েদ

আমি ব্যক্তিগত ভাবে জন্মদিন নিয়ে মাতামাতির কিছু দেখি না। অন্য আর সবটা দিনের মতই একটা দিন, বড় সাদামাটা। মাঝে মাঝে ভূলে যেতে পারলে বেশ হত বার্থডে টা। কি দরকার বাবা, দিন শেষে হিসাবের পাল্লা বিপরীত দিকে ঝুকিয়ে দেয়ার।

তবে দিনটা যদি পারস্পরিক মিলন-মেলার মত কিছু হয়, তবে কেমন হয়? যান্ত্রিক জীবনে পাশের বাসার বৃদ্ধার খবর নেয়া হয় না, তিন দিন পরে বুঝতে পারি অফিসের কলিগের বঊ বেশ অসুস্থ হয়ে আছে,

বিস্তারিত»

প্রবাসের ডায়েরি থেকে…(প্রথম খন্ড) – ১

১। লন্ডন থেকে উত্তর পশ্চিম দিকে অক্সফোর্ডের রাস্তায় মাত্র ২৩ মাইল গেলেই বাকিংহ্যামসায়ারের ছোট্ট একটি শহর বেকন্সফিল্ড। এখানে যুক্তরাজ্যের একটি ভাষা ভিত্তিক সামরিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান “ডিফেন্স স্কুল অফ ল্যাঙ্গুয়েজ” অবস্থিত। ২০০৩ সালের ডিসেম্বরের মাঝামাঝি দিকে খুব সম্ভবত ১২ ডিসেম্বর, স্কুলের ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ উইং এর ক্লাস রুমে বসে আছি। মাত্র ৩ সপ্তাহ আগে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে নেমে বাংলাদেশ দুতাবাস থেকে পাঠানো মাইক্রোতে করে আমি আর তৌহিদ (CCR) সরাসরি এখানে চলে এসেছিলাম।

বিস্তারিত»

বোকা মা

বৃষ্টিতে ভিজে যখন বাড়ি ফিরলাম, ভাইয়া বললো ছাতা নিয়ে যাসনি কেন? গাধা একটা! ছোট বোন বললো, ভাইয়া বৃষ্টি থামা পর্যন্ত অপেক্ষা করতি, ইসস একবারে ভিজে গেছিস। বাবা রাগ করে বললেন, হুম, ঠান্ডা যখন লাগবে, মজাটা টের পাবি! শুধু মা আমার মাথা মুছে দিতে দিতে বললেন, অবাক কান্ড, বৃষ্টিটা আমার খোকা বাড়ি আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারলোনা?

(সংগৃহীত)

মা, তোমায় সালাম।

বিস্তারিত»

১ টাকার কুপন

ক্যাডেট কলেজের অভিজ্ঞতা আমার ৬ ভাগের ৪ ভাগ। কারন আমি এস, এস, সি দিয়ে চলে আসছি।অনেকদিন পর সি সি বি র কিছু ব্লগ পরে আমি স্রিতিকাতর হয়ে পরি।তাই লিখতে বস্লাম। আমি ভাল লিখতে পারি না। সব সময় আমি বাংলায় সব থেকে কম নাম্বার পাইতাম।তাই আগেই সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলাম।
আমার কাহিনী আমার এক বন্ধুকে নিয়ে লেখা। তখন আমরা ক্লাস সেভেন এ নতুন আসছি।

বিস্তারিত»

মা-কে ঘিরে আবর্তিত কিছু ঘটনা

মা কে নিয়ে সবাই খুব সুন্দর সুন্দর পোস্ট দেয়। আমি তো এমনেই বাজে লেখক; একটা যাচ্ছেতাই সিরিজ লিখছি, মাঝে মাঝে খেই হারিয়ে অন্য পোস্ট দিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু এটা ভাই-বোন-সকল সবাইকে বলছি – খেই হারানো পোস্ট না। ক্যাডেট কলেজ ব্লগে আমার আম্মুকে নিয়ে কখনো কিছু লেখা হয়নি। এই সুযোগে দিলাম একটা।

আবেগের কথা বেশী লিখব না। ওটা লিখতে গেলে মন খারাপ হয়ে যাবে। সেই মন খারাপ সহজে ভাল হতে চাইবে না।

বিস্তারিত»