ঈদানীং কোন কিছুতেই আগের মত অনুভূতি কাজ করেনা। কেমন ঘাসের মত চলছে জীবনটা। ফ্যাকাশে, স্বাদহীন, ম্যাড়ম্যাড়ে। হয়ত সব পেয়ে যাবার জন্যই এমন হচ্ছে, হয়তবা সব পেয়েছি, বা আমার চাওয়াটাই অনেক অনেক কম। ইচ্ছে করলেই আরও একটু উপরে বাধা যায় স্বপ্নটা। কিন্তু কি হবে? একজন মানুষের ভালভাবে বেঁচে থাকার জন্য খুব বেশি কিছু কি আসলেই লাগে। তবুও মানুষ ছুটে চলে,
বিকেলবেলাটা আমার সবসময়ই প্রিয়। জানালার ফাঁক দিয়ে যখন সূর্যের শেষ সম্ভাষণটুকু আমার হাতের উপর এসে পড়ে, খুব ভালো লাগা একটা অনুভূতি হয়। একটা অজানা মিষ্টি আবেশে ছেয়ে যায় চারপাশে। অবশ্য আজকাল জানালার পাশে বসা হয়ে উঠেনা। ব্যস্ততা নয়, কায়িক অবসাদ আজকাল সে সুযোগ দেয় না। বিছানা থেকে একা একা বেশ কষ্ট হয়। তাই বিকেলটা এখন বালিশে মাথা ঠেকিয়েই কাটে।
“সেই সাত জন নেই আজ
টেবিলটা তবুও আছে
সাতটা পেয়ালা আজো খালি নেই…………
একই সে বাগানে আজ
ফুটেছে নতুন কলি
শুধু সেই সে দিনের মালি নেই………।।”
মান্না দে’র সেই কালজয়ী গানটা যখনই মনে আসে তখন আমার মনে পড়ে যাই সেই দিনের কথা। ক্যাডেট কলেজের শেষের দিকে একটা ছুটির দিনে হুনাইন হাউসের সামনে কৃষ্ণচূড়ার ছায়ায় বেঞ্চের উপর বসে আমরা ক্যাডেট কলেজের ফেলে আসা দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করছিলাম।
একটা প্রশ্ন করলেন ম্যাডাম বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের ভিত্তি কি? আমরা সবাই অবাক্ হয়ে তাকিয়ে রইলাম। প্রথম প্রথম প্রশ্নটি বুঝলাম না। ম্যাডাম এবার পরিষ্কার করে দিলেন। বলো এমন কি আছে যা আমাদের অন্য জাতি হতে পৃথক্ করে দিয়েছে? আমরা একে একে বলতে লাগলাম বাঙ্গালী সাহসী, অথিতিপরায়ন, বিদ্রোহী, আরো অনেক কিছু। কিন্তু তিনি একে একে দেখিয়ে দিলেন আমরা যা বলেছি তা আমাদের থেকে অন্য অনেক জাতিসমুহের মাঝে আরো বেশি পরিমাণে বিদ্যমান।
বার্ন আফটার রিডিং দেখার পর আমার প্রিয় জনরগুলোর নাম মনে করার চেষ্টা করলাম। কারণ এটা পুরোপুরিই জনর মুভি। যে সিনেমাগুলো জনরের প্রতি অনেক বিশ্বস্ত থাকে সেগুলোকেই জনর মুভি বলা যায়। কোয়েন ব্রাদার্সের নতুন সিনেমা বার্ন আফটার রিডিং “ব্ল্যাক কমেডি”-র প্রতি প্রচণ্ড বিশ্বস্ত ছিল। এ ধরণের সিনেমা দেখার পর মাথায় কেবল জনর ঘুরতে থাকে। যেমন দ্য গ্রেট “ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভ” দেখার পর একমাস আমি কেবল ব্ল্যাক কমেডি নিয়েই ঘাটাঘাটি করেছি।
ক্যাডেট কলেজের প্রথম দিনটির কথা আজো ভীষন মনে পরে । দিনটি ছিল ১২ই মে । গেট খোলার কথা ২ টায় । আমি, বড় আপু এবং রশিদ স্যার ১২ টার সময় পৌছেছিলাম গেট এ। আমার বাড়ি কলেজ থেকে ৮০ কিমি দূরে হবে । লক্কর মারকা বাস এ ২ ঘন্টার মত লাগল। আমার যে খুব মন খারাপ হচ্ছিল বাড়ির জন্য এমন নয় । তবু আজগুবি একটা অনুভুতি হচ্ছিল,
আমরা অনেকেই ব্লগে এসেই প্রথম বাংলা টাইপ করা শুরু করি তাই শুরুতে আমাদের লেখায় প্রচুর বানান ভুল থাকাই স্বাভাবিক। কিন্তু অল্প কিছুদিনের ব্যবহারেই কিবোর্ড লেআউট এ দক্ষ হয়ে যাওয়া যায়। আর যেহেতু অভ্র তে ফনেটিক কি বোর্ড ব্যবহার করা যায় তাই রপ্ত করা খুব একটা কঠিন না। মাঝে মাঝে যুক্তাক্ষর এর সঠিক বর্ণ না জানার কারণে কিংবা অনেক দিন অব্যবহার কিংবা কঠিন শব্দের ক্ষেত্রে বানান ভুল হতে পারে।
[অনেকদিন পর কিছু লেখার সাহস করলাম। সাহস করলাম বলাটাই বেশি যুক্তিসংগত কেননা একরকম জোর করেই সিসিবিতে নিজের উপস্থিতি জানান দেয়ার জন্য এই লেখার অবতারণা। যাদের অযথা বগর বগর এ ধৈর্যচ্যুতির সম্ভাবনা আছে তাদের কাছে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিয়ে লেখাটা শুরু করছি।]
ইদানিং আমার জীবনটাকে আমি নিয়ন্ত্রণ করি না। আমার গতিবিধিগুলো খুব বেশিরকম গণ্ডিবদ্ধ হয়ে পড়ছে।অনেক আগের একটি লেখায় বৃহন্নলাদের জীবন নিয়ে লিখতে গিয়ে একটি লাইন লিখেছিলাম- ”
ভালোবাসার বন্ধুত্ব- [১][২][৩][৪][৫][৬][৭][৮][৯][১০]
৪৭।
“শেরটা ভালো ছিলো কালকের। কারো অফার দিতে গেলে কাজে লাগবে।“
পরদিন নীলিমা বললো নীলের সাথে দেখা হতেই।
নীলঃ তাই তো তোমাকে দিয়েছি।
নীলিমাঃ মানে?
নীলঃ মানে আশা করি বুঝতেই পারতেছো।
পাঁচ আমার সবচাইতে প্রিয় সংখ্যা,আমার অনেক কিছুর সাথেই পাঁচের একটা রিলেশন আছে।তার কিছু নমুনা দেই…
*আমার জন্ম ১৯৮৫ সালের ২৫ মার্চ……২টাই ৫ দ্বারা বিভাজ্যা
*জন্মের সময় আমার ফ্যামিলি মেম্বার ছিলো ৫জন 😀 আমরা ৩ ভাই ,আব্বু আম্মু।
*ক্লাস থ্রীতে নতুন স্কুলে ভর্তি হলে আমার রোল নম্বর ছিলো ২৫…পরের বছর সেইটা হয় ৫
*ক্লাস সিক্সে আবার নতুন স্কুলে ভর্তি হলে আমার রোল নম্বর ছিলো ৫০।।পরের বছর সেইটা হয় ৫
*ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় আমার রোল নম্বর ছিলো ১০৩৩৮..যার ডিজিটগুলো যোগ করলে হয় ১+০+৩+৩+৮=১৫…যা ৫ দ্বারা বিভাজ্যা :awesome: :awesome:
*কলেজে আমার সাথে আরো ৫০ জন বন্ধু জয়েন করে।(আমরা মোট ৫১ জন ,আমি ছাড়া ৫০)
*আমার ক্যাডেট নাম্বার ১১৫০
*ক্লাস সেভেন এ আমার রুম নম্বর ছিলো ১০৫
*ক্লাস এইটে আমার রুম নম্বর ছিলো ১০৬ যেখানে ৬-০-১=৫ :awesome: :awesome:
*ক্লাস টেন এ ছিলাম ১২৭ নম্বর রুমে..১+২+৭=১০,যাহা ৫ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য =)) =))
*১২ এ ছিলাম ১১৫ নম্বর রুমে
*এস.এস.সি পরীক্ষায় আমার রো নম্বর ছিলো ১০০০১৫
*আমার এস.এস.সি’র রেজাল্ট জিপিএ ৫ 😀 😀
*ক্লাস ইলিভেন এ আমার এপুলেটে ছিলো ৫ দাগ :awesome: :awesome:
*আমার এইচ.এস.সির রোল নম্বর ১০২৩০৯ যেখানে ১+০+২+৩+০+৯=১৫
*আমার এইচ.এস.সি’র রেজাল্ট জিপিএ ৫ 😀 😀
*বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় আমার রোল নম্বর ছিলো ৩২৫
*আমি বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় ৯৪ হইছিলাম …৯-৪=৫ :tuski: :tuski:
*বুয়েটে আমার রোল নম্বর হলো ৮৭ যেখানে ৮+৭=১৫
*সর্বশেষ আমি একটা নতুন মোবাইল সিম নিয়েছি যেটা হলো ০১৬৭৩১৮০৮৩৮ যেখানে ০+১+৬+৭+৩+১+৮+০+৮+৩+৮=৪৫,যাহা ৫ দ্বারা বিভাজ্য
*আমার ব্যাচ হলো ২৩,২+৩=৫ এইটা বের করে দেওয়ার জন্যে রবিন ভাইয়াকে থাঙ্কস 🙂
তাহলে পাঁচ কেন আমার প্রিয় সংখ্যা হবে না বলুন তো???
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং নুরেমবার্গ ট্রায়াল/ জেনেভা কনভেনশন
আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর হতে যতবার যুদ্ধাপরাধীর বিচারের কথা শোনা যাছছে ততবার শুনতে হচ্ছে নুরেমবার্গ ট্রায়ালের কথা। নুরেমবার্গ ট্রায়ালের অনুকরণে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা সঙ্গত নয়।কেননা নুরেমবার্গ ট্রায়াল ছিল একটি special tribunal act (IMT, NMT). এছারাও তখন যুদ্ধাপরাধ সাম্পর্কিত কোনো আন্তর্জাতিক আইন ছিলোনা। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পুর্বেই ১৯৪৯ সালে জেনেভা কনভেনশন আন্তর্জাতিকভাবে গৃহিত হয়।