পদ্যাতীত : পুনর্লিখন

(সবার গঠনমূলক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কবিতাটা আবার লিখলাম…)

পড়েনা কবিতা কেউ আজকাল আর,
হোক সেটা সাদামাটা, কিবা জমকালো;
পাতা ভরানোর দায় আজ কবিতার-
‘ইটাবৎ কঠিনেষু’ কিংবা রসালো।
হাতে-পায়ে ধরাধরি, করে সাধাসাধি
দু-চার চরণ ছড়া চলে তবু যদি;
বড়জোর লিমেরিক, তা-ও আধাআধি,
অতিশয় গুরুপাক চতুর্দশপদী!

বিস্তারিত»

সবাই সবাই …

আমাদের এক স্টাফ ছিলেন। কালা রাজ্জাক। তার সব কথার আগে পরে থাকতো “সবাই, সবাই”!! এই যেমন, “সবাই সামনে তাকাও, সবাই সবাই”। আরেকজন ছিলেন জামিল স্টাফ। উনি করতেন ঘেউ ঘেউ। ছুটি শেষে কলেজ প্রত্যাবর্তনের পর প্রথম ফলিন। উনি প্যারেড স্টেট দেওয়ার আগে-“ঘেউ ঘেউউউউ ঘেউউউউউউ, ঘেউউউউউউউউ (তারপর কোমলএবং মেয়েলি স্বরে পড়ুন) ক্যামন আছ সবাই???”

অনেকদিন পর নেট আসলো। নেট কানেক্ট করার পর থেকেই মাথার মধ্যে খালি রাজ্জাক স্টাফ আর জামিল স্টাফের মতো বাজছে,

বিস্তারিত»

যখন আমি বাবার মতো হতে চাই না

বাবাকে আমরা চার ভাই বোন ভয় পেতাম। এমনিতেই দেখা হতো কম, অফিস করতেন। বাসায় আসলে আমরা থাকতাম দূরে দূরে। বাবা এই রুমে তো আমরা দ্রুত অন্য রুমে চলে যেতেন। আমাদের সময় বাবাকে ভয় পাওয়াটাই ছিল রীতি।
সে সময়ে বাবারাও কি ভয়ের সম্পর্ক রাখতে চাইতেন? কখনো কখনো সেটাই মনে হয়। বাবা মানেই গুরুগম্ভীর একজন, বাবা বাসায় থাকা মানেই ফিসফাস কথাবার্তা।
আমার মনে আছে আমি তখন এইটে পড়ি,

বিস্তারিত»

আজ স্বপ্নের দিন

১.
পুরানো কাগজপত্রগুলো গুছাচ্ছিলাম। হঠাৎ কাগজটা চোখে পড়লো, ১২ লাইনের ছোট্ট একখানা কবিতা। আমার খুব প্রিয় একজন মানুষের লেখা। বয়সটা আমার চেয়ে খানিকটা বড়, কিন্তু মনটা বোধহয় বয়সের সাথে পাল্লা দেয়া গাম্ভীর্যের আতিশায্যে আটকা পড়েনি। দেশ ছেড়েছে প্রায় বছর আটেক হলো, আর দেশে ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে পড়েছিল বলে বাংলার সাথে তার সখ্যতাটা সেভাবে গড়ে উঠেনি। কথা ঝরঝরে বাংলাতেই বলেন, কিন্তু লিখতে গেলেই অশনি সংকেত।

বিস্তারিত»

পদ্যাতীত

(আমার ‘বিষাদযোগ’ কবিতায় আদনান ভাইয়ের মন্তব্য হতে অনুপ্রাণিত পঙক্তিমালা…)

পড়েনা কবিতা কেউ আজকাল আর,
কবিতা পড়াটা যেন অহেতুক কাজ।
পাতা ভরানোর দায় আজ কবিতার;
কবি বলতেই লোকে বোঝে ফাঁকিবাজ।
গেলানো যায়না হায় দু’লাইন ছড়া
হাতে-পায়ে ধরাধরি করে সাধাসাধি,
এমন বাজারে চলেনা সনেট পড়া
বড়জোর লিমেরিক, তা-ও আধাআধি!

বিস্তারিত»

হারিয়ে খুজি তারে

কলেজ লাইফের কথা আমার খুব মনে পড়ে।মনে পড়ে কলেজ জীবনের প্রথম দিনটির কথা,কয়েকটি মাসের কঠোর পরিশ্রমের সুখময় পরিসমাপ্তি।আসলে ক্যাডেট কলেজে যদি আমি না যেতাম তাহলে হয়ত জীবনে বোঝাই হতনা বন্ধুত্ব কি?আমার ড্রমলিডার ছিল মাহফুজ ভাই একটু কড়া প্রকৃতির ছিল।আর আমাদের মিফতাহ ছিল একটু আদুরে প্রকৃতির।প্রতি রাতে ও বাসার জন্য কাদত,আর আমি ওর সঙ্গী।
কলেজে সেভেনে শান্তির সময় বলতে ছিল ব্লকে যতটুকু সময় থাকতাম।তাও যদি প্রেপ গার্ড ভাল হয়।আমার বরাবরই মুখচোরা অভ্যাস।আর কলেজ আমার এত খারাপ লাগত যে কারোর সাথে কথাও বলতে ইচ্ছা করত না।প্রেপে সবাই একটু কথা বলত কারণ প্রেপ গার্ড আদনান ভাই খুব ভালো ছিল।তখনও আমি চুপচাপ বসে থাকতাম।আর করতাম কি বাথরূমে যেয়ে কান্নাকাটি।একদিনের কথা আমার টেবিলের সিনিয়র ভাই নকীব ভাই আমাকে কি কারণে খুব বকাঝকা করছে,আমি চুপচাপ কাদছি।হঠাৎ কে যেন পিঠে হাত দিল।

বিস্তারিত»

অসংলগ্ন ভাবনাচিন্তা ………আজাইরা পর্ব

সংবিধিবদ্ধ সতর্কিকরন —– পুরা আজাইরা প্যাচাল।

ছুটিতে যাবার আগে জেরোম কে জেরোমের থ্রী মেন ইন অ্যা বোট পড়ে ব্যাপক মজা পেয়েছিলাম, ভেবেছিলাম ধারাবাহিক অনুবাদ শুরু করে দেবো কিনা। পরে দেখলাম, সেবা প্রকাশনী আর প্রজাপতি প্রকাশনী দুইটা থেকেই ত্রি রত্নের নৌবিহার নামে অনুবাদ করা হয়ে গিয়েছে। আলসেমি করে আর কিছুই লেখা হয়নি। অবশ্য কি নিয়ে লিখবো সেটাও খুজে পাচ্ছিলাম না। আজ দিহান ভাবী লেখার টপিকও ধরিয়ে দিলেন।

বিস্তারিত»

রাজনীতি, সংঘাত ও আর কর্পোরেট ক্রাইম নিয়ে পছন্দের কিছু ছবি

সিনেমা আমি দেখি সব ধরণের। তবে ঘরানা হিসেবে পছন্দ পলিটিক্যাল বা কর্পোরেট ক্রাইম জাতীয় সিনেমা । সত্য ঘটনা অবলম্বনে হলে ভাল হয়। আবার অনেক সময় এমন হয় কাহিনীটা হয়তো বানানো কিন্তু স্থান বা ঘটনাটি হয়তো এরকমই। তালিকা আমার পছন্দের ক্রমানুসারে করা হয়নি। যখন যেটার কথা মনে হয়েছে সেভাবেই তৈরি।

১। মিসিং-১৯৮২ সালের ছবি। পরিচালক গ্রীক পরিচালক গোস্তা গারবাস। জ্যাক লেমন আর সিসি স্পাসেক।

বিস্তারিত»

ভ্রমন ব্লগঃ এইবার কক্সবাজার

গত কিছুদিন আগে আমাদের কলেজের ওয়াহিদ ভাই (৯০-৯৬) একদিন ক্লাবে বল্লেনঃ “ওই কিছুদিন পর একক থেকে আনফিসিয়ালী ট্যুর দিমু। যাবি নাকি?” ট্যুর আবার কখনো মিস করি নাকি? রাজি হইয়া গেলাম সাথে সাথে। মাঝখানে গত সপ্তাহে রাঙ্গামাটি থাকতে আমাদের জিন্নাত ফোন দিয়া কইলো ট্যুর কনফার্ম হইছে। ৩০ তারিখ রাতে যাবো কক্সবাজার। ১ তারিখ রাতে ব্যাক করবো।

ঢাকাতে ব্যাক করে ভুলে গেসিলাম কনফার্ম করতে যে আমি যাবো।

বিস্তারিত»

একজন নগর পরিব্রাজক

এক.
একটা জিনিস আমি অনেক আগে থেকেই খেয়াল করে দেখেছি, সেটা হল, বডি পার্টসের কথা না শুনা। মানে আমি যেটা করতে চাই বা চাই না, আমার কিছু বেয়াদব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ঠিক তার উল্টাটা করে। ধর্মে নাকি আছে শেষ বিচারে এইসব বডি পার্টস তাদের দ্বারা সংঘটিত ঘটনা নিজেরাই বর্ণনা করবে নালিশ হিসেবে। ব্যাপারটা আমার জন্য প্রবল হতাশার হবে কোন সন্দেহ নাই। কারণ একটা জিনিস আমি করতে চাইছিনা,

বিস্তারিত»

পড়বে আমায় মনে

ফাগুন মাসে নীরব রাতে,
দক্ষিণের ওই জানালাতে,
চাঁলতাগাছের ছাঁয়া ঘেঁষে,
জ্যোৎস্না হয়ে রইব বসে।
দেখবে তখন তাদের মাঝে,
আলোছাঁয়ার কারুকাজে,
আলো হয়ে থাকব ঠিকই মিশে।
দুপুরবেলা পুকুরধারে,
হলদেরঙা ঘাসের পরে,
তুমি যখন আসবে ছুটে,
শালুক হয়ে রইব ফুটে;
ভ্রমর এসে গাইবে আমার কানে।
তখন আমায় পড়বে তোমার মনে।
শিমুলগাছে সাঁঝের বেলা,
বাঁদুড় যখন করবে খেলা;

বিস্তারিত»

শব্দসংহিতা

শব্দনাটের রঙ্গশালায় কতই রঙ্গ রোজ দেখা যায়
শব্দ হাসে শব্দ কাঁদে শব্দমাঝে বাদ্য বাজে
যে শব্দ আজ রাজার বেশে কাল সে দেখ রাজ্য হারায়
শব্দবাণে আঘাত হানে শব্দ জ্বলে চোখের তারায়
শব্দনাটের রঙ্গশালায় কতই রঙ্গ রোজ দেখা যায়

বিস্তারিত»

ড্রামের তালে তালে হাইহিলের শব্দ

আমরা যখন ক্যাডেট কলেজে জয়েন করলাম তখন আমাদের ব্যাচে ছিল মোট ৫৬ জন।একমাত্র আমাদেরই চারটি হাউস। তাই প্রতি হাউসে ১৪ জন করে। আমাদের মধ্যে একজন ছিল সাখাওয়াত উল্লাহ জুয়েল। ওর জ়ন্ম কাতারে হওয়ায় আমরা ওকে বাংলাদেশী হিসেবে মানতে নারাজ় ছিলাম। এ নিয়ে টীজ় করতে কার্পণ্য করতাম না। কাতারের এই ছেলেটির বাংলা হাতের লেখা কিন্তূ ছিল অসাধারণ। তাই হাউসের ওয়ালপেপারে ওর লেখা থাকত।নাইন টেনে একবার সাখাওয়াতের প্রাইভেট টিউটরের বাংলা নোট বেশ জনপ্রিয়তা পেল।

বিস্তারিত»