সিলেট এসেছি প্রায় ৩ মাসের কাছাকাছি, কিন্তু কোথাও যাবার সুযোগ করে উঠতে পারছি না । কোর্সের কঠিন সিডিউলে মাথা খারাপ হয়ে যাবার মত অবস্থা, তারপরও ছুটির দিনগুলোতে এদিক সেদিক চলে যাই…অনেক জায়গাতেই এখনও যাওয়া হয় নি, আশা করছি যে কোর্স শেষে সেগুলোও ঘুরে আসব। আসলেই চমৎকার জায়গা এই সিলেট, অনেক চমৎকার চমৎকার জায়গা আছে ঘুরে বেড়ানোর জন্য, যারা এখনও সিলেট আসেন নি একবার ঘুরে যেতে পারেন……
বিস্তারিত»মাথানষ্ট
অনেক দিন ধরে ভাবছি মাঝে মাঝে লিখব। কী লিখব? কোথায় লিখব কিছু বুঝে উঠতে পারছিলাম না। কিন্তু আমার লেখার খুব শখ। শুধু শখ থাকলেই তো হবে না। কারন লেখা একটা শিল্প, যা সবাই পারেনা। আমিও পারিনা। তারপরও জোর করে কিছু লিখবো-এরকম একটা জেদ নিয়া বসলাম। জোর করে ভিতর থেকে কিছু বের করতে পারলাম না। পারার কথাও না। আমি তো আর কামরুল না যে চাইলাম আর লিখে ফেললাম।
বিস্তারিত»সিসিবি কে ঘুরিয়ে আনি নাইজেরিয়ান বিবাহ অনুষ্ঠানে …
আমার এই কামলাগিরির সবচেয়ে বড় পাওনা হল দেশবিদেশের বিভিন্ন জাতের মানুষ ও সংস্ক্বৃতি দেখা । সেই সুযোগ পারত:পক্ষে আমি হাতছাড়া করতে চাই না। আজ আমার এক কলিগের বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। তাই সেজেগুজে রওনা হলাম ট্রেডিশনাল নাইজেরিয়ান বিয়ের আসরে। নাইজেরিয়ানরা স্বভাবতই খুব প্রানোচ্ছল ও হাসিখুশি। বিয়ের আয়োজনও নাইজেরিয়ানদের মতই বর্নময় ও আনন্দমুখর। আমি নিজে খুব উপভোগ করেছি , এমনকি নাইজেরিয়ান দের মতো অংশগ্রহনও করেছি। তার কিছু কিছু মুহুর্ত আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
বিস্তারিত»ওয়াজ ডারউইন রং? … ০২
সবগুলো পর্ব পিডিএফ আকারে পাবার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন।
বিগল যাত্রা থেকে ফিরে আসার প্রায় বাইশ বছর পর, ১৮৫৯ সালে “দ্য অরিজিন অফ স্পেসিজ” বইটি প্রকাশ করেন ডারউইন। দ্যাট বুক রকড দ্য ওয়ার্ল্ড লাইক এ হারিকেন। ৪৯০ পৃষ্ঠার এই বইটিতে ডারউইন মোটা দাগে তিনটি প্রধান দাবির কথা বলেন।
১। জীবনের সৃষ্টি নিকট অতীতে নয়, বরঞ্চ তা এর থেকে অনেক অনেক আগে।
বিস্তারিত»পারিনি বোঝাতে তাকে………
“অশ্রু দিয়ে লেখা এ গান…” গানটি আমার খুবই প্রিয়।এর পেছনে অবশ্য সাবিনা ইয়াসমিনের কোনো হাত নেই,ক্লাস ফোরে স্কুলের প্রোগ্রামে ক্লাসের একটা মেয়ে গানটি গেয়েছিলো।সেই থেকে গানটি ভুলতে পারি না,যখনই শুনি চোখের সামনে
ওই মেয়েটা ভেসে আসে।আমি কেমন আনমনা হয়ে যাই।
মেয়েটার নাম তাসনিমা।আমার ছোট বেলার নায়িকা।অকালপক্কতার সবচেয়ে সেরা উদাহরণ হয়ে সেই বয়সেই মেয়েটার প্রেমে পড়ে গেলাম।যাকে বলে একেবারে সিরিয়াস টাইপের প্রেম।নীল সাদা স্কুল ড্রেসটাতে ওকেই যেন সবচাইতে বেশি মানাতো।সবার জামার রঙ নীল,ওর টা আকাশী,সবাই হাফ শার্ট পড়তো আর ও ফুল শার্ট ফোল্ড করে আসতো,সবাই কেমন ফালতু বোতলে করে পানি আনতো আর ও আনতো চমৎকার একটা ফ্লাস্কে করে…সবকিছুতেই অন্যরকম।আমি দেখি আর মনে মনে কত কিছু ভাবি।
বিস্তারিত»ওয়াজ ডারউইন রং? … ০১
২০০১ এর ফেব্রুয়ারিতে গ্যালাপ পোল (gallup poll) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক হাজার তরুনের টেলিফোন সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। সাক্ষাৎকারে ৪৫ ভাগের বেশি তরুন মত প্রকাশ করেন যে, একজন ঈশ্বর আমাদের সৃষ্টি করেছিলেন আজ থেকে দশ হাজার বছর আগে। এই দশহাজার বছরে মানুষ হয়তো পরিবর্তীত হয়েছে, তবে সেটা খুব সামান্য এবং পরিবর্তনের কারণ কখনই “বিবর্তন” নয়। ৩৭ ভাগ বিবর্তন এবং ঈশ্বরকে একই কক্ষে স্থান দিয়েছেন। তাদের মতে, বিবর্তন জন্মসৃষ্টির একটি স্বর্গীয় প্রক্রিয়া।
বিস্তারিত»সিসিবি : অনুরোধের আসর
আমার সর্বশেষ বন্ধু দিবসের গানের পোস্টে তিনটা গানের অনুরোধ পেয়েছিলাম। দুটো বাংলা আর একটা হিন্দি। গানগুলো খুঁজে বের করতে একটু সময় লাগলো। বিশেষ করে জাফর ইকবালের গানটা।
আদনান চেয়েছিল, জাফর ইকবালের সুখে থেকো ও আমার নন্দিনী। কামরুল চেয়েছিল, একটাই কথা আছে বাংলাতে, মুখ আর বুক বলে একসাথে, সে হলো বন্ধু, বন্ধু আমার। এটা এন্ড্রু কিশোরের গাওয়া বন্ধু আমার চলচ্চিত্রের গান। আর দিহান চেয়েছিল জনপ্রিয় হিন্দি চলচ্চিত্র শোলে‘র গান ইয়ে দোস্তি।
বিস্তারিত»পলিটিক্স
(বানানগুলো ইচ্ছে করেই অন্যরকম লিখলাম, পরীক্ষামূলক আর কি!)
মঞ্চে উঠে মন্ত্রী যখন শুরু কল্লেন গালি
হয়ে গেলো সামনের সব চেয়ারগুলো খালি
এক্কোণে এক বুড়োটে লোক ঠোঁটে নিয়ে বিড়ি
দেখাচ্ছিল মন্ত্রীকে এক মস্তবড় ছড়ি
মন্ত্রী বলে, ‘মূর্খ ওটা, কচ্ছে ভারত-দালালি’
বুড়ো বলে, ‘একাত্তরে পাকিস্তানে পালালি’
ব্যবধান
আমায় হন্যে হয়ে খুঁজে খুঁজে মানুষের ভীড়ে,
হতাশায় ভেজা চোখ ফিরে আসে শূন্যে তোমার।
অথচ তোমায়, কেবলি যে ছুঁয়ে গেল আর্দ্র বাতাস,
আমারি নিঃশ্বাস তাতে অশ্রুর বাষ্পে ছিল মাখা।
তোমার চোখের পরে উল্টানো আকাশের ফ্রেমে,
এলোমেলো মেঘের ধূসর ক্যান্ভাসে আঁকা,
আমার ছবি তুমি পাও নাই খুঁজে কোনদিন।
তোমাতে আমাতে কোনো বিভেদ-সংঘাত নাই,
সুহৃদ বন্ধুতা তবু, রয়ে যায় এই সুক্ষ আঁড়াল।
সিসিবি’টা গল্প: টোকা।
(মজার জন্য লেখা। ফাজলামি করে লেখা। কেউ সিরিয়াসলি নিবেন না আশা করি।)
এক:
চিত্রনায়িকা কুয়েলিকা তার ছিপছিপে দেহে হাসির ঝলক তুলতে তুলতে বলে, “যাহ, কামরুল ভাই!”
পরিচালক কামরুল হাসান জর্দা দেয়া পান মুখে পুরে দিয়ে বিড়ি ধরান। আয়েশ করে একটা টান দিয়ে বলেন, “আরে চিন্তার কিছু নাই। ছেলে আমার ছোট ভাইয়ের মত। ভেরি গুড বয়। এইএইসসিতে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে।”
কুয়েলিকার মুখ লজ্জায় লাল হয়।
বিস্তারিত»ছোটবেলায় লেখা অণুকাব্য
রবীন্দ্রনাথ যে বয়সে জল পড়ে, পাতা নড়ে লিখেছিলেন সে বয়সে আমার কাব্য প্রতিভা রবি ঠাকুরের চাহিতে কিঞ্চিৎ বেশী ছিলো। বছর পরিক্রমায় কবিগুরুর কাব্য প্রতিভা চরমভাবে বিকশিত হইলো, আর আমারটা কালের গর্ভে চিরতরে হারিয়ে গেলো। যাহা হউক, আমার শৈশবের প্রতিভার অল্প কিছু ঝলক একটি খাতায় সংরক্ষিত ছিলো আজ আপনাদের সম্মুখে উপস্হাপন করিতেছি।
বিস্তারিত»উপন্যাস: সবুজ বুড়ি ০১
আমাদের বয়স যখন তেরো থেকে বেশি, চৌদ্দ ছুঁই ছুঁই করছে- তখন একদিন, এক শীতের দিন- দাদীজানের সবুজ রঙের শাড়ীটা চুরি হয়ে গ্যালো।
শীতের ভোরে বেশ আয়েশ করে ঘুমোচ্ছিলাম। লেপমুড়ি দিয়ে, কান ঢেকে, তখনকার ছোট্ট ছোট্ট চুল শুধু লেপের বাইরে রেখে, হয়তোবা জানালার কাছে একেকটা শীতের পাখি এসে ডাকাডাকি করছিল, ঘুম ভাঙানোর জন্য। সে ঘুম ভাঙলো শান্তাতে। লেপ সরিয়ে শান্তা হৈ হৈ করে উঠলো,
বিস্তারিত»ফটোব্লগঃ জাস্ট সেলোগ্রাফী-১৩ (কক্সবাজার ট্যুর)
পদ্যাতীত : পুনর্লিখন
(সবার গঠনমূলক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কবিতাটা আবার লিখলাম…)
পড়েনা কবিতা কেউ আজকাল আর,
হোক সেটা সাদামাটা, কিবা জমকালো;
পাতা ভরানোর দায় আজ কবিতার-
‘ইটাবৎ কঠিনেষু’ কিংবা রসালো।
হাতে-পায়ে ধরাধরি, করে সাধাসাধি
দু-চার চরণ ছড়া চলে তবু যদি;
বড়জোর লিমেরিক, তা-ও আধাআধি,
অতিশয় গুরুপাক চতুর্দশপদী!
সবাই সবাই …
আমাদের এক স্টাফ ছিলেন। কালা রাজ্জাক। তার সব কথার আগে পরে থাকতো “সবাই, সবাই”!! এই যেমন, “সবাই সামনে তাকাও, সবাই সবাই”। আরেকজন ছিলেন জামিল স্টাফ। উনি করতেন ঘেউ ঘেউ। ছুটি শেষে কলেজ প্রত্যাবর্তনের পর প্রথম ফলিন। উনি প্যারেড স্টেট দেওয়ার আগে-“ঘেউ ঘেউউউউ ঘেউউউউউউ, ঘেউউউউউউউউ (তারপর কোমলএবং মেয়েলি স্বরে পড়ুন) ক্যামন আছ সবাই???”
অনেকদিন পর নেট আসলো। নেট কানেক্ট করার পর থেকেই মাথার মধ্যে খালি রাজ্জাক স্টাফ আর জামিল স্টাফের মতো বাজছে,
বিস্তারিত»