পদ্যাতীত : পুনর্লিখন

(সবার গঠনমূলক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কবিতাটা আবার লিখলাম…)

পড়েনা কবিতা কেউ আজকাল আর,
হোক সেটা সাদামাটা, কিবা জমকালো;
পাতা ভরানোর দায় আজ কবিতার-
‘ইটাবৎ কঠিনেষু’ কিংবা রসালো।
হাতে-পায়ে ধরাধরি, করে সাধাসাধি
দু-চার চরণ ছড়া চলে তবু যদি;
বড়জোর লিমেরিক, তা-ও আধাআধি,
অতিশয় গুরুপাক চতুর্দশপদী!

অথচ মানব তুমি ভুলেছ অতীত:
কাব্যযোগে বিকশিল সাহিত্য-সম্ভার;
কতনা অমর গাঁথা, কত কাব্যগীত,
তেজোদ্দীপ্ত কাব্যশক্তি ছিল ক্ষুরধার।
এসব কেবলি স্মৃতি, রোদন বৃথাই
নবযুগে গদ্য বিনে গত্যন্তর নাই।

৩,২০২ বার দেখা হয়েছে

৪৯ টি মন্তব্য : “পদ্যাতীত : পুনর্লিখন”

  1. তাইফুর (৯২-৯৮)

    কবিতা তোমায় দিলাম আজকে ছুটি ...
    ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়
    পূর্নিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি


    পথ ভাবে 'আমি দেব', রথ ভাবে 'আমি',
    মূর্তি ভাবে 'আমি দেব', হাসে অন্তর্যামী॥

    জবাব দিন
  2. তাইফুর (৯২-৯৮)

    সনেটে'র
    a
    b
    a
    b
    a
    b
    b
    a

    c
    d
    c
    d
    c
    d

    মিলে নাই ...
    (মু হা হা ... আমিও সমালোচনা করতে পারি :grr: :grr: )

    বলদগিরী কইরা আবার ধরা না খাই ... 😕


    পথ ভাবে 'আমি দেব', রথ ভাবে 'আমি',
    মূর্তি ভাবে 'আমি দেব', হাসে অন্তর্যামী॥

    জবাব দিন
  3. আন্দালিব (৯৬-০২)

    কবিতা দুটো পাশাপাশি রেখে পড়লাম। পাঠকের মন্তব্যে তোমার এত দ্রুত পুনর্লিখন তোমার কবিতার প্রতি সততা আর একাগ্রতাই প্রকাশ করে।
    ১.কবিতাটা আমার কিন্তু দুইভাবেই ভালো লাগছে। তুমি যা বলতে চেয়েছ, সেটা একটা নির্দিষ্ট ফরম্যাটে বলেছ। সেখানে ভুলচুক হলে, তা ঐ নিয়মের ফেরেই, ঠিক হয়ে যাবে। তবে তারচেয়ে জরুরি বিষয় হলো এই প্রবাহটা ধরে রাখা। কবিতা নিয়ে প্রতিনিয়ত চিন্তা করতে থাকলে অনেক অনেককিছু বের হয়ে আসে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। তোমারও এমন হয় নাকি, সেটা জানিও।
    ২.মাঝে মাঝে লেখা আসবে না, বা আসলেও ছাইপাশ মনে হবে। তারপরেও কোনকিছু ফেলে দেয়ার চিন্তা না করে, রেখে দিও। অনেক সাধারণ বা অনুত্তীর্ণ লেখাও পরে এডিট করে, বদলে ফেলে খুব চমৎকার রচনায় রূপ নিতে পারে।
    ৩. আর সবসময়ে চেষ্টা করবা নিজের তৈরি বলয়টাকে বদলে ফেলার। তা অনেকভাবেই করা যায়, তোমার পছন্দ। তবে লেখক হিসেবে সবসময়ে "ক্লিশে" হয়ে যাবার ভয়টা থাকে। ওটা এড়ানোর সবচেয়ে ভালো উপায় বার বার নিজের স্টাইল, বলার ভঙ্গিটাকে নেড়ে চেড়ে দেখা। এটা করতে করতেই দেখবা নিজস্ব ভাষাভঙ্গি, যেটা সম্পূর্ণই তোমার, দাঁড়িয়ে গেছে।

    কথাগুলো একজন সহকবি হিসেবে বললাম। তোমার মতামত জানিয়ো।

    (তারপর আর খবর কী? এখন কোন ইয়ারে আছো? পড়াশোনার চাপ কেমন?)

    জবাব দিন
    • সৌমিত্র (৯৮-০৪)

      আন্দালিব ভাই, মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
      ১. কবিতা নয়, আসলে যেকোন কিছুই মগজে প্রতিনিয়ত প্রক্রিয়াজাত হতে থাকলে তা থেকে নতুন কিছু বের হয়ে আসতে বাধ্য। এব্যাপারে আমি আপনার সাথে একমত। এমনটা আমারো হয়।
      ২. যথাসম্ভব চেষ্টা করি সবকিছুকে আগলে রাখার, তা আপাতত যতই ছাইপাঁশ মনে হোক না কেন।
      ৩. 'ক্লিশে'র ব্যাপারে আমার অসম্ভব শুচিবাই আছে। মাঝেমধ্যে একারণে ঝামেলাও হয়, স্থির সিদ্ধান্তে আসতে পারিনা। এটা একটা সমস্যা বৈকি।

      (খবর-টবর ভালোই। গতবছর একুশে বইমেলায় আমার একটা বই বেরিয়েছে, 'প্রাণের মাঝে গণিত বাজে', অনুপম প্রকাশনী থেকে। এখন ৫ম বর্ষে আছি। পড়াশোনার চাপ তো আছেই। আজ, অর্থাৎ ৪ আগস্ট ২০০৯, সকালেও একটা পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা ভালো হয়েছে। এই তো!)

      জবাব দিন
      • আন্দালিব (৯৬-০২)

        আরে! তোমার এই বইটা তো মনে হয় অনুপমের স্টলে দেখছিলাম!! 😮 😮
        ইশ, খেয়াল করলে তখনই কিনে ফেলতাম! মিশ, মিশ, বিরাট মিশ! :no:
        ===
        ক্লিশে দূরীকরণ-প্রক্রিয়ায় 'অ'স্থির সিদ্ধান্তের সবচে' বড়ো নমুনা আমি। এমনও আছে, একটা লেখা দুইভাবে লিখেছি, লিখে দুইটাই পোস্ট করেছি পাশাপাশি। তারপরে যাদের মতামতকে গুরুত্ব দেই, তাদের সাথে ক্রমাগত আলোচনা করে একটাকে রেখেছি। এটা আসলে বিক্রিয়ার উপজাত (বা উপ-পাদ 😛 )। তবে শেষ কথা ঐ, যা আসে সেটাই যক্ষের ধন!

        জবাব দিন
  4. রেশাদ (৮৯-৯৫)

    আন্দালিবের বিশ্লেষণ খুব গোছানো।
    সব মিলিয়ে কবিতাটা আমার পছন্দ হয়েছে।
    এবার একটু ডিটেইল...

    "পড়েনা কবিতা কেউ আজকাল আর,
    সাদামাটা হোক সেটা, কিবা জমকালো;"
    প্রথম লাইনের পর দ্বিতীয় লাইনটায় যেতে একটু কষ্ট হয়না? এভাবে কি লেখা যেতোঃ 'হোক সেটা সাদামাটা, কিবা জমকালো;'
    প্রথম লাইনের শেষ যেহেতু ২ সিলেবল এর শব্দ, পরের লাইনের শুরুতে সেটা থাকলে পড়ার ফ্লো টা ঝরঝরে হয়।

    "অথচ মানব তুমি ভুলেছ অতীত:"
    মানব শব্দটা কি অপরিহার্য ছিলো?

    "কতনা অমর গাঁথা, কত কাব্যগীত,
    তেজোদ্দীপ্ত কাব্যশক্তি ছিল ক্ষুরধার।"
    চমৎকার, খুব সুন্দর হয়েছে এই লাইন দুইটা। আচ্ছা পড়ার পর ক্যানো জানি রবীন্দ্রনাথের 'পুরষ্কার' কবিতাটার কথা মনে এলো। হাতের কাছে নাই তাই বুঝতে পারছিনা, কেউ কি আমাকে আলোকিত করবেন?

    "এসব কেবলি স্মৃতি, কেঁদে লাভ নেই,
    লেগেছে যুগের হাওয়া আজ গদ্যেই।"
    শেষটায় অমিল থেকে গেলো, ৮+৬ মিলেনাই। আমি অনেকক্ষণ চিন্তা করেও কিছু বের করতে পারলামনা। আমি নিশ্চিত তুমি পারবে।

    তবু আবার বলি, আন্দালিবের মন্তব্যকে বেশী গুরুত্ব দিও। পুরো কবিতাটা ও এক ঝলকে তুলে আনতে পেরেছে। আমার সিমাবদ্ধতা হলো স্কুলমাস্টারদের মতো আমিও শব্দ থেকে শব্দে যাই, পুরো ভাব বুঝি পরে। তাই আমার মন্তব্যও সেরকমই হয়ে যায়।

    :hatsoff: :hatsoff:

    জবাব দিন
    • সৌমিত্র (৯৮-০৪)

      ধন্যবাদ রেশাদ ভাই।

      ফ্লো ধরে রাখার ব্যাপারে আপনার সহজ প্র্যাক্টিক্যাল সলিউশনটা আমার বেশ পছন্দ হয়েছে।

      মানব শব্দটাকে আমার কাছে মানুষ-এর চেয়ে বেশি অর্থদ্যোতক মনে হয়েছে, যদিও দুটোর অর্থবাচকতা একই। মানব ব্যবহার করলে সিরিয়াস ভাবটা এক্ষেত্রে যেন আরো ভালো করে প্রকাশ পাচ্ছে বলে আমার ধারণা।

      শেষ দুলাইন পাল্টাতে মন চাইছে না, যদিও ৮+৬ গরমিল আছে সত্যি। তারপরও দেখি কিছু বের করতে পারি কিনা।

      জবাব দিন
    • সৌমিত্র (৯৮-০৪)

      শেষ দুলাইন এরকম হলে কেমন হয়:

      এসব কেবলি স্মৃতি, রোদন বৃথাই
      নবযুগে গদ্য বিনে, গত্যন্তর নাই।

      ৮+৬ মাত্রাবিন্যাস মিললো বটে কিন্ত অদ্ভূত শোনাচ্ছে, তাই না? :-/

      জবাব দিন
    • সৌমিত্র (৯৮-০৪)

      রবীন্দ্রনাথের 'পুরস্কার' কবিতার কোন অংশের কথা মনে পড়ছে রেশাদ ভাই?

      না পারে বুঝাতে, আপনি না বুঝে
      মানুষ ফিরিছে কথা খুঁজে খুঁজে-
      কোকিল যেমন পঞ্চমে কূজে
      মাগিছে তেমনি সুর।

      নাকি...

      কিছু ঘুচাইব সেই ব্যাকুলতা,
      কিছু মিটাইব প্রকাশের ব্যথা,
      বিদায়ের আগে দু-চারিটা কথা
      রেখে যাব সুমধুর।

      আমি আর কিছু তো পাচ্ছি না মিলে যাওয়ার মতো!

      জবাব দিন
  5. তৌফিক (৯৬-০২)

    কবিতা নিয়া কথা নাই, ভালো লাগছে। এর বেশি কিছু বলার গরিমা নাই। 🙁

    কাব্য সমালোচক রেশাদ ভাইরে নিয়া আছে, উনি বেশ বিদগ্ধ লোক বোঝা যায়। বয়েসকালে বা এখনো যে কবিতা লেখেন না, উনি দিব্যি দিয়া বলতে পারবেন না। মাত্রই উনার প্রোফাইলে দেখে আসলাম ব্লগ লিখেছেন শূণ্যটা। এই অবিচারের বিচার চাই। লাবলু ভাই, আপনার কাছে বিচার চাই। :grr:

    জবাব দিন
  6. তৌফিক (৯৬-০২)

    কবিতা পইড়া মাঝে মধ্যে আবৃত্তি করার ইচ্ছা করে। রেকর্ড করার পর মনে হয় আবৃত্তির স্বরস্বতী (নো পান ইনটেনডেড 😛 ) আমারে ছাইড়া চইলা গেছে।

    আমাদের কলেজের শুভেন্দু মনে হয় ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আছে। পোলাটা ভালো তবলা বাজায়। আমাদের লিডিং-এ ৪x৪০০ রিলেতে এই ছেলেটার দৌড় এখনো মনে আছে। কি স্পিরিটেড আর আপলিফটিং দৌড় ছিল একটা। (বাংলা শব্দভান্ডার চর্চার অভাবে সংকুচিত হয়ে আসতেছে, দেশে গেলে বেশ কয়েকটা রচনাসমগ্র নিয়া আসব। টম ক্ল্যান্সির মায়েরে বাপ 😡 )

    জবাব দিন
  7. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    ভাইরে,
    আমি তো এত ভালো কবিতা বুঝিনা।
    সনেট বা ছন্দের জটিল মারপ্যাঁচ থেকে শতহস্ত দূরে থাকি।
    পুনর্লিখনের কথা যদি বলো, তো বলবো,
    এক্সারসাইজের অংশ হিসেবে ঠিক আছে।
    কিন্তু আমি দুটো লেখার মধ্যে তেমন ভেদ খুঁজে পেলামনা।
    একটি অবয়ব হিসেবে আমি নারীর মধ্যে
    যেমন খুঁজবো চোখ, চাহনি কিংবা কাজলের টানটুকু,
    তেমনি কবিতার মধ্যেও হয়তো চাইবো
    অমন কোন সুক্ষ্ম আবেদন।
    পাশাপাশি রেখে দুটো লেখা (বা একই লেখার দুটো রূপ) পড়তে আমি স্বস্তি পাচ্ছিনা জানো।
    প্রথমবার পড়ে যেটুকু রসাস্বাদন করতে পারছিলাম, পরেরবার তা আর পারলামনা।
    একই ভাবের একটি নোট পড়ে যে রেশ থেকে যায়,
    পুনর্লিখন তাকে মিলিয়ে দিতে চায় যেনো।
    জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন- এর যদি আরেকটা পাঠ পাই
    তবে আসলে তুলনা করতে বসে যাবো কোনটি বেশী ভালো।
    কাব্য কি আর উপভোগ করতে পারবো?
    ভালো হবার পাশাপাশি যে কোন 'নোট'-এর
    অনন্যতাও তো থাকা চাই।
    কিছুদিন একপাশে রেখে দিলে এই লেখাটি নিজে
    থেকেই আরো পরিণত হবার দাবী জানাবে।
    তখন পরিবর্তন কোরো না হয় আরো!
    কেবল একজন মামুলি পাঠক
    হিসেবে জানালাম আমার কল্পনাবোধ
    একটু হোঁচট খেলো এই 'পুনর্লিখন'- এ এসে।
    প্রথমপাঠের আমেজ থেকে বেরুতে আমি অস্বীকৃতি জানাচ্ছি।

    জবাব দিন
  8. শার্লী (১৯৯৯-২০০৫)

    আমি নূপুর ভাইয়ের সাথে সহমত প্রকাশ করছি। আপনার কবিতার সমালোচনা করেছি যাতে আপনি ভবিষ্যতে আরও ভালো কবিতা আমাদের উপহার দেন সেজন্য। কবিতার রসাস্বাদনই যদি মূল ব্যাপার হয়ে থাকে(আমার কাছে অবশ্যই) তবে কবিতাকে পূনর্লিখনের মাধ্যমে তুলনার জন্যে তুলাদণ্ডে তুলে দেয়াটা পাঠককে(আমাকে) বিপদের মাঝে ফেলে দেয়ার মতই হয়ে যায়। কবিতাকে বিজ্ঞান বলা যায় না(আমার মত)। তাই এর মাণদণ্ড বের করা বড়ই অসম্ভব একটা কাজ। তাই একই কাব্য একজনের কাছে ভালো অন্য জনের কাছে মন্দ লাগতেই পারে। কিন্তু একই কবিতা যা প্রথম পঠনে হৃদয় ছুতে পারে নি তাকে পূনর্লিখনের পরও মনে ধরানো আমার জন্য কষ্টকর একটা কাজ। এত কথার মোদ্দা কথা, একই কবিতাকে দুইভাবে পড়ে মূল্যায়ন করা অসম্ভব প্রায় কাজ(আমার জন্য)।

    জবাব দিন
  9. সৌমিত্র (৯৮-০৪)

    আসলে পুনর্লিখনের মাধ্যমে আমি নতুন আবেদন সৃষ্টি করতে চাইনি, বরং আবেদন একই রেখে ছন্দ সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে চেয়েছি মাত্র। তাই এই পুনর্লিখনে নব-কাব্য-রস খুঁজতে যাওয়া বৃথা। কেননা এটা একটা অনুশীলন মাত্র যেখানে শুধুমাত্র গঠনগত বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    জবাব দিন
  10. মনসুর আহমেদ (৯৪-০০)

    সবাই কে খুশি করা কি কবির কাজ ,নাকি নিজে কে খুশি করা? যেমন আমি সনেট বেপারটাকেই পছন্দ করি না,তাই বলে কি তুমি সনেট লিখা ছেড়ে দিবে?তাই বলে কি সনেট এর আবেদন কমে যাবে? আমার কাছে সনেটকে কবিতার চেয়ে অনেক বেশি গনিত মনে হয়, কবির ভাবও কিভাবে সংখা, মাত্রা মিলিয়ে বেরয় এটা আমার কাছে এক অপার বিস্ময়!
    ভাই সৌমিত্র আমাদের সমালোচনায় তুমি যে রকম প্রতিক্রিয়া দেখালে এখন তো তোমার লেখায় কিছু লিখতেও ভয় লাগে 🙁 🙁

    জবাব দিন
  11. মনসুর আহমেদ (৯৪-০০)

    আলোচনা ও সমালোচনার বাইরে একটা কথা , গতকাল আমার এক বন্ধু আবৃত্তি করবার জন্য আমার পছন্দের একটা কবিতা চাইলো,আমি বিনা দ্বিধায় তোমার বিষাদযোগ কবিতাটার নাম বলে দিলাম, সত্যি আমার অসাধারন লেগেছে।

    জবাব দিন
  12. রেশাদ (৮৯-৯৫)

    পুনর্লিখন বিষয়ে আমার মনে হয় শব্দটা আসলে পুনর্গঠন হলে বেশী ঠিক হতো।
    আর আমি মানি, পুরোনো কিছু নতুন করে গড়তে গেলে কিছুটা পালটে যাবেই।
    কবিতায় ভাবটুকু পুরোপুরি একই রকম আছে, কিন্তু ভাবনাটুকু পালটে গেলোনা? এটাই হয়তো কবিতাকে আরো পরিশীলিত করেছে, এটাই দরকার ছিলো।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।