
আমার পাপ আর বিধাতার করুনা
আগামী পূর্ণিমায় আমার পাপমোচন হবে
……………………………………………
…অয়োময় ও যাভিয়েরকে….
১.
শ্যাওড়া গাছের পেত্নী কয়
আয় কাছে আয় অয়োময়
করমু তোরে বিয়া,
অবাক পোলা চাইয়্যা রয়
পেত্নী হলেও মন্দ নয়
দেখতে বড়ই “ইয়া”.. :shy: :shy:
অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (শেষ পর্ব)
-ওয়াহিদা নূর আফজা
এদিকে বদলীপ্রাপ্ত সব পাকা চুলের স্যারদের মধ্যে শুধু একজন ছিলেন বয়সে তরুন। উনি রসের বিষয় রসায়ন পড়াতেন। স্যার প্রথম ক্লাস শেষ করে চলে যাওয়ার পর আমরা মেয়েরা ক্লাসে দু ভাগে বিভক্ত হয়ে গেলাম। একদল বলছে উনার গোফ আছে আরেকদল বলছে নেই। আসল সত্যটা জানার জন্য দুদল থেকে দু প্রতিনিধি পলি আর নিলা স্যারের পিছু নিল।
বিস্তারিত»অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (১ম পর্ব)
-ওয়াহিদা নূর আফজা
ক্যাডেট কলেজে আমার তিন বছরের জুনিয়র সেলিনা একদিন এই ব্লগটার সন্ধান দিল। সেই সাথে লিঙ্ক পেলাম ক্যাডেটদের লেখা প্রথম ই-বুকের। প্রথমে ই-বুকটা খুলে পড়তে বসলাম। লেখক যদি ধরে না রাখতে পারেন তবে কোনকিছু এখন আর শেষ পর্যন্ত পড়া হয়ে উঠেনা। অথচ এই ই-বুকটাতে চোখ এমনই আটকে গেল যে রাত প্রায় ভোর হবার উপক্রম।
বিস্তারিত»ফ্ল্যাশব্যাক !
এক হ্যাচকা টানে
তড়িঘড়ি করে সব কিছুই
উল্টো দিকে দৌড়াতে লাগলো।
শিল্পীর সদ্য আঁকা ক্যানভাস
প্রিয় কবির লেখা ভর্তি খাতা
শিক্ষকের তুখোড় লেকচার

কুইনাইন।
আপনাদেরকে আমি আজ আমার জীবনে দেখা এমন কয়েকটি কাহিনী শোনাবো যা আমি এপর্যন্ত গল্প বা আড্ডার ছলেও খুব একটা কাউকে বলিনি। আমার এ বক্তব্যটা আবার একটু স্ববিরোধী হয়ে গেল না তো? বলতে পারেন, ‘খুব একটা কাউকে বলিনি’ এমন গোপন কাহিনী আবার এমন জনসমক্ষে বলার দরকারটা কি? না, বিষয়টা তেমন গোপন কিছু নয়, আমার বা আমাদের পরিচিত কারো একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপারও না। ঘটনাগুলো এমন যে আমাদের চোখের সামনেই অনেক সময় ঘটে যাবার পরেও বা নিজের কানে শোনার পরেও ঠিক বিশ্বাস করতে মন চায় না।
মোবাইল এ হঠাৎ SMS আসার শব্দ। SMS টা পরতে লাগলাম
” দোস্ত, কেমন আছিস ? অনেকদিন তোদেরকে দেখিনা। খুব দেখতে ইচ্ছা করে। আমার একটু খারাপ সময় যাচ্ছে, তাই তোদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারিনা… ঠিক হয়ে গেলেই আমাকে পাবি… দোয়া করিস আর অনেক ভাল থাকিস…”
চোখে পানি এসে গেল। খারাপ লাগতে লাগল খুব। কেমনে ভুলি তোদের ?
বিমএ থেকে যখন ফোন দিস।
বিস্তারিত»The greatest enemy of knowledge is not ignorance, it is the illusion of knowledge. – স্টিফেন হকিং
এই একটি বাক্যের মধ্যেই এমন অনেক কিছু ফুটে উঠে যা এই বিশ্বায়ন এবং মিডিয়ার যুগে খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বায়নের কারণে প্রতিটি দেশ যেমন পরস্পরের সাথে জড়িয়ে পড়ছে, তেমনি মহাশক্তিগুলোর দৌর্দণ্ড প্রতাপে মাফিয়া বা গ্যাং সন্ত্রাসের বদলে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের জন্ম হচ্ছে। এই সন্ত্রাস এত সুন্দর মুখোশ পরে থাকে যে আমরা তার নগ্ন সম্রাজ্যবাদী এবং ফ্যাসিবাদী রূপটা দেখতে পাই না।
বিস্তারিত»সেটঃ আউটডোর
ক্ষুদিরাম এর অনুপস্থিতিতে
ক্ষুধিত রাম এ সয়লাব দেশটা।
সবাই স্ব-প্রেম এর কথা বলে;
দেশপ্রেম কেবল দূরেই থাকে !
এভাবেই চলছে সময়ের চাকা
অহেতুক ফাঁকা বুলির তামাশা।
সেটঃ ইন ডোর
সবুজ জমিনে জমছে তাজা বারুদ
লাল পাড় এ স্ফূলিঙ্গের অপেক্ষা।
ডিসক্লেইমারঃ আমি নারী বিদ্বেষী নই মোটেও …
ইভ টিজিং নিয়ে অনেক কথা হয়, পত্র-পত্রিকা-তে লেখালেখিও হয় প্রচুর। কিন্তু এ্যাডাম টিজিং নিয়ে এ জীবনে কাউকে কিছু লিখতে বা বলতে শুনলাম না। এ্যাডাম টিজিং শব্দটা ডিকশনারী-তে আছে কিনা তাতেও অবশ্য আমার সন্দেহ আছে। না থাকারই কথা। একেতো ডিকশনারী নিজে নারী, তার উপর আবার পূরুষ শাসিত সমাজে এই শব্দ চালু হলে পূরুষের দূর্বলতা প্রাকাশ পায়। ‘আমি টিজায়িত হইয়াছি’ বলে চিক্কুর দিয়ে আদতে নিজের দূর্বলতা প্রকাশ করা আর যার হোক পূরুষের শোভা পায় না।
বিস্তারিত»ভালোবাসা শিখবো বলে
মেয়েটির কাছে গিয়ে
চুম্বন শিখি
ছল শিখি,
সংগম শিখি
ভালোবাসাই বাকী রয়ে যায়…
১.
বাসা থেকে এক দৌড়ে বের হয় সাজিদ। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকেই অপেক্ষা করছিল কখন আব্বু অফিস যাবে। স্কুলে গ্রীষ্মের ছুটি চলছে। আম্মুকে সে থোড়াই পাত্তা দেয়। শুধু আব্বু যখন বাসায় থাকে তখন একটু বাঁদরামিতে লাগাম থাকে। নইলে সারাদিন খালি টো টো করে ঘোরা। মফস্বলে থাকা বলে ঘোরার যায়গার অভাব নেই। বাসা থেকে দু’পা বেরোলেই অজানার হাতছানি।
আজকে বেশি দূরে যাবার ইচ্ছে নেই।
বিস্তারিত»প্রথম পর্ব ।। দ্বিতীয় পর্ব ।। তৃতীয় পর্ব ।। চতৃর্থ পর্ব
ফৌজদারহাটে গিয়ে আমি সারা দেশ-বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হলাম। বাসা থেকে আসা চিঠি আর মাসে একবার প্যারেন্টস ডে’র সুযোগে বাবা-মা-ভাই-বোন-স্বজনদের কারো কারো সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ ছাড়া বাইরের দুনিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের আর কোনো পথ নেই। এইসব যোগাযোগ নিয়ে যে ওই সময় খুব আগ্রহী ছিলাম এমনও নয়।
বিস্তারিত»ফুটবল মৌসুম শুরু হয়ে গেছে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ শুরু হয়ে যাচ্ছে এই সপ্তাহেই। অনেক জল্পনা আর কল্পনা সমর্থকদের মনে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ছাড়া পারবে কি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবার; লিভারপুলের ২০ বছরের প্রতীক্ষা কি শেষ হবে; নাকি আগামী বছর মে মাসে নতুন এক চ্যাম্পিওনের দেখা মিলবে। ম্যানচেস্টার সিটি কি পারবে আর্সেনালকে গুঁতো দিয়ে নামিয়ে দিয়ে চ্যাম্পিওন্স লীগে খেলতে। আর কারাই বা রেলিগেটেড হবে। অবশ্য বাংলাদেশে কেউ রেলিগেশন নিয়ে চিন্তিত না!
বিস্তারিত»