একদিনের ম্যাচের সর্বোচ্চ পাঁচটি ব্যাক্তিগত ইনিংস

ক্রিস কভেন্ট্রি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপরাজিত ১৯৪ রান করে একদিনের ম্যাচের সর্বোচ্চ ব্যাক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডবুকে সহবস্থান করছেন পাকিস্তানের সাঈদ আনোয়ারের সাথে। কিন্তু্ তামিমের সেঞ্চুরিতে শেষ হাসি বাংলাদেশের ।দীর্ঘ এক যুগ পর আবারো আলোচনায় সাঈদ আনোয়ারের ১৯৪,সেই ধারাবাহিকতাতেই থাকছে একদিনের ম্যাচের সর্বোচ্চ পাঁচটি ব্যাক্তিগত ইনিংসের কথা।
১. চার্লস কভেন্ট্রি- ১৯৪* (১৫৬বল, ১৬x৪,৭x৬)- ২৬ বছর বয়সী চার্লস কেভিন কভেন্ট্রি’র ১৪ ম্যাচের ওডিআই ক্যারিয়ারের সেঞ্চুরি ছিলো না একটিও!

বিস্তারিত»

অভিনন্দন পোস্টঃ নরকবাসীর স্বর্গসম সাফল্য

এই ব্লগের নীলপদ্ম আমার খুব প্রিয় একজন বড়ভাই।আমার মতই খুলনায় বাড়ি এই মানুষটিকে আমি খুবই ভালা পাই।আর নরকবাস ১,২ পড়ার পর লেখক হিসেবে উনার বলিষ্ঠতা সম্পর্কে মোটামুটি আমরা সবাই নিঃসন্দেহ।কিন্তু সমস্যা হইল উনার এত্ত ভাল লেখার ফলে আমরা যারা পাতি ব্লগার তারা অতীব হিংসায় হিংসিত হয়ে কিভাবে উনাকে একটু “বাটে” ফেলা যায় সেই সুযোগ খুঁজছিলাম।”বান্দা যা চায় আল্লাহ তাকে তা দেন” এই অমোঘ বানী প্রমান করতে সেই সুযোগ মিলেও গেল।নিচের সংবাদটা দেখুনঃ

পুলিশ সপ্তাহ-২০০৮ উপলক্ষ্যে ২০০৭ সালে পুলিশ ও র‌্যাবের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে আইন-শৃংখলা রক্ষার বিভিন্ন বিভাগে প্রতিযোগীতায় সাফল্যের পুরস্কার বিতরণ এবং ২০০৭ সালে ব্যক্তিগত প্রশংসনীয় ভালো কাজের স্বীকৃতী স্বরুপ বাংলাদেশের পুলিশের আইজিপি পুলিশ ও ৠাবের ৬৮ জন সদস্যকে আইজিপির এক্সম্পেলারী গুড ব্যাজ প্রদান করেন

আইজিপির এক্সম্পেলারী গুড ব্যাজ প্রাপ্ত ১৭ জন র‌্যাব সদস্যরা হলেনঃ

ক্যাটাগরী এ

(১) লেঃ কমান্ডার মোগাম্মদ মাহতাব আলী,

বিস্তারিত»

গল্পের খোঁজে

খটখট-খটাখট, কী-বোর্ডে আঙ্গুল চলছে বারবার। চারিদিকে আর কোন শব্দ নেই, আর কেউ নেই। সব ঘুম,
জেগে আছি শুধু আমি। লেখাটা আজকেই শেষ করতে হবে। কিন্তু সামনে এগোচ্ছে না কিছুই। যতই কী-বোর্ডে ঝড় তুলছি ততই বেকস্পেসে চাপ পরছে। কালকেই ম্যাগজিনের জন্য গল্প জমা দেবার শেষ তারিখ। বুঝে উঠতে পারছি না কিছুই কারণ রাত শেষ হতে বেশী বাকী নেই কিন্তু গল্পের এখনো অনেক বাকী।

সন্ধ্যায় মাথায় আসা গল্পের প্লটটা দারুন।

বিস্তারিত»

রকিমুন্নেসা ম্যাডামের সর্বশেষ সংবাদ

(লেখাটা মন্তব্যে দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু অনেক বড় হয়ে যাওয়ায় পোস্ট আকারে দিলাম-আশা করি সবাই নিজগুনে ক্ষমা করে দেবেন)

প্রিয় সেলিনা আপু এবং অন্যান্য ভাইবোনেরা,

আজ প্রায় আধা ঘন্টা ম্যাডামের সাথে কথা হল।সেলিনা আপুর কথা বলতেই সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলেন-“সেলিনা আমার অসম্ভব প্রিয় একজন ক্যাডেট”। আমার সাথে উনার শেষ দেখা ক্লাস টেনে থাকতে,এর পর তিনি বদলি হয়ে চলে যান।অবাক ব্যাপার কি জানেন?আমি আমার নাম বলা মাত্র তিনি আমার পুরো পরিবারের কথা গড়্গড় করে বলে দিলেন-আমরা যে তখন চট্টগ্রামে থাকতাম,বাবা বন বিভাগে চাকরি করতেন-আমার এক চাচাতো বোন মগকক তে পড়তেন…সবকিছু,সবকিছু।সেই সাথে আদনানের কথাও বললেন-ও যে গানটা গেয়ে আইসিসিতে মেডেল পেয়েছিল সেটা যে উনার পছন্দ করা এ কথাটি খুব গর্বের সাথে উল্লেখ করলেন।আমি জিজ্ঞাসা করলাম-ম্যাডাম,কিভাবে মনে রেখেন এতকিছু?উনি হেসে বললেন-কখনো শুনেছ যে মায়েরা তার সন্তানদের কথা ভুলে যায়?

বিস্তারিত»

আমাদের বাঁশিওয়ালা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

মানুষটাকে কাছ থেকে দেখেছিলাম দু’তিনবার। আকাশের মতো এমন বিশাল এক মানুষ। এমন সিংহহৃদয় মানুষ, আমাদের জাতির জীবনে একজনই এসেছিলেন। কিছুটা নিজের ক্যারিশমা, কিছুটা সাহস আর বাকিটা সময়- তাকে করে তুলেছিল এই জনপদের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতায়। মানুষকে ভীষণ বিশ্বাস করতেন তিনি। হয়তো রবীন্দ্রনাথের মতোই মনে করতেন, ‘মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ।’

এই বাঁশিওয়ালা আমাদের নিয়ে গিয়েছিলেন মুক্তি সংগ্রামে, বাঙালি জাতির মুক্তির যুদ্ধে।

বিস্তারিত»

রূপবিলাস (শেষ)


৭.
টেবিলটা খালি পরে আছে, সাথে চেয়ারটাও। মানুষটা নেই। সকাল থেকে ফোনগুলো সৌরভ-ই
ধরছে। বিরক্তিকর কাজ। বারকয়েক তার ইচ্ছে হয়েছে ফোনটা ছুড়ে ফেলে দিতে কিংবা তার ছিঁড়ে
ফেলতে। দীঘি এত ধৈর্য্য কোথায় পায় বুঝে না সৌরভ। দীঘি আজ আসেনি, ফোন করেছিল অসুস্থ । সেদিনও কত চটপটে ছিল, এক রাতের মধ্যেই কি এমন হয়ে গেল!

বিস্তারিত»

বৃষ্টি-৬

গ্রীলে এসে থমকে যাওয়া
উত্তল এই বৃষ্টি-বিন্দুর পেটে
সমস্ত শহর
উল্টো লটকে গিয়ে
দু’জনে আজ মুখোমুখি
বর্ষার বিকেলে।

বিস্তারিত»

সেই রাত্রির কল্পকাহিনী

এই কবিতাটা পড়ার আগে আমি এটার আবৃত্তি শুনেছিলাম, শিমুল মুস্তাফার কন্ঠে। এখনো মনে আছে, একবার শুনেই স্তব্ধ হয়ে বসেছিলাম কিছুক্ষণ। প্রচন্ড অপরাধবোধ আর লজ্জায় আমার নিজেকে খুব ছোট মনে হচ্ছিলো। খুঁজে বের করে কবিতাটা পড়ার সাহস হচ্ছিলো না। কিন্তু তারপরও পড়েছি, নিজেকে ধিক্কার দেবার জন্যে বইটা কিনে এনে কবিতাটা খুঁজে বের করে পড়েছি। একবার, বারবার।

বিস্তারিত»

অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (শেষ হইয়াও হইলো না শেষ)

অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (শেষ হইয়াও হইলো না শেষ)
-ওয়াহিদা নূর আফজা

বানরের থেকে আমার পার্থক্য খুব একটা বেশি না। বানরের কোমরে দড়ি বেধে ঘুংগুর বাজিয়ে কেউ তাকে নাচতে বললে সে যেমন নাচতে শুরু করবে ঠিক তেমনি আমাকেও কেউ যদি বাহবা দিয়ে সমুদ্রে ঝাপ দিতে বলে আমিও কিছু না বুঝে অতি উৎসাহে তাই করতে যাব। এই যেমন আবার স্মতিচারণ নিয়ে বসা।

বিস্তারিত»

নরকবাস ২ – পুরুষ মানুষ

একটি কৌতুকের মতো।
ক্লাস নাইনের গরমের ছুটিতে আক্‌লিমা গেল তার ছোট খালার বাড়িতে বেড়াতে। ছোট খালা-খালু দুজনই তাকে নিজের মেয়ের মত আদর করে। বিশেষ করে খালুজান তো তার সাথে ‘মা’ ছাড়া কোন কথাই বলে না। খালার বিশাল বাড়িতে আক্‌লিমা একা এক ঘরেই ঘুমাতো। একদিন ঘুমের ঘোরে আক্‌লিমা স্বপ্ন দেখলো যে একটা গোখ্‌রা সাপ কিলবিল করে তার শরীর বেয়ে উঠে গলায় পেঁচাতে চাইছে। এরকম বিশ্রী একটা দুঃস্বপ্ন দেখে ভয়ে ঘুম ভেঙ্গে ধড়ফড় করে উঠতে যেতেই সে টের পেল যে স্বপ্নে নয়,

বিস্তারিত»

গল্পঃ অবলম্বন

“চোখে পানি আসলে কী দিয়ে মুছেন?”

এ প্রশ্ন শুনলে প্রশ্নকর্তার দিকে তাকাতে হয়। প্রায় বৃদ্ধ একজন মানুষ। পরনে আধ ছেঁড়া পাঞ্জাবী, ঢোলা পায়জামা। শীত নেই তবুও কানে মাফলারের মতন করে একটা গামছা জড়ানো। গায়ে এলোমেলো ভাবে নেতিয়ে যাওয়া একটা চাদর বিছানো রয়েছে। কাঁধে বাজারের থলির মতন একটা ব্যাগ। বৃদ্ধ রয়ে যাওয়া কয়েকটা দাঁত সম্বল করে আমার দিকে তাকিয়ে হাসেন। যাবো যাবো বিকেলের আলোয়,

বিস্তারিত»

রকিমুন্নেসা ম্যাডাম

রকিমুন্নেসা ম্যাডাম ছিলেন আমাদের ফর্ম টিচার। ভীষণ জাঁদরেল। ম্যাডামের হাউস এবং ফর্ম ফিলিংস আমাদের ক্যাডেটদের কাছাকাছিই ছিল।তার ফল ভোগ করতে হত আমাদেরকে, আমরা প্রতিদিন বকা (ম,গ,ক,ক তে বকাই ছিল, মারামারির গল্প আমি সামিয়ার লেখাতেই প্রথম পড়ি) খেতাম আগের দিনের করা এবং পরের দিনের না করা কাজের জন্য অগ্রীম। (একারণে ‘খ’ শাখার, বেজোড় ক্যাডেট নম্বরধারীদেরকে আমি একটু একটু হিংসা করতাম কারণ ওদের ফর্ম টিচার হতেন মজার মানুষগুলো।) ম্যাডাম খেলাধূলাতেও বেশ ভালো ছিলেন,

বিস্তারিত»

পেত্নী আছর…!!

…অয়োময় ও যাভিয়েরকে….

১.
শ্যাওড়া গাছের পেত্নী কয়
আয় কাছে আয় অয়োময়
করমু তোরে বিয়া,
অবাক পোলা চাইয়্যা রয়
পেত্নী হলেও মন্দ নয়
দেখতে বড়ই “ইয়া”.. :shy: :shy:

বিস্তারিত»

অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (শেষ পর্ব)

অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (শেষ পর্ব)
-ওয়াহিদা নূর আফজা

এদিকে বদলীপ্রাপ্ত সব পাকা চুলের স্যারদের মধ্যে শুধু একজন ছিলেন বয়সে তরুন। উনি রসের বিষয় রসায়ন পড়াতেন। স্যার প্রথম ক্লাস শেষ করে চলে যাওয়ার পর আমরা মেয়েরা ক্লাসে দু ভাগে বিভক্ত হয়ে গেলাম। একদল বলছে উনার গোফ আছে আরেকদল বলছে নেই। আসল সত্যটা জানার জন্য দুদল থেকে দু প্রতিনিধি পলি আর নিলা স্যারের পিছু নিল।

বিস্তারিত»